অভিযান
যশোরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১০ গ্রেনেডসহ অস্ত্র উদ্ধার
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১০টি শক্তিশালী গ্রেনেড ও ৩টি বিদেশি পিস্তল।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় ধরনের নাশকতার উদ্দেশ্যেই এসব অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা-এনএসআইয়ের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করা হয় উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের দড়িআগ্রা গ্রামে চুন্নু মোল্লার বাড়িতে।
সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন আকিবের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ওই বাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় ১০টি গ্রেনেড, ৩টি বিদেশি পিস্তল, ১৯ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১টি চাপাতি, ১টি ছুরি ও ১টি খুর।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, অভিযান শুরু হওয়ার আগেই বাড়ির সদস্যরা পালিয়ে যায়। অভিযানে মূল সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে চুন্নু মোল্লার ছেলে রায়হান মোল্লাকে (২৮)। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
যৌথ বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার অস্ত্র ও বিস্ফোরকগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এগুলো দিয়ে বড় ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানো সম্ভব ছিল। বিশেষ করে সামনে জাতীয় নির্বাচন থাকায় এসব অস্ত্র জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারত।
বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত রায়হান মোল্লাকে আটকে অভিযান চলছে।
৩ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে গান পাউডার ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম জব্দ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় পরিত্যক্ত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ গান পাউডার ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—র্যাব।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে র্যাব-৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার ঘাড়াপাখিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর বেড়িবাঁধ-সংলগ্ন একটি লিচু বাগান থেকে ওইসব সরঞ্জাম জব্দ করে।
অভিযানে বাগানে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা দুটি বাজার করার প্লাস্টিক ব্যাগের ভেতর থেকে বিপজ্জনক আলামত উদ্ধার করেছে র্যাব।
উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে—পলিথিনে মোড়ানো সাদা, কালো ও হলুদ বর্ণের মোট ৩ কেজি ৩০৬ গ্রাম গান পাউডার, বোমা তৈরির কাজে ব্যবহৃত কাঁচের গুঁড়া ৮৫৫ গ্রাম, পাথর ৮০২ গ্রাম, লোহার পেরেক ১৮৭ গ্রাম, ২টি লাল রঙের স্কচটেপ, ১২টি জর্দার কৌটা এবং ৬টি গ্যাস লাইটার।
আজ (শনিবার) সকালে র্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, পলাশ নামের এক ব্যক্তির লিচু বাগানে অভিযান চালিয়ে দুটি ব্যাগ সন্দেহজনকভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সামনে ব্যাগ দুটি তল্লাশি করে এসব আলামত জব্দ করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, ঘটনাস্থলের আশপাশে কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারও করা সম্ভব হয়নি। জব্দ করা আলামতগুলো পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
সাভারে সরঞ্জামসহ ৩ জুয়াড়ি আটক
সাভারের হেমায়েতপুর কাঁচাবাজার এলাকায় অবৈধভাবে জুয়া পরিচালনা ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে হেমায়েতপুর আর্মি ক্যাম্পের নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওই এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— অলিয়ার, সাজু মিয়া ও খলিল মিয়া।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ সময় আটকদের কাছ থেকে ভুয়া পুরস্কারের বিভিন্ন সামগ্রী, জুয়ার টিকিট, জুয়ার লেনদেন-সংক্রান্ত কাগজপত্র, নগদ অর্থ, একাধিক মোবাইল ফোন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনে ব্যবহৃত ধারালো ও লোহার তৈরি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় তাদের সাভার মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলী জানান, আটকদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
