পেঁয়াজ আমদানি
বেনাপোল দিয়ে দেশে ঢুকছে না ভারতীয় পেঁয়াজ, দাম বাড়ার আশঙ্কা
দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। আগের আমদানির অনুমতি ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকলেও গত ২৪ ডিসেম্বরের পর এই বন্দর দিয়ে একটি পেঁয়াজের ট্রাকও দেশে আসেনি। এর ফলে দেশের পেঁয়াজের বাজার আবারও অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আমদানিকারকেরা।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নতুন করে ভারত থেকে কোনো পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়নি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর। সর্বশেষ ২৪ ডিসেম্বর ৬০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। গত ১৫ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬টি চালানে ১৩টি ট্রাকে করে মোট ৩৯০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়।
গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় রয়েল ইসলাম নামের এক আমদানিকারক বলেন, দেশে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে তা নিয়ন্ত্রণে সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছিল। এর ফলে ৩ মাস বন্ধ থাকার পর আবারও গত ৭ ডিসেম্বর থেকে বেনাপোলসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়।
তিনি বলেন, প্রথমদিকে আমদানির অনুমতির পরিমাণ কম দেওয়ায় চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল না। পরে বেশি আমদানির অনুমতি দিলে দেশের সব বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দামও কমতে শুরু করে। এক সপ্তাহ আগেও ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে পেঁয়াজ। বর্তমানে আমদানি বন্ধ থাকায় দাম বেড়ে ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার আবারও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা সকাল থেকে আমদানির অনুমতি চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেছি, কিন্তু কোনো আবেদন মঞ্জুর হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত কোনো প্রজ্ঞাপন বা চিঠিও ইস্যু করা হয়নি।
‘তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যদি তাই হয়, তাহলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ে আবারও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকার অজুহাত দেখিয়ে তা আবারও ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে। ইতোমধ্যেই আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধের খবরে কেজিতে বন্দরে ১০ টাকার মতো বেড়ে গেছে।’
বেনাপোল স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। নতুন করে কোনো পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে আগের ইস্যু করা আমদানির অনুমতির বিপরীতে চলতি মাসের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে।
৮ দিন আগে
বেনাপোল দিয়ে ৬০ টন পেঁয়াজ আমদানি, বাজারে কমছে দাম
আড়াই বছর পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পুনরায় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। তিনটি পৃথক চালানে মোট ৬০ টন পেঁয়াজ বন্দরে প্রবেশ করেছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে তৃতীয় চালানে একটি ট্রাকে ১৫ টন পেঁয়াজ বন্দরের ৩১ নম্বর ইয়ার্ডে প্রবেশ করে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বেনাপোল বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী শ্যামল কুমার নাথ জানান, গত ২৫ আগস্ট ভারত থেকে প্রথম চালানে একটি ট্রাকে ১৫ টন পেঁয়াজ, ২৮ আগস্ট রাত ৮টার দিকে দ্বিতীয় চালানে দুটি ট্রাকে ৩০ টন পেঁয়াজ বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। এ নিয়ে তিন চালানে মোট ৬০ টন পেঁয়াজ ভারত থেকে আমদানি হয়েছে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এস এম ওয়েল ট্রেডার্স। মান পরীক্ষা শেষে পেঁয়াজ খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: আড়াই বছর পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু
পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, আড়াই বছর পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। পেঁয়াজ আমদানির খবরে স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।
প্রতি টন পেঁয়াজ ৩০৫ মার্কিন ডলারে আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে, যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৭ হাজার ৪২৯ টাকা। সে ক্ষেত্রে প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য পড়েছে প্রায় ৩৮ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজ মানভেদে ৫৭-৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি করা সম্ভব।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ‘আমদানি করা পেঁয়াজ দ্রুত ছাড় করতে বন্দর কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
