মির্জা আব্বাস
মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাসের শারীরিক খোঁজ নিলেন আলাল
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা–৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসের শারীরিক খোঁজ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
শনিবার (৪ জুলাই) মালয়েশিয়ায় আলাল ও তার সহধর্মিণী মির্জা আব্বাসের সঙ্গে দেখা করেন।
সাক্ষাৎ শেষে আলাল বলেন, মির্জা আব্বাস বর্তমানে আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ আছেন এবং তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।
মির্জা আব্বাস তার দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতার জন্য দলের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
১৭ দিন আগে
মির্জা আব্বাসকে কেবিনে স্থানান্তর
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নিউরোসার্জিক্যাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ১৯ দিন চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকার পর কেবিনে স্থানান্তর করা হয় তাকে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে। আজ সকালে আমি ভাবির (মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস) সঙ্গে কথা বলেছি। ধীরে ধীরে উনার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। আজই তাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কেবিনেই চিকিৎসকরা উনাকে উন্নত ফিজিওথেরাপি দেবেন। যেহেতু ব্রেইনের জটিল অস্ত্রোপচার হয়েছে, সেজন্য চিকিৎকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে উনার চিকিৎসা চলছে, চালিয়ে যেতে হবে। পুরোপুরি সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন মির্জা আব্বাসের পরিবারের সদস্যরা।
গত ১৫ মার্চ ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এর আগে, ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়লে মির্জা আব্বাসকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার চিকিৎসার জন্য দেশের শীর্ষস্থানীয় নিউরোলজিস্টদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তখন তার মস্তিষ্কে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়।
পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য অস্ত্রোপচারের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গত ১৫ মার্চ তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
১০৯ দিন আগে
উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলো মির্জা আব্বাসকে
উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছে।
মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সহকারী মিজানুর রহমান সোহেল জানান, একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে রবিবার (১৫ মার্চ) তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। এটি আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুর পৌঁছাতে প্রায় চার ঘণ্টা লাগতে পারে।
সোহেল আরও জানান, চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হবে।
এদিন সকাল ৯টা ১০ মিনিটের দিকে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় পৌঁছায়। মির্জা আব্বাসকে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে বিমানবন্দরে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে স্থানান্তর করা হয়।
যাত্রাপথে তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী আফরোজা আব্বাস, ছেলে ইয়াসির আব্বাস এবং এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক জাফর ইকবাল।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। প্রায় চার ঘণ্টার অস্ত্রোপচার শেষে রাতে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
গত বুধবার সন্ধ্যায় ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে বিএনপির এই বর্ষীয়ান নেতাকে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার চিকিৎসার জন্য দেশের শীর্ষস্থানীয় নিউরোলজিস্টদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।
১২৮ দিন আগে
মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত মেডিকেল বোর্ডের
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেডিকেল বোর্ড।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, সব রিপোর্ট পর্যালোচনার পর মেডিকেল বোর্ড মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড বিএনপি নেতার সংকটাপন্ন অবস্থা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ডা. রফিকুল আরও জানান, সকালে আব্বাসের সিটি স্ক্যান করা হয় এবং রিপোর্টে তার অবস্থার অবনতি লক্ষ্য করা যায়। তিনি বলেন, রিপোর্ট পাওয়ার পর মেডিকেল বোর্ডের একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। এ বিষয়ে তার পরিবারের সদস্যদেরও সম্মতি নেওয়া হয়েছে।