১৪ দিন আগে
সুনামগঞ্জের শতবর্ষী হিজল বাগান দখলদারদের ইউএনওর হুঁশিয়ারি
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের রংচী গ্রামের শতবর্ষী হিজল বাগান দখল ও ধ্বংসের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায়।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) উপজেলা উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুজ্জামান সিদ্দিকীসহ গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে রংচী গ্রামের ঐতিহ্যবাহী হিজল বাগান পরিদর্শন করেন ইউএনও।
অভিযানকালে বাগানের ভেতরে অবৈধভাবে মাটি অপসারণ, গাছ কাটার চিহ্ন ও কৃষিকাজের প্রস্তুতির আলামত দেখতে পান তিনি। তারপর বনের ভেতরে জায়গা নির্ধারণ করে চাষাবাদের জন্য সমতল করা জমিতে চলমান কাজ বন্ধ করে দেন এবং সংশ্লিষ্টদের কড়া ভাষায় সতর্ক করেন তিনি।
একইসঙ্গে বাগানের ভেতরে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের কৃষিকাজ বা গাছ কাটার ঘটনা ঘটলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
ইউএনও বলেন, রংচী গ্রামের শতবর্ষী হিজল বাগান শুধু একটি বন নয়; এটি এই এলাকার প্রাকৃতিক ঢাল ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে অবৈধভাবে গাছ কাটা, মাটি তোলা কিংবা চাষাবাদ করার কোনো সুযোগ নেই। যারা এই বাগান দখলের চেষ্টা করবে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উজ্জ্বল রায় আরও জানান, হিজল বাগানটি সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে বাগানটি ঘিরে সীমানা চিহ্নিতকরণ, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন এবং নতুন হিজল চারা রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ সময় স্থানীয়রা ইউএনওর এই অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের দ্রত পদক্ষেপ না এলে ঐতিহ্যবাহী হিজল বাগানটি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যেত। বাগানটি সংরক্ষণে স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান তারা।
৩৬ দিন আগে
সাদাপাথর-জাফলংয়ে লুট: দুই দিনে ১ লাখ ৮ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার
সিলেটের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর থেকে লুট হওয়া আরও ৪৫ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করেছে প্রশাসন। গতকাল শুক্রবার দিনভর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এসব পাথর জব্দ করা হয়।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) রাতেই জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল এ তথ্য নিশ্চিত করে। এতে জানানো হয়, গত দুই দিনে মোট প্রায় ১ লাখ ঘনফুট পাথর উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধারকৃত পাথরের অর্ধেক ইতিমধ্যে সাদাপাথরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, বাকিগুলো প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (গোপনীয় শাখা, মিডিয়া সেল) মো. মাসুদ রানা বলেন, শুক্রবার দিনভর কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়েছে। গত বুধবার মধ্যরাত থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত মোট প্রায় ১ লাখ ঘনফুট পাথর জব্দ হয়েছে। উদ্ধারকৃত পাথর পর্যায়ক্রমে সাদাপাথরে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
পাথর ব্যবসায়ীরা অভিনব কৌশলে এসব লুট হওয়া পাথর লুকিয়ে রাখছেন বলে জানা গেছে। শুক্রবার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসন কোম্পানীগঞ্জের কলাবাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মাটিচাপা অবস্থায় বিপুল পরিমাণ পাথর উদ্ধার হয়।
এর মধ্যে সাত ট্রাক পাথর ইতোমধ্যে সাদাপাথর এলাকায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরও আনুমানিক পাঁচ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়েছে, যা আজ শনিবার ফেরত পাঠানোর হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার (রাজস্ব শাখা, জেলা ব্র্যান্ডিং ও পর্যটন সেল) মাহমুদ আশিক কবির।
আরও পড়ুন: এক রাতের অভিযানে ১২ হাজার ঘনফুট পাথর ফিরল সাদাপাথরে
এদিকে, গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং পর্যটন স্পট জিরো পয়েন্ট থেকে চুরি হওয়া পাথর উদ্ধারে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে অভিযান শুরু করেছে।
