মনোনয়ন
সংরক্ষিত ৩৬টি নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীতদের নামের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে ক্ষমতাসীন বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট।
সোমবার (২০) এপ্রিল দুপুর সোয়া ১২টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ৩৬ জনের এ তালিকা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
মনোনীতরা হলেন— সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোছাম্মৎ ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।
পরোক্ষ ভোটের এই নির্বাচনে ভোটের জন্য ১২ মে তারিখ রাখা হলেও পদ্ধতিগত কারণে ভোটাভুটির আর দরকার হবে না। অর্থাৎ, দল যাদের মনোনয়ন দিচ্ছে, বাছাইয়ে বাদ না পড়লে তাদের সংসদ সদস্য হওয়া কার্যত নিশ্চিত।
রিজভী বলেন, এই ৩৬ জন বিএনপি এবং বিএনপি জোট থেকে যাদের সিলেকশন করা হয়েছে, নির্বাচিত করা হয়েছে, তাদের নাম আমি এখানে পাঠ করে শোনালাম। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
বিদ্যমান আইন অনুযায়ী ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। সে অনুযায়ী এবার বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি ও স্বতন্ত্র জোট ১টি আসনে সংসদ সদস্য দিতে পাবে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ২১ এপ্রিলের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে, তা বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ এপ্রিল। এর দুই সপ্তাহ পর আগামী ১২ মে ভোট গ্রহণের তারিখ রাখা হয়েছে।
নিয়ম হলো, সংসদের সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন, কিন্তু দল বা জোট তাদের বরাদ্দ পাওয়া আসনের সমান সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়ন দেয় বলে এ নির্বাচনে আর ভোটের আর প্রয়োজন হয় না। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিএনপি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রার্থী মনোনয়নের চূড়ান্ত বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিএনপি। আজ শুক্রবার থেকে দলীয় মনোনয়ন বোর্ডের সামনে আগ্রহী প্রার্থীরা সাক্ষাৎকার দিতে শুরু করেছেন।
এদিন বিকেলে বিএনপির চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে মনোনয়ন বোর্ড এই সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু করে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, যারা সংরক্ষিত আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছিলেন, আজ বিকেলে তাদের সাক্ষাৎকার শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য হিসেবে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রথম দিনে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর এবং ফরিদপুর বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে। চারশরও বেশি প্রার্থী এই সাক্ষাৎকারে অংশ নিচ্ছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা এবং ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার শনিবার বিকেল ৩টায় শুরু হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মনোনয়নের মানদণ্ড সম্পর্কে আলোকপাত করে রিজভী বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, আমাদের এক ভয়াবহ দুঃসময় পার করে আমরা আজকের গণতন্ত্র উত্তরণের এই পর্যায়ে পৌঁছেছি এবং গণতন্ত্র সচল ও শক্তিশালী করতে এটাকে এগিয়ে নিতে হবে। সেই ক্ষেত্রে মহিলারা যে অবদান রেখেছেন বিগত ১৫-১৬ বছরের আন্দোলনে, নিঃসন্দেহে তাদের সেই অবদানকেও মূল্যায়ন করা হবে।’
বিএনপি নেতা আরও জানান, সেক্ষেত্রে আপনারা জানেন, অনেক মহিলা নেত্রী আমাদের, তাদের নামে মিথ্যা মামলা হয়েছে, তারা শর্টগানের গুলি খেয়েছেন, তাদের বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে, তাদের সন্তানদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারণে এবং রাজনৈতিক আদর্শের কারণে, এই পৈশাচিক বিভীষিকা তো ১৬-১৭ বছর ধরেই চলেছে। দল এসব বিষয় বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, এর বাইরে পাশাপাশি সংসদে কথা বলা এবং আইন প্রণয়নের ব্যাপারে যে জ্ঞান থাকা দরকার, যে শিক্ষা থাকা দরকার, এই বিষয়গুলো এখানে বিবেচিত হবে বলে আমি মনে করি। সবকিছু বিবেচনা করেই আমাদের যে মনোনয়ন বোর্ড, তারা চূড়ান্ত করবেন, কারা মহিলা সংসদ সদস্য হবেন।
এর আগে, গত ৮ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আসন বণ্টন অনুযায়ী, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৬টি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১টি আসন পাবে।
শুক্রবার দুপুর থেকেই বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ও তাদের সমর্থকরা গুলশান কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন। নিরাপত্তাকর্মীরা কেবল প্রার্থীদের কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছেন। কার্যালয়ের ভেতরে প্রার্থীদের বসার জন্য একটি স্থান নির্ধারণ করা ছিল। সেখানে তাদের বসানো হচ্ছে।
৩ দিন আগে
কুমিল্লার ১১ আসনে ১০৭ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের লক্ষে কুমিল্লার ১১টি আসনে ১০৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, উপজেলা পর্যায়ের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিকট মনোনয়নপত্র জমা দেন তারা। জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
