মানিকগঞ্জ
এখনও প্রস্তুত নয় পাটুরিয়া ফেরিঘাট, ঈদযাত্রায় ভোগান্তির আশঙ্কা
ঈদ আসতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। অথচ এখনও জরাজীর্ণ পাটুরিয়া ফেরিঘাট। পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়নি ঘাটের সংস্কার কাজ। ঘাটের সংযোগ সড়কগুলো অতিরিক্ত খাড়া হওয়ার কারণে যানবাহন ওঠানামায় চরম ভোগান্তি হচ্ছে। ঈদযাত্রায় যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ বাড়লে ফেরি পারাপারে দুর্ভোগ বাড়ার আশঙ্কা করছেন যাত্রী ও যানবাহন চালকরা।
পাটুরিয়া ফেরিঘাট দিয়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রী ও যানবাহন পারাপার হয়। ঈদ উপলক্ষে এ চাপ বহুগুণ বেড়ে যায়। সাধারণত ঈদে পারাপার নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে ঘাট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়। তবে এবার এখনও তেমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গত বর্ষায় পদ্মার প্রবল স্রোতে পাটুরিয়ার পাঁচটি ঘাট ভেঙে যায়, ফলে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে সমস্যা হয়। ভাঙনের ছয় মাস পার হলেও এখনও ঘাটগুলো পুরোপুরি মেরামত করা হয়নি। বর্তমানে যাত্রী ও যানবাহন জোড়াতালি দিয়েই পারাপার করা হচ্ছে।
ফেরিঘাটের সংযোগ সড়কগুলো অতিরিক্ত খাড়া হওয়ার কারণে যানবাহন ফেরি থেকে উপরে উঠতে গিয়ে প্রতিদিনই বিকল হয়ে পড়ে। পরে রেকার দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিকল যানবাহনকে টেনে তোলা হয়। এতে ওই ঘাট দিয়ে যানবাহন পারাপারে দেরি হয়। ঘাট এলাকায় তৈরি হয় যানজট, ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
৭ দিন আগে
স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, হাসপাতালগুলোকে দুর্নীতি ও দালালমুক্ত করা এবং সাধারণ মানুষ যাতে হাসপাতালে এসে তাদের প্রাপ্য সেবাটুকু পায়—সে লক্ষ্যেই সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন তিনি। পরে সিংগাইর পৌরসভার আয়োজনে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার চায় সাধারণ মানুষ যেন সরকারি হাসপাতালে এসে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয়। হাসপাতালগুলোকে দুর্নীতি ও দালালমুক্ত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে।’
তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ সরবরাহে দুর্নীতি, রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার ঠিকমতো না দেওয়া এবং ডাক্তার-নার্সদের সময়মতো হাসপাতালে উপস্থিত না থাকার মতো অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, গ্রামের সাধারণ মানুষ যাতে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পায়, সেজন্য উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ধীরে ধীরে বাড়ানো হবে।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুন্নাহার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাবেল উদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাফসান রেজা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম এবং হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্সসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৮ দিন আগে
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়াঘাটে নদীতে পড়ে যাওয়া তেলবাহী লরি উদ্ধার
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া তেলবাহী (লরি) ট্রাক উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ভোরে ক্রেন দিয়ে টেনে নদীতে ডুবে যাওয়ায় ট্রাকটি তীরে টেনে আনা হয়। উদ্ধারকৃত ট্রাকটি এখন উপরে তোলার কাজ করছে উদ্ধারকারীরা।
বুধবার (১০ মার্চ) রাত ৮টার দিকে পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ঘাটে শাহ মখদুম ফেরি থেকে নামতে গিয়ে তেলবাহী ট্রাকটি নদীতে পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ট্রাকচালক শরীফুল ইসলাম ও সহকারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরে রাত ১২টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডুবে যাওয়া ট্রাকটি উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। দীর্ঘ চেষ্টায় আজ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ট্রাকটি টেনে তীরের কাছে আনা হয়।
বিআইডব্লিউটিএ-এর আরিচা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল আলম বলেন, ভোরে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা লরিটি উদ্ধার করলেও এখনও পন্টুনে তোলা সম্ভব হয়নি।
দশ চাকার লরিটি ১৭ হাজার লিটার তেল নিয়ে যশোর থেকে নারায়ণগঞ্জে যাচ্ছিল। পথে দৌলতদিয়া ঘাট হয়ে ফেরিতে পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ঘাটে নামে। ফেরি থেকে পন্টুন হয়ে সড়কে ওঠার সময় লরিটির ব্রেক হঠাৎ বিকল হয়ে যায়। এ সময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছনের দিকে সরে গিয়ে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
১০ দিন আগে
কুয়াশার দাপটে আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক
আবারও পদ্মা নদীর অববাহিকায় ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। এ সময় মাঝ নদীতেও আটকা পড়ে দুটি ফেরি। আকস্মিক কুয়াশায় ফেরি বন্ধ থাকায় বাড়তি ভোগান্তিতে পড়েন বিভিন্ন যাবাহনের চালক ও যাত্রীরা।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় জানায়, শনিবার সকাল থেকে নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশা পড়তে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব বাড়লে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সামান্য দূরেও কিছুই দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকাল ৭টার পর উভয় ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া রো রো (বড়) ফেরি খান জাহান আলী ও কে-টাইপ (মাঝারি) ফেরি বাইগার মাঝ নদীতে গিয়ে দিক হারিয়ে ফেলে। মাঝ নদীতে ফেরি আটকে পড়ার খবর পেয়ে দুর্ঘটনা এড়াতে দুই ঘাট থেকে ফেরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ সময় পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় ৩ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি শাহ পরাণ, ভাষা শহীদ বরকত, কে-টাইপ ফেরি ফরিদপুর, ৪ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর, কেরামত আলী এবং ৫ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি ভাষা সৈনিক ডা. গোলাম মাওলা নামক ফেরিগুলো নোঙর করে থাকে। দৌলতদিয়া প্রান্তে ৩ নম্বর ঘাটে ইউটিলিটি ফেরি হাসনা হেনা, ৪ নম্বর ঘাটে কে-টাইপ ফেরি ঢাকা, রো রো ফেরি শাহ মখদুম ও ইউটিলিটি ফেরি বনলতা নোঙর করে থাকে।
প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ৯টার পরপরই কুয়াশা কমতে থাকলে প্রথমে মাঝ নদীতে থাকা ফেরিগুলো নির্দিষ্ট ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এরপর ১০টার দিকে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাট থেকে নোঙর করে থাকা ফেরিগুলো যানবাহন বোঝাই করে ছাড়তে শুরু করে।
এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে কুয়াশার দাপটে দুই দিন কয়েক ঘণ্টা ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটল।
১৫ দিন আগে
মানিকগঞ্জে বাজারে আগুন, পুড়ে গেছে অন্তত ১৯ দোকান
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার আন্ধারমানিক বাজারে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৯টি দোকানের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি দোকান পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেছে এবং ৮টি দোকান আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
জানা যায়, স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও দ্রুত তা আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। এর প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিস ধারণা করেছে, ওই বাজারের একটি হোটেল কিংবা তেলের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে আশপাশের অন্যান্য দোকানেও তা ছড়িয়ে যায়।
এই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে অর্ধকোটি টাকা হবে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মিয়া।
১৭ দিন আগে
ঈদযাত্রায় ভোগান্তি এড়াতে দরকার পাটুরিয়া ফেরি ও লঞ্চঘাট দ্রুত সংস্কার
ঈদকে সামনে রেখে দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত পাটুরিয়া ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাটের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। গত বর্ষায় পদ্মার প্রবল স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত পাটুরিয়ার একাধিক ঘাট এখনো পুরোপুরি সংস্কার করা হয়নি। জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে কয়েকটি পন্টুন। ফলে আসন্ন ঈদযাত্রায় ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন যাত্রী ও চালকরা।
ফেরিঘাটে সীমিত সক্ষমতা
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পাঁচটি ফেরিঘাটের মধ্যে বর্তমানে ৩ ও ৫ নম্বর ঘাট দিয়ে কোনোমতে ফেরি চলাচল করছে। ৪ নম্বর ঘাট পুরোপুরি বন্ধ ছিল; সেখানে মেরামতের কাজ করছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। ২ নম্বর ঘাটে ফেরি ভিড়তে না পারায় সেটিও কার্যত অকেজো হয়ে আছে। ১ নম্বর ঘাটও বন্ধ রয়েছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) সূত্রে জানা যায়, স্বাভাবিক সময়ে পাটুরিয়া–দৌলতদিয়া নৌরুটে বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভ্যান মিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার যানবাহন পারাপার হয়। ঈদের সময় এই সংখ্যা বেড়ে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজারে পৌঁছে। চাপ বাড়লে ফেরির সংখ্যাও বাড়ানো হয়।
বিআইডব্লিউটিসির আরিচা সেক্টরের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আবদুস সালাম বলেন, গত আগস্টে পদ্মার প্রবল স্রোতে পাঁচটি ঘাটই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে ২, ৩ ও ৫ নম্বর ঘাট সংস্কার করে ফেরি চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। ১ ও ৪ নম্বর ঘাট এখনো পুরোপুরি সচল নয়। ৪ নম্বর ঘাট চালু করতে কাজ চলছে। তিনি স্বীকার করেন, ঘাট সংকটের কারণে ফেরিতে যানবাহন ওঠা–নামায় (লোড–আনলোড) সমস্যা হচ্ছে।
২০ দিন আগে
খেজুরে তেল মিশিয়ে বিক্রি, মানিকগঞ্জে ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা
মানিকগঞ্জে বাজারে খেজুরে সরিষার তেল মিশিয়ে বিক্রির অপরাধে কার্তিক চন্দ্র নামে এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় বাজার মনিটরিং অভিযান পরিচালনা করেন মানিকগঞ্জ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।
এ সময় কার্তিকের দোকানে খেজুরে সরিষার তেল মিশিয়ে বিক্রির বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে ওই ব্যবসায়ীকে ২০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া রোজায় নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে শাকসবজি, মাছ ও মাংসের দোকানেও তদারকি করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মানিকগঞ্জ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, রোজায় নিত্যপণ্যসহ ফলফলাদি, তরকারি ও মাছ-মাংসের বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখতে এ ধরনের অভিযান চলবে।