পিয়াইন নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থান থেকে বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৮ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা পাথর পূনরায় নদীতে প্রতিস্থাপনের লক্ষে জাফলং জিরো পয়েন্টে নৌকা দিয়ে ফেলা হয়েছে।
গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী বলেন, ‘জাফলংয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে কিছু দুষ্কৃতকারী রাতের আধারে বৃষ্টির মধ্যে কিছু পাথর সরিয়ে ফেলছিল। আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ নিই। এরপর থেকে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ ও বিজিবির টহল অব্যাহত আছে। এরই ধারাবাহিকতায় সেখান থেকে যে পাথরগুলো সরানো হয়েছে আমরা সেই পাথরগুলো খুঁজে বের করে সাড়ে ৮ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করেছি।’
তবে পাথর লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এই অভিযান আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে।’
১৭২ দিন আগে
টিকিটের কালোবাজারি রোধে বড় বড় রেলস্টেশনে দুদকের অভিযান
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কালোবাজারে ট্রেনের টিকিট বিক্রি, আর্থিক অনিয়ম, যাত্রী হয়রানিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ঢাকার কমলাপুরসহ আটটি বড় রেলস্টেশনে অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গত ২৮ মে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে এসব স্টেশনে একযোগে অভিযান শুরু করে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম। টিকিটের কালোবাজারি বন্ধে দুদক বিশেষ নজর দিয়েছে বলেও জানান আকতারুল ইসলাম।
কমলাপুর রেলস্টেশনের প্রধান কার্যালয়, চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, জামালপুর, সিলেট ও দিনাজপুর রেলস্টেশনে এসব অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
অনলাইনে টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি
কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ব্যবস্থাপক সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘পশ্চিমাঞ্চলের যেসব যাত্রী আগামী ৫ জুন ভ্রমণ করতে চান তাদের জন্য টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ২৬ মে সকাল ৮টায় অনলাইনে পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। এ সময় প্রথম ৩০ মিনিটেই টিকিট কিনতে ২ কোটি ৯৭ লাখ হিট বা টিকিট কেনার চেষ্টা করা হয়।’
আরও পড়ুন: নিমিষেই শেষ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট, কেন?
এর আগের দিন ২৫ মে দুপুর ২টায় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। বিক্রি শুরুর প্রথম ৩০ মিনিটেই ১ কোটি ৯৪ লাখ হিট হয়। তারও আগে, সকাল ৮টায় রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট বিক্রির সময় সর্বোচ্চ ২ কোটি ৭৬ লাখ হিট রেকর্ড হয় বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ট্রেনে ঈদযাত্রা ঘিরে এবার সারা দেশে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৬৫টি টিকিট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যার মধ্যে রবিবার (১ জুন) দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ৬২ হাজার ২৫৮টি টিকিট।
আগামী ৫ জুন ঢাকা থেকে সারা দেশে যাতায়াতের জন্য ৩৩ হাজার ৯২৪টি টিকিট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য ২৪টি ট্রেনে ১৬ হাজার ৫৭৬ আসন এবং পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য ২১টি ট্রেনে ১৭ হাজার ৩৪৮ টিকিট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ১৪ হাজার ৫৮১ টি টিকিট বিক্রি হয়েছে।
এ ছাড়া, ৪ জুনের জন্য ঢাকা থেকে সারা দেশে যাতায়াতের জন্য ৩৪ হাজার ২০টি টিকিট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য ২৪টি ট্রেনে ১৬ হাজার ৫৭৬টি আসন এবং পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২১টি ট্রেনে ১৭ হাজার ৪৪৪টি টিকিট।
এবার শুধু ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়া আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর মোট আসন সংখ্যা থাকছে ৩৩ হাজার ৩১৫টি। পাশাপাশি ২৩টি পূর্বাঞ্চল এবং ২০টি উত্তরাঞ্চলগামী ট্রেনের জন্য কমিউটার, মেইল ও লোকাল সার্ভিসে আরও ৪৭ হাজার টিকিট বরাদ্দ করা হয়েছে।
