হজ
হজযাত্রীদের খরচ কমাতে সৌদির সঙ্গে আলোচনা চলছে: প্রতিমন্ত্রী
হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে চলতি বছর হজের বিমান টিকিটের মূল্য ২৫ হাজার টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। একই সঙ্গে হজযাত্রীদের খরচ আরও কমাতে সৌদি আরবের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জাতীয় হজ ও ওমরাহ ফেয়ার-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য যৌক্তিক খরচে এবং হয়রানিমুক্ত পরিবেশে হজ প্যাকেজ নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি বলেন, গত বছর হজের বিমান টিকিটের দাম ১২ হাজার টাকা কমানো হয়েছিল। এবার আরও ২৫ হাজার টাকা কমিয়ে টিকিটের মূল্য ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে।
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সৌদি সরকারকে বিমান টিকিটের ওপর আরোপিত সৌদি বিমানবন্দরের নির্মাণ কর কমানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের আবাসন ব্যয় কমাতে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নে তিনি দেশবাসীর, বিশেষ করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দোয়া কামনা করেন। একই সঙ্গে হজযাত্রীদের সঙ্গে কোনো ধরনের প্রতারণা করলে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলেও সতর্ক করেন।
অনুষ্ঠানে ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, বাংলাদেশের মাত্র পাঁচ শতাংশ হজযাত্রী সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করেন, আর বাকি ৯৫ শতাংশ বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরব যান।
তিনি বলেন, বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর কার্যক্রমের ওপর দেশের ভাবমূর্তি অনেকাংশে নির্ভর করে। তাই সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে এজেন্সি মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে রাজকীয় সৌদি দূতাবাসের উপ-মিশনপ্রধান খালিদ সাঈদ আল হাদাল, হাবের নেতৃবৃন্দ এবং হজে যেতে আগ্রহী ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে
হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হচ্ছে ২৭ জুলাই
২০২৭ সালের হজের জন্য আগামী ২৭ জুলাই থেকে প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের হজযাত্রীরা ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রাথমিক নিবন্ধন করতে পারবেন। এ জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
বুধবার (২২ জুলাই) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক নিবন্ধন-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের হজে যেতে আগ্রহীদের ২৭ জুলাই থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তিরা চাইলে ঘোষিত হজ প্যাকেজের সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করে একই সঙ্গে চূড়ান্ত নিবন্ধনও করতে পারবেন। অন্যথায়, আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে।
সরকারি মাধ্যমে ই-হজ সিস্টেমে নিজে ব্যবহারকারী তৈরি করে অথবা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, মডেল মসজিদ, বায়তুল মোকাররম অফিস এবং হজ অফিস, আশকোনা থেকে নিবন্ধন করা যাবে। এছাড়া তালিকাভুক্ত যেকোনো হজ এজেন্সির মাধ্যমেও নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে।
এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি প্যাকেজ—হজ প্যাকেজ-১ ও সাশ্রয়ী হজ প্যাকেজ-২ ঘোষণা করা হয়েছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় একটি সাধারণ হজ প্যাকেজের পাশাপাশি এজেন্সিগুলো অতিরিক্ত তিনটি প্যাকেজ দিতে পারবে, যা হজ পোর্টালে প্রদর্শিত হবে।
প্রাথমিক নিবন্ধনের জন্য বৈধ প্রাক-নিবন্ধন সনদ এবং আগামী বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট বাধ্যতামূলক। এছাড়া নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীর প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরন এবং প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে।
সরকারি মাধ্যমে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় নির্ধারিত হিসাবে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। বেসরকারি মাধ্যমে একই পরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিরাই কেবল হজে যেতে পারবেন। হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনির গুরুতর অকার্যকারিতা, স্নায়বিক বা মানসিক রোগ, ডিমেনশিয়া, সক্রিয় ক্যান্সারের চিকিৎসাধীন রোগী, যক্ষ্মা ও হেমোরেজিক জ্বরের মতো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি হজে যেতে পারবেন না। পাশাপাশি গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার নারীদের ফিটনেস সনদ দেওয়া হবে না।