২৭ দিন আগে
মানিকগঞ্জের তিনটি আসনেই ধানের শীষের জয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি আসনেই বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৩টি পোস্টাল কেন্দ্র ও ৫১৫টি ভোটকেন্দ্রের ভোটের চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুন আরা সুলতানা।
ঘোষি ফলাফল অনুযায়ী, মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর-শিবালয়-দৌলতপুর) আসনে ১৮০টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ৫৭ হাজার ২৮৪ ভোটের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তোজাম্মেল হক ভোট পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৮১৮। এ ছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আবু বকর সিদ্দিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭১ হাজার ৩১০ ভোট পেয়েছেন।
মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর-হরিরামপুর ও সদর উপজেলার আংশিক) আসনে ১৮৬টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৪৯৩ ভোটের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫৩১ ভোট।
মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনে ১৫২টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৯১৮ ভোটের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস প্রার্থী মুহাম্মদ সাঈদ নূর রিকশা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২টি। এছাড়া বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতা পেয়েছেন ২০ হাজার ৫৫১ ভোট।
এদিকে, মানিকগঞ্জ-১ আসনের ১৮০টি ভোট কেন্দ্রে সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে নেওয়া গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ২৫২ জন, আর ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৭৪ হাজার ৩৬৬ জন।
মানিকগঞ্জ-২ আসনের ১৮৬টি ভোটকেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬২৬টি আর ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৫৫ হাজার ৭৪০ জন।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনের ১৫২টি ভোটকেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯১ হাজার ৯০৮ জন, আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৫২ হাজার ৫৯৫টি।
৩৭ দিন আগে
মানিকগঞ্জ-১, ২ ও ৩ আসনে প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে বিএনপি
মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন বলে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে জানা গেছে।
মানিকগঞ্জ-১ আসনে ১৭৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৮টির ফলাফলে বিএনপির (ধানের শীষ) প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবির পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৭৭৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তোজাম্মেল হক (ঘোড়া) পেয়েছেন ২৩ হাজার ২৩০ ভোট এবং আবু বকর সিদ্দিক (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ২০ হাজার ৬২১ ভোট।
অপরদিকে, মানিকগঞ্জ-২ আসনে ১৮৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৬টির ফলাফলে বিএনপি প্রার্থী মইনুল ইসলাম খান শান্ত (ধানের শীষ) ৫৯ হাজার ৭১২ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সালাউদ্দিন (দেয়াল ঘড়ি) পেয়েছেন ২৫ হাজার ৫৮১ ভোট।
এছাড়া, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ১৫১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৬টির ফলাফলে বিএনপির আফরোজা খানম রিতা ৬১ হাজার ৯৭৮ ভোট পেয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাঈদ নূর (রিকশা) পেয়েছেন ২৩ হাজার ৩৪৬ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতা (ফুটবল) পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭৪ ভোট।
৩৭ দিন আগে
মানিকগঞ্জে গরুচোর সন্দেহে দুইজনকে পিটিয়ে হত্যা
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে গরুচোর সন্দেহে দুইজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের ইমাননগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা হলেন— উপজেলার দশআনি গ্রামের মজনু মিয়া (৩৫) এবং ছয়আনি গ্রামের দ্বীন ইসলাম (২৩)।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, রাত ২টার দিকে ইমামনগর গ্রামের শাকিলের বাড়িতে গরু চুরি করতে যান মজনু ও দ্বীন ইসলাম। এ সময় বাড়ির লোকজন ও গ্রামবাসী টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করে ধরে ফেলেন। এরপর উত্তেজিত জনতা তাদের পিটুনি দেন। এতে গুরুতর আহত হন মজনু ও দ্বীন ইসলাম।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত দুজনকে উদ্ধার করে সিংগাইর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করার পরামর্শ দেন। এরপর রাতেই তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়। তবে আজ (সোমবার) সকাল ৬টার দিকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয় বলে জানান ওসি।
তিনি আরও জানান, লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। নিহত মজনু ও দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে সিংগাইর থানায় একাধিক চুরির মামলা রয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৬২ দিন আগে