টিকিট বিক্রির গতি নিয়ে প্রশ্ন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মেসবাহউদ্দিন সরকার বলেন, ‘আমরা শুনেছি হাজার হাজার টিকিট দুই মিনিটে শেষ হয়ে যায়। টিকিট দুই মিনিটে বিক্রি হতে পারে, যদি সেটি কোনো দ্রুততম সার্ভার হয়; কিন্তু এত সক্ষমতা-সম্পন্ন সার্ভার আমাদের দেশে আছে কি না, এটি একটি প্রশ্ন।’
আরও পড়ুন: প্রতারণা: অ্যাপ ও সরাসরি কাউন্টার থেকে ট্রেনের টিকিট কেনার পরামর্শ
দীর্ঘদিন ধরেই ছুটির সময় ট্রেনের টিকিট বিক্রি ঘিরে কালোবাজারির যে অভিযোগ রয়েছে, তার প্রভাবেই এমনটি হতে পারে বলে ধারণা এই শিক্ষকের।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিশেষজ্ঞরাও ড. মো. মেসবাহউদ্দিন সরকারের এই উদ্বেগের সঙ্গে একমত পোষণ করে দেশের সার্ভারের এই দ্রুতগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
এ বিষয়ে কমলাপুর রেলস্টেশনের ম্যানেজার সাজেদুল ইসলাম জানান, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সহজ ডটকমের তথ্যমতে, তাদের সিস্টেম প্রতি পাঁচ মিনিটে ৩০ হাজার টিকিট বিক্রি করার সক্ষমতা রাখে।
তিনি বলেন, ‘ওয়েবসাইটে যত হিটই আসুক, সিট তো নির্দিষ্ট। দাঁড়ানো টিকিটসহ বরাদ্দ রয়েছে প্রায় ৪৩ হাজার। হিট মানেই টিকিট পাওয়া যাবে, এমন নয়।’
কালোবাজারির সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি ৩০ এপ্রিল যোগদান করেছি। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি বা কাউকে অবৈধ টিকিট বিক্রিতে জড়িত অবস্থায় ধরিনি। তবে এ ব্যাপারে আমাদের পর্যবেক্ষণ চলমান রয়েছে।’
এত দ্রুত টিকিট বিক্রি হয়ে যাওয়ায় টিকিট পাওয়া নিয়ে ঈদে ঘরমুখী মানুষের উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। এতে কর্তৃপক্ষের ওপরও স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার চাপ বাড়ছে।
২৪৬ দিন আগে
অটোরিকশা চলাচল বন্ধে শিগগিরই অভিযান: ডিএনসিসি প্রশাসক
রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যৌথ অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।
ঢাকা শহরের ভিতরে অটোরিকশা তৈরির ওয়ার্কশপ ও চার্জিং স্টেশনগুলো বন্ধ করতে শিগগিরই এ অভিযান শুরু করা হবে বলে তথ্য দেন তিনি। শনিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে রাজধানীর মিরপুর পল্লবীতে রাস্তা, ফুটপাত ও নর্দমা নির্মাণ কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মোহাম্মদ এজাজ জানান, ঢাকা শহরের ভিতরে অটোরিকশা তৈরির ওয়ার্কশপ ও চার্জিং স্টেশন বন্ধে শিগগিরই অভিযান শুরু হবে। ডিএমপি ইতোমধ্যে অটোরিকশা তৈরির ওয়ার্কশপ ও চার্জিং স্টেশনের তালিকা করেছে। শিগগিরই রাতে অভিযান করে এগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এলাকায় অবৈধ অটোরিকশা ঢোকার অনুমতি না দিতে বিভিন্ন এলাকার বাড়ির মালিক সমিতিকে অনুরোধ ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, আপনাদের আবাসিক এলাকাগুলো যে পরিকল্পনায় তৈরি করা হয়েছে, তার বাইরে অন্যকিছু প্রবেশ করতে দেবেন না। আবাসিক এলাকায় কোনো বাণিজ্যিক কাজ করতে দেবেন না। সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে স্থানীয় কমিউনিটি সোচ্চার হলে অবৈধ অটোরিকশা, অবৈধ হকার বন্ধ করা সহজ হবে।
আরও পড়ুন: ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় না চড়তে ডিএনসিসি প্রশাসকের আহ্বান
এ সময় জলাধার রয়েছে এমন কোনো প্লট হাউজিং কোম্পানিগুলোর থেকে না কেনার জন্য নগরবাসীকে অনুরোধ করেন তিনি। এতে পরবর্তীতে ঝামেলা হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
এ সময় পল্লবী ইস্টার্ন হাউজিং এলাকার খালগুলো উদ্ধারে ডিএনসিসির উদ্যোগের কথা জানান তিনি। এমনকি খালগুলো রক্ষায় মামলা পর্যন্ত করেছিল তারা। উদ্বোধনী বক্তব্যে পল্লবী এলাকায় পরিকল্পনা করে গাছ লাগানোর জন্যও আহ্বান জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
তিনি বলেন, ‘আমি অনুরোধ করছি ছোট গাছ না লাগিয়ে বড় গাছ লাগাবেন। পরিকল্পনা করে একটা রোডে কৃষ্ণচূড়া লাগান, আরেকটা রোডে সোনালু লাগান। এতে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হবে।’
২৮৪ দিন আগে
নওগাঁয় অবৈধ মজুদবিরোধী অভিযানে ২৯ টন চাল জব্দ
নওগাঁর রাণীনগরে অবৈধ খাদ্যপণ্য মজুদবিরোধী অভিযানে সরকারি ২৯ টন ৩১০ কেজি চাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর বাজারের কুতকুতিতলা এলাকায় একটি মার্কেটের দুইটি গোডাউনে এ অভিযান পরিচালনা করেন রাণীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নওশাদ হাসান।
