স্বর্ণের দাম
টানা চতুর্থ দফা কমল স্বর্ণের দাম, এবার ভরিতে ৭৬৪০ টাকা
দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। টানা চার দফা কমার ধারাবাহিকতায় এবার সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের দাম ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমানো হয়েছে। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে, গত ১৪ মার্চ ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ২ হাজার ৬৮৩ টাকা। তার আগে আরও দুদফা সোনার দাম কমানো হয়। অর্থাৎ টানা চার দফা সোনার দাম কমানো হলো।
এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৭ হাজার ৩৪৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৬ হাজার ২৯৯ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৮ হাজার ৩১৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৫ হাজার ১৩২ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা।
১৪ মার্চ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ১৩৭ টাকা কমিয়ে দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই সোনা বিক্রি হয়েছে।
এখন সোনার দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৯২ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৯১ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ২৩৩ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
কমার এক দিন পরই আগের জায়গায় স্বর্ণের দাম
দাম কমার এক দিন পর আজ (শনিবার) দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে এই মানের সোনার নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ভরিপ্রতি ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে এ নতুন দর কার্যকর হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) স্বর্ণের দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা।
স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
এর আগে গতকাল (শুক্রবার) বিশ্ববাজারে সোনার দরপতনের প্রেক্ষিতে দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমানো হয়েছিল। আজ আবার ঠিক একই অঙ্কে দাম বাড়ানো হলো। গতকাল সোনার পাশাপাশি রুপার দামও ভরিপ্রতি ১৭৫ টাকা কমানো হয়েছিল।
গত সপ্তাহজুড়ে দেশের বাজারে সোনার দামে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার সোনার দাম ভরিপ্রতি ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়ানো হয়। তার আগের দিন সোমবার সকাল ও বিকেলে দুই দফায় সোনার দাম কমে মোট ১২ হাজার ১৪ টাকা। এরও আগে, গত ২৯ জানুয়ারি ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ানো হলে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
মূলত বিশ্ববাজারের দামের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়। শুক্রবার বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৯৮ ডলার ৫৮ সেন্ট বেড়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিশ্ববাজারে সোনার দাম দাঁড়িয়েছে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৯৬৬ ডলার ২৬ সেন্ট।
৪৬ দিন আগে
২ হাজার ৪০৩ টাকা বেড়ে নতুন দরে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের বাজারে মূল্যবান এ ধাতুটির দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪০৩ টাকা। ফলে এখন এক ভরি স্বর্ণে দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
গতকাল (শনিবার) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৪০৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩১০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ এক হাজার ৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৭১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম এক লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৬৭৯ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে গত ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। এতে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম হয় ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা।
১১৫ দিন আগে
ভরিতে ১০৫০ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার থেকে নির্ধারিত নতুন দাম কার্যকর হবে।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস।
এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৬ হাজার ১২৭ টাকা।
এক ধাক্কায় স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ১৮৯০ টাকা
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
সবশেষ গত ৭ জুলাই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৫১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
২৪৬ দিন আগে
