শুল্ক
বাংলাদেশি ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্ক সুবিধা দেবে দক্ষিণ কোরিয়া
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে প্রস্তাবিত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) সই হয়েছে। এতে বাংলাদেশি ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকার শুল্কনীতি ভিত্তিতে সুবিধা পাবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ চুক্তি সই হয়। এরপর বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিইপিএ নেগোসিয়েশন কনক্লুশন সিরিমনি শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দ্রুততম সময়ে আমরা বিশ্বের একটি বৃহৎ অর্থনীতির দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের সরকার ৫ মাসের মাথায় প্রথম এ সিইপিএ করেছে।
তিনি বলেন, এ বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকার শুল্কনীতি ভিত্তিতে সুবিধা পাবে। দক্ষিণ কোরিয়া ৮৭ শতাংশ পণ্যে সুবিধা পাবে।
মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া দুই ট্রিলিয়ন অর্থনীতির একটি দেশ। আমরা একটি বড় দেশকে বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে পাচ্ছি। বাংলাদেশ থেকে অগ্রাধিকার পণ্য হিসেবে এখন তৈরি পোশাক, চামড়া, পাটজাতপণ্যসহ বেশকিছু পণ্য শুল্ক সুবিধা পাবে। অন্যদিকে, কোরিয়া থেকে আমদানির ক্ষেত্রে কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক এবং খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে সুবিধা হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০৩৪ সালে আমরা বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ইকোনমিক সাইজে নিয়ে যেতে চাই। সেজন্য আমাদের ৮ শতাংশ গ্রোথ দরকার। তার জন্য প্রয়োজন বিদেশি বিনিয়োগ। আমরা এসব চুক্তির মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে চাচ্ছি।
দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বলেন, কোরিয়া ও বাংলাদেশের একটি দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ৫৬ বছর আগে টেক্সটাইল ব্যবসা দিয়ে এটি শুরু হয়েছিল। কিন্তু বিশ্ব এখন পণ্য বহুমুখীকারণে যাচ্ছে, আমাদের দুই দেশকেও বহুমুখী পণ্য আমদানি রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত হতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা আশা করি বাংলাদেশের নতুন সরকার দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। সেখানে আমরা প্রযুক্তি ও সাপ্লাই চেইনে কাজ করতে চাই।
কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এ চুক্তির ফলে এখন কোরিয়ান কোম্পানিগুলো এদেশে সুবিধাজনকভাবে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হবে।
১ দিন আগে
আমদানিকৃত চালানে ৫৪০ কেজি অতিরিক্ত পণ্য, শুল্ক-জরিমানাসহ ১৯ লক্ষাধিক টাকা আদায়
চট্টগ্রামে আমদানিকৃত একটি পণ্যচালানে ঘোষণার চেয়ে ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়ায় অতিরিক্ত শুল্ক-কর, অর্থদণ্ড ও বিমোচন জরিমানাসহ মোট ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা আদায় করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
বুধবার (২৯ জুলাই) এক বার্তায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয় চট্টগ্রাম রেইনবো করপোরেশনের (Rainbow Corporation) আমদানিকৃত একটি পণ্যচালান কায়িক পরীক্ষণ করে।
সি-১১৩৮৭০৬ নম্বরের, গত ৫ জুলাইয়ের বিল অব এন্ট্রির আওতায় আমদানি করা চালানটিতে আমদানিকারক ৬ হাজার ৭০৪ কেচি ৫৬০ গ্রাম চকলেট ঘোষণা করলেও পরীক্ষায় ৭ হাজার ১৩২ কেজি ২৫০ গ্রাম পণ্য পাওয়া যায়। এছাড়া ২ হাজার ৫৭২ কেজি ১৬০ গ্রাম ওয়েফার ঘোষণা করা হলেও প্রকৃত ওজন পাওয়া যায় ২ হাজার ৬৮৪ কেজি ৮৮০ গ্রাম।
বার্তায় বলা হয়েছে, পরীক্ষায় চালানটিতে ঘোষিত ওজনের তুলনায় মোট ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়া যায়, যা ঘোষিত নিট ওজনের প্রায় ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।
এ ঘটনায় বিচারাদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত শুল্ক-কর বাবদ ৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা, অর্থদণ্ড হিসেবে ১০ লাখ টাকা এবং বিমোচন জরিমানা হিসেবে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। ফলে মোট অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা।
