ভবন ধস
ইস্তাম্বুলে বহুতল ভবনে আংশিক ধস, নিহত ১
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে একটি সাততলা ভবনের আংশিক ধসে একজন নিহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এছাড়া ভেতরে আটকে থাকা অন্তত তিনজনের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন জরুরি উদ্ধারকর্মীরা।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরের আগে শহরের মালতেপে এলাকায় ভবনটি ধসে পড়ে।
এদিকে ধসের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি এবং এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। বাকি অংশ ধসে পড়ার আশঙ্কার মধ্যেই আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা।
বসফরাস প্রণালির কারণে দুই ভাগে বিভক্ত শহর ইস্তাম্বুলের এশীয় অংশে থাকা ভবনটির নিচের তিনটি তলা ধসে পড়ে, যার মধ্যে নিচতলার একটি দোকানও ছিল।
ধসের পর উদ্ধারকারী দল ওপরের তলাগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয় এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও আটজনকে জীবিত উদ্ধার করে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উদ্ধারকারীরা একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন এবং ভেতরে এখনও তিনজন রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে ইস্তাম্বুলের গভর্নর দাভুত গুল জানিয়েছিলেন, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা ছয় বছর বয়সী একটি শিশুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছেন। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে শিশুটিও রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ভবনটির বাকি অংশও ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা উদ্ধারকাজ ব্যাহত করছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের ভবনগুলো থেকেও লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ইস্তাম্বুল ও তুরস্কের অন্যান্য এলাকায় পুরোনো ও ভূমিকম্পঝুঁকিপূর্ণ ভবন সরিয়ে তুলনামূলক নিরাপদ আবাসন নির্মাণের লক্ষ্যে নগর রূপান্তর কর্মসূচি চলছে।
১২ দিন আগে
নয়াদিল্লিতে ভবন ধসে নিহত বেড়ে ৬
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ধসে পড়া একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপে আজ সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লির ঘনবসতিপূর্ণ সত্য নিকেতন এলাকায় অবস্থিত ওই পাঁচতলা ভবনটি ধসে পড়ে। ভবনটিতে একটি ছাত্রাবাস ছিল। এলাকাটি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ক্যাম্পাসের কাছে এবং বেসরকারি ছাত্রাবাসের হিসেবে পরিচিত।
দুর্ঘটনার পর পুলিশ, দমকল বাহিনী ও ভারতের দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থার সদস্যরা আজও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। ভারী যন্ত্র দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরানোর পাশাপাশি প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করে ভেতরে আটকে থাকা ব্যক্তিদের সন্ধান করা হচ্ছে।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা আজ ঘটনাস্থল থেকে সাংবাদিকদের বলেন, উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে অন্তত ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। ধ্বংসস্তূপের প্রায় ৮০ শতাংশ সরানো হয়েছে এবং এখন শুধু বেসমেন্টের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। এ ঘটনায় ছয়জন নিহত ও আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভবনটি অন্তত ৫৫ বছরের পুরোনো। কয়েক মাস ধরে সেটিতে সংস্কারকাজ চলছিল। কাজ পুরোপুরি শেষ না হলেও আগস্টে মূলত শিক্ষার্থীদের ভাড়াটিয়া হিসেবে সেখানে ওঠানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা প্রকাশ চাঁদ জানান, ভবনটি ধসে পড়ার সময় কয়েকজন শ্রমিক বেসমেন্টে খননকাজ করছিলেন।
