অভিযান
ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গাঁজাসহ আসামি আটক
ভোলার সদর উপজেলার ইলিশা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও গাঁজাসহ মো. জাকির হোসেন (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।
আটক মো. জাকির হোসেন কোরালিয়া খায়েরহাট এলাকার বাসিন্দা।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে ভোলা দক্ষিণ জোন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, জাকির হোসেন একাধিক মামলার আসামি। তিনি ঢাকা থেকে কর্ণফুলী-১৩ লঞ্চে করে আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক নিয়ে ভোলায় আসছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (সোমবার) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কোস্ট গার্ড বেস ভোলা ইলিশা তুলাতুলি মোহনা-সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় লঞ্চে তল্লাশি চালিয়ে একটি একনলা বন্দুক, ৪ রাউন্ড গুলি এবং আনুমানিক ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ২ কেজি গাঁজাসহ জাকির হোসেনকে আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছেন।
সাব্বির আলম বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তার কাছ থেকে পাওয়া অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
নাটোরে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৬
নাটোরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জনকে আটক করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এর মধ্যে ৪ জনকে কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত পুলিশের বিশেষ দল উপজেলার বিভিন্ন মাদকের আস্তানায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন মাদকের আস্তানায় অভিযান চালায় পুলিশের বিশেষ দল। এ সময় বাবুল, আসলাম ও সাইদুর নামে ৩ মাদক ব্যবসায়ী ও আশরাফুল নামে এক মাদকসেবীকে গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, একই রাতে বাগাতিপাড়া উপজেলার হিজলী পাবনাপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৫৫টি ইয়াবাসহ আশিকুল ইসলাম ও আশিকুর রহমান নামে ২ জনকে আটক করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন- র্যাব। পরে তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
১২ দিন আগে
রংপুরে র্যাবের অভিযানে অসাধু ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের জরিমানা
রংপুরে দুটি ভোজ্যতেলের গুদামে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও র্যাব-১৩।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম।
এ সময় র্যাব-১৩, রংপুরের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামীর নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল অভিযানে সহায়তা করে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, নগরীর সেনপাড়া এলাকায় অবস্থিত মেসার্স এস এস ট্রেডার্সের গুদামে তেল মজুদ ও বাজারজাতকরণে নানা অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় গুদামে সংরক্ষিত ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম না মানা, কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা এবং বাজারে সরবরাহে অসঙ্গতির প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরপরে একই অভিযোগে গোমাস্তপাড়ায় আয়াত ট্রেডার্স নামে প্রতিষ্ঠানের মালিক পারভেজকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার পাশাপাশি দুটি প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একই কথা জানান র্যাব-১৩ এর জেষ্ঠ্য সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামীও।
২৬ দিন আগে
যশোরের চরমপন্থি নেতা গোফরান ও তার সহযোগী গ্রেপ্তার
যশোরের অভয়নগরসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কের আরেক নাম হয়ে ওঠা চরমপন্থি নেতা নাসির শেখ গোফরান ও তার সহযোগী সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (১৪ মার্চ) খুলনার রূপসা উপজেলা থেকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার মো. নাসির শেখ গোফরান (৪০) বাগেরহাটের রামপাল থানার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। মো. সোহেল রানা (২৮) বাগেরহাটের রূপসা থানার আলাইপুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, গোফরান ‘বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি’র নেতা পরিচয়ে একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলে যশোর, খুলনা ও নড়াইলজুড়ে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখলবাজির রাজত্ব চালিয়ে আসছিল। তার বিরুদ্ধে রয়েছে অস্ত্র, হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ ২০টিরও বেশি মামলা রয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে যশোর জেলা পুলিশের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) আবুল বাশার জানান, গত ১ মার্চ গভীর রাতে অভয়নগরের গোপিনাথপুর গ্রামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে গোফরান বাহিনী। সে সময় তারা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গোফরান বাহিনী নগদ ২০ হাজার টাকা, মোটরসাইকেল, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।
এই ঘটনার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে চক্রটি। তাদের ধরতে ব্যাপক অভিযান শুরু হয়। ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযান চালিয়ে গত শনিবার খুলনার রূপসা উপজেলার জাবুসা গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেন।
৫০ দিন আগে
গাজীপুরে বস্তিতে বিশেষ অভিযান, আটক ৫৪
গাজীপুরের টঙ্গীর মাজার বস্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযানে মোট ৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম ফয়েল পেপার, দেয়াশলাইট, ইয়াবা, একটি চাপাতি, দুইটি চাকু ও নেশা করার সরঞ্জামাদির পাশাপাশি বেশ কিছু ভোটার আইডি কার্ডও উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অভিযানে পুলিশকে সহযোগিতা করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (তদন্ত)।
