ডেপুটি স্পিকার
ই-পার্লামেন্ট বাস্তবায়নে ইউএনডিপির সহযোগিতা প্রত্যাশা ডেপুটি স্পিকারের
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) একটি প্রতিনিধিদল। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করা এবং সংসদীয় কার্যক্রমের উন্নয়নে গ্রহণযোগ্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।
রবিবার (১৯ জুলাই) ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, সমাজ পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের চাহিদারও পরিবর্তন ঘটে। পরিবর্তিত সমাজব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানের জন্য আইনও সময়োপযোগীভাবে সংশোধনের প্রয়োজন হয়।
তিনি সংসদের লাইব্রেরিতে সদ্য স্নাতকদের জন্য পার্লামেন্টারি ফেলোশিপ বা ইন্টার্নশিপ কর্মসূচি চালুর বিষয়ে ইউএনডিপির প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। তার মতে, এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে নবীন গ্র্যাজুয়েটরা সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি তাদের জ্ঞান আরও সমৃদ্ধ করতে পারবেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, জাতীয় সংসদের কোনো প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রকল্পের সঙ্গে যেন কাজের পুনরাবৃত্তি (ডুপ্লিকেশন) না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি ই-পার্লামেন্ট বাস্তবায়নে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তার জন্য ইউএনডিপির সহযোগিতা কামনা করেন।
২ দিন আগে
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবী সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যেদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আইনজীবী সমাজ সবসময় ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে। আমরা মনে করি দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
তিনি বলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিশ্বাস বা চেতনার কারণে অনেককে নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে। সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার থেকে অনেক মানুষ বঞ্চিত ছিল। অনেক রাজনৈতিক-কর্মী মিথ্যা মামলাকে আলিঙ্গন করে যখন সংগ্রাম করেছিলেন, তাদের নাজেহাল করা হয়েছে। তারা যেন আইনি সুবিধা না পায়, সে জন্য বিধিব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছিল।
জুলাই শহিদদের প্রতি গভীর জানিয়ে করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ২৪-এর মহান গণঅভ্যুত্থ্যান, রক্তক্ষয়ী যে গণঅভ্যুত্থ্যানের মাধ্যমে আমরা নতুন রাষ্ট্র পেয়েছি, যে প্রত্যাশা নিয়ে আমার ভাই-আপনার ভাই রক্ত দিয়েছেন, অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, আমরা যাতে সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পারি, সেজন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বিগত দিনে অনেকেই আইনজীবী সমিতি ও আইনি কাঠামো ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছেন। ভবিষ্যতে যেন এসবের পুনরাবৃত্তি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছিলাম। সেই আমরা যেন আইনি প্রথা নিজেরা ভঙ্গ না করি। আর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বার ও বেঞ্চ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বার এবং বেঞ্চ যখন শোল্ডার টু শোল্ডার (কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে) কাজ করবে, তখন দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে।’
বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে সমিতির আহবায়ক এ্যাডভোকেট মো. মাহফুজুর রহমান লাহুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন মন্টু, পিপি ও যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট মাহাবুব মোর্শেদ লালন প্রমুখ।
বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. মাহফুজুর রহমান লাহুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন মন্টু, পিপি ও যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহাবুব মোর্শেদ লালন প্রমুখ।
এর আগে, বেলা ১১টার দিকে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিপরীতে ‘স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (স্কিল আইটি)’ নামে একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ডেপুটি স্পিকার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের প্রয়োজনে দক্ষ জনশক্তি তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব ও বাগেরহাট অফিসার্স ফোরামের সভাপতি ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, আমেরিকা প্রবাসী সিপিএ রফিকুল ইসলাম, স্মার্ট ট্রেনিং সেন্টারের অধ্যক্ষ মিনা ওলিউজ্জামান প্রমুখ।
পরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ডেপুটি স্পিকার স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুই হাজার ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেন।
এরপর বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার বেশরগাতি এলাকায় লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পরিচালিত বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।
৩ দিন আগে
ইতিহাস চর্চাই জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি: ডেপুটি স্পিকার
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, ইতিহাস শুধু অতীতের ঘটনা জানার বিষয় নয়; এটি একটি জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি। যে জাতি নিজের ইতিহাস জানে না, সে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভবিষ্যতের পথও নির্মাণ করতে পারে না।
বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে ইতিহাস বিভাগের ২০তম ব্যাচের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আমিও আপনাদের মতো ১৯৮৯–৯০ শিক্ষাবর্ষে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের একজন ছাত্র ছিলাম। ছাত্রজীবনের স্মৃতি কখনো মুছে যায় না। আজ এই মিলনায়তনে উপস্থিত হয়ে আমার মনে হচ্ছে, যেন আমি আবার সেই দিনগুলোতে ফিরে গেছি। এখানে আমার অনেক শ্রদ্ধেয় শিক্ষক উপস্থিত রয়েছেন। তাঁদের সান্নিধ্য আমাকে গভীরভাবে আবেগাপ্লুত করেছে।’
তিনি বলেন, ‘একদিন আমিও আপনাদের মতো এই বিভাগের করিডোরে বুকভরা স্বপ্ন, প্রত্যাশা এবং কিছুটা শঙ্কা নিয়ে হেঁটেছি। কিন্তু এই বিভাগ আমাকে শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান দেয়নি; শিখিয়েছে মানুষকে বুঝতে, সমাজকে বিশ্লেষণ করতে এবং দেশ ও জাতির প্রতি দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করতে। ইতিহাস বিভাগ আমার চিন্তা, মূল্যবোধ ও নেতৃত্বের ভিত্তি নির্মাণ করেছে।’
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা এমন একটি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন, যেখানে শুধু অতীতের ঘটনা মুখস্থ করা শেখানো হয় না। ইতিহাস আমাদের শেখায় কেন একটি ঘটনা ঘটেছিল, তার সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট কী ছিল এবং সেই অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতের জন্য কী শিক্ষা গ্রহণ করা যায়। ইতিহাস একটি জাতির আত্মপরিচয়ের আয়না। যে জাতি তার ইতিহাসকে জানে না, সে ভবিষ্যতের পথও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নির্মাণ করতে পারে না।’
ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, ‘এই বিভাগে অধ্যয়নের মাধ্যমে আপনারা যুক্তিনির্ভর চিন্তাশক্তি, বিশ্লেষণী ক্ষমতা, গবেষণামনস্কতা এবং সত্য অনুসন্ধানের মানসিকতা অর্জন করবেন। এসব গুণ শুধু একজন ইতিহাসবিদ হওয়ার জন্য নয়; রাষ্ট্র পরিচালনা, প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, কূটনীতি, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, গবেষণা, উন্নয়ন এবং করপোরেট নেতৃত্বসহ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।’
১৩ দিন আগে
ওয়েস্টমিনস্টার ধাঁচের গণতন্ত্র চর্চায় সফল জাতি গঠনের প্রত্যাশা ডেপুটি স্পিকারের
যুক্তরাজ্যের ওয়েস্টমিনস্টার ধাঁচের গণতন্ত্র চর্চা করে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক জাতি গঠনে সফলতা অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। একইসঙ্গে গুম, খুন, আয়নাঘর ও ফাঁসির মঞ্চ পেরিয়ে আসা বর্তমান জাতীয় সংসদকে বিশ্বের ইতিহাসে ‘বিরল’ বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
১৫ দিনের বিরতি শেষে এদিন বিকেল ৩টায় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। স্পিকারের অনুপস্থিতিতে এদিন তিনি সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে এদিন সৃষ্টিকর্তার শুকরিয়া আদায় করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