ডা. রফিকুল ইসলামের তথ্যমতে, এ মেডিকেল বোর্ডে দেশের শীর্ষস্থানীয় নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক আলী উজ্জামান জোয়ার্দার, কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, শাহাবুদ্দিন তালুকদার, রাজিউল হক, সৈয়দ সাঈদ আহমেদ, কাদের শেখ এবং অধ্যাপক শফিকুল ইসলামসহ এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা রয়েছেন।
এর আগে, আজ (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। সেখানে মেডিকেল বোর্ডের কাছ থেকে মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন তিনি।
ডা. রফিকুল মির্জা আব্বাসের দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
গত বুধবার সন্ধ্যায় ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে।
১৩০ দিন আগে
এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে দেখতে গিয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, তারেক রহমান মির্জা আব্বাসের শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত সিঙ্গাপুরে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ সময় হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের স্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস এবং দায়িত্বরত চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস গত বুধবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
১৩০ দিন আগে
মির্জা আব্বাসের স্বাস্থ্যের নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, উনাকে (মির্জা আব্বাস) হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে নিউরো আইসিইউতে রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিচ্ছেন।
তিনি জানান, চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে জ্যেষ্ঠ নিউরোলজিস্টদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ড ইতিমধ্যে তার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনার জন্য একটি বৈঠকও করেছে।
ডা. জাহিদ বলেন, প্রয়োজন হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার সব প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মেডিকেল বোর্ডের ওপর নির্ভর করবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেন এ সময় মির্জা আব্বাসের দ্রুত আরোগ্য কামনায় সবার কাছে দোয়া চান।
উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ইতোমধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান হাসপাতালে তাকে দেখতে যান এবং মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকদের সঙ্গে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন।
ডা. জাহিদ জানান, এই মেডিকেল বোর্ডে অধ্যাপক আলী উজ্জামান, অধ্যাপক শেখ আব্দুল কাদের, অধ্যাপক জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক দীন মোহাম্মদ, অধ্যাপক সাইদ আহমেদ এবং অধ্যাপক জাফর ইকবালসহ আরও অনেকে রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং সেখানে ভর্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে রেখেছি। এমনকি একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
১৩০ দিন আগে
নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে দুটি দল: মির্জা আব্বাস
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা আব্বাস দাবি করেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে (কারসাজি) ক্ষমতায় যেতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এ বিষয়ে তিনি নিজ দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই অভিযোগ করেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দেশ এখন ক্রান্তিলগ্নে। আশঙ্কা করছি, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কিছু আসনে জয়লাভ করবে তারা। দুটি রাজনৈতিক দল—একটি বড়, আরেকটি তাদের বাচ্চা। বিএনপিকে হারিয়ে এই দুটি দল যেন ক্ষমতায় আসতে পারে, এ ব্যাপারে সরকারের উচ্চপর্যায়ের লোকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে তারা।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে কিছু কিছু ছেলে-পেলে খুব আজেবাজে কথা বলছে। তারা নিজেরা চাঁদাবাজি করে বিএনপির নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে, অথচ সরকার তাদের। তাই এখন পর্যন্ত একজন চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করেনি। আরেকটি দল বলছে, আমাদের একবার দেখেন। আমরা বলব, একাত্তরে তোমাদের দেখেছি কত মানুষকে কচুকাটা করেছ।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি বাচ্চা দল নিজেদের জুলাই যোদ্ধা দাবি করেছে। তারা আমাদের বিরুদ্ধে নানা কথা বলছে। তোরা যা কিছু কর, আমি কিছু কমু না। আমার গলায় সাইনবোর্ড নিয়ে চলতে হবে না যে আমার বাড়ি শাহজাহানপুর, কিন্তু তাদের সারাক্ষণ নিজেদের পরিচয় জাহির করতে হয়। আমরা কোনো ধান্দাবাজ ও কসাইয়ের কাছে দেশ তুলে দেব না।’
