ছাত্রলীগ
বাকৃবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নতুন কমিটি, ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নতুন কমিটি প্রকাশিত হয়েছে। ওই কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। একই সঙ্গে কমিটি প্রত্যাখ্যান করে ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে শাখা ছাত্রশিবির ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফন্টের নেতারা। নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম ক্যাম্পাসে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনগুলো।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আগামী এক বছরের জন্য নতুন ওই কমিটি প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ইমরান সিদ্দিকী প্রান্তকে সভাপতি, মো. মুইন নাদিম আল মুন্নাকে সাধারণ সম্পাদক, মাহফুজ হক অভিকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তামিম মাহমুদ আকাশকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। সহ-সভাপতি পদে রাখা রয়েছে মো. রাকিবুল ইসলাম, মো. মেহেদী হাসান, শাহরিয়ার খন্দকার ও মো. খালেদ হাসান।
এই ঘটনায় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রদল। এতে শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক এ এম শোয়াইবসহ বিভিন্ন হলের শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান বলেন, ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ বাকৃবিতে নতুন কমিটি দিয়েছে। যদিও তাদের কোনো প্রকাশ্য রাজনৈতিক কার্যক্রম দৃশ্যমান নেই। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এ সংগঠনের যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিহত করতে বদ্ধপরিকর। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রতি সম্মান রেখে ক্যাম্পাসে এ সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
এ এম শোয়াইব বলেন, যেহেতু তারা একটি নিষিদ্ধ সংগঠন তাদের কর্মকাণ্ডের কোনো বৈধতা নেই। কমিটির প্রায় সবাই ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত। কেউ ঢাকায় থাকে, কেউ আছে বিদেশে, কেউ কক্সবাজার কিংবা কেউ তার নিজ নিজ এলাকায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ক্যাম্পাসের আশপাশের যে এলাকাগুলো আছে, সেখানেও কেউ থাকে না। এটি একটি ভার্চুয়াল কমিটি। এই কমিটি আদৌ ক্যাম্পাসে কোনোদিন আসতে পারবে কি না, তার কোনো ভিত্তি নেই এবং এটি ভার্চুয়ালিই থাকবে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, তারা (ছাত্রলীগ) ক্যাম্পাসে আসার দুঃসাহস দেখাবে না। এই পলাতক কমিটির ব্যানারে যদি বাকৃবি ক্যাম্পাসে পুনরায় কোনো ধরনের অপতৎপরতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়, তবে বাকৃবি ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তা কঠোর হস্তে প্রতিহত করবে।
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মঈন বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির প্রেক্ষাপট ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব বদলে গেছে। বর্তমান বাংলাদেশে ছাত্রলীগ রাজনীতি করার অধিকার হারিয়েছে। নতুন করে তাদের কমিটি বর্তমান প্রজন্মকে প্রভাবিত করবে না। বাকৃবিতেও শিক্ষার্থীরা এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করবে।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের বাকৃবি শাখার নেতারা বলেন, আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। যারা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ, যারা ২৪-এর এতো বড় একটা গণহত্যার সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের বিচারকার্যও চলমান রয়েছে। এদেশের জনগণ যাদের অস্বীকার করে, তাদের নিজেদের দায় স্বীকার না করে এমন প্রকাশ্যে কমিটি দেওয়াকে আমরা নিন্দা জানাই।
গতকাল (মঙ্গলবার) নিষিদ্ধ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন রাতেই তাদের মাধ্যমে কমিটি গঠনের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
৩ দিন আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালী আসিফ ইনান।
সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। রায়ে আসামিদের সম্পদ বাজেয়াপ্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নথি অনুযায়ী, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে মোট সাতটি অভিযোগ আনা হয়। ২০২৫ সালের ১৮ জুন মামলার তদন্ত শুরু করে তদন্ত সংস্থা। একই বছরের ৭ ডিসেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এরপর ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ও মামলাটি আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের মোট ২৯ জন সাক্ষী ছিলেন। তাদের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের বিভিন্ন পর্যায়ে ২৭ জুলাই, ২৯ জুলাই ও ২ আগস্ট সাক্ষীদের সাক্ষ্য রেকর্ড করা হয়।