চট্টগ্রামে আমদানিকৃত একটি পণ্যচালানে ঘোষণার চেয়ে ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়ায় অতিরিক্ত শুল্ক-কর, অর্থদণ্ড ও বিমোচন জরিমানাসহ মোট ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা আদায় করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
বুধবার (২৯ জুলাই) এক বার্তায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয় চট্টগ্রাম রেইনবো করপোরেশনের (Rainbow Corporation) আমদানিকৃত একটি পণ্যচালান কায়িক পরীক্ষণ করে।
সি-১১৩৮৭০৬ নম্বরের, গত ৫ জুলাইয়ের বিল অব এন্ট্রির আওতায় আমদানি করা চালানটিতে আমদানিকারক ৬ হাজার ৭০৪ কেচি ৫৬০ গ্রাম চকলেট ঘোষণা করলেও পরীক্ষায় ৭ হাজার ১৩২ কেজি ২৫০ গ্রাম পণ্য পাওয়া যায়। এছাড়া ২ হাজার ৫৭২ কেজি ১৬০ গ্রাম ওয়েফার ঘোষণা করা হলেও প্রকৃত ওজন পাওয়া যায় ২ হাজার ৬৮৪ কেজি ৮৮০ গ্রাম।
বার্তায় বলা হয়েছে, পরীক্ষায় চালানটিতে ঘোষিত ওজনের তুলনায় মোট ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়া যায়, যা ঘোষিত নিট ওজনের প্রায় ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।
এ ঘটনায় বিচারাদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত শুল্ক-কর বাবদ ৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা, অর্থদণ্ড হিসেবে ১০ লাখ টাকা এবং বিমোচন জরিমানা হিসেবে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। ফলে মোট অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ অন্তত ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার (২ জুন) এক ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) এই প্রস্তাব প্রকাশ করেছে।
সংস্থাটির দাবি, ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১-এর আওতায় পরিচালিত তদন্তে দেখা গেছে, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করা বা কার্যকরভাবে তা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করছে এবং মার্কিন শ্রমিকদের জন্য অসম প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করছে।
এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে ইউএসটিআর।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, ‘আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদাররা জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি বন্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। এতে মার্কিন শ্রমিকরা বৈশ্বিক বাজারে অসাম্য প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আর এই বৈষম্য মেনে নেব না। কিছু দেশ ইউএসএমসিএ এবং পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় প্রাথমিক পদক্ষেপ নিলেও জোরপূর্বক শ্রমকে উৎসাহিত ও স্থায়ী করে তোলে—এমন বাণিজ্যিক পরিবেশ রোধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।’
ইউএসটিআরের প্রস্তাব অনুযায়ী, যেসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করেছে, অথবা পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তাদের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।
অন্যদিকে, বাকি দেশগুলোর পণ্যের ওপর অতিরিক্ত সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ ছাড়া নির্দিষ্ট কিছু দেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্রপণ্যের জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা প্রস্তাব করা হয়েছে, যার আওতায় নির্ধারিত পরিমাণ আমদানি কম হারের শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে।
ইউএসটিআর জানিয়েছে, প্রস্তাবিত পদক্ষেপ নিয়ে জনমত গ্রহণের জন্য আগামী ৭ জুলাই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানিতে অংশ নিতে আগ্রহীদের ২২ জুনের মধ্যে আবেদন ও সাক্ষ্যের সারসংক্ষেপ জমা দিতে হবে। লিখিত মতামত জমা দেওয়ার শেষ সময় ৬ জুলাই।
চলতি বছরের ১২ মার্চ ইউএসটিআর স্বপ্রণোদিত হয়ে ৬০টি দেশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের অংশ হিসেবে জনমত গ্রহণ ও প্রকাশ্য শুনানির আয়োজন করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় প্রায় ৬০ জন সাক্ষীর বক্তব্য এবং ৫০০টির বেশি পাল্টাপাল্টি মন্তব্য গ্রহণ করা হয়।
তদন্ত শেষে ইউএসটিআর সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, সংশ্লিষ্ট প্রতিটি দেশ জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করা এবং সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।
বাংলাদেশসহ ৫৪টি এমন দেশ চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণেই ব্যর্থ হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, জাপান, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আরও অনেক দেশ।