১৩৯ দিন আগে
আড়াই বছর পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু
আড়াই বছর পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথম চালানে ভারতীয় একটি ট্রাকে ১৫ টন পেঁয়াজ বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেনাপোল বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী শ্যামল কুমার নাথ।
তিনি জানান, গতকাল (সোমবার) রাত ৮টার দিকে প্রথম চালানে ১৫ মেট্রিক টন ভারতীয় পেঁয়াজবোঝাই একটি ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে। আমদানি করা পেঁয়াজের মান পরীক্ষা শেষে বন্দর থেকে খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
পেঁয়াজ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাগেরহাটের এসএম ওয়েল ট্রেডার্স এবং রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের ন্যাশনাল ট্রেডিং করপোরেশন।
আরও পড়ুন: বেনাপোল দিয়ে চাল আমদানি শুরু, কেজিতে দাম কমবে ৫-৭ টাকা
এর আগে, ২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে বেনাপোল দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক আনু বলেন, এর আগে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করেছিল সরকার। পরে ভারতও রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।
তিনি জানান, বর্তমানে দেশে চাহিদার বিপরীতে আমদানি ও পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও অতিরিক্ত মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছিলেন। এতে পেঁয়াজ কিনতে নিম্ন আয়ের মানুষের গুনতে হচ্ছিল অতিরিক্ত টাকা। অবশেষে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাজার নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার।
কাস্টমস সূত্র জানিয়েছে, প্রতি টন ৩০৫ ডলারে আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৭ হাজার ৪২৯ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে মানভেদে ৫৮ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে পারে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাজন হোসেন জানান, কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পেঁয়াজের চালানটি দ্রুত খালাসের জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১৪৬ দিন আগে
চাঁপাইয়ে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে এলো ১০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ
প্রায় আট মাস পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে ভারত থেকে চারটি ট্রাক ১০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ নিয়ে বন্দরে প্রবেশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনামসজিদ স্থলবন্দর পরিচালনায় নিয়োজিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মাইনুল ইসলাম।
তিনি জানান, আট মাস আগে ভারত সরকার সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছিল। বৃহস্পতিবার ভারত থেকে চারটি ট্রাকে করে ১০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ সোনামসজিদ স্থলবন্দরে এসেছে।
পড়ুন: বাজারে আগুন দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি, ঊর্ধ্বমুখী প্রতিটি পণ্যের দাম
ব্যবসায়ীরা জানান, সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে আসবে।
এর আগে পেঁয়াজের বাজারদর নিয়ন্ত্রণে গত সোমবার ১২ আগস্ট পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা দেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
১৫৭ দিন আগে
সোনামসজিদ দিয়ে দেশে ঢুকল ১০০ টন ভারতীয় পেঁয়াজ
প্রায় ৮ মাস পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভারত থেকে চারটি ট্রাক ১০০ টন পেঁয়াজ নিয়ে দেশে প্রবেশ করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনামসজিদ স্থলবন্দর পরিচালনায় নিয়োজিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মাইনুল ইসলাম।
তিনি জানান, ৮ মাস আগে ভারত সরকার সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছিল। তবে দীর্ঘ ৮ মাস পরে বৃহস্পতিবার ভারত থেকে চারটি ট্রাকযোগে ১০০ টন পেঁয়াজ সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে দেশে এসেছে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমদানি শুরু হওয়ায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে আসবে।
পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে গত মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা দিয়েছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