এসময় জাহাঙ্গীর আলম বাবু নামের এক ধান-চাল ব্যবসায়ীর দুইটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে এসব চাল জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনার সময় তার সঙ্গে রাণীনগর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের কারিগরি খাদ্য পরিদর্শক মো. আনিছুর রহমান, রাণীনগর উপজেলার একডালা পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ হামিদুল ইসলামসহ ওএমএস ডিলার ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলাররা উপস্থিত ছিলেন।
রাণীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নওশাদ হাসান শনিবার জানান, সরকারি খাদ্যবান্ধবসহ বিভিন্ন প্রকল্পের চাল কয়েকজন অসাধু ব্যবসায়ী কিনে দুইটি গোডাউনে মজুত করে রেখেছেন—এমন গোপন সংবাদে শুক্রবার রানীনগর উপজেলার আবাদপুকুর বাজারের কুতকুতিতলা এলাকায় একটি মার্কেটে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচলনা করা হয়।
তিনি বলেন, অভিযানে দুই গোডাউন থেকে ৫০ কেজির ৪৫৩ বস্তা ও ৩০ কেজির ২২২ বস্তাসহ মোট ২৯ টন ৩১০ কেজি সরকারি চাল পাওয়া যায়। এ সময় গোডাউন থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বেশকিছু সরকারি বস্তা পাওয়া গেছে। অভিযানের সময় চাল ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বাবুসহ সবাই পলাতক ছিলেন।
আরও পড়ুন: ফসলি জমির মাটিকাটায় ২ স্কেভেটর অকেজো ও ৪ ট্রাক জব্দ
মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে চালগুলো জব্দ করে রাণীনগর উপজেলা খাদ্যগুদামে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
জব্দ করা চালগুলো রানীনগর উপজেলা খাদ্য গুদামের হেফাজতে রাখা হয়েছে। জব্দকৃত চালের আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রানীনগর উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের চাল ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বাবুসহ কয়েকজন অসাধু ব্যবসায়ী মিলে নওগাঁর রানীনগর, বগুড়ার আদমদিঘী, দুপচাঁচিয়া, কাহালু, নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরকারি সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালসহ সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের চাল কিনে রানীনগর উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লী আবাদপুকুর এলাকায় গোডাউন ভাড়া করে সেখানে মজুদ করে রাখতেন। পরে বেশি দামে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আবার চুক্তিবদ্ধ মিল মালিকদের মাধ্যমে এ চাল সরকারি খাদ্য গুদাম সংগ্রহ অভিযান চলাকালে সরবরাহ করা হতো বলেও অভিযোগ আছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নওশাদ হাসান আরও জানান, ওই দুটি গোডাউন ও চালের মালিক জাহাঙ্গীর আলম বাবুসহ যে কয়জন অসাধু ব্যবসায়ীরা এই অবৈধ মজুদের সঙ্গে জড়িত আছে, তাদের বিরুদ্ধে আজ শনিবার উপজেলা খাদ্য বিভাগ রাণীনগর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করবে।
আরও পড়ুন: সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের ফ্ল্যাট ও প্লট জব্দের আদেশ
মামলার দায়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলম বাবুসহ অসাধু ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের টিম কাজ করছে বলে জানান তিনি।
২৮৪ দিন আগে
ধানমন্ডিতে ডিএসসিসির মশা নিধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধন অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি)। শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সকালে এ আয়োজন করা হয়।
এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী এ অভিযানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ডিএসসিসি প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়ার উপস্থিতিতে বর্জ্য ব্যবস্থানা বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ ও ধানমন্ডি সোসাইটি এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।
অভিযানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৪৫০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী, স্বাস্থ্য বিভাগের ৫০ জন মশক কর্মী, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবক, বিডি ক্লিনের ৫০ জন ও ধানমন্ডি সোসাইটির ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন। ধানমন্ডি এলাকাকে ৭টি জোনে ভাগ করে মূল রাস্তা, লেক, পার্ক, মসজিদ, ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকা পরিষ্কার ও মশার ঔষধ দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ডিএসসিসির ২৯ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