কুমিল্লায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারা হলেন:
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে বিএনপির ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, জামায়াতের মনিরুজ্জামান বাহালুল, খেলাফত মজলিসের সৈয়দ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পাটির মোহাম্মদ আবুল কালাম, স্বতন্ত্র মারুফ হোসেন, জাসদের বড়ুয়া মনোজিত ধীমন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বশির আহমেদ, এবি পার্টির সফিউল বাশার, জাতীয় পার্টির সৈয়দ মো. ইফতেখার আহসান, স্বতন্ত্র আবু জায়েদ আল মাহমুদ, স্বতন্ত্র ওমর ফারুক ও কাজী মো. ওবায়েদ উল্লাহ।
কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে বিএনপির অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, জামায়াতের মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফুল আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আব্দুস সালাম, জাতীয় পার্টির মো. আমির হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মো. সাহাবুদ্দিন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আবদুস সালাম, স্বতন্ত্র মো. রমিজ উদ্দিন লন্ডনী, এম এ মতিন খান ও অধ্যাপক মো. মনোয়ার হোসেন।
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপির কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, জামায়াতের মো. ইউসুফ সোহেল, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. খোরশেদ আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের রিয়াজ মোহাম্মদ শরীফ, আমজনতা দলের চৌধুরী রকিবুল হক, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শরীফ উদ্দীন সরকার, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. এমদাদুল হক ও গণ অধিকার পরিষদের মো. মনিরুজ্জামান।
কুমিল্লা- ৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ, গণঅধিকার পরিষদের মো. জসীম উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের মাওলানা মজিবুর রহমান ফরাজী, ইনসানিয়াত বিপ্লব পার্টির ইরফানুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হাফেজ মাওলানা মোফাজ্জল হোসেন, আমজনতা দলের মাসুদ রানা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল করিম।
কুমিল্লা-০৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির জসিম উদ্দিন, জামায়াতের ড. মোবারক হোসেন, এবি পার্টির ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের তানজীল আহমেদ, জাতীয় পার্টির মো. এনামুল হক খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রাশেদুল ইসলাম, এনপিপির মো. আবুল বাশার, জেএসডির শিরিন আক্তার, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আবুল কালাম ইদ্রিস ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবদুল্লাহ আল কাফী।
কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর) আসনে বিএনপির মনিরুল হক চৌধুরী, জামায়াতের কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, এবি পার্টির মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, বাসদের কামরুন নাহার সাথী, ইসলামী ফ্রন্টের মাসুম বিল্লাহ মিয়াজী, মুসলিম লীগের মোহাম্মদ ইয়াছিন, মুক্তিজোটের আমির হোসেন ফরায়জী, জেএসডির ওবায়েদুল কবির মোহন, গণঅধিকার পরিষদের মোবারক হোসেন, স্বতন্ত্র আমিনুর উর রশিদ ইয়াছিন।
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বিএনপির ড. রেদোয়ান আহমেদ, স্বতন্ত্র আতিকুল আলম শাওন, স্বতন্ত্র মাওলানা সালেহ সিদ্দিকী, মুক্তিজোটের সজল কুমার কর, খেলাফত মজলিসের মাওলানা সোলাইমান খাঁন, জামায়াতের মাওলানা মো. মোশারফ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মুফতি এহতেশামুল হক।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমন, জামায়াতের সফিকুল আলম হেলাল, জাতীয় পার্টির এইচ এম এম ইরফান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. গোলাম সাদেক, খেলাফত মজলিশের মো. জোবায়ের হোসেন, ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুল কাদের, জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম মিলন, বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টির মফিজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির গোলাম মোরশেদ, বাসদের মোহাম্মদ আলী আশরাফ।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির আবুল কালাম, স্বতন্ত্র সামিরা আজিম দোলা, রশিদ আহমেদ হোসাইনী, জামায়াতের ড. সৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী, জাতীয় পার্টির গোলাম মোস্তফা কামাল, ইসলামী আন্দোলনের সেলিম মাহমুদ, মোহাম্মদ আবুল কাশেম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু বকর সিদ্দিক, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মিজানুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. মাহবুবুর রহমান, স্বতন্ত্র ইয়াছির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক, মোহাম্মদ মফিজুর রহমান ও আবদুল হক আমিনী ।