অন্যদিকে কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান ও ইকুয়েডরকে এমন দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ইউএসটিআরের মতে, জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ ও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা বৈশ্বিকভাবে শ্রম শোষণ নির্মূলের প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে। একই সঙ্গে এটি জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে কম খরচে উৎপাদনের সুযোগ দিয়ে বাজারে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য নষ্ট করে এবং শ্রম মানদণ্ড মেনে চলা প্রতিষ্ঠানগুলোর লাভজনকতা কমিয়ে দেয়।
এ ছাড়া এই ব্যর্থতা মার্কিন বাজার ও রপ্তানি বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদকদের জন্য অন্যায্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
৬৩ দিন আগে
আদালতের রায়ের পরও শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের
গত এক বছরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপিত বিস্তৃত আমদানি শুল্কের বড় অংশ বাতিল করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। তবে এর পরের দিনই ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি বৈশ্বিক আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করতে চান।
স্থানীয় সময় শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, আদালত তার ক্ষমতায় লাগাম টানলেও তিনি শুল্ক বাড়ানোর নীতি অব্যাহত রাখতে চান। বৈশ্বিক বাণিজ্যনীতি নতুনভাবে সাজানো এবং আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের প্রধান হাতিয়ার হিসেবেই তিনি শুল্ককে ব্যবহার করে আসছেন।
শুক্রবার আদালত জরুরি ক্ষমতা আইনের আওতায় প্রায় সব দেশের ওপর ট্রাম্প আরোপিত শুল্ক বাতিল করে দেয়। তবে বিপরীতে তিনি জানিয়েছেন, তুলনামূলক সীমিত হলেও ভিন্ন আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করবেন তিনি।
আগামী মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্টেট অব দ্য ইউনিয়নে ভাষণ দেবেন। তিনি ইতোমধ্যে এমন একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন, যার মাধ্যমে কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে ওইদিন থেকেই বিশ্বব্যাপী আমদানির ওপর ১০ শতাংশ কর আরোপ করা যাবে। তবে আইন অনুযায়ী, এই শুল্ক ১৫০ দিনের জন্য কার্যকর থাকবে, যদি না আইন প্রণয়নের মাধ্যমে তার মেয়াদ বাড়ানো হয়।
তবে শুল্ক ১৫ শতাংশ নির্ধারণে ডোনাল্ড ট্রাম্প হালনাগাদ আদেশে কবে সই করবেন—এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিক কিছু জানায়নি।
ট্রাম্প সামাজিকমাধ্যমে লিখেছেন, আগের দিনের ‘অযৌক্তিক, দুর্বলভাবে রচিত এবং চরমভাবে আমেরিকাবিরোধী’ শুল্কসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার ভিত্তিতেই তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন।
এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা ৬-৩ ভোটের ব্যবধানে রায় দিয়েছেন যে, ট্রাম্পের এককভাবে শুল্ক নির্ধারণ বা পরিবর্তন করা অসাংবিধানিক। কারণ কর আরোপের ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের হাতে ন্যস্ত।
অন্যদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, বাণিজ্য বিভাগীয় তদন্ত প্রয়োজন এমন ফেডারেল আইনের অন্যান্য ধারার মাধ্যমেও তিনি শুল্ক আরোপের পথ খুঁজছেন।
তিনি বলেন, আগামী কয়েক মাসে ‘আইনসম্মত নতুন শুল্ক’ নির্ধারণ ও জারি করবে আমাদের প্রশাসন যা আমেরিকাকে আবার মহান করে তোলার আমাদের অসাধারণ সফল প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবে।’
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর মার্কিন প্রেডিডেন্ট তার বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া বিচারপতিদের ওপর অস্বাভাবিক ব্যক্তিগত আক্রমণ চালিয়েছেন। এমনকি তার প্রথম মেয়াদে নিয়োগ পাওয়া বিচারপতি নিল গোরসাচ এবং অ্যামি কোনি ব্যারেটকেও তিনি ছাড়েননি।
শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, এই পরিস্থিতি তাদের পরিবারের জন্যও একটি লজ্জাজনক বিষয়।
ওইদিন রাতে তিনি সামাজিকমাধ্যমে গরসাচ, ব্যারেট ও প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসকেও সমালোচনা করেন।
