যুবদল নেতা
যুবদল নেতা নয়নের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়নের বিরোদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
গত বুধবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর বেইলী রোডে ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সহসভাপতি বায়েজিদ হোসাইনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন এ বিক্ষোভে অংশ নেন।
এ সময় রবিউল ইসলাম নয়নকে কটাক্ষ করে ‘নয়নের চামড়া, তুলে নেব আমরা’ স্লোগান দেন তারা।
১০ দিন আগে
সিলেটে চোরাচালানকারীদের ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক ছিনতাইচেষ্টার মামলায় যুবদল নেতা মনিজুল গ্রেপ্তার
সিলেটে চোরাচালানকারীদের ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক পুলিশের কাছ থেকে ছিনতাইচেষ্টার অভিযোগে মহানগর যুবদল নেতা মনিজুল আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাতে নগরীর আম্বরখানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মনিজুল আহমদ সিলেট মহানগর যুবদলের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক। তিনি আম্বরখানা ইলেকট্রিক সাপ্লাই এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) এয়ারপোর্ট থানায় চোরাচালান-সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমান বলেন, শনিবার মধ্যরাতে আম্বরখানা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের একটি দল অংশ নেয়। এ সময় পরোয়ানাভুক্ত আসামি মনিজুলকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৮ জুলাই বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য নিয়ে একটি ট্রাক নগরীর চৌকিদেখি এলাকা দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে আম্বরখানা পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ট্রাকটি আটকাতে ব্যারিকেড দেয়। এ সময় চোরাকারবারীরা পুলিশের ব্যারিকেড উপেক্ষা করে ট্রাক নিয়ে মজুমদারি এলাকার একটি গলিতে ঢুকে পড়ে। সেখানে তারা ট্রাকটি রেখে পালিয়ে যায়।
ওই সময় মনিজুল আহমদ তার সহযোগীদের নিয়ে পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা চালান। তারা জব্দ করা ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকটি পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত তারা ট্রাকটি ফেলে পালিয়ে যান।
এই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এসএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মনজুরুল আলম জানান, আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে এবং অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে মনিজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে রবিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
১৪ দিন আগে
খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবদল নেতা নিহত
খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে রাশিকুল আনাম রাশু নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নগরীর দৌলতপুর থানার কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবক দৌলতপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি দৌলতপুর থানাধীন দেয়ানা এলাকার বাসিন্দা শরীফুল আনামের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রাশু রাজনীতির পাশাপাশি কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের পাশে ইট বালুর ব্যবসা করতেন। সোমবার সকালে তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে একটি গুলি মাথায় বিদ্ধ হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দৌলতপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফরহাদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
৩৫ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় নামাজে যাওয়ার পথে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখম
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা পৌর এলাকায় রিপন হোসেন (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার জামায়াত-সমর্থিত কর্মীদের বিরুদ্ধে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ইফতারের পর মসজিদে নামাজ আদায় করতে যাওয়ার পথে দর্শনা পৌর এলাকার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের বড় মসজিদের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় রিপনকে উদ্ধার করে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত রিপন হোসেন ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত মান্নানের ছেলে। তিনি দর্শনা পৌর যুবদলের নেতা বলে নিশ্চিত করেছেন দর্শনা পৌর বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক মো. হাবিবুর রহমান বুলেট। তিনি বলেন, এ হামলার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