অভিযান সম্পর্কে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার জানান, এলাকায় মাদক ও অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
৫০ দিন আগে
মাগুরায় দেশি পোশাকে ‘পাকিস্তানি’ ট্যাগ লাগিয়ে বিক্রি, জরিমানা
ঢাকা থেকে কেনা পোশাকে ‘পাকিস্তানি’ ট্যাগ লাগিয়ে উচ্চমূল্যে বিক্রির অভিযোগে মাগুরার ‘মেসার্স দেশি ভিনদেশি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শহরের সৈয়দ আতর আলী সড়কের বকসী মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানটি পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মাগুরা জেলা কার্যালয়।
অভিযানকালে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন শার্ট, টি-শার্ট ও মেয়েদের পোশাক পাকিস্তানি ও অন্যান্য বিদেশি পণ্য বলে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি পাকিস্তানি পোশাকের কোনো বৈধ প্রমাণ দেখাতে পারেনি। ভাউচার যাচাই করে দেখা যায়, পোশাকগুলো ঢাকার এলিফ্যান্ট রোড ও ইসলামপুরের বিভিন্ন দোকান থেকে কেনা। অথচ সেগুলো পাকিস্তানি ড্রেস হিসেবে প্রতিটি ৮ হাজার ৫০০ থেকে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল, যা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটিতে আমদানিকারকের ট্যাগবিহীন বিভিন্ন বিদেশি প্রসাধনীও পাওয়া যায়। এসব পণ্যে নিজেদের ইচ্ছামতো উচ্চমূল্যের প্রাইস ট্যাগ লাগিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল।
এ ধরনের অপরাধের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের আইনবিরোধী কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মাগুরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ। এ অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা মার্কেটিং অফিসার মো. রবিউল ইসলাম এবং মাগুরা জেলা পুলিশের একটি টিম।
৫৪ দিন আগে
‘সন্ত্রাসের জনপথ’ জঙ্গল সলিমপুরে চলছে যৌথবাহিনীর অভিযান
চট্টগ্রামের ‘সন্ত্রাসের জনপথ’ খ্যাত সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী।
সোমবার (৯ মার্চ) ভোর ৫টা থেকে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবির সমন্বয়ে এ অভিযান শুরু হয়।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল জানান, অভিযানে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৪ হাজার সদস্য। এছাড়া সেনাবাহিনীর সাজোয়া যান, পুলিশের জলকামানসহ বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করছে যৌথবাহিনী।
সকাল থেকে অভিযান শুরু হলে পুরো জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে রেখে ভেতরে সন্ত্রাসী, অস্ত্র এবং মাদকের সন্ধানে অভিযান চলছে। দুপুর পর্যন্ত বেশ কিছু সন্ত্রাসীকে আটক করার কথা জানালেও পুলিশ এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জঙ্গল সলিমপুরের বিভিন্ন প্রবেশমুখ দিয়ে বেশ কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে অভিযান চালাচ্ছেন। অভিযানে ৫৫০ জন সেনাবাহিনীর সদস্য, ১ হাজার ৮০০ পুলিশ সদস্য, ৩৩০ এপিবিএন, ৪০০ র্যাব, ১২০ বিজিবি, ১৫ এপিসি, তিনটি ডগ স্কোয়াড ও তিনটি হেলিকপ্টার রিজার্ভ অংশ নিয়েছে। প্রবেশ ও বাহিরের পথে বসানো হয়েছে তল্লাশি চৌকি।
বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত যৌথবাহিনীর এ অভিযান চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে আসামি ধরতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব-৭-এর উপ-সহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন। এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড থানায় র্যাবের মামলায় প্রধান আসামি করা হয় মোহাম্মদ ইয়াসিনকে। মামলায় আসামি করা হয় আরও ২০০ জনকে। এরপর সেখানে সমন্বিত অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়।
গত ২ যুগ ধরে জঙ্গল সলিমপুর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। ২০১৭ এবং ২০২২ সালেও প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করতে চেষ্টা করে। তবে সে সময় স্থানীয় সন্ত্রাসীদের কাছে হার মেনে ব্যর্থ হয়। এবার রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সন্ত্রাসের প্রতি জিরো টলারেন্স এবং কঠোর বার্তা প্রদানে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথবাহিনীর সমন্বিত অভিযান চলছে।
৫৭ দিন আগে
সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারে শিগগিরই অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
খুব শিগগিরই দেশব্যাপী সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর রমনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে ডিএমপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, আজকের মতবিনিময় সভায় দুটি বিষয়ে অনুশাসন দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো— আমরা চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে খুব শিগগিরই দেশব্যাপী, বিশেষ করে ঢাকা থেকে অভিযান শুরু করব। সেজন্য চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে সেই হিসেবে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, যারা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, দাগি আসামি, যারা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, তাদের একটি স্বচ্ছ তালিকা প্রস্তুত করে সে হিসেবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানতম অগ্রাধিকার হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং এর মাধ্যমে জনমনে স্বস্তি প্রদান করা ও দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি বলেন, আমরা দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আর এক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা অগ্রগণ্য। যেহেতু বাংলাদেশ বিগত সময়ে একটা ফ্যাসিবাদী সরকারব্যবস্থার মধ্যে ছিল, সে সময় অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠানের মতো পুলিশের এই প্রতিষ্ঠানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই জায়গা থেকে ক্রমান্বয়ে আজকের এই পর্যায়ে এসেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানুষ যেন পুলিশকে সত্যিকার অর্থেই জনগণের বন্ধু মনে করে, আমরা পুলিশ বাহিনীকে সে লক্ষ্যে পরিচালিত করছি। আজকের মতবিনিময় সভায় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ রাজনীতিক বলেন, ‘পুলিশ কোনো ব্যক্তির স্বৈরতান্ত্রিক নির্দেশে চলবে না বা কোনো পিতৃতান্ত্রিক সিস্টেম এখানে চলবে না; পুলিশ চলবে আইনানুগভাবে।’