বক্তব্যের শুরুতে কায়সার কামাল বলেন, ‘আমাদের জাতির ইতিহাস শুরু হয়েছে ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্যদিয়ে। মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের স্বাধীনতার ভিত্তি। সেই যুদ্ধে লাখো শহিদের আত্মত্যাগ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতার ফলেই আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জন করতে পেরেছি। এই পবিত্র সংসদ থেকে আমি তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সমগ্র জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
‘আমি একই সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে, যিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আমৃত্যু তিনি ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হয়ে “মাদার অব ডেমোক্রেসি” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।’
জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্রের দ্বার উন্মুক্ত করেছে। জুলাই-আগস্টের বীর শহিদদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ আমরা সংসদীয় গণতন্ত্র পুনর্প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি।
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, জনগণের শক্তিই গণতন্ত্রের প্রকৃত ভিত্তি। আমি শহিদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম আকরাম, মীর মুগ্ধসহ সব বীর শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আর যারা অন্ধত্ব ও পঙ্গুত্বে ক্লিষ্ট কষ্টকর জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছেন, তাদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।’
সংসদ পরিচালনায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদের প্রতিটি সদস্যের অধিকার, মর্যাদা এবং সুযোগের সমতা রক্ষায় আমি সর্বদা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করব। এর অংশ হিসেবে এরই মধ্যে আমি দলের পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।
যুক্তরাজ্যে পড়াশোনার সুবাদে সেখানকার সংসদীয় রীতিনীতি দেখার সুযোগ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ওয়েস্টমিনস্টার ধাঁচের গণতন্ত্র চর্চা করে আমরা একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক জাতি গঠনের সফলতা অর্জন করব বলে আমি বিশ্বাস করি।
গণতন্ত্রে সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, কার্যকর সংসদীয় গণতন্ত্রে সরকার এবং বিরোধী দল উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিরোধী দল সরকারের প্রতিপক্ষ নয়, বরং তারা গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ। এ ক্ষেত্রে সংসদ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতার সহযোগিতামূলক মনোভাবের প্রশংসা করেন তিনি।
বর্তমান সংসদকে গতানুগতিক ধারার বাইরের এক ‘ঐতিহাসিক সংসদ’ আখ্যা দিয়ে কায়সার কামাল বলেন, এ সংসদে আমরা কেউ এসেছি ফাঁসির মঞ্চের সন্নিকটে থাকা কনডেমড সেল থেকে, কেউ এসেছি ফ্যাসিবাদী শাসনে সৃষ্ট আয়নাঘর থেকে, কেউ প্রিয় মাতৃভূমি ছেড়ে দেড় যুগের বেশি সময় নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে, কেউবা গুম হয়ে জীবন্ত লাশের দুঃসহ জীবন কাটিয়ে। অনেকেই এসেছেন মামলা, জুলুম, নির্যাতন ও কারাগারের দুঃসহ জীবন পার করে। এমন সংসদ আমাদের জাতীয় জীবনের ইতিহাসে আর কখনো দেখা যায়নি, এমনকি বিশ্বের ইতিহাসেও বিরল।
সাধারণ মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারের সন্তান হিসেবে সংসদে আসতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান উল্লেখ করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সবার সম্মিলিত চেষ্টায় একটি ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ তথা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আশা ব্যক্ত করেন।
যুক্তরাজ্যের ওয়েস্টমিনস্টার ধাঁচের গণতন্ত্র চর্চা করে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক জাতি গঠনে সফলতা অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। একইসঙ্গে গুম, খুন, আয়নাঘর ও ফাঁসির মঞ্চ পেরিয়ে আসা বর্তমান জাতীয় সংসদকে বিশ্বের ইতিহাসে ‘বিরল’ বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
১৫ দিনের বিরতি শেষে এদিন বিকেল ৩টায় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। স্পিকারের অনুপস্থিতিতে এদিন তিনি সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে এদিন সৃষ্টিকর্তার শুকরিয়া আদায় করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