পরদিন (শনিবার) সকালে আরেক পোস্টে তিনি বিচারপতি ব্রেট কাভানফকে ‘নতুন নায়ক’ আখ্যা দেন, যিনি এই রায়ের বিপক্ষে ৬৩ পৃষ্ঠার একটি ভিন্নমত পোষণকারী নোট লিখেছেন। এ ছাড়াও তিনি বিচারপতি ক্ল্যারেন্স থমাস এবং স্যামুয়েল আলিতোরও প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, কারও মনেই সন্দেহ নেই যে তারা আমেরিকাকে আবার মহান করে তুলতে চান।
ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতিতে শুল্ক ছিল কেন্দ্রীয় বিষয়। তার দাবি, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, মার্কিন উৎপাদন পুনরুজ্জীবিত করা এবং মাদক পাচার দমন বা দেশগুলোর মধ্যে সংঘাত বন্ধে চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব।
তবে তিনি বারবার বলেছেন, বিদেশি সরকারগুলোই এসব শুল্ক দেবে, মার্কিন ভোক্তা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়।
ফেডারেল তথ্য অনুযায়ী, জরুরি ক্ষমতা আইনের আওতায় প্রেসিডেন্টের আরোপিত আমদানি শুল্ক থেকে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কোষাগারে ১৩৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি জমা হয়েছে। এই অর্থ জাতীয় ঋণ পরিশোধ বা করদাতাদের লভ্যাংশ হিসেবে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা এই বিপুল অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হবে, সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কিছু বলা হয়নি।
এদিকে, ট্রাম্পের নতুন এই শুল্ক হুমকির পর ডেমোক্র্যাটরা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। হাউস ওয়েজ অ্যান্ড মিনস কমিটির ডেমোক্র্যাটরা অভিযোগ করেন, উচ্চ শুল্ক ঘোষণা করে ট্রাম্প ‘আমেরিকান জনগণের পকেট কেটে নিচ্ছেন।’
তাদের ভাষ্য, শুল্ক অবৈধ ঘোষণার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি খরচ বাড়ানোর পথ খুঁজছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট গভর্নর গ্যাভিন নিউসম বলেন, তিনি আপনাদের কথা ভাবেন না।
১৬৪ দিন আগে
উপদেষ্টা ফরিদা ভুল কথা বলেছেন: প্রেস সচিব
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক সংক্রান্ত খসড়া চুক্তি প্রকাশ না করার বিষয়ে ‘ভুলভাবে কথা বলেছেন’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, এ বিষয়ে তিনি ভুল মন্তব্য করেছেন।
এর আগে ফরিদা আখতার খসড়া চুক্তি প্রকাশ না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।
পড়ুন: শেখ হাসিনা সরকারের নজরদারি সরঞ্জাম ক্রয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি
প্রেস সচিব জানান, দ্বিপক্ষীয় চুক্তির খসড়া প্রকাশ না করা কূটনৈতিকভাবে একটি প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া।
অন্তর্বর্তী সরকার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং শুল্ক সংক্রান্ত চুক্তি সম্পূর্ণ হলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গোপনীয়তার শর্ত তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
৩৫৫ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক ১৫ শতাংশে নামানোর চেষ্টা চলছে: বাণিজ্য উপদেষ্টা
বাংলাদেশের ওপর আরোপ করা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সংক্রান্ত সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ২০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে শুল্ক কমানোর জন্য সরকারের সব মহল থেকে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা এখনো চলছে এবং চূড়ান্ত চুক্তির আগে শুল্ক কমানো হতে পারে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর জন্য নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কারণে শুল্ক কমতে পারে, তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় কারণ শুল্ক আরোপকারী পক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের উপর বিষয়টি নির্ভর করে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির নির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনও পাওয়া যায়নি।
পড়ুন: সবে তো শুরু, আরও দেখতে পাবেন: শুল্কারোপ নিয়ে ট্রাম্প
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশ ঘোষণার পরও এখনো কোনো চুক্তি হয়নি। এ মাসের শেষে চুক্তি হতে পারে বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) চুক্তির খসড়া তৈরি করছে।
বাজারে পেয়াজের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে আমদানি করা হবে কিনা এবং ভারত থেকে আমদানি হবে কিনা—এসব প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতে এবার পেঁয়াজ আমদানি করা হবে। শুধুমাত্র ভারত থেকেই নয়, ব্যবসায়ীরা যেখান থেকে আমদানি করতে চান সেখান থেকেই অনুমতি দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য পেঁয়াজের দাম কমানো ও সরবরাহ বৃদ্ধি করা। এজন্য যেখান থেকে কম দামে পাওয়া যাবে সেখান থেকেই পেঁয়াজ আমদানি করা হবে।