প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, বেসমেন্টে পানি জমে যাওয়া এবং পুরোনো ভবনটিতে চলমান সংস্কারকাজের কারণে ভবনটি ধসে পড়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন গুপ্তা।
তিনি বলেন, সরকার এমন একটি নীতিমালা প্রণয়ন করবে যার আওতায় জনসাধারণের ব্যবহৃত ভবন—বিশেষ করে ছাত্রাবাস, নার্সিং হোম ও স্কুল—নিয়মিত কাঠামোগত পরীক্ষা এবং নিরাপত্তা সনদ পাওয়ার বাধ্যবাধকতার মধ্যে আসবে। যেসব ভবন এসব শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হবে, সেগুলোতে কোনো ধরনের জনসাধারণের কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে না বলেও জানান তিনি।
৪৩ দিন আগে
পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে প্রাণ গেল ১৪ স্কুলশিক্ষার্থীর, গ্রেপ্তার ২
পাকিস্তানের লাহোরে নির্মাণাধীন ভবনে পরিচালিত একটি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে অন্তত ১৪ জন স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৮ শিশু আহত হয়েছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ জুন) লাহোরের উপকণ্ঠে অবস্থিত একটি নির্মাণাধীন ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ফয়সাল কামরান জানান, আহত শিশুদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় কোচিং সেন্টারের মালিক ও আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও শিশু আটকে থাকতে পারে—এমন আশঙ্কায় উদ্ধারকর্মীরা তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, কোচিং সেন্টারটি একটি পুরোনো ভবনে পরিচালিত হচ্ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করার কারণে নির্মাণাধীন দ্বিতীয় তলার ছাদ ধসে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানে ভবন ধসের ঘটনা নতুন নয়। দেশটিতে নির্মাণ মানদণ্ড যথাযথভাবে মানা হয় না। এ কারণে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া অনেক ভবন নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি করা হয় এবং খরচ কমাতে নিরাপত্তাবিধিও উপেক্ষা করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদ ধসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাম্বুলেন্স ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে অংশ নেন। তারা কোদাল ও খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া শিশুদের বের করে আনার চেষ্টা করেন।
১১১ দিন আগে
ফিলিপাইনে নির্মাণাধীন ভবন ধসে ৪ জন নিহত, এখনও নিখোঁজ ১৭
ফিলিপাইনে নির্মাণাধীন ৯ তলা একটি ভবন ধসে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এখনও ১৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
হতাতহত ও নিখোঁজদের বেশিরভাগই ছিলেন নির্মাণশ্রমিক। আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
স্থানীয় সময় রবিবার (২৪ মে) ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলের অ্যাঞ্জেলেস সিটিতে এই ভবন ধসের ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার হওয়া তিনজনের মধ্যে দুজন পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আরেকজনকে জীবিত অবস্থায় বের করে আনতে সক্ষম হন উদ্ধারকর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সে জরুরি সেবাকর্মীরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনিও মারা যান।
এ সময় অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের সাংবাদিকসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তারা দেখেন, শত শত উদ্ধারকর্মী, দমকলবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে কংক্রিটের স্ল্যাব, লোহার রড ও অ্যালুমিনিয়ামের স্ক্যাফোল্ডিংয়ের নিচে আটকে থাকা ব্যক্তিদের বের করে আনার চেষ্টা করছেন। আটকে থাকা অবস্থায় তখনও তারা জীবিত ছিলেন। কিন্তু তাদের বের করে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