নিবন্ধনের পর সরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় নির্ধারিত বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে এবং নির্ধারিত কেন্দ্রে টিকা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে সিভিল সার্জন বা নির্ধারিত চিকিৎসকের কাছ থেকে ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করতে হবে।
এদিকে, প্রাথমিক নিবন্ধনের আগে আবশ্যিকভাবে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। হজ-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জানতে ১৬১৩৬ নম্বরে কল সেন্টারে যোগাযোগ করা যাবে।
১২ দিন আগে
হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সরকারি মাধ্যমে সর্বনিম্ন মূল্য ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা
আগামী বছর (২০২৭ সাল) হজের জন্য সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমের প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। সরকারি মাধ্যমে দুটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সাশ্রয়ী প্যাকেজে সর্বনিম্ন খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। অন্যদিকে, উন্নত সুবিধার প্যাকেজের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেন।
এছাড়া বেসরকারি মাধ্যমের জন্য সাধারণ হজ প্যাকেজের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।
মন্ত্রী জানান, সরকারি হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা। এ প্যাকেজের হজযাত্রীরা মক্কায় হারাম শরিফ থেকে এক হাজার থেকে এক হাজার ৪০০ মিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকায় আবাসনের সুবিধা পাবেন। মিনায় জোন-২-এ তাঁবুর ব্যবস্থা থাকবে। মিনা-আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ-৩ অনুযায়ী সেবা ও মোয়াল্লেমের মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করা হবে। সাধারণত সৌদি আরবে অবস্থানকাল হবে ৩৫ থেকে ৪০ দিন। অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করে রুম আপগ্রেড ও স্বল্পমেয়াদি প্যাকেজ নেওয়ার সুযোগও থাকবে।
তিনি বলেন, হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী)-এর খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। এ প্যাকেজে মক্কায় হারাম শরিফ থেকে ২ থেকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকার বাইরে মসজিদে নববী থেকে ৮০০ মিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। মিনায় জোন-৫-এ তাঁবু দেওয়া হবে। হোটেল দুই কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে সৌদি সরকারের বিধান অনুযায়ী সালাওয়াত বাসের ব্যবস্থা থাকবে।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে সাশ্রয়ী, সহজলভ্য, মানবিক ও প্রবাসীবান্ধব হজ ব্যবস্থাপনার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে এবার হজ ফ্লাইটের বিমানভাড়া গত বছরের তুলনায় ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে হজ ফ্লাইটের বিমানভাড়া প্রায় ২ লাখ টাকা ছিল। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তা কমিয়ে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮২০ টাকা করা হয়। এবার তা আরও কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন জানান, ‘বেসরকারি মাধ্যমের জন্য সাধারণ হজ প্যাকেজের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা। এ প্যাকেজে মক্কায় হারাম শরিফ থেকে সর্বোচ্চ ৩ কিলোমিটারের মধ্যে এবং মদিনায় মসজিদে নববী থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রতি কক্ষে সর্বোচ্চ ছয়জনের থাকার ব্যবস্থা থাকবে। মিনায় জোন-৫-এ তাঁবু এবং মিনা-আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ-৩ অনুযায়ী সেবা ও খাবার সরবরাহ করা হবে। হোটেল ২ কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে সালাওয়াত বাসের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক থাকবে।’
তিনি আরও জানান, তালিকাভুক্ত যোগ্য হজ এজেন্সিগুলোকে নিবন্ধন শুরুর আগে সৌদি সরকারের নির্ধারিত ন্যূনতম কোটার ভিত্তিতে গ্রুপ গঠন করতে হবে। সরকার অনুমোদিত সাধারণ হজ প্যাকেজ গ্রহণ বাধ্যতামূলক হলেও গ্রুপভুক্ত এজেন্সিগুলো পারস্পরিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে অতিরিক্ত তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে। তবে সরকার ঘোষিত হজ প্যাকেজ-২-এর চেয়ে কম সেবা দিয়ে কোনো প্যাকেজ ঘোষণা করা যাবে না।
১৪ দিন আগে
২০২৭ সালে হজ কার্যক্রমের জন্য প্রথম পর্যায়ে অনুমতি পেল ৩৫৭ এজেন্সি
আগামী বছর ২০২৭ সালে হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে প্রথম পর্যায়ে ৩৫৭টি এজেন্সিকে অনুমতি দিয়েছে সরকার।