বক্তব্যের শুরুতে কায়সার কামাল বলেন, ‘আমাদের জাতির ইতিহাস শুরু হয়েছে ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্যদিয়ে। মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের স্বাধীনতার ভিত্তি। সেই যুদ্ধে লাখো শহিদের আত্মত্যাগ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতার ফলেই আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জন করতে পেরেছি। এই পবিত্র সংসদ থেকে আমি তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সমগ্র জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
‘আমি একই সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে, যিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আমৃত্যু তিনি ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হয়ে “মাদার অব ডেমোক্রেসি” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।’
জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্রের দ্বার উন্মুক্ত করেছে। জুলাই-আগস্টের বীর শহিদদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ আমরা সংসদীয় গণতন্ত্র পুনর্প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি।
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, জনগণের শক্তিই গণতন্ত্রের প্রকৃত ভিত্তি। আমি শহিদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম আকরাম, মীর মুগ্ধসহ সব বীর শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আর যারা অন্ধত্ব ও পঙ্গুত্বে ক্লিষ্ট কষ্টকর জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছেন, তাদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।’
সংসদ পরিচালনায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদের প্রতিটি সদস্যের অধিকার, মর্যাদা এবং সুযোগের সমতা রক্ষায় আমি সর্বদা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করব। এর অংশ হিসেবে এরই মধ্যে আমি দলের পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।
যুক্তরাজ্যে পড়াশোনার সুবাদে সেখানকার সংসদীয় রীতিনীতি দেখার সুযোগ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ওয়েস্টমিনস্টার ধাঁচের গণতন্ত্র চর্চা করে আমরা একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক জাতি গঠনের সফলতা অর্জন করব বলে আমি বিশ্বাস করি।
গণতন্ত্রে সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, কার্যকর সংসদীয় গণতন্ত্রে সরকার এবং বিরোধী দল উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিরোধী দল সরকারের প্রতিপক্ষ নয়, বরং তারা গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ। এ ক্ষেত্রে সংসদ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতার সহযোগিতামূলক মনোভাবের প্রশংসা করেন তিনি।
বর্তমান সংসদকে গতানুগতিক ধারার বাইরের এক ‘ঐতিহাসিক সংসদ’ আখ্যা দিয়ে কায়সার কামাল বলেন, এ সংসদে আমরা কেউ এসেছি ফাঁসির মঞ্চের সন্নিকটে থাকা কনডেমড সেল থেকে, কেউ এসেছি ফ্যাসিবাদী শাসনে সৃষ্ট আয়নাঘর থেকে, কেউ প্রিয় মাতৃভূমি ছেড়ে দেড় যুগের বেশি সময় নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে, কেউবা গুম হয়ে জীবন্ত লাশের দুঃসহ জীবন কাটিয়ে। অনেকেই এসেছেন মামলা, জুলুম, নির্যাতন ও কারাগারের দুঃসহ জীবন পার করে। এমন সংসদ আমাদের জাতীয় জীবনের ইতিহাসে আর কখনো দেখা যায়নি, এমনকি বিশ্বের ইতিহাসেও বিরল।
সাধারণ মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারের সন্তান হিসেবে সংসদে আসতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান উল্লেখ করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সবার সম্মিলিত চেষ্টায় একটি ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ তথা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আশা ব্যক্ত করেন।
১১৪ দিন আগে
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি
শপথ নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
এর আগে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন।
স্পিকার পদে একটি মনোনয়ন উত্থাপিত হয় জাতীয় সংসদে। প্রস্তাব করেন বরগুনা-২ সংসদীয় আসনের সদস্য নুরুল ইসলাম এবং সমর্থন করে খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম। প্রস্তাবটি সংসদে উত্তাপিত হলে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে তা পাস হয়। হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন।