এ সময় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মইনুল খান, অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) আব্দুর রহিম খান, অতিরিক্ত সচিব (ডাব্লিউটিও) ড. নাজনীন কাওসার চৌধুরী এবং বিকেএমই এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম উপস্থিত ছিলেন।
৩৫৭ দিন আগে
চীনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি আরও ৯০ দিন বাড়ালেন ট্রাম্প
চীনের ওপর পাল্টাপাল্টি শুল্কারোপসহ অন্যান্য বাণিজ্যনীতি কার্যকর করার দিনক্ষণ আরও ৯০ দিনের জন্য পিছিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পক্ষান্তরে একই ধরনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে চীনও। এতে করে বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির মধ্যে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ কিছুদিনের জন্য হলেও বিরতি পেয়েছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (১১ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান ট্রাম্প।
পোস্টে তিনি জানান, বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি ৯০ দিন বাড়িয়ে একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন তিনি। তবে এটি ছাড়া চুক্তির অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত রয়েছে।
বেইজিং থেকেও বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর ফলে চীনা পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ৩০ শতাংশ শুল্কই বহাল থাকছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির আগের সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে তার আগেই সময় বাড়িয়ে নতুন নির্বাহী আদেশে সই করলেন ট্রাম্প। ফলে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি শুল্কারোপের পরিস্থিতি আপাতত হচ্ছে না।
এই সময়ের মধ্যে দুই দেশই নিজেদের মধ্যকার মতপার্থক্যের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার সুযোগ পেল। এর মাধ্যমে এ বছরের শেষের দিকে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে এক শীর্ষ বৈঠকের পথও সুগম হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকদের অনেকে।
এদিকে, নতুন এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায় পরিচালনাকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
চীন-যুক্তরাষ্ট্র ব্যবসায় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট শন স্টেইন বলেছেন, এই সময়সীমা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে দুই দেশের সরকার একটি বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা করার সময় পাবে।
দেশদুটির মধ্যে চুক্তি হলে তা চীনা বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ প্রবেশাধিকার বাড়াবে। সেইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করার জন্য প্রয়োজনীয় নিশ্চয়তা দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: সবে তো শুরু, আরও দেখতে পাবেন: শুল্কারোপ নিয়ে ট্রাম্প
ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পরই চীনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের খড়গ নেমে আসে। এর জবাবে চীনও পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। বিশেষত চীনের কাছে বিরল খনিজ ও চুম্বক থাকায় তারা একে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে।
চলতি বছরের মে মাসে চীনা পণ্যে ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কারোপ করেন ট্রাম্প। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে ১২৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করে চীন।
দীর্ঘমেয়াদে এই শুল্ক সংঘাত কোনো দেশের জন্যই সুখকর হতো না বলে সতর্ক করে আসছিলেন বিশেষজ্ঞরা। এরপর মে মাসে জেনেভায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে শুল্ক কমিয়ে আনতে সম্মত হয় দুই দেশ। তাতে চীনা পণ্যে শুল্কহার কমিয়ে ৩০ শতাংশ নির্ধারণ করে যুক্তরাষ্ট্র, আর ১০ শতাংশে নামিয়ে আনে চীন।
পরে জুন মাসে উত্তেজনা প্রশমনে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় কম্পিউটার চিপ প্রযুক্তি ও পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদনে ব্যবহৃত ইথেনের ওপর রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা দেয় ওয়াশিংটন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর জন্য বিরল খনিজ পাওয়ার পথ সহজ করতে রাজি হয় বেইজিং।