স্বর্ণের দামে ৪২ বার পরিবর্তন, ভরিতে কমল ১৫৭৫ টাকা
দেশের বাজারে ভরিতে এক হাজার ৫৭৫ টাকা স্বর্ণের দাম কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৫১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। চলতি বছর এ নিয়ে ৪২ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বেড়েছে ২৭ বার, আর কমেছে ১৫ বার।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোমবার (৭ জুলাই) স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস, যা মঙ্গলবার (৮ জুলাই) থেকে কার্যকর হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৫১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬২ হাজার ৭৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৯২ টাকা।
আরও পড়ুন: জুলাই ২০২৫ থেকে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে নতুন মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
সবশেষ, ১ জুলাই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ভরিতে ১ হাজার ৮৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ১২৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
২৬১ দিন আগে
এক সপ্তাহের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমল ৪২৯২ টাকা
দেশের বাজারে আরেক দফা কমেছে স্বর্ণের দাম। চার দিন আগে ভরিতে ১ হাজার ৬৬৮ টাকা দাম কমার পর এবার ভরিতে ২ হাজার ৬২৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ২৩৬ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস।
শনিবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। রোববার থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
এতে করে দুই দফায় সপ্তাহের ব্যবধানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে কমলো ৪ হাজার ২৯২ টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
পড়ুন: ১০ দিনের ব্যবধানে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭০ হাজার ২৩৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬২ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৯ হাজার ২৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৫ হাজার ১৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে বলে জানিয়েছে বাজুস।
এর আগে, সবশেষ গত ২৪ জুন দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেসময় ভরিতে ১ হাজার ৬৬৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ৮৬০ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৪০ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ২৬ বার, আর কমেছে মাত্র ১৪ বার।
২৭০ দিন আগে
ঈদের আগে ভরিতে ২৪১৫ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম
ঈদের একদিন আগেই দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম। ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিতে ২৪১৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৩৩৬ টাকা, যা কার্যকর হবে আজ থেকেই।
শুক্রবার (৬ জুন) স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আজ থেকে দেশের সব স্বর্ণের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
নির্ধারিত দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ৩৩৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৯৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৪০ টাকা।
জুন মাসে এই প্রথম স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস। সর্বশেষ ২১ মে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৮২৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯২১ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৩৭ বার সমন্বয় হয়েছে স্বর্ণের দাম, যেখানে দাম বেড়েছে ২৫ বার, আর কমেছে ১২ বার।
২৯২ দিন আগে
ভরিপ্রতি ৩৫৭০ টাকা কমে আজ থেকে নতুন দরে বিক্রি হবে স্বর্ণ
দেশের বাজারে আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণে ৩ হাজার ৫৭০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস।
শনিবার (৩ মে) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুসের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। আজ (রবিবার) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে করে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৯৭৬ টাকা।
আরও পড়ুন: টানা দুইদিন বাড়ার পর কমল স্বর্ণের দাম
নতুন দর অনুযায়ী, সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬১ হাজার ৩০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৩৮ হাজার ২৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ১৪ হাজার ২৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল স্বর্ণের দাম ভরিতে ৫ হাজার ৩৪২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। এই সময়ে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৯ বার, কমানো হয়েছে ৮ বার।
