আসামি ছিনতাই
পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনতাই: ময়মনসিংহে গ্রেপ্তার ৭
ময়মনসিংহ সদরের দিঘারকান্দা এলাকায় মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়ার পথে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আসামির বাবাসহ ৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতভর যৌথ বাহিনীর অভিযানে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে, ওইদিন বিকেলে দিগারকান্দা ফিশারি মোড় এলাকায় মামলার আসামি স্থানীয় আরিফুল ইসলামকে ধরতে গেলে তার পরিবারের লোকজন এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করেন। এ সময় হামলাকারীরা পাঁচ পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম করে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যান।
অভিযানে পুলিশের দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ। আহত হয়ে তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, কয়েকদিন আগে রাসেল নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগে দিঘারকান্দা এলাকার সাগর আলীর ছেলে আরিফুল ইসলামসহ কয়েকজনের নামে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা হয়। গতকাল (মঙ্গলবার) বিকেলে আমার নেতৃত্বে পুলিশের পাঁচ সদস্যের একটি দল দিগারকান্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে নিয়ে আসার সময় আরিফুলের বাবা সাগর আলীর নেতৃত্বে এলাকাবাসী লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে গুরুতর জখম করে হাতকড়া পরিহিত আরিফুলকে ছিনিয়ে নিয়ে যান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ, র্যাব ও সেনা সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল পৌঁছে আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমকে) হাসপাতালে ভর্তি করান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গতকাল রাতেই আরিফুলের বাবা সাগর আলীসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান তিনি।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ মমেক হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ওসি আরও জানান, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ আরিফুল ইসলামকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এছাড়া রাতভর অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
৫ দিন আগে
সোনারগাঁওয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সোনারগাঁও উপজেলার বৈদ্দেরবাজার খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সোনারগাঁ থানার পার্শ্ববর্তী কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানার নলচর গ্রামের একটি হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি মহসিন এবং যুবলীগ নেতা টিটু। তাদের গ্রেপ্তার করতে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম, এসআই জিয়াউর রহমান ও দুই পুলিশ সদস্য সোনারগাঁও থানাকে অবহিত করে বৈদ্দেরবাজার এলাকায় অভিযান চালায়।
মহসিনকে গ্রেপ্তার করায় আসামিদের পক্ষে স্থানীয় সাতভাইয়াপাড়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেন, উজ্জল, ইকবাল, বাবুল লিটন দাসসহ প্রায় ৩০/৪০ জন লোক একত্রিত হয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে হাতকড়াসহ তাকে ছিনিয়ে নেন।
আরও পড়ুন: কাশিমপুর কারাগার থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৩ আসামির পালানোর চেষ্টা
এ সময় খাজা মিয়া নামের এক বিকাশ দোকানদারের দোকান ভাঙচুর করে অর্থ লুট করা হয়। পরবর্তীতে খবর পেয়ে সোনারগাঁও থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে। কিন্তু আসামির হাতে থাকা হাতকড়া উদ্ধার হলেও পরবর্তীতে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয় পুলিশ।
থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেদুল হাসান খান বলেন, খবর পেয়ে আমাদের থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এ ঘটনায় মেঘনা থানা পুলিশ কোনো লিখিত অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুমিল্লা জেলার হোমনা-মেঘনা সার্কেলের সিনিয়র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল করিম জানান, আমি শুনেছি গ্রেপ্তার আসামি ওই মামলার ঘটনায় জড়িত নন দাবি করে গ্রামবাসী তাকে ছিনিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
১৩৬ দিন আগে
চট্টগ্রামে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই, গুলিতে নারী নিহত
চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার কালুরঘাট এলাকায় পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে মাদক মামলার আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষে গুলিতে এক নারী নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিহত নাজমা আক্তার (৩০) হানিফ বাহিনীর অভিযুক্ত মো. হানিফের বোন।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ছাত্রদল নেতা নিহত
চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল হোসেন জানান, শনিবার সন্ধ্যায় মাদক ব্যবসায়ী হানিফকে পাঁচ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয় এবং কালুরঘাট এলাকায় পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে তার কয়েকজন সহযোগী তাকে ছিনিয়ে নেয়।
তিনি বলেন যে ‘হানিফ বাহিনীর’ সদস্যরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালাতে বাধ্য হয় এবং নাজমা ও পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘সংঘর্ষে আহত নারীর মৃত্যুর খবর শুনেছি। তবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে লাশ পাওয়া যায়নি।’
এদিকে পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদেকুর রহমান বলেন, গুলিবিদ্ধ এক নারীকে কালুরঘাট এলাকা থেকে চমেকে নিয়ে আসা হয় এবং তারপর তাকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রাত ১১টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, লাশটি চমেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
এছাড়া পুলিশের ওপর হামলার পর আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান ওসি মইনুল।
আরও পড়ুন: আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙাতে গিয়ে স্কুলছাত্র নিহত
লিমার রানওয়েতে বিমানে আগুন, নিহত ২
১১৫৬ দিন আগে
পুলিশের ওপর হামলা: হবিগঞ্জে মেম্বারের নেতৃত্বে আসামি ছিনতাই
হবিগঞ্জে ওয়ার্ড মেম্বারের নেতৃত্বে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।
১৯২২ দিন আগে