তবে ওয়াশিংটন ও বেইজিং বড় কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। বিভিন্ন বিষয়ে দেশদুটির মধ্যে মতপার্থক্য রয়েই গেছে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন না করলে কম্পিউটার চিপে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
আর্নল্ড অ্যান্ড পোর্টারের জ্যেষ্ঠ পর্ষদ ও যুক্তরাষ্ট্রেও চীন-বিষয়ক সাবেক মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির সহকারী ক্লেয়ার রিড বলেন, দেশদুটির মধ্যে সীমিত আকারে একটি চুক্তি হতে পারে। যেমন চীন বলবে যে তারা আরও বেশি আমেরিকান সয়াবিন কিনবে, ফেন্টানিল তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক প্রবাহ বন্ধে আরও পদক্ষেপ নেবে এবং বিরল খনিজ চুম্বকের প্রবাহ অব্যাহত রাখবে।
তবে কঠিন বিষয়গুলো থেকে যাবে এবং বাণিজ্যযুদ্ধ আগামী বহু বছর ধরে ধীরে ধীরে চলতে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক মার্কিন কূটনীতিক ও বাণিজ্য কর্মকর্তা এবং বর্তমানে ‘চায়না মুন স্ট্র্যাটেজিস’ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রধান জেফ মুন।
৩৫৮ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন না করলে কম্পিউটার চিপে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন না করলে কম্পিউটার চিপ ও সেমিকন্ডাক্টরে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার (৭ আগস্ট) ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর ইলেকট্রনিক পণ্য, গাড়ি, গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য ডিজিটাল পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে অ্যাপলের সিইও টিম কুকের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, আমরা চিপ ও সেমিকন্ডাক্টারে প্রায় ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানোর কথা ভাবছি। যুক্তরাষ্ট্রে কম্পিউটার চিপ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোনো শুল্ক দিতে হবে না।
ট্রাম্প প্রশাসনের আগের সিদ্ধান্তে ইলেকট্রনিক পণ্য শুল্কের আওতার বাইরে রাখা হয়েছিল।
ট্রাম্প আরও বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির সময় চিপ সংকটের কারণে গাড়ির দাম বেড়ে গিয়েছিল এবং তা মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিয়েছিল।
ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো। টেক জায়ান্ট অ্যাপল ও অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে চিপ উৎপাদনে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের অভিষেকের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বৃহৎ প্রযুক্তি খাত মিলিয়ে প্রায় ১৫ লাখ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি এসেছে। এর মধ্যে শুধু টেক জায়ান্ট অ্যাপলই ৬০০ হাজার কোটি ডলারের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।
পড়ুন: ভারতকে ট্রাম্পের শাস্তি, শুল্ক বেড়ে দাঁড়াল ৫০ শতাংশ
বুধবার ট্রাম্প ও কুকের বৈঠকের পর, বাজারে অ্যাপলের শেয়ারমূল্য ৫ শতাংশ বেড়েছে এবং লেনদেন শেষ হওয়ার পর আরও ৩ শতাংশ বেড়েছিল।
মার্কিন এআই চিপ নির্মাতা এনভিডিয়া এবং ইন্টেল-এর শেয়ারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। চিপ নির্মাতাদের সংগঠন সেমিকন্ডাক্টর ইন্ড্রাস্টি অ্যাসোসিয়েশনও ট্রাম্পের এই নতুন সিদ্ধান্তে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
বিশ্ব সেমিকন্ডাক্টর ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্স জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে চিপের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। গত অর্থবছরে চিপের বিক্রি বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬ শতাংশ।
ট্রাম্প বলছেন, উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকিই প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা স্থাপন করতে বাধ্য করবে। এতে কোম্পানিগুলোর মুনাফা কমতে পারে এবং মোবাইল ফোন, টিভি, ফ্রিজসহ অনেক পণ্যের দাম বাড়তে পারে— তবুও ট্রাম্প মনে করেন, দেশীয় উৎপাদনই এখন মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
৩৬২ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধ সত্ত্বেও রাশিয়ার তেল কিনতে কেন অনড় ভারত