রবিবার (১৯ জুলাই) শর্তসাপেক্ষে প্রথম পর্যায়ে প্রাথমিকভাবে যোগ্য হজ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে সৌদি আরবে হজ অনুষ্ঠিত হবে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় শর্ত দিয়ে জানিয়েছে, প্রকাশিত তালিকার কোনো এজেন্সি যৌক্তিক কারণ ছাড়া ২০২৭ হজ মৌসুমে হজযাত্রী নিবন্ধন (প্রাক-নিবন্ধন নয়) না করলে সেই এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হজযাত্রী নিবন্ধনের আগে যোগ্য তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলোকে পারস্পরিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রুপ (অ্যালায়েন্স) গঠন করতে হবে।
সৌদি সরকারের নির্ধারিত এজেন্সিপ্রতি ন্যূনতম হজযাত্রীর কোটা কোনো এজেন্সি এককভাবে বা সমন্বয়ের মাধ্যমে পূরণ করতে পারলে সেই এজেন্সি বা লিড এজেন্সি সৌদি আরবে হজযাত্রী পাঠাতে পারবে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এজেন্সিগুলোকে ই-হজ সিস্টেমে ঘোষিত প্যাকেজ নির্ধারণ করে হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এই প্যাকেজই হজযাত্রী ও এজেন্সির মধ্যে চুক্তিপত্র হিসেবে বিবেচিত হবে। প্যাকেজে সৌদি আরবে প্রদেয় সেবা, অবস্থানকাল, হোটেলের দূরত্ব এবং প্যাকেজের মূল্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হবে।
প্রত্যেক এজেন্সিকে ন্যূনতম ৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে হবে। অর্থাৎ একজন গাইডের জন্য নির্ধারিত সমসংখ্যক হজযাত্রী হলে এজেন্সিটি সমন্বয়ে অংশ নিতে পারবে। অন্যথায় লিড এজেন্সির আওতাধীন অন্য কোনো এজেন্সিতে হজযাত্রী স্থানান্তরের (ট্রান্সফার) মাধ্যমে তাদের হজ পালন নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য আরবি ভাষায় দক্ষ, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞানসম্পন্ন এবং হজ পরিচালনায় অভিজ্ঞ একজন হজ গাইড নিয়োগ দিতে হবে। ই-হজ সিস্টেমে গাইড যুক্ত করার সময় তার পাসপোর্টের তথ্য ও হজের অভিজ্ঞতার তথ্য দিতে হবে।
অনিবন্ধিত কোনো ব্যক্তিকে হজযাত্রী হিসেবে সৌদি আরবে নেওয়া যাবে না। কোনো এজেন্সি এমন উদ্যোগ নিলে কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৫ দিন আগে
হজের প্রাক-নিবন্ধনে লাগবে যেসব তথ্য
হজের প্রাক-নিবন্ধনে হজযাত্রীদের আবশ্যিকভাবে যেসব তথ্য দিতে হবে, তা জানিয়ে পত্র জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বুধবার (১ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত পত্র জারি করা হয়েছে।
এ পত্রে হজে গমনেচ্ছু বাংলাদেশি সকল নাগরিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়েছে, হজে গমনের প্রথম ধাপ হলো প্রাক-নিবন্ধন। হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধনকালে জাতীয় পরিচয়পত্র বা বাংলাদেশি পাসপোর্ট বা জন্মসনদ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব নম্বর থাকতে হবে। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির একটি ব্যাংক একাউন্ট থাকলেও চলবে।
এ পত্রে হজের আর্থিক লেনদেন নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের হজযাত্রীর ব্যাংক হিসাব থাকা আবশ্যক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, ইতোপূর্বে যেসকল হজযাত্রী প্রাক-নিবন্ধনকালে ব্যাংক হিসাবের তথ্য প্রদান করেননি তাদের নিবন্ধনের সময় ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে বলা হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৭ সালের হজের জন্য ১ জুলাই থেকে প্রাক-নিবন্ধন শুরু হয়েছে। সৌদি সরকার ঘোষিত রোডম্যাপ অনুসারে এ বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজ নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
৩৩ দিন আগে
অনুমোদনহীন হজ এজেন্সি নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা
অনুমোদনবিহীন এজেন্সি বা গ্রুপ বা কাফেলার হজ কার্যক্রমের প্রচারণা বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
রবিবার (২৮ জুন) মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সকল তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার অনুমোদিত বৈধ লাইসেন্সধারী ও তালিকাভুক্ত যোগ্য হজ এজেন্সি ব্যতীত অন্য কোনো এজেন্সি, এজেন্ট বা গ্রুপ বা কাফেলার হজ কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নেই এবং তাদের মাধ্যমে হজে যাওয়া সম্ভব নয়।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত যোগ্য হজ এজেন্সি ব্যতীত অন্য কোনো এজেন্সি বা ট্রাভেল এজেন্ট বা গ্রুপ বা কাফেলার সঙ্গে হজ সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন না করার জন্য হজে গমনেচ্ছু সবাইকে বিশেষ অনুরোধ করেছে মন্ত্রণালয়।