‘জিয়ার জন্ম না হলে আধুনিক বাংলাদেশ হতো না ও দেশ স্বাধীনতা পেত না’ উল্লেখ করে বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘যে যাই বলুক, আমরা আমাদের কথা বলেই যাব। অনেক সেক্টর কমান্ডার ভারত থেকে যুদ্ধ করেছেন। আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সিলেটে থেকে যুদ্ধ করেছেন। বাংলাদেশের ক্রান্তিলগ্নে জিয়া ও খালেদা জিয়ার আবির্ভাব ঘটেছে। বর্তমানেও ক্রান্তিলগ্ন চলছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে তা অতিক্রম করব।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
১৮২ দিন আগে
জেলে থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিং করা হয়: মির্জা আব্বাস
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা স্বাভাবিক নয় দাবি করে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অভিযোগ তুলেছেন, জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জনিং’ করা হয়েছিল।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে আয়োজিত রূপসী বাংলা আলোকচিত্রী প্রদর্শনী ও প্রতিযোগীতা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, জাতির প্রতি অনুরোধ করব, প্রতিটি বাড়িতে প্রতিটি মানুষ যেন খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করেন। তার ওপর যে অত্যাচার হয়েছে, তা আমি দেখেছি। জেলে থাকাকালে তিনি স্লো পয়জনিংয়ের শিকার হয়েছেন। তার বর্তমান অসুস্থতা স্বাভাবিক নয়।
খালেদা জিয়া আগের তুলনায় কিছুটা উন্নতির দিকে থাকলেও এখনো সংকট কাটেনি উল্লেখ করে ‘জনগণের প্রিয়’ এই নেত্রীর সুস্থতার কামনায় তিনি সবাইকে দোয়া করার আহ্বান জানান।
এর আগে, গতকাল (শুক্রবার) বিএনপি চেয়ারপারসনের সংকটাপন্ন অবস্থার খবর শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনিও বেগম জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।
সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনও।
মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে গত ২৩ নভেম্বর রাতে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা করে খালেদা জিয়ার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে। আগে থেকেই থাকা হৃদরোগের সঙ্গে এই সংক্রমণ ফুসফুস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। বর্তমানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা সিসিইউতে তার চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
২৩৪ দিন আগে
দেশকে বিরাজনীতিকরণে নতুন ‘মাইনাস-টু ফর্মুলা’ সক্রিয়: মির্জা আব্বাস
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগের পলায়নের পর বিএনপিকেও রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশকে রাজনীতিশূন্য করতে দেশি-বিদেশি মহলের প্ররোচনায় আবারও একটি নতুন ‘মাইনাস-টু ফর্মুলা’ সক্রিয় হয়েছে।
সম্প্রতি ইউএনবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আব্বাস বলেন, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, খাগড়াছড়ির সাজেক ও নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালকে কেন্দ্র করে ‘অশুভ উদ্দেশ্য’ সাধনে সচেষ্ট মহলগুলো দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে একটি গুরুতর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল বিভিন্ন অজুহাতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার মাধ্যমে এমন চক্রান্তকারীদের ফাঁদে পা দিচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস ঘোষিত ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় নির্বাচন না হলে দেশকে বড় ধরনের খেসারত দিতে হবে বলেও সতর্ক করেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।
পড়ুন: কৌশল নয়, জনগণের রায়ের মাধ্যমে রাজনীতির মোকাবিলা করুন: তারেক
আব্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন নতুন এক মাইনাস-টু ফর্মুলা চালু হয়েছে, যা ১/১১ সময়কার মাইনাস-টু ফর্মুলার মতোই। আগেরবার সেটি এসেছিল সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে। আর এবার দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা ভিন্ন আকারে একই চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।’