কুমিল্লা -১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনে বিএনপির আবদুল গফুর ভুঁইয়া, জামায়াতের মো. ইয়াসিন আরাফাত, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী নুর আলম সিদ্দিকী, আম জনতা দলের আবদুল্লাহ আল নোমান, নাগরিক পরিষদের রমিজ বিন আরিফ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের হাসান আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শামছুদ্দোহা, স্বতন্ত্র মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ও মোস্তফা সাজ্জাদ হাসান।
কুমিল্লা-১১(চৌদ্দগ্রাম) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহিউদ্দিন শহিদ,মুক্তিজোটের মোহাম্মদ ইউসুফ, বাংলাদেশ গণফ্রন্টের আলমগীর হোসেন, স্বতন্ত্র মো. তৌহিদুল ইসলাম, বিএনপির কামরুল হুদা, জামায়াতের ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আ ফ ম আবদুর রহিম ও জাতীয় পাটির মো. মাইন উদ্দিন।
১০৯ দিন আগে
পাঁচ মিনিটের বিলম্বে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারলেন না পিরোজপুরের ২ প্রার্থী
নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট পরে পৌঁছানোয় পিরোজপুরে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি পিরোজপুর-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী হাফেজ মাসুম বিল্লাহ এবং পিরোজপুর- ২ আসনের গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী আনিসুর রহমান মুন্না।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সময়মত উপস্থিত না হতে পারায় এ ঘটনা ঘটে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে বিভিন্ন দলের এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তবে সঠিক সময়ে উপস্থিত হতে না পারায় মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি পিরোজপুর-১ (সদর, ইন্দুরকানী, নাজিরপুর) আসনের ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী হাফেজ মাসুম বিল্লাহ এবং পিরোজপুর- ২ (নেছারাবাদ, কাউখালী, ভান্ডারিয়া) আসনের গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী আনিসুর রহমান মুন্না।
মনোনয়নপত্র জমা না দিতে পারার বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের আনিসুর রহমান মুন্না বলেন, আসার পথে আমার গাড়িটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে সঠিক সময় আসতে পারিনি। আমি বিকেল পাঁচটার এক থেকে দুই মিনিট পরে এসেছি তবে মাত্র এক থেকে দুই মিনিট পরে আসার পরও আমাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আমি আদালতের কাছে জানতে চাইব, মাত্র দুই মিনিটের জন্য কেন আমাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি?
তবে এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী বা দলটির কোনো দায়িত্বশীল নেতার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুল মান্নান বলেন, আমাদের নির্বাচনি আইন হলো, বিকেল ৫টার মধ্যে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থী উপস্থিত হওয়া। যারা জমা দিতে পারেননি, তারা কেউই ৫টার মধ্যে আসেন নাই, এসেছেন ৫টা ১৫ বা ২০-এর পরে। এ সময়ে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার কোনো বিধান নাই।
এ বিষয় পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, বিকেল ৫টার মধ্যে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত না থাকার কারণে উল্লিখিত দুজনের মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া সম্ভব হয়নি।
১১১ দিন আগে
ঋণখেলাপীদের জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না: অর্থ উপদেষ্টা
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপীদের প্রার্থী হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বুধবার (১৩ আগস্ট) জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ‘ইউপেনশন’ অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘যদি রাজনৈতিক নেতা টাকা দিয়ে মনোনয়ন বা ভোট প্রচারণা করেন, তখন অর্থ মন্ত্রণালয় কিছুই করতে পারবে না।’
তবে ফেব্রুয়ারিতে সুস্থ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে মন্ত্রণালয় সব প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বর্তমান আইনের আওতায় ঋণখেলাপীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ১৯৭২ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ধারা ১২ অনুযায়ী, ঋণখেলাপী কেউ সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে অযোগ্য।
পড়ুন: হালনাগাদ ভোটার তালিকা: মোট ভোটার ১২ কোটি ৬১ লাখ ৭০ হাজার ৯০০
সালেহউদ্দিন বলেন, ‘যদি কেউ ঋণখেলাপী (ডিফল্টার) হয়, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। তবে নির্বাচনের আগে এই ধারা প্রায়শই কার্যকর করা হয় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে ঋণখেলাপীদের শনাক্ত করতে হবে।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ঋণখেলাপী হলেও সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন খান আলমগীর পাঁচ বছর সংসদ সদস্য ছিলেন।
কালো অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনও আমাদের কাছে কিছু আসেনি। নির্বাচন কমিশন বিষয়টি বিবেচনা করবে। কালো অর্থের দুটি দিক আছে—উৎস এবং প্রক্রিয়া। উৎসের ক্ষেত্র এখন পূর্বের তুলনায় অনেকটা বন্ধ, এবং কিছু চেক অ্যান্ড ব্যালান্স রয়েছে।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মঙ্গলবারের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘তাদের রাজনৈতিক মন্তব্য করার স্বাধীনতা রয়েছে। আমার ছাত্রজীবনে আমিও বামপন্থী রাজনীতি করেছি এবং নানা মন্তব্য করেছি—হল বন্ধ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ইত্যাদি। তবে সেগুলো কখনও বন্ধ হয়নি।’