৩২৫ দিন আগে
টানা দুইদিন বাড়ার পর কমল স্বর্ণের দাম
টানা দুইদিন দাম বাড়ার অস্থিরতার মধ্যে আজ কমেছে স্বর্ণের দাম। ভালোমানের স্বর্ণের প্রতিভরিতে কমেছে ৫ হাজার ৪০১ টাকা।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) বাজুস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।
এর আগে মঙ্গলবার(২২ এপিল) ভালো মানের প্রতিভরি স্বর্ণে দাম ৫ হাজার ৩৪৩ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। আর সোমবার (২১ এপ্রিল) বাড়িয়েছিল৪ হাজার ৭১৩ টাকা।
আরও পড়ুন: ভরিতে ১৭৭৩ টাকা বেড়ে রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম
নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী প্রতিভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৯৬ টাকা। ১৮ ক্যারেট প্রতিভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৪১ হাজার ১৭০ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ টাকা।
একইভাবে রূপার দামও নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেট এক ভরি রূপার দাম ২ হাজার ৮৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেট ২ হাজার ৭১৮ টাকা। ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৩৩৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি রূপার দাম পড়বে ১ হাজার ৭৫০ টাকা।
৩৩৬ দিন আগে
স্বর্ণের ভরি কি ২ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে
বিশ্ব বাজারে হু হু করে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, যার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশের বাজারেও নিত্যনতুন রেকর্ড গড়ে চলেছে মূল্যবান এ ধাতুটি। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে আগামীতে স্বর্ণের ভরি বেড়ে কত হবে—সেই প্রশ্নটিই এখন জনমনে।
আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটের হিসাব অনুযায়ী, সর্বশেষ প্রতি আউন্স (২ দশমিক ৪৩ ভরি) স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৮০০ ডলার, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে সর্বশেষ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯০ টাকা, দেশের ইতিহাসেও যা সর্বোচ্চ।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) তথ্যমতে, ২০০০ সালে দেশে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ছিল ৬ হাজার ৯০০ টাকা। ২০১০ সালে তার দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৪২ হাজার ১৬৫ টাকায়। এক দশক পর ২০২০ সালে ধাপে ধাপে স্বর্ণের দাম বেড়ে হয় প্রতি ভরি ৬৯ হাজার ৮৬৭ টাকা।
গত ১৫ বছরে দেশে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। এর মধ্যে করোনা ও করোনা পরবর্তী সময় মিলিয়ে গত ৪ বছরে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ভরিতে ৭৫ হাজার টাকা।
দেশের বাজারে সর্বশেষ ২০২৩ সালের জুলাই মাসে স্বর্ণের ভরি ১ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়। সে হিসাবে দেড় বছরে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ভরিতে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা।
যে হারে স্বর্ণের দাম বাড়ছে, তাতে করে ২০২৬ সালের শেষের দিকে স্বর্ণের ভরি দুই লাখের কাছকাছি পৌঁছাতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।
রাজধানীর পুরান ঢাকার তাঁতিবাজারে প্রায় পাঁচ দশক ধরে স্বর্ণের ব্যবসা করেন গোবিন্দ হালদার। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে দেশে গিনি সোনার দাম ছিল দেড়শ টাকা। বর্তমান বাজারে দেড়শ টাকা তুচ্ছ মনে হলেও সে সময়েও মানুষের অভিযোগ ছিল, স্বর্ণের দাম নাগালের বাইরে। তবে বর্তমানে যেভাবে দাম বাড়ছে, তাতে করে বছর খানেকের মধ্যে ভরিপ্রতি ২ লাখ টাকাও হয়ে যেতে পারে।’
তবে সাধারণ মানুষের ভাষ্যমতে, দাম যতই নাগালের বাইরে থাকুক, স্বর্ণের চাহিদা কোনোদিন কমেনি।
দেশে স্বর্ণের দামের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান বলেন, ‘স্বর্ণের ভরি ২০২৬ সালের দিকে ২ লাখের কাছাকাছি পৌঁছাবে কিনা সেটা হলফ করে বলা যায় না। তবে বিশ্ববাজারে যে হারে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো যেভাবে স্বর্ণ মজুত করছে, তাতে দাম ২ লাখ হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।’
তবে এটি বাজারের ওপরই ছেড়ে দেওয়া ভালো বলে মনে করেন তিনি।
আরও পড়ুন: স্বর্ণ চোরাচালানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার অঙ্গীকার এনবিআর চেয়ারম্যানের
২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়, আর কমানো হয় ২৭ বার। চলতি বছর এখন পর্যন্ত চারবার স্বর্ণের সমন্বয় করে শীর্ষে অবস্থান করছেন মূল্যবান এ ধাতুটির দাম।
আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের পর থেকে ডলারের হিসাবে প্রতি বছর স্বর্ণের দাম ৮ শতাংশ হারে বেড়েছে। দাম বাড়তে থাকায় এবং স্বর্ণকে মুদ্রায় রূপান্তর সহজ হওয়ায় দামের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চাহিদা।
বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের বার্ষিক চাহিদা বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৩৪ টন, যার মূল্যমান ২৩৩ বিলিয়ন ডলার। উপমহাদেশে অলঙ্কার হিসেবে স্বর্ণ জনপ্রিয় হলেও বিশ্বের বহু দেশে স্বর্ণকে বিনিয়োগের বড় মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়।
স্বর্ণের ৪০ শতাংশ মজুত ব্যবহার করা হয় শুধু বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে, এর বিপরীতে গহনার পরিমাণ ৩৩ শতাংশ। এছাড়া, বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর হাতে আছে ২০ শতাংশ স্বর্ণের রিজার্ভ এবং প্রযুক্তি খাতে চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় ৭ শতাংশ স্বর্ণ।
তবে স্বর্ণের বৈশ্বিক মজুতের হিসাব থাকলেও বাংলাদেশে এর কোনো সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক হিসাব নেই।
এ ব্যাপারে মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ভারতে সাধারণ মানুষের হাতে কত টন স্বর্ণ আছে—তার একটি সরকারি হিসাব আছে। দেশটির মানুষ জানে, বিনিয়োগের বড় মাধ্যম স্বর্ণ এবং তাদের স্বর্ণে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করার কাজ করে রাষ্ট্র স্বয়ং। কিন্তু বাংলাদেশে স্বর্ণের ব্যক্তি পর্যায়ের মজুত নিয়ে কোনো সরকারি হিসাব নেই। এমনকি বাজুসের কাছেও এ নিয়ে সঠিক কোনো তথ্য নেই।’
করোনা-পরবর্তী সময়ে ডলালের দাম বাড়তে থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো স্বর্ণকে নিরাপদ রিজার্ভ হিসেবে বেছে নিয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়ার ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞাও স্বর্ণের বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে।
এছাড়া, কানাডা-মেক্সিকোর ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক শুল্কনীতিও স্বর্ণের বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছে বাজুস।
আরও পড়ুন: আট মাসে ১০ টন স্বর্ণ কিনেছে মঙ্গোলিয়া
দেশে সাধারণ মানুষের কাছে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে স্বর্ণের মজুত কেন জনপ্রিয় নয়—এমন প্রশ্নের ব্যাখ্যায় বেশিরভাগ মানুষই মনে করেন, যে হারে স্বর্ণের দাম বাড়ছে সেটি অযৌক্তিক। একসময় দাম কমে এলে তারা স্বর্ণ বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে কেনার চিন্তা করবেন। আবার স্বর্ণের মজুত কীভাবে বিনিয়োগের মাধ্যম হতে পারে—এ ব্যাপারটিও অনেকের কাছে পরিষ্কার নয়।
করপোরেট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হাসিবুর রহমান বলেন, ‘এককালে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমাদের আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে স্বর্ণ উপহার দেওয়ার প্রথা ছিল। এটা মূলত তাদের ভবিষ্যতের সঞ্চয়ের কথা ভেবেই উপহার দেওয়া হতো। কিন্তু দাম বাড়ায় এ প্রথা একদমই উঠে গেছে। এখন গহনা দেওয়ার বদলে টাকা দেওয়ার প্রথা চালু হয়েছে।’
আরেক বেসরকারি চাকরিজীবী রুম্মান রুবায়েত বলেন, ‘ব্যাংকে রাখা টাকা এবং এ থেকে প্রাপ্ত মুনাফা অনেকাংশ ঝুঁকিমুক্ত। অন্যদিকে স্বর্ণের দাম এখন বাড়লেও আগামীতে কোনদিকে যাবে, সেটি নিশ্চিত হয়ে বলা যায় না। জমাকৃত অর্থের নিশ্চিত মুনাফার জন্যই মানুষ স্বর্ণ না কিনে ব্যাংকে টাকা রাখেন।’
তবে এ ব্যাপারে মানুষের সচেতনতা ও সঠিক আর্থিক জ্ঞান জরুরি মনে করেন বাজুস কর্মকর্তা মাসুদুর।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘লাখ লাখ মানুষ নিশ্চিত ঝুঁকি জেনেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছে। আগামীতে স্বর্ণের ভরি যতই হোক না কেন, স্বর্ণে বিনিয়োগ করে লোকসানের মুখে পড়েছেন—আজ পর্যন্ত এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বিরল। শুধু সাজসজ্জার গহনা হিসাবে স্বর্ণ ব্যবহার না করে, বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে দেখলে মূল্যবান এ ধাতুর দাম বাড়লেও চাহিদা কমবে না।’
স্বর্ণের বাজারে ভ্যাট-ট্যাক্স সমস্যার সমাধান করা এবং সাধারণ মানুষকে স্বর্ণে বিনিয়োগ সুবিধাজনক—এমন বার্তা পৌঁছে দিতে পারলে বিশ্ব বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে আগামীতে স্বর্ণের দাম যতই বৃদ্ধি পাক, চাহিদা কোনোদিনও তলানিতে ঠেকবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন: পুরনো স্বর্ণ বিক্রির সময় যে কারণে দাম কেটে রাখা হয়
৪১৬ দিন আগে