ঝড়
৯ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস
বিরাজমান লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে দেশের ৯ জেলার ওপর সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, খুলনা, মাদারীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এই সময়ে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালীতে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ৫ বসতঘর বিধ্বস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধশতাধিক
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে অন্তত ৫টি বসতঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে উপড়ে পড়েছে শত শত গাছপালা।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের নবাবগঞ্জ ও সলিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার পর কয়েক দফায় প্রবল বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। এতে নবাবগঞ্জ গ্রামের মন্নান বয়াতি, মরিয়ম ও মাধবের বসতঘর এবং সলিমপুর গ্রামের নির্মল বিশ্বাস ও বিমল বিশ্বাসের বসতঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো প্রতিবেশীদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।
এছাড়া লতাচাপলী, মহিপুর, ধুলাসার ও মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের বেশ কিছু ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে হতদরিদ্র পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে আহাজারি চলছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত পটুয়াখালী জেলায় ১৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগর উত্তল রয়েছে। তবে মাছধরা ট্রলারগুলো নিরাপদে রয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাদের সহযোগিতার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।’
৭ দিন আগে
কুড়িগ্রামে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে গাছপালা ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, বোরো ধানে ব্যাপক ক্ষতি
কুড়িগ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছপালা, ঘরবাড়ি ও বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামাঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের বসতঘরগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত ১টার দিকে ঝড় শুরু হয়।
স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন ধরেই কুড়িগ্রামে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন এবং থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার গভীর রাতে হঠাৎ প্রচণ্ড দমকা হাওয়া ও ঝড় শুরু হয়। ঝড়ের তীব্রতায় জেলার ৯টি উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম ও চরাঞ্চলে অনেক গাছপালা উপড়ে পড়ে। এছাড়া অনেক ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের শিবরাম রাঙ্গাতিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা খোকন আলী বলেন, ‘গত রাতের ঝড়ে গাছ ভেঙে আমার টিনের ঘরের ওপর পড়ে। আমি গরিব মানুষ, কী দিয়ে এখন টিন কিনে ঘর ঠিক করব?’
একইভাবে হলোখানা ইউনিয়নের চর সারোডোব এলাকার ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘রাতে হঠাৎ ঝড়ে আমার তিনটি ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে। এখন হাতে টাকা-পয়সা নেই। পরিবার নিয়ে কীভাবে থাকব বুঝতে পারছি না।’
৭ দিন আগে
কয়েক সেকেন্ডের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড আলমডাঙ্গার দুই গ্রাম, নিহত ১
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় কয়েক সেকেন্ডের ঝড়ে দুইটি গ্রাম লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এ সময় দেওয়াল চাপা পড়ে আকমান আলী (৭০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও কয়েকজন সামান্য আহত হয়েছেন, তবে আহতদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা যায়নি।
বুধবার (১৯ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার হারদি ইউনিয়নের হারদি ও উদয়পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ে অন্তত ২০টি বাড়িঘর আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি। এতে কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন।
কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির কারণে গৃহহীন হয়ে পড়া অন্তত অর্ধশতাধিক পরিবার দুর্ভোগে পড়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল এবং হারদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশিকুজ্জামান ওল্টু।
আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। সড়কের ওপর পড়ে থাকা গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণ করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে নিরূপণ করা হবে।
আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার জানান, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা কাজ করছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
৪৯ দিন আগে
দুই বিভাগে ঝড়, আগামী ৫ দিন সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে, আর মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। এর ফলে গত দুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হচ্ছে, যা আরও অন্তত পাঁচ দিন চলবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।
সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি। এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পরের চার দিন, অর্থাৎ রবি, সোম, মঙ্গল ও বুধবারও বৃষ্টিপাতের এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আহওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রবি ও সোমবার সারা দেশের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও মঙ্গলবার থেকে তা আবার বাড়তে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
এই পাঁচ দিনের শেষের দিকে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটে। এছাড়া শ্রীমঙ্গলে ৪১ মিলিমিটার এবং ঢাকায় ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে। এছাড়া সর্বোচ্চ ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল যশোরে এবং সর্বনিম্ন ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়।
দুই বিভাগে ঝড়ের সম্ভাবনা
আজ (শনিবার) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
৫৪ দিন আগে
রাতের ঝড়ে মাগুরায় প্রাণ গেল দুজনের