স্থানীয় বিএনপি নেতা ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছিল। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ-সমর্থিত একই এলাকার হাসেম (৫৬) ও খায়রুল কামড়িসহ (৪৫) বেশ কয়েকজন জামায়াত ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনে প্রচারণার কাজ করেছেন। এ নিয়ে রিপনের সঙ্গে তাদের আগে বাগবিতণ্ডা হয়েছিল। এ বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি বিএনপি নেতাদের। তবে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সোহরান হোসেন জানান, রিপনের শরীরের একাধিক স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর পৌর বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিচারের দাবিতে তারাবীহ নামাজ শেষে দর্শনা শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রিপনের ভাই বাদী হয়ে রাতেই দর্শনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারে পূর্বশত্রুতার জের ধরে হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের আওয়ামী লীগপন্থি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দর্শনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল রানা বলেন, মামলায় পূর্বশত্রুতার জেরের কথা উল্লেখ রয়েছে। অভিযুক্তদের আটকে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।
৫৬ দিন আগে
কুমিল্লায় চাঁদাবাজিতে বাধা দেওয়ায় যুবদল নেতাকে ছুরিকাঘাত
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি করতে বাধা দেওয়ায় স্থানীয় যুবদল নেতাকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার।
আহত মো. ওমর ফারুক ভূঁইয়া জেলার ১ নম্বর দক্ষিণ কালিবাজারের বাসিন্দা আব্দুল মালেক ভূঁইয়ার ছেলে এবং তাইফুল হক তার চাচা শামসুল হক ভূঁইয়ার ছেলে ।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কালির বাজারে মাসুম নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসছেন। তার এ কাজে বাধা দেন যুবদল নেতা ওমর ফারুক। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুমের নেতৃত্বে একটি দল গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় ফারুকের বাড়ির সামনে এসে তার চাচাতো ভাই তাইফুল হক ও তার ওপর হামলা চালান। অভিযুক্ত হামলাকারীরা ফারুকের কাঁধ, পেট ও পিঠে ছুরিকাঘাত করেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বুধবার রাতে তাইফুল বলেন, আজকে (গতকাল) মাগরিবের পর আমার চাচাতো ভাই ও আমি আমাদের বাড়ির সামনে অবস্থান করেছিলাম। তখন ছাত্রলীগ নেতা মাসুমের নেতৃত্বে ‘একদল সন্ত্রাসী’ মোটরসাইকেল করে এসে আমার বড় ভাইকে চা-পাতি দিয়ে কোপাতে থাকেন। আমার ভাইয়ের বাঁ কাঁধে, পিঠে কুপিয়ে জখম করে ‘সন্ত্রাসীরা’। আমি বাধা দিতে গেলে আমার ওপরও তারা হামলা চালায়।
ফারুক বলেন, মাসুম কালির বাজারের সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি করলে আমি বাধা দেই। একপর্যায়ে তারা ক্ষিপ্ত হয়েই আমার বাড়ির সামনে গিয়ে তাদের একটি দল চাপাতি, সুইস গিয়ার (চাকু) দিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমার চাচাতো ভাই তাইফুল আমাকে বাঁচাতে এলে তার ওপরও হামলা চালানো হয়।
তার দাবি, বল্লবপুরের মাসুদ আল হাসান মাসুম, হাত কাটা বাইল্লা, রেন্ডি মামুন, বাইল্লার ছেলে অপু, ইউছুফ, আবুল কালাম, আনিস ও মিজান তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। হামলাকারীরা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত বলেও দাবি করেন ফারুক।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মাসুমের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ হয়েছে বলে জেনেছি। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
৬০ দিন আগে
শৈলকুপায় শতাধিক টিসিবি কার্ডের পণ্য নেওয়ার অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় কার্ড ছাড়াই টিসিবির পণ্য জোর করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউনিয়ন যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৫ মার্চ) শৈলকূপার কাঁচেরকোল ইউনিয়ন পরিষদে টিসিবির পণ্য বিক্রি করার সময় এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খবরের সত্যতা পান। প্রকাশ্যে টিসিবির পণ্য ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যাক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে কাঁচেরকোল ইউনিয়ন পরিষদের সামনে টিসিবির পণ্য বিতরণের সময় ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক জুলিয়াস লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক ১০০টি কার্ডের বিপরীতে টিসিবির পণ্য নিয়ে যান। ডিলারের লোকজন বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে তাদের মারধরের হুমকি দেন।
শৈলকুপা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও ইউনিয়নের প্রশাসক মো. শরীফ উদ্দীন জানান, টিসিবির ডিলারের কাছ থেকে যুবদলের আহ্বায়ক জুলিয়াসের নেতৃত্বে অন্তত ১০০টি টিসিবির পণ্য নিয়ে গেছে। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত টিসিবির মাল ফেরৎ কিংবা টাকাও দেয়নি। পরে তিনি ইউএনওকে ঘটনাটি অবহিত করেন বলে জানান।
টিসিবির ডিলার মেসার্স সাব্বির এন্টারপ্রাইজ কর্তৃপক্ষ জানায়, হুট করেই জুলিয়াসের লোকজন এসে ১০০টি কার্ডের পণ্য জোর করে নিয়ে যায়। বিষয়টি তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ১০০টি কার্ডের পণ্য তিনি কিনে বৃহস্পতিবার বিতরণ করবেন। তবে যুবদল নেতা জুলিয়াস ১০০টি পণ্যের দাম পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু এখনো টাকা পায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে যুবদল নেতা জুলিয়াস বলেন, ঘটনাস্থলে সিসি টিভি ক্যামেরা আছে। ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করুন। আমি ঘটনাস্থলে যাইনি। কে বা কারা টিসিবির পণ্য নিয়ে গেছে আমি কিছুই জানি না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমাকে ফাঁসানোর জন্য এরকম অভিযোগ তুলেছে বলে তিনি দাবি করেন।