আরও পড়ুন:
খুলনায় পেঁয়াজের কমতি নেই, তবুও দাম বাড়তি
হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের দামে ঊর্ধ্বগতি
ফরিদপুরের পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের ঝাঁজ
১৫৭ দিন আগে
পেঁয়াজ আমদানির জন্য ভারত থেকে অনুমোদন পেয়েছি, দাম নিয়ে আলোচনা হচ্ছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
পেঁয়াজ আমদানির জন্য ভারত থেকে অনুমোদন পেয়েছেন উল্লেখ করে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, এখন দাম নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
তিনি বলেন, খোলাবাজারের চিনির সর্বোচ্চ মূল্য ১৪০ টাকার বেশি হবে না। তারা আমাদের কথা দিয়েছে, তাদের যথেষ্ট মজুত আছে। প্যাকেটজাত চিনির দামও ১৪৫ থেকে ১৪৬ টাকার বেশি হবে না। সেটা আমরা নিশ্চিত করতে পেরেছি। রমজানে চিনির দাম বাড়ার কোনো সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার (১২ মার্চ) দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) লক্ষ্যে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: রোজার আগেই ভারত থেকে আসতে পারে পেঁয়াজ-চিনি: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতে পেঁয়াজের শুল্ক বাংলাদেশের জন্য ৮০০ ডলার, আর যুক্তরাজ্যের জন্য ১ হাজার ২০০ ডলার। আমাদের সিনিয়র সেক্রেটারি তিন দিন ধরে দাম কমাতে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন, আলোচনা করছেন। দু-একদিনের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বাধা আমি চাইলেই সবকিছু নিরসন করতে পারি না। তবে আমাদের উদ্যোগ, চেষ্টা ও চেষ্টার সফলতা আছে। পেঁয়াজ রপ্তানিতে মার্চ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ভারত, তারপরও তারা রাজি হয়েছে। সামনে তাদের দেশে নির্বাচন, সেটাও দেখতে হবে। তাদের ভোক্তা আছে, সেটা মাথায় রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সবকিছু বিবেচনা করে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজের অনুমোদন আমরা পেয়েছি। হয় আমরা সরকারিভাবে জি টু জি আনব অথবা আমদানিকারকদের অনুমোদন দেব। যত দ্রুত সম্ভব বাজারে যাতে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা যায়, সেই চেষ্টা করব।
তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গেও আমাদের কথা চলছে। সেখানেও অগ্রগতি হতে পারে। দাম সব জায়গায়ই বেশি। আমি যদি ডলারে কনভার্ট করে বাণিজ্যিক ভিত্তিতেও চিনি আমদানি করি তাহলেও দাম কম পড়বে না। পাঁচ টাকা হয়তো এদিক-ওদিক হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম ঊর্ধ্বমুখী। আমরা চাচ্ছি, চিনির দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে। যে দাম আমরা নির্ধারণ করে দিয়েছি, রমজান মাসে চিনির দাম একই থাকবে।
আরও পড়ুন: সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি
তিন দিনের ব্যবধানে গাইবান্ধায় পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ
৬৭৮ দিন আগে
ভোমরা বন্দর দিয়ে ২৮৭ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার, এই খবরে সাতক্ষীরায় পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ২৫ টাকা কমেছে।
কয়েক দিন আগেও যে পেঁয়াজ ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে সেই পেঁয়াজের দাম কমে কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়। অর্থাৎ কেজিপ্রতি ২০ থেকে ২৫ টাকা কমেছে।
এদিকে , সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে সোমবার থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে।
সোমবার বিকালে ১১টি পেঁয়াজ ভর্তি ট্রাক ভোমরা বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে। যার পরিমাণ ২৮৭ মেট্রিক টন বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার সকালে আরও ১০টির মতো পেয়াঁজভর্তি ট্রাক বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু, কেজিতে কমল ২০ টাকা
মঙ্গলবার সকালে ভোমরা স্থলবন্দরের সুপার ইফতেখারুদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সোমবার বিকালে ভোমরা বন্দর দিয়ে ১১টি ট্রাকে ২৮৭ মেট্রিক টন পেয়াঁজ ঢুকেছে। আজ (মঙ্গলবার) সকালে আরও ১০ ট্রাক পেয়াঁজ আমদানি হতে পারে। অর্থাৎ ২১ ট্রাক পেঁয়াজ ইতোমধ্যে ভারতের ঘোজডাঙ্গা বন্দর দিয়ে ভোমরা স্থল বন্দরে প্রবেশ করেছে।
তিনি বলেন, যেহেতু সরকার পেয়াঁজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে বিধায় পুরাতন এলসি যাদের করা ছিল তারা এলসি পরিবর্তন করে পেয়াঁজ আমদানির চেষ্টা করছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।
আরও পড়ুন: হিলি ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু
পেয়াঁজের দাম কিছুটা কমে আসায় ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছে, পেঁয়াজের আমদানি বাড়লে দাম আরও কমে আসবে। সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে।
সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড় বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আব্দুল বারী জানান, গত রবিবার পর্যন্ত পেঁয়াজের দাম ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি ছিল। সরকার পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সোমবার থেকে দাম কমে এসেছে। আমদানির সঙ্গে সঙ্গে দাম আরও কমবে বলে মনে করছেন এই ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন: পেঁয়াজের সংকট দূর হবে, পেঁয়াজ নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হবে: কৃষিমন্ত্রী
৯৫৮ দিন আগে
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু, কেজিতে কমল ২০ টাকা
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজের আমদানি শুরু হওয়ায় কমতে শুরু করেছে দেশি পেয়াজের দাম। ফলে ৮০ টাকার পেঁয়াজ আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে কেজিতে ২০ টাকা কমে খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। আর আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ এখনো পুরোপুরি বাজারে আসেনি। তবে ৪০ টাকায় কিছু পেঁয়াজ বন্দরের মোকামে পাইকারী বিক্রি হয়েছে। আর এই এই পেঁয়াজ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে।
সরকার ৮০ দিন পর পেঁয়াজ আমদানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ৩টি ট্রাকে ৬০ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। যা আজও ভারত থেকে আমদানি অব্যাহত থাকবে।
এদিকে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক সেলিম উদ্দিন জানান, আজ সন্ধ্যা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ সরবরাহ করা হবে। এরপর থেকে দাম অনেক কমে আসবে। পাশাপাশি দেশি পেঁয়াজের দামও অনেক কমবে। ফলে কয়েকদিনের মধ্যেই পেঁয়াজের বাজার ৩০-৪০ টাকার মধ্যে চলে আসবে।
আরও পড়ুন: হিলি ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু
আরেক আমদানিকারক শহীদুল ইসলাম জানান, আমদানিকারকরা হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য প্রায় ১৮ হাজার মেট্রিকটনের এলসি করেছেন। যা গতকাল থেকে আমদানি করা হচ্ছে।
স্থানীয় খুচরা ব্যবসায়ী মঈনুল হোসেন জানান, আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ এখনো পুরোপুরি বাজারে আসেনি। তবে আমদানি হচ্ছে এই খবরে দাম কেজিতে ২০ টাকা কমে বিক্রি করা হচ্ছে দেশি পেঁয়াজ। দু-একজন খুচরা ব্যবসায়ী ভারতীয় আমদানি করা পেঁয়াজ ৫০ টাকায় বিক্রি করছে।
বাজারে বিকাল বা সন্ধ্যা নাগাদ ভারতীয় পেঁয়াজ পুরোপুরি চলে আসবে। কাল থেকে দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম আরও কমে যাবে। এতে ভোক্তারা পেঁয়াজের দামে স্বস্তি পাচ্ছে।
এদিকে সরকার দেশের উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্যমুল্য নিশ্চিত করতে চলতি বছরের ১৬ মার্চ থেকে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে অনুমতি বন্ধ রাখে। এরপর থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল।
আরও পড়ুন: পেঁয়াজের সংকট দূর হবে, পেঁয়াজ নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হবে: কৃষিমন্ত্রী
শিগগিরই পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে: কৃষি সচিব
৯৫৮ দিন আগে
শিগগিরই পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে: কৃষি সচিব
কৃষি সচিব ওয়াহিদা আক্তার জানিয়েছেন, শিগগিরই পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে। কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় সাময়িকভাবে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয় দেশের অভ্যন্তরে পেঁয়াজের বাজার সবসময় মনিটর করছে। দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকলে শিগগিরই পেঁয়াজ আমদানির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
রবিবার (১৫ মে) দুপুরে সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ সংক্রান্ত সভায় কৃষিসচিব এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এ বছর দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ৩৪ লাখ টনের বেশি। আর বর্তমানে মজুদ আছে ১৮ লাখ ৩০ হাজার টন।
কৃষি সচিব বলেন, উৎপাদন ও মজুদ বিবেচনায় দেশে এই মুহূর্তে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কোন কারণ নেই। অথচ বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
আরও পড়ুন: হিলিতে বেড়েছে দেশি পেঁয়াজের দাম