২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন শিগগিরই ঘোষণা করা হবে জানিয়ে প্রকাশিত হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন অনুসরণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৩৭ দিন আগে
২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে ২০২৭ সালের হজযাত্রী নিবন্ধন
২০২৭ সালের (হিজরি ১৪৪৮ সন) হজের রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম এবং ৮ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হবে দ্বিপাক্ষিক হজচুক্তি।
রবিবার (৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে এ রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে, গত ২৯ মে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় সৌদি আরবের জেদ্দায় এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমের সময়সূচি ঘোষণা করে এবং বিভিন্ন দেশের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রীদের নিকট তা হস্তান্তর করে।
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ তার নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হজের রোডম্যাপ হস্তান্তর করেন।
রোডম্যাপ অনুসারে, চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম এবং ৮ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হবে দ্বিপাক্ষিক হজচুক্তি। ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু হবে এবং ৮ এপ্রিল শুরু হবে হজ ফ্লাইট। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৫ মে (৯ জিলহজ্ব) অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের হজ।
এছাড়া, সৌদি প্রান্তের খরচের অর্থ নুসুক মাসার প্লাটফর্মের ই-ওয়ালেটে সরাসরি স্থানান্তর কার্যক্রম চলবে এ বছরের ১৫ জুলাই থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নুসুক মাসারের মাধ্যমে সামগ্রিক সেবা প্যাকেজ (তাঁবু, সার্ভিস প্যাকেজ, মক্কা ও মদিনায় হোটেল, ক্যাটারিং ও পরিবহন সেবা) গ্রহণের নিমিত্ত চুক্তি স্বাক্ষর শুরু হবে চলতি বছরের ২৯ জুলাই এবং তা শেষ হবে ২৩ জানুয়ারি।
হজযাত্রীদের ডাটা নুসুক মাসার সিস্টেমে আপলোড করতে হবে ১৪ আগস্ট হতে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে। হজযাত্রী পরিবহনকারী এয়ারলাইন্সের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর ও নুসুক মাসারে ডকুমেন্টেশন সম্পন্ন করতে হবে চলতি বছরের ২৯ জুলাই হতে ৮ নভেম্বরের মধ্যে।
ঘোষিত এ রোডম্যাপ অনুযায়ী হজের কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেছে মন্ত্রণালয়।
৫৭ দিন আগে
দেশে ফিরেছেন ৩৭৪৩৫ জন হাজি
গতকাল শনিবার পর্যন্ত পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৩৭ হাজার ৪৩৫ জন হাজি।
রবিবার (৭ জুন) ৯টি ফ্লাইটে আরও ৩ হাজার ৬৪৬ জন হজযাত্রীর দেশে প্রত্যাবর্তনের কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে অর্ধেকেরও বেশি হাজি দেশে পৌঁছে যাবেন। বাকি হাজিরা পর্যায়ক্রমে ফ্লাইট শিডিউল অনুসারে দেশে ফিরবেন। আগামী ১ জুলাই হজের ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে।
দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন অনেক হাজি। জানিয়েছেন তাদের হজের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার কথা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সৌদি সরকারের সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন হাজিরা। সরকারি মাধ্যমে হজ পালনকারী হাজিরা সরকারি ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং মানুষকে সরকারি মাধ্যমে হজ পালনের পরামর্শ দিয়েছেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (শনিবার) পর্যন্ত মক্কা ও মদিনার বাংলাদেশ হজ মিশন মেডিকেল সেন্টার হতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়েছে ৫৮ হাজার ৪৯টি। এছাড়া সৌদি আরবের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৩৯৮ জন।
এ বছর হজ পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৮ জন। বর্তমানে সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২২ জন হজযাত্রী।
৫৮ দিন আগে
এবার সিলেট থেকে সরাসরি হজ ফ্লাইট ৭টি, যাত্রা শুরু ৪ মে
এ বছর সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি মোট ৭টি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এর মধ্যে প্রথম ফ্লাইটটি ৪ মে রাত ১টা ২৫ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে মদিনার উদ্দেশে যাত্রা করবে।