নেত্রেকোনা-১ এর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করা হয়। ডেপুটি স্পিকার পদে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নাম প্রস্তাব করে নাটোর সদর আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। প্রস্তাবটি সমর্থন করেন লক্ষীপুর-৪ এবিএম আশরাফ উদ্দিন মিজান। ব্যারিস্টার কাইসার কামাল ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করার জন্য সংসদে কণ্ঠভোটে দেওয়া হয়। কণ্ঠভোটে তিনি ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।
১৩১ দিন আগে
সংসদের স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। পাশাপাশি নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ড. খোন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার পদে একটি মনোনয়ন উত্থাপিত হয়। বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম প্রস্তাব দেন এবং খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম তা সমর্থন করেন। সংসদে উত্তাপিত প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়।
এর মাধ্যমে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন।
এছাড়া ডেপুটি স্পিকার পদে একটি মনোনয়ন উত্থাপিত হলে নাটোর সদর আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু তার নাম প্রস্তাব করেন এবং লক্ষীপুর-৪ আসনের এবিএম আশরাফ উদ্দিন মিজান তা সমর্থন করেন।
কণ্ঠভোটে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এখন সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
১৩১ দিন আগে
স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার প্রার্থী চূড়ান্ত করতে এমপিদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সামনে রেখে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করতে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের (এমপি) নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১১ মার্চ) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পশ্চিম ব্লকে এ বৈঠক শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আগামীকাল সংসদের প্রথম অধিবেশন। এই বৈঠকটি তারই প্রস্তুতির অংশ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১টায়। দিনের কার্যসূচিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে জারি করা কয়েকটি অধ্যাদেশ এই অধিবেশনে সংসদে উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি একটি শোক প্রস্তাবও উত্থাপন করা হবে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর বিএনপির সংসদীয় দল সর্বসম্মতিক্রমে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করে। ওই দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি।
১৩২ দিন আগে
শিশুদের সুরক্ষায় সরকারের সচেতনতার অভাব নেই: ডেপুটি স্পিকার
শিশুদের সুরক্ষায় সরকারের সচেতনতার কোনো অভাব নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু।
তিনি বলেন, শিশু সুরক্ষার জন্য আমরা পরিবারকে ভাতা দিচ্ছি এবং শিশুর পরিচর্যার জন্য সরকার সহযোগিতাও করছে।
‘সকল শিশুই মূল্যবান, করবে দেশের উন্নয়ন’ এই প্রতিপাদকে সামনে রেখে শনিবার (২৫ মে) সাড়ে ১১টার দিকে গুলশান ১ লেকশোর হাইটসে ২৩ তম চাইল্ড পার্লামেন্টের অধিবেশন তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ছিল শেখ হাসিনাকে হত্যার নীল নকশা: ডেপুটি স্পিকার
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায়, ওয়াই মুভস প্রকল্পের আওতায় এনসিটিএফের (ন্যাশনাল চিলড্রেন টাস্কফোর্স) চাইল্ড পার্লামেন্টের ২৩ তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, শিশু সুরক্ষায় অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে এবং নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা ও শরীর চর্চার সুযোগ দিতে হবে। বাল্যবিবাহ রোধ করতে হবে।
তিনি বলেন, এলাকাভিত্তিক পার্লামেন্টের আয়োজন করতে পারেন। সেখানে শিক্ষক, প্রতিনিধিদের নিয়ে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে পারেন।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু।
অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ডিরেক্টর প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন আফরোজ মহল, এনসিটিএফ চাইল্ড পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার ডিকে দিব্বা মনি, প্যানেল ডেপুটি স্পিকার মাইশা আহমেদ, আরিয়ান আহমেদ বিজয়, সুমি আক্তার, এনসিটিএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জয়িতা দত্ত কথা, সাধারণ সম্পাদক ফাহিম জামান।