এ সময় মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেন, ‘ঢাকাকে সুন্দর ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ডিএসসিসি ও বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক সোসাইটিগুলো আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে।’
‘ইতোমধ্যে রাজউক, গণপূর্ত, বিআরটিএ, পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থার অংশগ্রহণে সরকার একটি সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে। পয়ঃনিষ্কাশনের জন্যেও মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে।’
২৮৫ দিন আগে
রাজধানীতে আ.লীগের আরও ৯ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের আরও ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
সোমবার (২১ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির উপ-কমিশনার তালেবুর রহমান।
আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— ছাত্রলীগের বংশাল থানা ৩৩ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বাপ্পি (৩০), আওয়ামী লীগের দক্ষিণ বাড্ডা বাজার ইউনিটের সহ-সভাপতি মো. মহিবুর রহমান (৫০), কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ থানার আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ (৪৭), বংশাল থানা ৩২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাবু আহাম্মেদ (৫৫), ২২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল খালেক (৫৫), কলাবাগান থানা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন (৪৮), ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ হল শাখার নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক দীপম সাহা (২৬), ছাত্রলীগের ডেমরা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী ইসমাইল হোসেন (৪২) ও ছাত্রলীগ কর্মী মুহতাসিন ফুয়াদ ওরফে পিয়াল।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, রবিবার বেলা ১১ টার দিকে বাপ্পিকে নবাবপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি-লালবাগ বিভাগের একটি টিম। একই দিন সন্ধ্যায় রাজধানীর বেরাইদ এলাকা থেকে মহিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি-গুলশান বিভাগের একটি টিম ।
এছাড়া, রবিবার দুপুর ৩ টার দিকে রমনার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ভবনের সামনে থেকে আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইমের একটি টিম। ওইদিন রাত ১১ টার দিকে বংশাল এলাকা হতে বাবু আহাম্মেদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি-লালবাগ বিভাগের একটি টিম।
এদিন রাত ১০ টার দিকে মগবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুল খালেককে এবং রাত সাড়ে এগারোটায় রাজধানীর হাতিরপুল থেকে কবির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি-রমনা বিভাগের পৃথক দুইট টিম।
অন্যদিকে, রবিবার রাতে রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকা থেকে কাজী ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি-ওয়ারী বিভাগের একটি টিম। তিনি রবিবার যাত্রাবাড়ী এলাকায় ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণ করেছেন বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন বলে জানায় ডিএমপি।
ডিবি সূত্রে আরও জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাত পৌনে দুইটার দিকে দীপম সাহাকে তেজগাঁও এলাকা থেকে এবং দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে আদাবরের একটি বাসা থেকে ছাত্রলীগ কর্মী মুহতাসিন ফুয়াদ ওরফে পিয়ালকে গ্রেপ্তার করে ডিবি-সাইবারের পৃথক টিম।
আরও পড়ুন: খুলনায় আ.লীগের ২৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
তালেবুর রহমান বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা রাজধানীর বিভিন্ন থানায় রুজুকৃত মামলার এজাহারনামায় থাকা আসামি। তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। তারা নানাভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।’
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।
২৮৯ দিন আগে