আরও পড়ুন: পতেঙ্গায় মব তৈরি করে পুলিশকে মারধরের ঘটনায় জড়িত সবাই আটক
কাঁচেরকোল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীন বলেন, ঘটনা শোনার পর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। জুলিয়াস মালগুলো ফেরত দিতে চেয়েছিল। এখনও পর্যন্ত ফেরত দিয়েছে কিনা জানিনা। ব্যক্তির দায় দল বহন করবে না বলেও জানান তিনি।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, টিসিবির পণ্য ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। তবে থানায় এখনো পর্যন্ত টিসিবির ডিলার বা অন্য কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাস বলেন, মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রশাসনকে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এখনো কেন আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করা হচ্ছে না তা আমি খতিয়ে দেখছি।
৪১১ দিন আগে
বরিশালে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্তের বাড়িতে স্থানীয়দের আগুন
বরিশাল কাউনিয়া হাউজিং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে সুরুজ গাজী নামে এক যুবদল নেতাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়াও এই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।
রবিবার (২ মার্চ) রাতে এই ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, মহানগর পুলিশের কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল নিশাত। তিনি বলেন, ‘সুরুজের মারা যাওয়ার খবরে অভিযুক্তের বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।’
নিহত সুরুজ গাজী (৩৫) কাউনিয়া হাউজিং এলাকার কাঞ্চন গাজীর ছেলে। আহত নয়ন গাজী কাউনিয়া হাউজিং এলাকার তসলিম গাজীর ছেলে।
আরও পড়ুন: ৩ বছরের সন্তানকে ‘কুপিয়ে হত্যা’, মা আটক
স্থানীয়রা জানায়, হাউজিং এলাকার বাসিন্দা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহীন হাওলাদার ওরফে সোনা শাহীনের সঙ্গে যুবদল নেতা সুরুজের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির সময় শাহিনের স্ত্রী শাবানা, বড় ছেলে ইমরান ও ছোট ছেলে লিয়ন দেশীয় অস্ত্র রাম দা নিয়ে সুরুজের উপর হামলা করে।
এতে সুরুজ ও নয়ন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সুরুজের মৃত্যু হয় এবং আহত নয়নকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ওসি নাজমুল নিশাত বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনার জেরে এক পক্ষ আরেক পক্ষকে কুপিয়েছে। একজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তির পরিবারকে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট নাম পেলে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।’
৪১৩ দিন আগে
চাঁদা না পেয়ে হকারকে ‘অপহরণ’, যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
সিলেটে যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দীপ চৌধুরী মাধবকে গ্রেপ্তার করেছে এসএমপির কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এ ঘটনার পর দল থেকে বহিষ্কার হয়েছেন গ্রেপ্তার মাধব।
রবিবার (২ মার্চ) সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার দেবকুনা গ্রাম থেকে জেলা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জয়দীপ চৌধুরী মাধব সিলেট নগরীর দাড়িয়াপাড়া এলাকার অজিত চৌধুরীর ছেলে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘জয়দীপের নেতৃত্বে গত শুক্রবার নগরীর জেলা পরিষদের সামনের ফুটপাত থেকে কাজল মিয়া নামের এক হকারকে অপহরণ করে কয়েকজন জিন্দাবাজার সিতারা ম্যানশনে নিয়ে ছুরি দিয়ে ভয় দেখিয়ে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা চাঁদা আদায় করে। এছাড়া আরও ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে ও কিল, ঘুষি, লাথি মেরে জখম করে। পরবর্তীতে পুলিশের তৎপরতায় তাকে ছেড়ে দেয়।’
‘এ ঘটনায় গতকাল (শনিবার) জয়দীপকে প্রধান আসামি করে ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে কাজল মিয়া অভিযোগ করেন। এরপর শান্তিগঞ্জ উপজেলার দেবকুনা গ্রামে অভিযান চালিয়ে জয়দীপকে গ্রেপ্তার করে এসএমপির কোতোয়ালি থানা পুলিশ।
এ দিকে, জয়দীপের বিরুদ্ধে চাঁদা না দেওয়ায় দুজন হকারকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ এনে শুক্রবার রাত ৯টা থেকে জিন্দাবাজার সড়ক অবরোধ করেন শতাধিক হকার। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলেও বিষয়টির সুরাহা হয়নি, উল্টো পুলিশকে ধাওয়া দেন হকাররা। পরে পুলিশ সদস্যরা ওই এলাকা ছেড়ে যান।
হকারদের অভিযোগ, সম্প্রতি যুবদল নেতা মাধব তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছেন। চাঁদা না দেওয়ায় ওই ব্যক্তি শুক্রবার দুজন হকারকে উঠিয়ে নিয়ে যান।
আরও পড়ুন: আদালত চত্বরে সাবেক পিপি-জিপিসহ আ.লীগ নেতাদের ওপর বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলা
পরে সেদিন রাত ১০টার দিকে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সে সময় তিনি বিষয়টি সমাধান করার আশ্বাস দিলে হকাররা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন।
