ডেঙ্গু
ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে এক হাজার ২৩২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এ মৃত্যুর পর চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জনে।
অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, নতুন করে মারা যাওয়া দুজনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মারা গেছে।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৬০ হাজার ৩৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ৫৬ হাজার ৭০ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
খুলনায় ডেঙ্গু ও হামে মৃত্যু বেড়ে ৭৭, আক্রান্ত ২১,৭৬১
খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু ও হামের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু ও হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ২১ হাজার ৭৬১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে বিভাগে ডেঙ্গু ও হামে মোট ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত সর্বশেষ আলাদা দুটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এ সময়ে ডেঙ্গুতে নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। চলতি বছরে হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৭১৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। আর উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৪৫ জনকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে।
জেলা-ভিত্তিক হিসাবে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন খুলনায়। জেলায় এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৮৩১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ১৫১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, বাগেরহাটে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। যশোরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৯৬২ জন (মৃত্যু ২ জন), চুয়াডাঙ্গায় ৬২ জন (মৃত্যু ১ জন), নড়াইলে ৩৫৭ জন, ঝিনাইদহে ২০২ জন, মাগুরায় ২০১ জন, কুষ্টিয়ায় ২০৮ জন এবং মেহেরপুরে ১৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। সাতক্ষীরা জেলায় ২২০ জন এবং সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুর নতুন রোগী ভর্তির হিসাবেও খুলনা এগিয়ে রয়েছে। এ সময়ে খুলনা জেলায় ৩৯ জন, বাগেরহাটে ১৩ জন, মেহেরপুরে ৭ জন, সাতক্ষীরা জেলায় ৬ জন, যশোরে ৬ জন, নড়াইলে ৬ জন এবং সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
অপরদিকে, খুলনা বিভাগে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৬৪২ জনে। এর মধ্যে ৩৭৩ জন নিশ্চিত হামে আক্রান্ত। এ সময়ে হামের উপসর্গে মারা গেছে ৪২টি শিশু।
জেলা-ভিত্তিক তথ্যে জানা যায়, খুলনা জেলায় সন্দেহজনক হাম রোগী ২ হাজার ৪৩ জন (নিশ্চিত ৪৭ জন, মৃত্যু ২২টি শিশু), কুষ্টিয়ায় ২ হাজার ৭৯১ জন (নিশ্চিত ২৩ জন, মৃত্যু ১৩ জন), ঝিনাইদহে ৯৭৯ জন (নিশ্চিত ১৭ জন, মৃত্যু ৫ জন), চুয়াডাঙ্গায় ৫৭৭ জন (মৃত্যু ১ জন) এবং মেহেরপুরে ৬৭৫ জন (নিশ্চিত ১০ জন, মৃত্যু ১ জন)।
এছাড়া যশোরে ৮৭৪, নড়াইলে ৮৪০, বাগেরহাটে ৭৮১ এবং সাতক্ষীরায় ৩৪৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি আক্রান্ত ও সন্দেহজনক রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে নারীর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ২৫
ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রেবেকা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
রেবেকা বেগমের বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায়। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান।
ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে নতুন করে ২৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ৮১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, চলতি ডেঙ্গু মৌসুমে এখন পর্যন্ত ফরিদপুরের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫২০ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
সিভিল সার্জন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সচেতন হতে হবে। বাড়িঘর ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সফল হওয়া সম্ভব বলে মতামত দেন তিনি।
১ দিন আগে
ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পাশে চায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে মানুষের আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের একযোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে দেশের শীর্ষস্থানীয় কনটেন্ট নির্মাতা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যোগাযোগকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।
সভায় জানানো হয়, গতানুগতিক সরকারি প্রচারণার বাইরে গিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে জনপ্রিয় ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পাশে চায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগামী তিন মাসের একটি সমন্বিত রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু চিকিৎসায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতালগুলো সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিন হাজার চিকিৎসককে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, স্যালাইনের সরবরাহ ও শয্যা প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। তবে শুধু চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়িয়ে মৃত্যু ও সংক্রমণ কমানো সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন মানুষের আচরণগত পরিবর্তন। মানুষ যাতে সচেতন হয়ে সরাসরি পদক্ষেপ নেয়, সেই কার্যকর কাজটি করতে পারেন আপনারা—কনটেন্ট নির্মাতারা।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ আপনাদের কথা শোনে। এটাকে কেবল বাণিজ্যিক চুক্তি হিসেবে না দেখে ভেতরের তাগিদ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে দেখুন। আপনার বানানো একটি সৃজনশীল ভিডিও হয়তো কারও পরিবারের একটি প্রাণ রক্ষা করতে পারে।’
বৈঠকে আগামী তিন মাসের একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। অংশগ্রহণকারী ক্রিয়েটর ও এজেন্সিগুলোকে শিগগিরই তাদের প্রাথমিক ধারণা ও রূপরেখা জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আগামী ২০ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ডিজিটাল প্রচারণার কনটেন্ট প্রচারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
২ দিন আগে
ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৪৮৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এ মৃত্যুর পর চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৬ জনে।
অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, নতুন মৃত্যুর ঘটনাগুলোর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে চারজন এবং রংপুর বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরে একজন মারা গেছে।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৫৮ হাজার ৪০০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ৫৪ হাজার ৯২ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
২ দিন আগে
ডেঙ্গুতে আরও ৭ প্রাণহানি
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৭৫৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এ মৃত্যুর পর চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭১ জনে।
অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, নতুন মৃত্যুর ঘটনাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে একজন করে এবং খুলনা বিভাগে তিনজন করে মারা গেছে।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৫৬ হাজার ৯১৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ৫২ হাজার ৫৭৯ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
৩ দিন আগে
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৫৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এ মৃত্যুর পর চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৪ জনে।
অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, নতুন মৃত্যুর ঘটনাগুলোর মধ্যে ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও বরিশাল বিভাগে একজন করে এবং খুলনা বিভাগে দুজন মারা গেছে। তবে এদের মধ্যে সিটি করপোরেশন এলাকায় কেউ মারা যায়নি।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৫৫ হাজার ১৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ৫০ হাজার ৯৪১ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
৪ দিন আগে
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৭৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এ মৃত্যুর পর চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৭ জনে।
অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, নতুন মৃত্যুর ঘটনাগুলোর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম বিভাগে তিনজন করে এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছে।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৫৩ হাজার ৫৭০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ৪৯ হাজার ৩৭৫ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
৫ দিন আগে
ডেঙ্গু মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর মঈন খানের
ডেঙ্গুতে আরও প্রাণহানি ঠেকাতে অ্যাকশন প্ল্যানের পাশাপাশি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ওয়ার্কশপ অন স্ট্র্যাটেজিক অ্যাকশন প্ল্যানিং ফর ডেঙ্গু প্রিভেনশন’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস প্রকল্পের (আইইউপিএইচপিএসপি) আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কিছুটা কম। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, সাধারণত আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ সংক্রমণের সময়।
তিনি আরও বলেন, তাই বর্তমানে মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কম হলেও আমাদের আত্মতুষ্ট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এই সেপ্টেম্বর, এরপর অক্টোবর এবং এমনকি নভেম্বরের কিছু সময়ও রয়েছে, এ সময়ে মৃত্যুর সংখ্যা যাতে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে না যায়, সে জন্য অ্যাকশন প্ল্যানের পাশাপাশি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
মন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় দুই মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, আপনারা লক্ষ্য করেছেন, মাত্র দুই দিন আগে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং সারা দেশে এর বিস্তার ঠেকাতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম—এই নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু হওয়ার পর চিকিৎসা করার চেয়ে রোগটি প্রতিরোধ করা অনেক সহজ। ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রকল্পে কাজ করা বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী জনগণের কল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে ও নিরবচ্ছিন্নভাবে নিজেদের নিয়োজিত রাখার আহ্বান জানান।
প্রকল্পটিতে সহায়তা দেওয়ার জন্য বিশ্বব্যাংককে ধন্যবাদ জানান তিনি। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের শুরুর দিক পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। তবে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও এর সুফল অব্যাহত রাখতে হবে বলে জোর দেন তিনি।
এছাড়া বাংলাদেশে ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের উন্নত বিশ্বে এ বিষয়ে গবেষণারত গবেষকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও জ্ঞান সংগ্রহের আহ্বান জানান ড. আব্দুল মঈন খান।
তিনি বলেন, আমরা গর্বিত যে আমাদের দেশের বিশেষজ্ঞরা এখানে কাজ করছেন। তবে আমি আপনাদের এটাও অনুরোধ করব, উন্নত বিশ্বে যারা এ বিষয়ে গবেষণা করছেন, তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও জ্ঞান সংগ্রহ করবেন।
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ১৯৬৪-৬৫ সালের প্রাদুর্ভাবের পর থেকে ডেঙ্গু ধীরে ধীরে বেড়েছে। ওই সময়ে ঢাকায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছিল। গত বছর ও এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজারে পৌঁছেছে।
৫ দিন আগে
মমেক হাসপাতালে ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ৫৫
ময়মনসিংহে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাশিদা খাতুন (৪০) ও জাফর আলী (৭০) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এ নিয়ে চলতি বছর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ জনের মৃত্যু হলো। নতুন ৫৫ জনসহ বর্তমানে হাসপাতালে ১৩১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬টি শিশু, ৪২ জন নারী ও ৮৩ জন পুরুষ।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ৫৮ জন বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ হাজার ১৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
এদিকে, ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালেও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। ময়মনসিংহ অঞ্চলের পাশাপাশি গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলা থেকেও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসছেন।
ফলে হাসপাতালটির ডেঙ্গু আইসোলেশন ওয়ার্ডে নির্ধারিত শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।
৫ দিন আগে