এ বছর চাইল্ড পার্লামেন্টের কোর কমিটির সদস্যরা ২৩ তম অধিবেশনের পূর্বে বিশেষ অঞ্চলের শিশুদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা স্বাস্থ্য এবং শিশু অধিকার সার্বিক পরিস্থিতিবিষয়ক চাইল্ড পার্লামেন্ট জরিপ-২০২৪ পরিচালনা করেন।
আরও পড়ুন: ধূমপান ও মাদকরোধে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ প্রয়োজন: ডেপুটি স্পিকার
কৃষকই শেখ হাসিনার উন্নয়নের মূল কারিগর : ডেপুটি স্পিকার
৭৮৭ দিন আগে
ধূমপান ও মাদকরোধে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ প্রয়োজন: ডেপুটি স্পিকার
ধূমপান ও মাদকরোধে আইনের প্রয়োগের পাশাপাশি ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) জাতীয় সংসদ ভবনের পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাবে আয়োজিত ‘সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী: বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘ধূমপান ও মাদকরোধে আইনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে মানবসম্পদ রক্ষায় বিদ্যমান আইনের প্রয়োগ ও জনসচেতনতা সবচেয়ে বেশি জরুরি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ধূমপান ও মাদকরোধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ প্রয়োজন।’
আরও পড়ুন: মাদক নিয়ন্ত্রণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: ডেপুটি স্পিকার
তিনি আরও বলেন, ধূমপান শুধু একজন মানুষের মৃত্যুর কারণই নয় বরং অর্থনৈতিক ক্ষতি, সামাজিক অবক্ষয় ও অন্যান্য ক্ষতিকে ছাপিয়ে এটি মানবসম্পদ ধ্বংসকারী একটি ব্যাধি। স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ যুদ্ধে জয়ী হওয়ার উদ্যম প্রকাশ করেন তিনি।
শামসুল হক টুকু বলেন, তামাক উৎপাদনকারীদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি করার মতো সক্ষমতা সরকারের রয়েছে। আর এ খাত থেকে যে রাজস্ব আয় হয় তার তুলনায় তামাক ব্যবহারকারীদের পেছনে স্বাস্থ্য খাতে সরকারের ব্যয় অনেক বেশি।
তিনি আরও বলেন, আইনের প্রয়োগ, পারিবারিক সচেতনতা ও ধর্মীয় অনুশাসন তামাকজাত দ্রব্য ও মাদকের বিস্তার রোধ করতে পারে। এর সঙ্গে সঙ্গে সব রাজনৈতিক দলকে মাদকের বিরুদ্ধে একই প্লাটফর্মে আসতে হবে।
ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাদকমুক্ত, অপরাধমুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে অন্যান্য সব রাজনৈতিক দলেরও মাদকের বিরুদ্ধে একমত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।’
সাবেক সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও ছিলেন- সংসদ সদস্য ড. শ্রী বীরেন শিকদার, উম্মে কুলসুম স্মৃতি, মো. আব্দুল আজিজ, মো. তৌহিদুজ্জামান, আরমা দত্ত, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
আরও পড়ুন: সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অবদানের যোগ্য সম্মান দিতে হবে: ডেপুটি স্পিকার
৭৮৯ দিন আগে
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ছিল শেখ হাসিনাকে হত্যার নীল নকশা: ডেপুটি স্পিকার
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ছিল শেখ হাসিনাকে হত্যা করার একটি নীল নকশা।
তিনি বলেন, আগস্ট মাস বাঙালি জাতির রক্তক্ষরণের মাস। ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় সংঘটিত হয় ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা।
আরও পড়ুন: মাদক নিয়ন্ত্রণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: ডেপুটি স্পিকার
মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার কৈটোলায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব বালিকা বিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, বিএনপি-জামায়াত সরকার আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই এই অপচেষ্টা চালায়। গ্রেনেড হামলার পর উপর্যুপরি গুলি করে শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে একটি গোষ্ঠী এদেশে পাকিস্থানি সরকার কায়েম করতে চেয়েছিল। তারা এদেশের উন্নয়নকে পেছনে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে দেশে ফিরে এলেন। জাতির পিতা হত্যার বিচার করলেন এদেশের মাটিতেই। এছাড়া বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
আরও পড়ুন: আহমেদ ফিরোজ কবিরের মায়ের মৃত্যুতে ডেপুটি স্পিকারের শোক
সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অবদানের যোগ্য সম্মান দিতে হবে: ডেপুটি স্পিকার
১০৬৪ দিন আগে