মামলায় আদালতে ১২৩ সিরিজের নথি ও ডকুমেন্ট প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি ২৭টি বস্তুগত আলামতও প্রদর্শন করা হয়েছে।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৪ আগস্ট যুক্তিতর্ক শুরু হয়। ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এ জন্য আদালত মোট নয় কার্যদিবস সময় দেন।
যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। নথিতে রায় ঘোষণার তারিখ হিসেবে ১৫ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলাটির বিচারিক নিষ্পত্তি হলো।
৪ দিন আগে
ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় মঙ্গলবার
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদসহ অন্য প্রসিকিউটররা।
মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন: আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।
এর আগে, গত ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন।
এরপর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে আসামিদের ভূমিকা ছিল। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয় যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।
৫ দিন আগে
সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের সঙ্গে আ.লীগ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০
সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ হামলায় উভয় পক্ষের ১০-১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের শ্রীডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ছাত্রদল গ্রুপের আহত ৮ জনকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, আওয়ামী লীগের একজন নেতাকে সদর হাসপাতাল ও আরেকজনকে অপর এক মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মঞ্জুরুল আলম বাপ্পী জানান, বিএনপি ও ছাত্রদল নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল। অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার বিষয়টি জানতে চাইলে ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হোসেনকে নাজমুল আটকে রাখেন। খবর পেয়ে কয়েকজন নেতাকর্মীকে নিয়ে তিনি সেখানে গেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় দুপক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক অর্ঘ্য জানান, ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল, যুবলীগ নেতা খালিদ ও আওয়ামী লীগ নেতা লাল্টুর নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি দাবি করেন।
তবে এ ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৪১ দিন আগে
পুলিশ হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু: ফরিদপুরের ডিবির ওসি প্রত্যাহার
ফরিদপুরের মধুখালীতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে প্রান্তের (২৫) মৃত্যুর ঘটনায় ডিবি ফরিদপুর সদর জোনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মো. আলমগীর হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে ফরিদপুর পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়, ডিবি সদর জোন থেকে ওসি সৈয়দ মো. আলমগীর হোসেনকে প্রশাসনিক কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই দিন দুপুর ১টার মধ্যে ফরিদপুর পুলিশ লাইনসে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হলো। আদেশটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম বলেন, প্রশাসনিক কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ওই কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
নিহত মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ মধুখালী পৌরসভার পশ্চিম গোন্দারদিয়া মহল্লার বাসিন্দা এবং ফরিদপুর আইন কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবারের দাবি, গেল শনিবার বিকেল ৫টার দিকে ডিবি পুলিশ তাকে আটক করে এবং মায়ের সামনেই মারধর করে। পরে রবিবার সকাল ৮টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডিবি হেফাজতে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার ইশতিয়াকের জানাজার আগে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা প্রায় ৪০ মিনিট ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়। পরে ইশতিয়াকের পরিবারের অনুরোধে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
সোমবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে মধুখালী ঈদগাহ ময়দানে জানাজার নামাজের আগে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদসহ তিন নেতা বক্তব্য দেন। বক্তারা ঘটনাটিকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
৮৮ দিন আগে
সিলেটে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার
সিলেটের গোলাপগঞ্জে পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দীপনকে (৩৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২১ জুন) ভোররাতে উপজেলার রণকেলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল ইসলাম বলে, গ্রেপ্তার দেলোয়ার হোসেন দীপন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হওয়া একাধিক মামলার আসামি। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