এরপর মধ্যরাতে অভিযুক্ত সিলেট মহানগর যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দীপকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বহিষ্কৃত নেতাদের কোনো ধরনের অপকর্মের দায়দায়িত্ব দল নেবে না। যুবদলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের বহিষ্কৃত ব্যক্তির সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হলো।
৪১৪ দিন আগে
চাঁদাবাজির অভিযোগে গাজীপুরে যুবদল নেতা বহিস্কার
ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির ভিডিও ফুটেজে ভাইরাল হওয়ার পর গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা যুবদলের এক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একটি ভিডিওতে দেখা যায় বিএনপির যুব সংগঠন শ্রীপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরের এমসি বাজারে চাঁদাবাজি করছেন। যা তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। এর পরই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তিনি ছাত্রদলের তেলিহাটি ইউনিয়ন শাখার সাবেক সদস্য সম্পাদক এবং ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামের নুরু বেপারীর ছেলে।
আরও পড়ুন: চাঁদাবাজির অভিযোগে কোম্পানীগঞ্জ থানার ১৩ পুলিশ সদস্য ক্লোজড
গাজীপুর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান মোল্লা জানান, শনিবার রাতে যুবদলের নির্বাহী কমিটি তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে এবং তার দল এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে কখনোই সমর্থন করে না।
ভিডিও ফুটেজে তাকে বলতে শোনা যায়, 'এখন থেকে আমি যতদিন বেঁচে আছি ততদিন এমসিবাজার আমার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এখন থেকে আমার লোকেরা খাজনা (চাঁদাবাজি) সংগ্রহ করতে শুরু করবে। কেউ বাধা দিলে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে। কেউ বাজার ইজারা দিয়েছে কিনা তাতে আমার কিছু যায় আসে না। এখন থেকে আমার লোকজন টাকা আদায় করবে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, শনিবার দুপুরে মাথায় লাল ফিতা বেঁধে ও গামছা দিয়ে মুখ ঢেকে জাহাঙ্গীর ও তার ৫০ থেকে ৬০ জন সহযোগী বাজারে ঢুকে চাপাতি উঁচিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে টাকা দাবি করে।
আরও পড়ুন: ফেনীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
অনেক ব্যবসায়ী আতঙ্কে বাজার ছেড়ে পালিয়ে গেছেন এবং কেউ কেউ চাহিদা অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করেছেন বলে জানান তারা।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মন্ডল জানান, ব্যবসায়ীদের টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে তাদের একাধিক টিম কাজ করছে।
৪২১ দিন আগে
বগুড়ায় বিএনপি নেতার হামলায় যুবদল নেতার মৃত্যুর অভিযোগ
বগুড়ার সোনাতলায় বিএনপি নেতা ও তার সমর্থকের হামলায় আহত যুবদল নেতা রাশেদুল হাসান মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত রাশেদুল (২৭) ওই উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য।
অভিযোগ রয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পাকুল্লা বাজারে রাশেদুলের ওপর হামলা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নান বাটালু ও তার সমর্থকরা। রাশেদুলের মৃত্যুর খবর শুনে বিএনপি নেতা হান্নান ও তার সহযোগীদের চার-পাঁচটি বাড়ি ভাঙচুর করেছেন ক্ষুদ্ধ বিএনপি ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা।
বগুড়া সদর থানার ছিলিমপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক হারুনার রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রাশেদুলের ওপর হামলার কারণ সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, পাকুল্লা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে এলাকাবাসী তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এক পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হান্নান। অপর দুটি পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আলী হাসান নারুন এবং বগুড়া শহর জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি এবিএম মাজেদুর রহমান জুয়েল।
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে ছুরিকাঘাতের শিকার কিশোরীর মৃত্যু, হামলাকারী গ্রেপ্তার
বিএনপি নেতা আলী হাসান নারুন বলেন, ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় যুবদল নেতা রাশেদ মোটরসাইকেল করে যাওয়ার সময় বাটালুর (হান্নান) নেতৃত্বে তার কর্মীরা ধাওয়া করে। রাশেদ মোটরসাইকেল ফেলে রেখে একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেখানেই পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
এ ব্যাপারে সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিলাদুন্নবি বলেন, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েক দিন ধরে সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সেই জের ধরে রাশেদ নামের একজনকে মারধর করা হয়। শুক্রবার রাশেদ মারা গেলে তার পক্ষের লোকজন বাটালু (হান্নান) ও তার লোকজনের চার-পাঁচটি বাড়ি ভাঙচুর করেন। এর আগেই বাটালু ও তার লোকজন বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। রাশেদুল মারা যাওয়ার খবরে পাকুল্লা বাজারে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাশেদের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় কেউ মামলা করেননি।
৪২৯ দিন আগে