রাশিয়ার থেকে তেল কিনতে বন্ধু রাষ্ট্র ভারতকে নিষেধ করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তবে ভারত তা শোনেনি। ফলে নয়াদিল্লির ওপর নেমে এসেছে ট্রাম্পের অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কের খড়গ। বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে নানা মহলে চলছে বিভিন্ন আলোচনা।
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সঙ্গে এক কঠিন ভারসাম্য রক্ষা করে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি। একদিকে ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন, অন্যদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকার চেষ্টা করছেন তিনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে ভারতের এই দ্বিমুখী নীতি হতাশার। মস্কোর ওপর ইউরোপ-আমেরিকার অনেক দেশ নানাভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও ভারতের মতো বিশাল অর্থনীতির একটি দেশ রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখায় তাদের সেসব নিষেধাজ্ঞা অনেকটা দুর্বল হয়ে যায় বলে মনে করে তারা। আর এসব বিষয় নিয়েই চটেছেন ট্রাম্প।
ভারতের এই ‘গাছ থেকে খাওয়া, তলা থেকেও কুড়ানো’ নীতি নিয়ে আর ধৈর্য ধরতে পারছেন না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। ফলে মোদির কাছে তার স্পষ্ট দাবি, ভারতের নির্দিষ্ট একটি পক্ষ নিতে হবে।
নিজের এই দাবি জোরদার করতে রাশিয়ার থেকে ভারতের সস্তায় তেল কেনার বিষয়টিকে কাজে লাগাচ্ছেন ট্রাম্প। আর এখানে তিনি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন তার বহুল আলোচিত বাণিজ্যনীতি। ফলে এতদিন ‘বন্ধু’ দাবি করে এলেও ধীরে ধীরে মুখোমুখি অবস্থানে চলে যাচ্ছেন ট্রাম্প ও মোদি।
রাশিয়ার থেকে তেল কেনার কারণে বুধবার (৬ আগস্ট) ভারতের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কারোপ করেছেন ট্রাম্প। এর ফলে আগের ২৫ শতাংশ পাল্টা শুল্কসহ ভারতীয় পণ্যে মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার থেকে ২১ দিন পর এই নতুন শুল্কহার কার্যকর হবে।
এর আগে, এ বিষয়ে ভারতকে হুমকিও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তখন তার অভিযোগ ছিল, রাশিয়া থেকে তেল কিনে ইউক্রেনে হামলায় মস্কোকে সহায়তা করছে ভারত।
আরও পড়ুন: ভারতকে ট্রাম্পের শাস্তি, শুল্ক বেড়ে দাঁড়াল ৫০ শতাংশ
সামাজিক যোগাযাগামাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘কেবল বিপুল পরিমাণে রুশ তেল কিনেই থেমে থাকছে না ভারত, তারা সেই তেলের বড় একটি অংশ খোলা বাজারে বিক্রি করে বিশাল মুনাফা করছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধাস্ত্র কত মানুষকে হত্যা করছে, এ নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যাথা নেই।’
এদিকে, অন্যান্য দেশ শুল্ক কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে যেখানে উঠেপড়ে লেগেছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত শুল্ক আরোপকে ‘অন্যায্য, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়েছে নয়াদিল্লি। কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অনেক দেশ রাশিয়ার কাছ থেকে এখনও সার ও রাসায়নিকসহ অন্যান্য পণ্য কিনছে বলে দাবি করেছে ভারত।
রুশ তেলের ওপর ভারতের এই নির্ভরশীলতা কেন
বহুদিন ধরেই রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করে আসছে ভারত। ভারতের ১৪০ কোটির জনগণের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই তেল আমদানি করা হয়ে থাকে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বর্তামানে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল ব্যবহারকারী দেশ হয়ে উঠেছে ভারত। এমনকি ২০৩০ সালের মধ্যে তেল ব্যবহারে তারা চীনকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকদের অনেকে।
বাণিজ্য বিশ্লেষণ সংস্থা কেপলারের তথ্যমতে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ভারতের মোট আমদানির ৩৬ শতাংশই হলো রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল।
অন্য কোথাও থেকে কেন তেল কিনছে না দিল্লি
২০২২ সালে ইউক্রেনে হামলা শুরুর পর ইউরোপের অধিকাংশ দেশ রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে রাশিয়ার তেলের প্রধান ক্রেতা হয়ে ওঠে চীন, ভারত ও তুরস্ক।
জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের রাশিয়া ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক কেন্দ্রের সহযোগী অধ্যাপক অমিতাভ সিং জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞায় পড়ে তেল বিক্রির ওপর বড় ধরনের ছাড় দেয় রাশিয়া। সেই ছাড়েই তেল কিনছে ভারত, অন্য কোনো দেশ থেকে এত কম মূল্যে যা সম্ভব নয়। এটি পুরোপুরি একটি ‘অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত’ বলে মনে করে ভারত। তবে ইউক্রেন ও তার মিত্ররা এটিকে তীব্র সমালোচনার চোখে দেখছে।
যদিও গত কয়েক বছর ধরে ভারত অন্যান্য উৎস থেকেও তেল কিনতে শুরু করেছে, তবে রাশিয়ার থেকে তেল কেনা পুরোপুরি বন্ধ করে দিলে সেই শূন্যতা সহজে পূরণীয় নয় বলে মনে করেন অমিতাভ সিং।
আরও পড়ুন: রাশিয়ার তেল আমদানি করায় যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক ‘অন্যায্য ও অযৌক্তিক’: ভারত
কেপলারের জ্যেষ্ঠ তেল বিশ্লেষক মুইউ জু বলেন, নিজেদের মোট তেলের চাহিদার ৮০ শতাংশই আমদানি করে থাকে ভারত। বিশ্বের প্রধান তেল উৎপাদকদের জোট ওপেক কিছু বাড়তি উৎপাদন ক্ষমতা রাখলেও রাশিয়া দৈনিক সমুদ্রপথে যে পরিমাণ তেল রপ্তানি করে, সেই পরিমাণ তেল উত্তোলন করাটা তাদের জন্য কঠিন।
এর আগে, ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল ভারত। দৈনিক ৪ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল তেন কিনত দিল্লি।
অমিতাভ সিং বলেন, ‘আসলে আমাদের হাত এখন বাঁধা। তেলের বাজার পরিচালনার জন্য ভারতের খুব বেশি পরিসর অবশিষ্ট নেই।’
তার মতে, অন্তত এখনই ট্রাম্পের দাবির কাছে দিল্লির নত হওয়ার সম্ভাবনা কম। মোদি সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা চালিয়ে যাবে এবং আগের মতো মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল আমদানির পথ খুঁজবে। তবে রুশ তেলের বাজার থেকে রাতারাতি বেরিয়ে আসা সম্ভব নয়।
৩৬৩ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যে চীন সফরে যাচ্ছেন মোদি
শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিয়ানজিন শহরে অনুষ্ঠিতব্য সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার চীনে অবস্থান করার কথা রয়েছে।
এর মাধ্যমে সাত বছর পর চীন সফর করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এর আগে, এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতেই ২০১৮ সালে সর্বশেষ চীন সফর করেছিরেন তিনি।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবারের সম্মেলনের আয়োজক। সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও অংশ নিতে পারেন। চীন সফরের পর ভারত-জাপান সম্মেলনে অংশ নিতে টোকিও সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে মোদির।
তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি দেয়নি ভারত সরকার।
টাইমস অব ইন্ডিয়া বলেছে, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার পর দ্বিপাক্ষিক আলোচনার বিষয়গুলো নির্ধারণ করতে ভারত সফর করবেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। একইসঙ্গে সীমান্ত ইস্যুতে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের আলোচনাও করবেন ই।
এসসিও সম্মেলনে ১০ সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হতে পারে। যদিও ইউরেশীয় এই জোটকে পুরোপুরি সমর্থন করে না ভারত, তবে মধ্য এশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষার এবং আফগানিস্তানে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ মোকাবিলায়ে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখে নয়াদিল্লি। তাছাড়া ভারতকে তার কৌশলগত স্বাতন্ত্র্য তুলে ধরারও সুযোগ দেয় এসসিও।
এমন একটি সময়ে এই সফর হতে যাচ্ছে যখন চীনের প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক নিয়ে ভারতের টানাপোড়েন চলছে।
আরও পড়ুন: রাশিয়ার তেল আমদানি করায় যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক ‘অন্যায্য ও অযৌক্তিক’: ভারত
রাশিয়ার থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শুল্কারোপ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এর ফলে আগের ২৫ শতাংশ পাল্টা শুল্কসহ ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার মতে, মোদি যদি চীন সফর করেন, তাহলে সেখানে পুতিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার সম্ভাবনাও প্রবল। তাছাড়া এবার ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সম্মেলনের জন্য মোদি নিজেই রুশ প্রেসিডেন্টকে ভারতে স্বাগত জানাতে পারেন।
এদিকে, গালওয়ান উপত্যকায় চীন-ভারত সংঘর্ষের পর এটি হবে মোদির প্রথম চীন সফর। তবে ২০২৪ সালের অক্টোবরে কাজানে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন তিনি।
৩৬৩ দিন আগে