মাগুরায় ঝড়ে গাছের মরা ডাল ভেঙে চলন্ত মোটরসাইকেলের ওপর পড়ে দুই যুবক নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দিবাগত রাত ৮টার দিকে শ্রীপুর-মাগুরা সড়কের সদর উপজেলার কেষ্টপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— জেলার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল গ্রামের সাহাপাড়ার ভজন দত্তের ছেলে প্রান্ত দত্ত (২৫) এবং একই উপজেলার ঘাসিয়াড়া গ্রামের খালদিয়ের পাড়ার দিপুলের ছেলে মাহাফুজ (২৭)।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া জানান, মাগুরা শহর থেকে মোটরসাইকেলে করে রাত ৮দিকে বাড়ি ফিরছিলেন ওই দুই যুবক। পথে শ্রীপুর-মাগুরা সড়কের কেষ্টপুর এলাকায় পৌঁছালে ঝড়ো বাতাসে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে তাদের ওপর। এতে ঘটনাস্থলেই প্রান্ত দত্ত প্রাণ হারান।
আর গুরুতর আহত মাহাফুজকে মাগুরা সদর হাসপাতাল থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে নেওয়ার পথে মধুখালী পৌঁছালে অ্যাম্বুলেন্সেই তার মৃত্যু হয়। মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এ ব্যাপারে শ্রীপুর থানায় মামলা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
৫৪ দিন আগে
সাগরে ফের লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সংকেত
আবহাওয়া অধিদপ্তরের গতকালের পূর্বাভাস বাস্তবে পরিণতে করে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
রবিবার (২৯ জুন) আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের মধ্যপ্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে ভারতের আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এই বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
আগামীকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
বৃষ্টির প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে।
সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সংকেত
এদিকে, আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানার সই করা সামুদ্রিক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালা তৈরি অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর সমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
সাত জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস
আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব অথবা পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদী বন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ফের লঘুচাপের সম্ভাবনা, ৮ জেলায় ঝড়, সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস
৩১২ দিন আগে
ফের লঘুচাপের সম্ভাবনা, ৮ জেলায় ঝড়, সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস
দেশের সমূদ্রবন্দরগুলো থেকে সংকেত নামিয়ে ফেলতে বললেও অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ১ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অফিস। এ ছাড়া, আজ (শনিবার) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে আট জেলায় ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
শনিবার (২৮ জুন) আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবিরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আজ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: পাঁচ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস
এদিকে, আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের মধ্যপ্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে ভারতের আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।
মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।
আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
৩১৩ দিন আগে
ফের লঘুচাপ: আসছে টানা বৃষ্টি, ১০ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকায় আবারও একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি মৌসুমি বায়ু দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয়, অন্যান্য অঞ্চলে মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে সারা দেশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আজ (মঙ্গলবার) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণও হতে পারে।
এ ছাড়া আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের সই করা পৃথক এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সংঘাতের মাঝেও তেহরানের বায়ুমান ঢাকার চেয়ে ভালো
আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে বলেও নিয়মিত আবহাওয়া বুলেটিনে জানানো হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, তাপমাত্রা কমার এই ধারা আগামীকালও অব্যাহত থাকতে পারে এবং তার পরের অন্তত তিন দিন প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
অন্যদিকে, বৃষ্টিপাত নিয়ে আগামী তিন দিনের পূর্বাভাসে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি জানিয়েছে, বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরের ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবারও একই ধরনের আবহাওয়া থাকতে পারে। অর্থাৎ রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দেশের কিছু স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা শনিবার, এমনকি তার পরের পাঁচ দিনও অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
৩২৪ দিন আগে
নদীবন্দরে ২ নম্বর সংকেত, ৯ জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা
বৈশাখ মাস পড়তেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ঝড়বৃষ্টি। এরই মধ্যে গত দুদিন ধরে দেশের বেশিরভাগ জায়গায় কমবেশি বৃষ্টিপাত হওয়ায় জনমনে এসেছে স্বস্তি। বৃষ্টিপাতের এই ধারা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃষ্টির পাশাপাশি কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতের বিষয়েও সতর্ক করেছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাত ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা ও নোয়াখালী জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এছাড়া রাজশাহী, ঢাকা, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোর জন্য ১ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে, যে ধারা পরবর্তী দুদিন অব্যাহত থাকার পর আবার বাড়বে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
বজ্রবৃষ্টির সময় বেশকিছু সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেগুলো হলো:
• বজ্রপাত হলে ঘরের মধ্যে থাকুন।
• জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন।
• সম্ভব হলে যাত্রা এড়িয়ে চলুন।
• নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন।
• গাছের নিচে আশ্রয় নেবেন না।
• কংক্রিটের মেঝেতে শোবেন না, কংক্রিটের দেওয়ালেও হেলান দেবেন না।
• বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর প্লাগ খুলে রাখুন।
• জলাশয়ে থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে উঠে আসুন।
• বিদ্যুৎ পরিবাহক বস্তু থেকে দূরে থাকুন।
• শিলাবৃষ্টির সময় ঘরে অবস্থান করুন।
৩৮৪ দিন আগে