তিনি বলেন, এসব অপচেষ্টার অংশ হিসেবে একটি গোষ্ঠী সমন্বিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা ও রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে বিএনপিকে ‘খারাপ’ বা ‘অবিশ্বস্ত’ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, এখনো প্রশাসনের ভেতরের আওয়ামীপন্থী ব্যক্তি এবং রাজনৈতিক ও আদর্শিক গোষ্ঠীর একাংশ বিএনপিকে দুর্বল করতে সক্রিয় রয়েছে। ‘তারা মনে করছে, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা দেশের বাইরে থাকা অবস্থায় বিএনপিকে সরিয়ে দিতে পারলেই দেশের শাসন ক্ষমতা তাদের হাতে চলে যাবে।’
আব্বাস বলেন,‘যারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল রাখতে চায়, তারাই নিজেদের স্বার্থে নতুন করে মাইনাস-টু ফর্মুলা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। ১/১১–তে এটি এক রূপে এসেছিল, তখন একটি সেনাসমর্থিত সরকার ছিল। এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে থাকায় ভিন্ন ধরনের ‘মাইনাস-বিএনপি ফর্মুলা’ চালানো হচ্ছে।
কারা এর পেছনে রয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে আব্বাস বলেন, ‘শয়তান নানা ছদ্মবেশে আসে। একই দেশি-বিদেশি মাস্টারমাইন্ডরা নতুনভাবে মাইনাস-টু ফর্মুলা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।’
পড়ুন: আসন্ন নির্বাচন ও সংস্কার নিয়ে আইআরআই প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক
তার মতে, এই প্রচেষ্ঠার উদ্দেশ্য একমাত্র বিএনপিকে দুর্বল বা সরিয়ে দিয়ে দেশের রাজনীতি নিজেদের স্বার্থে নিয়ন্ত্রণ করা। এই পরিকল্পনায় পিছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা সক্রিয়।
আব্বাস দাবি করেন, অনেক আওয়ামী লীগ সমর্থক আমলা আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে, কারণ তারা মনে করছে বিএনপিকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিলে তাদের ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল হবে। ‘প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাব থেকে তারা বিএনপিকে বাদ দিতে চায়।’
তিনি বলেন, এমনকি কিছু রাজনৈতিক দলও এই সুরে সুর মিলিয়ে বলছে, বিএনপি এখন সেই একই পথে এগোচ্ছে, যা একসময় আওয়ামী লীগ অনুসরণ করেছিল।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ইসলামী দলসহ কয়েকটি রাজনৈতিক শক্তি নানা ইস্যু উত্থাপন করছে, যাতে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পথ রুদ্ধ হয়।
‘একটি দল তো বলছে, তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত নির্বাচন হতে দেবে না। তারা ফ্যাসিবাদীদের মতো আচরণ করছে’ যোগ করেন আব্বাস।
এই পরিস্থিতিতে আব্বাস দেশের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ‘আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছি, নিজ দেশের মাটি অন্যদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নয়।’
তার মতে, নতুন মাইনাস-টু ফর্মুলা বাস্তবায়নের চেষ্টা এবং সেন্ট মার্টিন, সাজেক ও নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল নিয়ে বিদেশিদের সঙ্গে আলোচনাও আসলে একই সূত্রে গাঁথা, ভিন্ন কোনো বিষয় নয়।
বিএনপির এই নেতা মনে করেন, আগামী নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং হবে। বিএনপির বিপুল জনপ্রিয়তা থাকায় কিছু মহল প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। ‘কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, জনগণ বিএনপিকে ভালোবাসে, মিথ্যা প্রচারণায় কেউ দলের জনপ্রিয়তা ক্ষুণ্ন করতে পারবে না,’ বলেন তিনি।
মির্জা আব্বাস বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন থেকে আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠদের সরাতে হবে। ‘অন্যথায়, সুষ্ঠু নির্বাচন করা কঠিন হবে।’ বিএনপি সাংগঠনিকভাবে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত এবং ফেব্রুয়ারিতে ভোটের প্রত্যাশায় রয়েছে বলে জানান তিনি।
সম্ভাব্য জোট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে আব্বাসের ধারণা, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে, যা সফল হলে দেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূসের ফেব্রুয়ারিতে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘোষণার প্রতি আস্থা প্রকাশ করে আব্বাস বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করতে চাই, নির্বাচন সঠিক সময়েই হবে।’
পড়ুন: বিএনপি পিআর পদ্ধতির বিপক্ষে: ফখরুল