আটকে পড়া এক ব্যক্তিকে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বাঁচিয়ে রাখতে উদ্ধারকারীরা তাকে পানি ও শিরায় ওষুধ দেওয়ার চেষ্টা করেন। আঞ্চলিক পুলিশ প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জেস মেন্দেজ এপিকে বলেন, আটকে পড়া ওই ব্যক্তিকে বাঁচাতে সব ধরনের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।
সোমবার ধ্বংসস্তূপ থেকে যাদের উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে একজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তার সম্পর্কে অ্যাঞ্জেলেস সিটির প্রধান তথ্য কর্মকর্তা জে পেলায়ো জানান, উদ্ধার করা ওই ব্যক্তি নিখোঁজ ১৭ জনের তালিকায় ছিলেন না।
এছাড়া এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া চতুর্থ নিহত ব্যক্তি ছিলেন এক মালয়েশিয়ান পর্যটক। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসাবশেষের একটি অংশ পাশের একটি সরাইখানার ওপর গিয়ে পড়লে তিনি সেখানে আটকা পড়েন। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গতকাল (রবিবার) প্রবল বজ্রঝড়ের পর বিকট শব্দে ভবনটি ধসে পড়ে। এক দিন পার হয়ে গেলেও উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে। অ্যাঞ্জেলেস সিটির মেয়র কারমেলো লাজাতিন বলেন, আগে জীবিতদের উদ্ধার অভিযান চলবে। এরপর মরদেহগুলো উদ্ধার করা হবে।
তিনি বলেন, আমার এখনও আশা আছে, আমরা আরও মানুষকে জীবিত উদ্ধার করতে পারব। আমরা আটকে পড়া শ্রমিকদের পরিবারকে আশাহত করতে চাই না।
ধ্বংসস্তূপের পাশেই অস্থায়ীভাবে আশ্রয় তৈরি করে অপেক্ষা করে যাচ্ছেন নিখোঁজ শ্রমিকদের স্বজনরা। তাদের সবার মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক কাজ করছে।
মেয়র লাজাতিন বলেন, উদ্ধারকারীরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছেন। কারণ বিশাল কংক্রিটের স্ল্যাবগুলো অ্যালুমিনিয়ামের স্ক্যাফোল্ডিংয়ের স্তুপের ওপর ঝুঁকিপূর্ণভাবে আটকে আছে। যেকোনো সময় সেগুলো ভেঙে পড়ে উদ্ধারকর্মীদের ওপর আছড়ে পড়তে পারে।
তিনি আরও জানান, ভবন ধসের সময় সেখানে থাকা ২৬ জন শ্রমিক উদ্ধার হয়েছেন, অথবা নিজেরাই দৌড়ে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। যারা ভবনের নিচতলায় ছিলেন, তারা দ্রুতেই বের হয়ে আসতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।
দেশটির জাতীয় পুলিশ প্রধান জেনারেল হোসে মেলেনসিও নারতাতেজ জুনিয়র বলেন, ভবন ধসে পড়ার কারণ এবং ভবন নির্মাণে কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করবে পুলিশ।
১৪৭ দিন আগে
ফিলিপাইনে নির্মাণাধীন ৯ তলা ভবন ধস, বহু শ্রমিক নিখোঁজ
ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার উত্তরের একটি শহরে নির্মাণাধীন ৯ তলা একটি ভবন ধসে পড়েছে। এ ঘটনায় ২২ জন শ্রমিক বের হয়ে আসতে সক্ষম হলেও আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় সময় রবিবার (২৪ মে) ভোরে ঝড়বৃষ্টির সময় ম্যানিলার উত্তরে পাম্পাঙ্গা প্রদেশের অ্যাঞ্জেলেস সিটিতে ভবনটি ধসে পড়ে।
ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে শতাধিক পুলিশ সদস্য ও সরকারি কর্মী অভিযান চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জেস মেনডেজ।
ঘটনাস্থল থেকে মেনডেজ জানান, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভবন থেকে বের হয়ে আসা ২২ শ্রমিকের মধ্যে কয়েকজন আহত হয়েছেন। ধসে পড়া ভবনের নিচে ঠিক কতজন শ্রমিক আটকা পড়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি তিনি।
তবে অ্যাঞ্জেলেস সিটির তথ্য দপ্তরের প্রধান জে পেলায়ো বলেন, অন্তত ৩০ জন শ্রমিক এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে থাকতে পারেন। এক নির্মাণ তদারককারীর বরাত দিয়ে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন, যিনি ভবনটি ধসে পড়ার সময় দ্রুত বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।
অ্যাঞ্জেলেস সিটিতে একসময় যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের বাইরে সবচেয়ে বড় মার্কিন বিমানঘাঁটিগুলোর একটি ছিল। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ওই এলাকা এবং আশপাশের শহরগুলো উত্তর ফিলিপাইনের প্রধান অঞ্চল লুজনে বিনোদন ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