তিনি আরও জানান, মামলাগুলোর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৮৯ দিন আগে
ঝিনাইদহে ছাত্রলীগ করায় পুত্রকে ত্যাজ্য করলেন পিতা
ঝিনাইদহে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতি করায় নিজ সন্তানকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন এক পিতা।
সোমবার (২ মার্চ) ঝিনাইদহ জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এক হলফনামার মাধ্যমে এই ঘোষণা দেন তিনি।
হলফনামা সূত্রে জানা যায়, ছাত্রলীগের রাজনীতি করায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটী ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আবু জাফর (৪৮) তার পুত্র মো. নাহিদ হাসান সবুজকে (২৪) ত্যাজ্যপুত্র হিসেবে ঘোষণা করেন। সবুজ ঝিনাইদহ সরকারি কেশবচন্দ্র (কেসি) কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।
হলফনামায় মো. আবু জাফর উল্লেখ করেন, তার পুত্র দীর্ঘদিন ধরে তার অবাধ্য জীবনযাপন করছেন। তিনি বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন না, আলাদা থাকেন।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও সবুজ এ সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত আছেন। বিশেষ করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করেন তিনি। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে পিতা হিসেবে তিনি বিব্রত বোধ করেন।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়, সবুজের কোনো প্রকার আয়-রোজগার, দায়-দেনা বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পিতা বা তার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের কোনো সম্পর্ক থাকবে না।
তার কোনো অপকর্মের দায়ভারও পরিবার বহন করবে না। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে পরিবারের সকল প্রকার রক্ত সম্পর্কীয় ও আইনি বিচ্ছেদ বজায় থাকবে।
আবু জাফর বলেন, ‘দেশের আইন ও নীতিমালার পরিপন্থী কোনো কাজ আমার সন্তান করুক, তা আমি চাই না। বারবার সতর্ক করার পরও সে শোধরায়নি, তাই বাধ্য হয়ে আমি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
ঝিনাইদহ জেলা জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. সাদাতুর রহমান হাদির মাধ্যমে এ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন তিনি।
এ ব্যাপারে ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ হাসান সবুজের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও মুঠোফোনটি খোলা পাওয়া যায়নি।
১৯৯ দিন আগে
কুমিল্লায় চাঁদাবাজিতে বাধা দেওয়ায় যুবদল নেতাকে ছুরিকাঘাত
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি করতে বাধা দেওয়ায় স্থানীয় যুবদল নেতাকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার।
আহত মো. ওমর ফারুক ভূঁইয়া জেলার ১ নম্বর দক্ষিণ কালিবাজারের বাসিন্দা আব্দুল মালেক ভূঁইয়ার ছেলে এবং তাইফুল হক তার চাচা শামসুল হক ভূঁইয়ার ছেলে ।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কালির বাজারে মাসুম নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসছেন। তার এ কাজে বাধা দেন যুবদল নেতা ওমর ফারুক। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুমের নেতৃত্বে একটি দল গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় ফারুকের বাড়ির সামনে এসে তার চাচাতো ভাই তাইফুল হক ও তার ওপর হামলা চালান। অভিযুক্ত হামলাকারীরা ফারুকের কাঁধ, পেট ও পিঠে ছুরিকাঘাত করেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বুধবার রাতে তাইফুল বলেন, আজকে (গতকাল) মাগরিবের পর আমার চাচাতো ভাই ও আমি আমাদের বাড়ির সামনে অবস্থান করেছিলাম। তখন ছাত্রলীগ নেতা মাসুমের নেতৃত্বে ‘একদল সন্ত্রাসী’ মোটরসাইকেল করে এসে আমার বড় ভাইকে চা-পাতি দিয়ে কোপাতে থাকেন। আমার ভাইয়ের বাঁ কাঁধে, পিঠে কুপিয়ে জখম করে ‘সন্ত্রাসীরা’। আমি বাধা দিতে গেলে আমার ওপরও তারা হামলা চালায়।
ফারুক বলেন, মাসুম কালির বাজারের সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি করলে আমি বাধা দেই। একপর্যায়ে তারা ক্ষিপ্ত হয়েই আমার বাড়ির সামনে গিয়ে তাদের একটি দল চাপাতি, সুইস গিয়ার (চাকু) দিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমার চাচাতো ভাই তাইফুল আমাকে বাঁচাতে এলে তার ওপরও হামলা চালানো হয়।
তার দাবি, বল্লবপুরের মাসুদ আল হাসান মাসুম, হাত কাটা বাইল্লা, রেন্ডি মামুন, বাইল্লার ছেলে অপু, ইউছুফ, আবুল কালাম, আনিস ও মিজান তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। হামলাকারীরা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত বলেও দাবি করেন ফারুক।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মাসুমের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ হয়েছে বলে জেনেছি। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
২১২ দিন আগে
প্যারোলে মুক্তির আবেদনই করেনি কারাবন্দি সাদ্দামের পরিবার!