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না—এ বিষয়ে আব্বাস বলেন, এটি তার ইচ্ছা ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে। এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ‘খালেদা জিয়া নিজেও এ বিষয়ে কিছু বলেননি।’বিএনপি ক্ষমতায় গেলে খালেদা জিয়ার কোনো ভূমিকা থাকবে কি না—এমন প্রশ্নে আব্বাস বলেন, সময়ই এই প্রশ্নের উত্তর দেবে।
ইসলামী দলগুলোর জোট গঠনের চেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বিএনপি এতে চিন্তিত নয়। ‘বাংলাদেশের জনগণ উদারপন্থী মুসলিম, তারা সাম্প্রদায়িকতাকে নয়, গণতান্ত্রিক ও মধ্যপন্থী দলকেই পছন্দ করে।’
৩৩৩ দিন আগে
খালেদা জিয়াকে কারাগারে নির্যাতন: জড়িতদের বিচারের দাবি মির্জা আব্বাসের
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে কারাগারে নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন আব্বাস।
মির্জা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়াকে কারাগারে চরম নির্যাতন করা হয়েছে। তাকে পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারের অত্যন্ত খারাপ ও অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রাখা হয়।
তিনি আরও জানান, খালেদাকে এমন একটি কক্ষে রাখা হয়েছিল যেখানে ইঁদুর ও পোকামাকড় দৌড়াদৌড়ি করতো। সেখানে মানুষ তো দূরের কথা, প্রাণীদেরও বাঁচার জন্য সংগ্রাম করতে হবে।
তিনি বলেন, কয়েকজন ডেপুটি জেলার ও জেলার অন্যায়ভাবে তাকে ছাদের ওপরে একটি কক্ষে রেখেছিল। আজ আমি এই অনুষ্ঠান থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জেলজীবনে তার ওপরে যে অত্যাচার হয়েছে, যে নির্যাতন হয়েছে, কারা এর পেছনে দায়ী তাদের সবার বিচার হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।
তিনি স্মরণ করেন, কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে আমাদের ১৫ দিন পর দেখা করার সুযোগ ছিল। দেখেছি, তিনি কী রকম মানবেতর জীবন যাপন করেছেন। বাইরে থেকে যতটা সম্ভব সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি, তবুও ব্যর্থ হয়েছি।তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যহানি ঘটছে। বুঝতে পেরেছি তাঁকে তখন বোধ হয় খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে বিষাক্ত কিছু মিশিয়ে দেওয়া হতো।
মির্জা আব্বাস খালেদার দীর্ঘ জীবন, সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করেন।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক যাত্রা বিশ্বে নেতৃত্বের এক দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি গৃহিণী থেকে জনগণের পাশে দাঁড়ানো নেতা হয়ে ওঠেন, দল ও দেশকে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নেতৃত্ব দেন।
পড়ুন: ঐক্য ধরে রেখে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আহ্বান খালেদা জিয়ার
খালেদার শক্তি ও নিষ্ঠার প্রশংসা করে এই বিএনপি নেতা বলেন, আমরা যারা কয়েকজন তাদের সাথে কাজ করেছি তারা নানা চাপের মধ্যে দেশনেত্রীর দৃঢ় মনোবল দেখেছি। গণতন্ত্রের প্রশ্নের তার আপোষহীন নেতৃত্ব এবং নেতা-কর্মীদের প্রতি তার যে ভালোবাসা ও স্নেহ, তা তুলনাহীন।
২০০৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় দন্ডিত হয়ে কারাগারে যান খালেদা জিয়া। এ সময় তাকে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে অস্বাস্থ্যকর সেলে রাখা হয়েছিল। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার সুপারিশ করলেও বার বার পরিবারের পক্ষ থেকে করা আবেদন তৎকালীন শেখ হাসিনার সরকার নাকচ করে দেয়।
দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হলে, ছয় মাসের জন্য সাজা স্থগিত করে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ বেগম খালেদা জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয় সরকার। এ সময় তাকে গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’তে গৃহবন্দি রাখা হয়।
ঢাকায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি রাজধানীতে বিভিন্ন মসজিদে ও এতিমখানা-মাদ্রাসায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের জন্মদিন উপলক্ষ্যে এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হচ্ছে।
ঢাকা ছাড়াও সারাদেশে মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও দলের চেয়ারপার্সনের আরোগ্য কামনায় খালেদার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনায় এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ২০২৪ সালের গণআন্দোলনে শহীদদের শান্তির জন্য মিলাদ ও দোয়া মাহফিল আয়োজিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খানও বক্তব্য রাখেন।
৩৪০ দিন আগে