বর্তমানে ক্লার্ক ফ্রিপোর্ট জোন নামে পরিচিত এই সাবেক মার্কিন বিমানঘাঁটি অ্যাঞ্জেলেস সিটিতে অবস্থিত। ম্যানিলা থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তরে এর অবস্থান।
১৪৯ দিন আগে
চীনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ২ জন নিহত, ৭ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে
চীনে ৫.২ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন। এ দুর্যোগে একাধিক ভবন ধসে পড়েছে এবং লিউঝো শহর থেকে ৭ হাজারের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ মে) ভোরে দক্ষিণ চীনের গুয়াংশি অঞ্চলে এ ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
নিখোঁজ কয়েকজন বাসিন্দার অনুসন্ধান কাজ আজ (সোমবার) দুপুরের দিকে শেষ হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সর্বশেষ আটকে পড়া ৯১ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধ জীবিত এবং সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার হয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারক সিসিটিভি প্রচারিত ছবিতে দেখা গেছে, এক্সকেভেটর দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরানো হচ্ছে। সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১৩টি ভবন ধসে পড়েছে এবং ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট ভূমিধস এলাকার রাস্তাগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। লিউঝো এলাকায় ট্রেন চলাচলও বাতিল বা বিলম্বিত করা হয়েছে।
দক্ষিণ চীনে মাঝে মাঝে ভূমিকম্প হয়ে থাকে, তবে তীব্র ভূমিকম্প সাধারণত পশ্চিমের পার্বত্য অঞ্চলে অথবা তাইওয়ানের দিকে পূর্বাঞ্চলে বেশি দেখা যায়।
সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বিধ্বংসী ভূমিকম্পটি ছিল ২০০৮ সালে দক্ষিণ-পশ্চিমের সিচুয়ান প্রদেশে, যেখানে ৭.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ৮৭ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং নিখোঁজ হয়েছিলেন।
১৫৪ দিন আগে
ত্রিপোলিতে ভবন ধসে ৭ অভিবাসী নিহত
লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে একটি আবাসিক ভবন ধসে পড়ে সাতজন আফ্রিকান অভিবাসী নিহত হয়েছেন। এছাড়া এ দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় শুক্রবার রাজধানীর পশ্চিমে জানজোর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
আইওএমের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘একটি তিনতলা ভবনে বেশকিছু সংখ্যক আফ্রিকান অভিবাসী বসবাস করছিলেন। গত রাতে ওই ভবব ধসে পড়ে। এতে নারী ও শিশুসহ ৭ জন নিহত হন এবং বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৫৭ বাংলাদেশি
বিবৃতিতে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে আইওএম।
সংস্থাটি জানায়, তারা ভুক্তভোগী অভিবাসীদের সহায়তা করতে প্রস্তুত। এছাড়া উদ্ধার অভিযানে কর্তৃপক্ষকেও সহায়তা করবে। ভবন ধসের কারণ অনুসন্ধানে এখনও তদন্ত চলছে।
আরও পড়ুন: লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৫০ অনিয়মিত বাংলাদেশি
৭১০ দিন আগে
মিশরে ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪
মিসরের দক্ষিণাঞ্চলীয় আসিউত প্রদেশে তিনতলা ভবন ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।
আসিউতের গণমাধ্যম কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, সোমবার পূর্ব আসিউতের ওই ভবনটি ধসে পড়ে এবং উদ্ধারকারী দলগুলো গত ২৪ ঘণ্টা ধরে জীবিতদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে।
আসিউতের গভর্নর এসাম সাদ দুর্ঘটনাস্থলে গিয়েছেন।