২৪৯ দিন আগে
পটুয়াখালীতে ৩ জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার, মাঠে ২২ প্রার্থী
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে পটুয়াখালীতে তিন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) তারা রিটার্নিং অফিসার নূর কুতুবুল আলমের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
তারা হলেন- পটুয়াখালী-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হাসিব আলম তালুকদার।
পটুয়াখালী-৩ আসনে তৃণমূল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ওবায়েদুল ইসলাম তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
আরও পড়ুন: পটুয়াখালীতে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে পুলিশসহ ৩০ জন আহত
এ ছাড়া দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে পটুয়াখালী-১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আইনজীবী আফজাল হোসেনের মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়।
রবিবার বিভিন্ন সময়ে তারা রিটার্নিং অফিসার নূর কুতুবুল আলমের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
এ দিকে আপিল করে মনোনয়নের বৈধতা পেয়েছেন পটুয়াখালী-১ আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী নাসির উদ্দিন তালুকদার।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার চারটি সংসদীয় আসনে ৯টি দল ও তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ২২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
প্রত্যাহারের পর পটুয়াখালী-১ (পটুয়াখালী সদর, দুমকি, মির্জাগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, তরিকত ফেডারেশনের মো. খলিল, জাসদের কে এম আনোয়ারুজ্জামান মিয়া, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মহিউদ্দিন মামুন, এনপিপির মো. নজরুল ইসলাম ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী নাসির উদ্দিন তালুকদার।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) জোবায়ের হোসেন, তৃণমূল বিএনপির মাহাবুবুল আলম, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মহসিন হাওলাদার।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা দশমিনা) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য এসএম শাহাজাদা, জাতীয় পার্টির মো. নজরুল ইসলাম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ছাইফুর রহমান, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মোহাম্মদ নূরে আলম, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) এ ওয়াই এম কামরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক বিজিবি মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবুল হোসেন।
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া রাঙ্গাবালী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য মো. মহিববুর রহমান, জাতীয় পার্টির আব্দুল মন্নান হাওলাদার, জাসদের বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু, বাংলাদেশ কংগ্রেসের জাহাঙ্গীর হোসাইন, স্বতন্ত্র প্রাথী কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান তালুকদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য আবদুল্লাহ আল ইসলাম লিটন নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন।
আরও পড়ুন: পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান মিয়ার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান মিয়া মারা গেছেন
৮৫৫ দিন আগে
মানিকগঞ্জে জাতীয় পার্টির সব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
মানিকগঞ্জে জাতীয় পার্টির (জাপা) সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
রবিবার (৩ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার রেহেনা আক্তার এ সিদ্ধান্ত জানান।
এছাড়া ঋণ খেলাপির দায়ে দুইজন এবং গ্যাস বিল বকেয়ার কারণে একজনের মনোনয়নপত্র বৈধ হিসেবে গণ্য হয়নি।
আরও পড়ুন: বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন: হিরো আলমসহ ১১ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
ঋণ খেলাপীর দায়ে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে-
মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার এস এম আব্দুল মান্নান এবং মানিকগঞ্জ-১ ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনের জহিরুল আলম রুবেলর।
অন্যদিকে, মানিকগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হাসান সাঈদের মনোনয়ন বাড়ির গ্যাস বিল বকেয়া থাকায় বাতিল হয়েছে।
এছাড়া, মানিকগঞ্জ-১ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. আফজালের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে।
তিনি বলেন, মানিকগঞ্জের তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ৩৩ জন প্রার্থী। এরমধ্যে ২১ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। বাকি ১২ জনের মনোনয়নপত্র বিভিন্ন কারণে বাতিল করা হয়েছে।
যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে রবিবার সব প্রার্থী বা তাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই বৈধ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
রিটার্নিং অফিসার রেহেনা আক্তার জানান, যাদেরটা বাতিল হয়েছে তারা ৫ থেকে ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করতে পারবেন।
ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলা নিয়ে গঠিত মানিকগঞ্জ-১ আসনে ১০জনের মধ্যে ছয়জনের বাতিল হয়েছে।
বৈধ হয়েছে চারজনেরটা। এই আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন —
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ জাহিদ, জেলা জাসদের সভাপতি ও ঘিওর উপজেলা পরিষদের দুইবারের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন খান জকি এবং জাকের পার্টির দ্বীন মোহাম্মদ খান।
মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে —
স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আলী বেপারী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী জহিরুল আলম রুবেল ও হাসান সাঈদ, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আফজাল, গণফ্রন্টের মোহাম্মদ শাহজাহান খান ও বিএনএম'র মোনায়েম খান।
সিংগাইর, হরিরামপুর ও মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মানিকগঞ্জ-২ আসনে ১৪জনের মধ্যে ১০জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। বাতিল হয়েছে চারজনেরটা।
এই আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন —
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, টানা তিনবারের সংসদ সদস্য, সিংগাইর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম, স্বতন্ত্র প্রার্থী-আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল, সিংগাইর উপজেলা পরিষদের দুইবারের চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা মুশফিকুর রহমান খাঁন হান্নান, জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলু, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের অ্যাডভোকেট ফেরদৌস আহমেদ আসিফ, জাসদের রফিকুল ইসলাম সিদ্দিকী, বিএনএম'র এ কে এম ইকবাল, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির এ কে নাহিদ, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের তানভীন রহমান ও বাংলাদেশ কংগ্রেস'র প্রার্থী জাকির হোসেন।
যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন—
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এসএম আব্দুল মান্নান, প্রজন্মলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সারোয়ার আলম বাবু, স্বতন্ত্র প্রার্থী- স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহাবুদ্দিন আহমেদ চঞ্চল ও তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন।
মানিকগঞ্জ পৌরসভা, সাটুরিয়া উপজেলা ও মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ৭ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মানিকগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন ৯জন।
এরমধ্যে বাতিল হয়েছে দুইজনেরটা। আর বৈধ হয়েছে ৭ জনেরটা।
এই আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন —
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, টানা তিনবারের সংসদ সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন, গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, এই আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম খান কামাল, জাকের পার্টির দ্বীন মোহাম্মদ খান, জাসদের সৈয়দ সারোয়ার আলম চৌধুরী, তৃণমূল বিএনপি'র প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, কৃষক-শ্রমিক- জনতা লীগের প্রার্থী এম হাবিব উল্লাহ, বিএনএম'র প্রার্থী খালেক দেওয়ান।
যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন—
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা জহিরুল আলম রুবেল ও বাংলাদেশ কংগ্রেস'র প্রার্থী সাবিনা বেগম।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে ঋণ খেলাপির দায়ে নৌকার প্রার্থী সালাহউদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল
সাংবাদিক লাঞ্ছনা: মোস্তাফিজুরের মনোনয়ন বাতিল দাবি বিএফইউজে-সিইউজের
৮৬৮ দিন আগে
সাংবাদিক লাঞ্ছনা: মোস্তাফিজুরের মনোনয়ন বাতিল দাবি বিএফইউজে-সিইউজের
সাংবাদিকদের লাঞ্ছনাকারী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীকে চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে দেওয়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)।
এক যৌথ বিবৃতিতে শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) উভয় সংগঠনের নেতারা এ দাবি জানান।
আরও পড়ুন: সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগে এমপি মোস্তাফিজুরকে শোকজ
বিএফইউজে সভাপতি ওমর ফারুক ও মহাসচিব দীপ আজাদ, সিইউজে সভাপতি তপন চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম যৌথ বিবৃতিতে বলেন, নির্বাচনের আগেই আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাপারে প্রশ্ন করায় যিনি সাংবাদিকদের গায়ে হাত তোলার মতো ঔদ্ধত্য দেখাতে পারেন এমন ব্যক্তির কাছে কেউই নিরাপদ নয়।