স্ত্রী ও ৯ মাসের শিশু সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির ব্যাপারে কোনো আবেদন করা হয়নি। বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের ওই সভাপতির প্যারোলে মুক্তির আবেদনসংক্রান্ত সংবাদে ভিন্নমত প্রকাশ করে এ কথা জানিয়েছে যশোর জেলা প্রশাসন।
যশোর জেলা প্রশাসকের (ডিসি) মিডিয়া সেলের সহকারী কমিশনার আশীষ কুমার দাসের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির আবেদনের বিষয়ে ব্যাখা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বন্দি সাদ্দামকে বাগেরহাট কারাগার থেকে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়েছিল। তার স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে যশোর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ বরাবর প্যারোলে মুক্তির কোনো ধরনের আবেদন করা হয়নি। বরং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তার পরিবারের বক্তব্য থেকে জানা যায়, সময় স্বল্পতার কারণে তাদের পারিবারিক সিদ্ধান্তে প্যারোলে মুক্তির আবেদন না করে কারা ফটকে লাশ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে কারাবন্দি সাদ্দাম স্ত্রীকে চিঠি লিখতেন। কারাগারে বন্দি অবস্থায় যে ছবি দেখা যাচ্ছে, তা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। এছাড়া আবেদনের পরও প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি—এ ধরনের তথ্য মিথ্যা, কারণ যশোরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর প্যারোলে মুক্তিসংক্রান্ত কোনো আবেদনই করা হয়নি। বরং পরিবারের মৌখিক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারাগার কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে মানবিক দিক বিবেচনায় কারা ফটকে মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করে।
সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর পর গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাদের মরদেহ যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়। এ ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কেউ দাবি করেছিলেন, সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তি না মেলায় মরদেহ কারাগারে এনে দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বাগেরহাটে ৯ মাসের শিশুকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে গৃহবধূ কানিজ সুর্বনা স্বর্ণালীর বিরুদ্ধে।
২৩৭ দিন আগে
আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিসহ গ্রেপ্তার ৭
রাজধানীতে সাবেক এমপিসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের আরও সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১০ মে) তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
গ্রেফতার হওয়া আসামিরা হলেন, সুনামগঞ্জ জেলার আওয়ামীলীগ মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীমা আক্তার খানম ওরফে শামীমা শাহরিয়ার (৪৫), দারুস সালাম থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান মতি, গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআর আই) পরিচালক ও শেখ হাসিনার সহকারী প্রেসসচিব আশরাফ সিদ্দিকী ওরফে বিটু (৪৪), কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নেছার আহমেদ ওরফে নেছার উদ্দিন হাওলাদার (৩৫), দারুসসালাম থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম (৪০), নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন সরকার (৫৫) ও দক্ষিণ বাড্ডা বাজার ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম বিপ্লব (৫৩)।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ১টায় ধানমন্ডি এলাকা থেকে শামীমা আক্তার, আশরাফ সিদ্দিকী ওরফে বিটু, দারুসসালাম এলাকা থেকে দুপুর ৩টা ৫০ মিনিটে ইমরান মতিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাভারের কুমকুমারি বাজার এলাকা থেকে ৫টা ৫ মিনিটে রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করে। এছাড়া লালবাগ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে রাত পৌনে ১২টায় মোশারফ হোসেন সরকারকে, বাড্ডা থানার ১৮ নং সেক্টর থেকে মহিদুল ইসলাম বিপ্লবকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগে উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। তারা সংঘবদ্ধ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বিনষ্টের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করাসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল করার মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
৪৯৬ দিন আগে