নিহতদের পরিবারকে জরুরি আর্থিক সহায়তা এবং আহতদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ধসে পড়া ভবন ও এর আশপাশের ভবন পরীক্ষা করতে, ধসের কারণ খুঁজে বের করতে এবং আশেপাশের বাড়িগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে একটি প্রকৌশল কমিটি গঠন করতে বলেছেন গভর্নর।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ‘আশপাশের ভবনগুলোও পরীক্ষা করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কিছু বাড়ি খালি করা হয়েছে। পাশাপাশি নাগরিকদের জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন: মিশরে আবাসিক ভবন ধসে ৫ জন নিহত
৮৩৯ দিন আগে
ভারী বৃষ্টিপাতে মুম্বাইয়ে ভবন ধস, নিহত ২৫
ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে গত ২৪ ঘন্টায় ভারী বর্ষণে ঘরবাড়ি ধসে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
শনিবার সন্ধ্যা ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টার মধ্যে মুম্বাইয়ে ১৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আরও পড়ুন: ভারত শিগগিরই বাংলাদেশকে টিকা দেবে: দোরাইস্বামি
মুম্বাইয়ের এক পৌর কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মুম্বাইয়ের শহরতলির পাহাড়ি চেম্বুর এলাকায় বাড়ি ধসে পড়ে ২০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। পার্শ্ববর্তী ভিক্রোলি অঞ্চলে আরও পাঁচজন মারা গেছেন। ভিক্রোলিতে সারারাত প্রবল বর্ষণের পানির তোড়ে একটি দ্বিতল ভবন ধসে পড়েছে। এই দুটি অঞ্চলে ধ্বংসাবশেষের নিচ থেকে এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের আশেপাশের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে মহিলা ও শিশু রয়েছে।
স্থানীয় টিভি চ্যানেলগুলো এই অঞ্চলগুলোতে উদ্ধারকাজের ভিডিও সরাসরি দেখাচ্ছে।
আরও পড়ুন: যমুনার ভাঙনে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করে সমবেদনা জানিয়েছেন এবং নিহতদের প্রতি পরিবারকে দুই লাখ রুপি আর আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
মুম্বাই পৌর সংস্থা জানায়, ভবন ধসে পড়ার বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সাধারণত জুন, জুলাই ও আগস্টের বর্ষাকালে ভারতে ভবন ধসের ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। এই ধরনের ধসের জন্য নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ভবন নির্মাণকেই দায়ী করা হয়।
আরও পড়ুন: বাড়ছে পানি, ফরিদপুরে নদী ভাঙন শুরু
১৯১৯ দিন আগে
ফ্লোরিডায় ভবন ধস: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মায়ামিতে বহুতল ভবন ধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৮ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
তবে ঘূর্ণিঝড় এলসা ফ্লোরিডা উপকূলের দিকে ধেয়ে আসায় উদ্ধার কাজ বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মিয়ামি অগ্নিনির্বাপক দলের সহকারী ফায়ার চিফ রেইড জাদাল্লাহ জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যাবেড়ে ২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আরও ১১৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডায় ১২ তলা ভবন ধসে বহু হতাহতের আশঙ্কা
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবন ধসের ১২ দিন পরও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে অনুসন্ধান তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তবে সময় গড়ানোর সাথে সাথে ভবনটির নিখোঁজ বাসিন্দাদের জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে বরে তারা জানিয়েছেন।
মিয়ামির অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর সদস্য ম্যাগি কাস্ত্রো বলেন, ‘আমরা জানি দিন যত যাচ্ছে মানুষগুলোর বাঁচার সম্ভাবনা কমে আসছে।’
আরও পড়ুন: কানাডার আরেকটি আদিবাসী স্কুলে গণকবরের সন্ধান
২৪ জুন ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মায়ামিতে ১২ তলা বিশিষ্ট ভবনটি ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন বলে তখনই আশঙ্কা করা হয়েছিল।
ওই সময় ভবনটির বেশিরভাগ বাসিন্দাই ঘুমিয়ে ছিলেন। ভবনটি ধসে পড়ায় ওই কমপ্লেক্সের ১৩০টি ইউনিটের অর্ধেক তছনছ হয়ে গেছে।
আরও পড়ুন: কারাগারে ‘আত্মহত্যা’ করলেন অ্যান্টিভাইরাস গুরু জন ম্যাকাফি
১৯৩২ দিন আগে