সাংবাদিক নেতারা বলেন, বিতর্কিত এই ব্যক্তি আগেও বিভিন্ন সময় নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ছাড়াও সাংবাদিকদের হুমকি, মিথ্যা মামলায় জড়ানোসহ সাংবাদিক বিদ্বেষী নানা ঘটনা ঘটিয়েছেন।
একজন রাজনীতিবিদের কাছ থেকে আমরা তা কখনো প্রত্যাশা করি না।
নেতৃবৃন্দ তার মনোনয়ন বাতিলের জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের প্রতি আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় তার বিরূদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি দাবি জানান।
আরও পড়ুন: সিলেট সিটি নির্বাচন: বিএনপির মেয়র প্রার্থীসহ ৪১ নেতাকর্মীকে শোকজ
মানিকগঞ্জে মেয়র ও ৫ কাউন্সিলর পদপ্রার্থীকে শোকজ
৮৭০ দিন আগে
মাগুরায় সাকিব আল হাসানকে অভ্যর্থনা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করেছেন। আওয়ামী লীগ থেকে মাগুরা-১ আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রথমবার নিজের এলাকায় এলেন সাকিব।
বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ২টায় সড়কপথে মাগুরা পৌঁছান সাকিব আল হাসান। এদিকে অভ্যর্থনা জানাতে দেশের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত গড়াই সেতু এলাকায় ভিড় করেন হাজারও সমর্থক।
আরও পড়ুন: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনলেন সাকিব
সেখানে মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাস বহর নিয়ে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা সাকিবকে বরণ করে নেন। এসময় সাকিবের বাবা মাশরুর রেজা কুটিল, পৌর মেয়র খুরশীদ হায়দার টুটুল ও খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন।
এখানে সাকিব আল হাসানকে ফুল দিয়ে অভ্যার্থনা জানান শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুনুর রশীদ মুহিত।
সাকিবের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা থেকে রওনা দেন সাকিব। গড়াই সেতু এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল সাকিবকে অভ্যর্থনা জানায়।
সেখান থেকে সাকিবের জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে যান।
সেখানে তাকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান— জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুমার কুন্ডু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম ও আব্দুল মান্নান, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জমিরুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন— জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ফাত্তাহ, মাগুরা ২ আসনের মনোনীত প্রার্থী বীরেন শিকদার এমপি, সাবেক সংসদ সদস্য কামরুল লায়লা জলি।
দলীয় কার্যালয়ে নেতা–কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাকিব মাগুরা পৌর গোরস্থানে তার দাদা দাদির কবরে দোয়া করেন।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন পত্র রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেবেন।
আরও পড়ুন: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন মাশরাফি ও সাকিব
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: মাগুরা-১ আসনে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন সাকিব
৮৭২ দিন আগে
আওয়ামী লীগ আবারও বিজয়ী হবে আশাবাদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনের
আওয়ামী লীগ আবারও বিজয়ী হবে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একেএম আব্দুল মোমেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবারও বিজয়ী হবে।
দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সিলেট পৌঁছে নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এসময় তিনি সবার দোয়া চেয়েছেন।
সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
মঙ্গলবার দুপুরে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
এসময় আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। তারা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সঙ্গে আছে, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আছি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সবার উদ্দেশ্যে বলেন, দল ও আমার সভানেত্রী আমাকে নৌকার প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেন। আমি আপনাদের দোয়া চাই, যাতে নির্বাচনে জয়ী হয়ে সিলেটবাসীর সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে পারি।
এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সহসভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, সিসিক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীসহ মহানগর আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া, সিলেট সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ, অসংখ্য দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
বিমান বন্দর থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হযরত শাহজালাল (র.) ও শাহপরান (র.) মাজারে যান। সেখানে মাজার জিয়ারত ও দোয়া প্রার্থনা করেন।
আরও পড়ুন: কমন ফান্ড ফর কমোডিটিজের এমডি নির্বাচিত হওয়ায় রাষ্ট্রদূত বেলালকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন
আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়নকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৮৭৩ দিন আগে