মন্ত্রী বলেন, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে বিষয়ে তারা আজ সংকল্প ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছেন। তিনি বলেন, আমি পুলিশ বাহিনীকে জনগণের পক্ষে বর্তমান সরকারের যে প্রতিশ্রুতির বিষয়গুলো আছে, তা স্মরণ করে দিয়েছি। আমি আশা করছি, তারা জনগণের পক্ষে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করবেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, পুলিশ বাহিনীকে ‘চেইন অব কমান্ড’ বজায় রেখে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরাসরি মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন না। তবে মন্ত্রী যদি চান, যেকোনো স্তরের কর্মচারীর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। কিন্তু ‘চেইন অব কমান্ড’ ভঙ্গ করে একজন নিম্নপদস্থ কর্মচারী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন না।
ঢাকার যানজটের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে ডিএমপি কমিশনারকে আমরা একটা সেল বা কমিটি গঠন করার নির্দেশনা দিয়েছি। তিনি ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে বসে যানজট নিয়ন্ত্রণে করণীয় ও সুপারিশমালা প্রস্তুত করে আমাকে একটি প্রতিবেদন দেবেন।
এ সময় ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশার আধিক্য নিয়েও কথা বলেন তিনি। বলেন, ঢাকার প্রধান ও ভিআইপি সড়কে, যেখানে ব্যাটারিচালিত রিকশা থাকার কথা নয়, সেখানেও তারা চলাচল করছে। এটা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়—সে বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। আমরা পরীক্ষামূলকভাবে উত্তরা এয়ারপোর্ট রোড থেকে সচিবালয় পর্যন্ত রাস্তায় ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ করব। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্রধান ও ভিআইপি সড়কে এটি করা হবে।
ব্রিফিংয়ে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ারসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
৬২ দিন আগে
রাজধানীতে মাদক কারবারীদের গুলিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক গুলিবিদ্ধ
রাজধানীর সায়েদাবাদের বাস টার্মিনালে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে মাদক কারবারিদের গুলিতে মো. সিদ্দিকুর রহমান (৩৮) নামে একজন ইন্সপেক্টর (পরিদর্শক) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সায়দাবাদ এলাকায় অভিযানের সময় ডিএনসির এই ইন্সপেক্টরকে গুলি করে পালিয়ে যান মাদক কারবারীরা।
সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দুপুর ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তার চিকিৎসা চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ সার্কেলের উপপরিচালক রাজিউর রহমান জানান, ১ মার্চ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত আমাদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযান চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আমাদের ৭টি টিম বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছিল। আমাদের একটি টিম সায়দাবাদ রেললাইন এলাকায় অভিযানের জন্য অপেক্ষা করছিল। এ সময় ৩ জন মাদক কারবারীকে শনাক্ত করে আমাদের টিম। পরে তাদের মধ্য থেকে একজনকে আটক করার চেষ্টা করলে তিনি পকেট থেকে পিস্তল বের করে ৪ রাউন্ড গুলি করেন। এতে আমাদের পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমানের বাম পায়ের হাঁটুর নিচে পিস্তলের একটি গুলি লাগে। গুলি করে ওই মাদক কারবারীরা পালিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে বলে জানান তিনি।
৬৪ দিন আগে
সিলেটে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে আটক ৮ যুবক
সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পৃথক দুই অভিযানে ৮ জন জুয়াড়িকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া খেলার আলামত ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ডিবি পুলিশ দক্ষিণ সুরমা থানাধীন বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তীর-শিলং জুয়া খেলার সময় ৩ জনকে আটক করে।
আটকরা হলেন— সিদ্দিক মিয়া (৩০), দিরাব ওরফে সিরাজ (৫৫) ও মোস্তাফিজুর রহমান দিদার (২৪)।
এ ঘটনায় দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আটক ৩ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
অপরদিকে, ওইদিন রাত পৌনে ১১টার দিকে জেলার কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বাগবাড়ি পশ্চিম কাজলশাহ সোনারবাংলা আবাসিক এলাকায় রবিউল ইসলামের চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে অনলাইনে জুয়া খেলার সময় আরও ৫ জনকে আটক করে পুলিশ।
আটকরা হলেন— মো. আলী (৪২), মো. মাহফিজুর রহমান (৩৮), মাছুম আহমদ (৪৫), তোফায়েল আহমদ (২৯) ও রবিউল ইসলাম (৪১)।
তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মডেলের মোট পাঁচটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানান তিনি।
৬৭ দিন আগে