রবিবার (৩ মে) দুপুরে সিলেট হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) কার্যালয়ে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রা-সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রস্তুতি তুলে ধরতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে হাব সিলেট অঞ্চলের সেক্রেটারি মুহাম্মদ আব্দুল কাদির বলেন, প্রতি বছরের মতো এ বছরও সিলেট থেকে সরাসরি পবিত্র হজ ফ্লাইট চালু হওয়া অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের বিষয়। প্রথম ফ্লাইটটি ৪ মে রাত ১টা ২৫ মিনিটে ৪১৯ জন যাত্রী নিয়ে মদিনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এ বিষয়ে সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি সকল হজযাত্রীকে মোবারকবাদ জানান এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, গত বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও সিলেট থেকে মোট ৭টি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এর মধ্যে একটি মদিনায় এবং বাকি ৬টি জেদ্দা বিমানবন্দরে যাবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এসব ফ্লাইট ১৪, ১৫, ১৬, ১৭ (দুটি ফ্লাইট) ও ১৮ মে সিলেট-জেদ্দা রুটে পরিচালিত হবে।
এ বছর সিলেট অঞ্চলের মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ৩ হাজার ৩৯৪ জন। এর মধ্যে ২ হাজার ৯৩৩ জন সরাসরি সিলেট থেকে সাতটি ফ্লাইটে সৌদি আরবে যাবেন এবং বাকি ৪৬১ জন ঢাকা হয়ে যাত্রা করবেন। ‘রোড টু মক্কা’ কর্মসূচির আওতায় ঢাকায় ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হলেও সিলেট থেকে যাত্রাকারীদের ইমিগ্রেশন সৌদি আরবেই সম্পন্ন হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী হজে অংশ নেবেন। সৌদি সরকারের নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী প্রতি এজেন্সির জন্য ন্যূনতম ২ হাজার জন যাত্রীর সীমা থাকলেও সিলেট অঞ্চলে এ নিয়ে বড় কোনো সমস্যা হয়নি।
সিলেট অঞ্চলে মোট ৩০টি হজ এজেন্সি কার্যক্রমে যুক্ত থাকলেও এ বছর ২৩টি এজেন্সি নিবন্ধন কার্যক্রমে অংশ নেয়। এসব এজেন্সির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হজযাত্রীদের নিবন্ধন, ভিসা কার্যক্রম এবং সৌদি আরবে বাসস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ বছর একটি সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে ‘সিলেট অ্যালায়েন্স হজ ২০২৬’ প্ল্যাটফর্মের অধীনে লিড এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ সার্ভিসেসের লাইসেন্সে হজ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা সমন্বিত ব্যবস্থাপনার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
এ বছর সিলেট থেকে অংশগ্রহণকারী হজ এজেন্সিগুলো হলো: লতিফ ট্রেভেলস প্রাইভেট লিমিটেড, সানশাইন ট্রেভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, ইকরা ট্রেভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, সোমা ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিসেস, সিপার এয়ার সার্ভিসেস, ট্রেভেলন এয়ার সার্ভিসেস, এলাইট ট্রেভেলস, সিটি ওভারসীজ, আল মনসুর এয়ার সার্ভিস লিমিটেড, আল ইহসান ট্রেভেলস, রাব্বানী ওভারসীজ এভিয়েশন, আকাবা ট্রেডিং কর্পোরেশন, তাশফিক ট্রেভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, যাত্রীক ট্রেন্ডেলস, নিবরাস ইন্টারন্যাশনাল ট্রেভেলস, আলফা ট্রেভেলস, আবাবিল এয়ার সার্ভিস, আল শরিফাইন ট্রেভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, শিপলু ওভারসীজ, খাজা এয়ার লাইনার, খাজা ট্রেভেলস, নিউ মডার্ন ট্রেভেলস ইন্টারন্যাশনাল এবং ডিসকভারী সিলেট ট্রেভেলস ট্যুরস।
৯৩ দিন আগে
বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট সৌদি আরব পৌঁছেছে
বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট সৌদি আরবে পৌঁছেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৩০০১ ফ্লাইটটি সৌদি আরবের স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২০ মিনিটে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ফ্লাইটটিতে হজযাত্রী ছিল ৪১৯ জন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
বিমানবন্দরে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের অভ্যর্থনা জানান সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন ও কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলাম। সেখানে হজযাত্রীদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাদের হাতে রিফ্রেশমেন্ট কিট তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন, সহকারী মৌসুমি হজ অফিসার মো. রুহুল আমিন, জেদ্দা হজ টার্মিনালের হেড অব অপারেশন ইহাহিয়া রাদি ও হাজিদের অভ্যর্থনায় নিয়োজিত সৌদি প্রতিষ্ঠান নুসুক মারহাবার ম্যানেজার রায়েদ বাকশাউন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইট-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১০৮ দিন আগে