জানান হয়, গত দুই বছরে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে ১০ লাখ টনেরও বেশি। এবছর দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ৩৪ লাখ টনের বেশি। আর বর্তমানে মজুদ আছে ১৮ লাখ ৩০ হাজার টন। কিন্তু উপযুক্ত সংরক্ষণের অভাবে বা প্রতিকূল পরিবেশের কারণে ৩০-৩৫% পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়। দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২৬- থেকে ২৮ লাখ টন।
সভায় আরও জানান হয়, বর্তমানে এক কেজি দেশি পেঁয়াজের উৎপাদন খরচ ২৮-৩০ টাকা। গতবছর ২০২১-২২ অর্থবছরে আমদানি উন্মুক্ত থাকার কারণে আমদানি বেশি হয়েছিল।
দেশি পেঁয়াজের বাজারদর কম ছিল, ৩০-৩৫ টাকা ছিল। কৃষকেরা কম দাম পেয়েছিল।
সেজন্য, পেঁয়াজ চাষে কৃষকের আগ্রহ ধরে রাখতে এবছর পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে কৃষি মন্ত্রণালয়।
সভায় পেঁয়াজের উৎপাদন, চাহিদা ও আমদানির তথ্য তুলে ধরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
আরও পড়ুন: হিলিতে আমদানি বন্ধের অজুহাতে দাম বাড়ছে পেঁয়াজের
৯৮১ দিন আগে
১৫ মার্চের পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ
আর মাত্র কয়েকদিন পরেই রমজান মাস। কিন্তু তার আগেই ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে অনুমতি (আইপি) বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে রমজানে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকেরা।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা জানান, সরকার কৃষকদের উৎপাদিত পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৫ মার্চের পর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে নতুন করে কোনও অনুমতি দিবে না। সরকারের এমন সিদ্ধান্তে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
আরও পড়ুন: পেঁয়াজ সংরক্ষণে আলোর মুখ দেখাচ্ছে ‘এয়ার ফ্লো মেশিন’
এছাড়া আসন্ন রমজানে দেশে পেঁয়াজের সংকট সৃষ্টি হবে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম বেড়ে গেলে ভোক্তাদের বেশি দামে কিনতে হবে।
অন্যদিকে সোমবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সিনিয়র সহসভাপতি শহীদুল ইসলাম জানান, রমজান এলেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে দেশে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দেয়। যার প্রভাব ফেলে সরকার ও ভোক্তাদের ওপর। কিন্তু এবার রমজানে দাম বাড়ার কোন আশঙ্কা নেই। কারণ ভারতে এবার পেঁয়াজের ফলন বেশি হওয়ায় সেখানে দাম তুলনামূলক অনেক কম।
তিনি বলেন, দেশের উৎপাদিত পেঁয়াজ বাজারে আসতে এখনও ১৫-২০ দিন সময় লাগবে এবং দেশি পেঁয়াজ দিয়ে চাহিদা মেটানো সম্ভব না।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, রমজানে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক এবং দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে এখন থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। ঠিক এই সময়েই সরকার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে অনুমতি না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ায় রমজানে পেঁয়াজের বাজার অস্থির হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বর্তমানে আমদানিকারকদের ভারতে ১০ হাজার পেঁয়াজের এলসি করা আছে।
এছাড়া, ১৫ মার্চের পর আমদানি বন্ধ হয়ে গেলে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং ভোক্তাদেরও রমজানে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে হবে।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, দেশের ভোক্তাদের কথা বিবেচনায় রমজান মাসে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রেখে দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা দরকার। আর যদি আমদানির অনুমতি বন্ধ করতে হয় ঈদের পর বন্ধ করা যেতে পারে। তাহলে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত থেকে রেহাই পাবে।
এদিকে হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে বর্তমানে পেঁয়াজ আমদানির জন্য যেসব অনুমতি পত্র (আইপি) দিয়েছে এবং যেসব আইপি দেয়া হচ্ছে সেগুলোর মেয়াদ ১৫ মার্চ পর্যন্ত।
যদি নতুন করে আইপি সংক্রান্ত কোনও নির্দেশনা না আসে তাহলে এরপর থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যাবে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে বন্দরের মোকামে প্রতি কেজি ভালো মানের আমদানি করা পেঁয়াজ ২৪ টাকা আর দেশিয় পেঁয়াজ ২৬ টাকায় খুচরা বিক্রি হচ্ছে।
আরও পড়ুন: মাগুরায় ভারতীয় নাসিক এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজ চাষে সফলতা
হিলির আড়তগুলোতে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বাড়ছে
১০৪২ দিন আগে