কৃষিমন্ত্রী
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল শুধু কথার রাজনীতি করে না, বরং বাস্তব কাজের মাধ্যমে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ শুরু করেছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে লালমাই উপজেলার দোশারীচোঁ মৌজার ডাকাতিয়া নদীর শাখা খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন এবং খাল-সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগেই বিএনপি দরিদ্র ও অসহায় নারীদের সহায়তার জন্য ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ঘোষণা দিয়েছিল এবং নির্বাচন শেষে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সেই কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। একইভাবে কৃষকদের সহায়তায় কৃষক কার্ড চালু করার প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন হয়েছে এবং পহেলা বৈশাখের আগেপরে তা চালু করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত। কৃষকদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। এ লক্ষ্যে সরকার কৃষিঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন সহায়ক উদ্যোগ ইতোমধ্যে নিয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ের মতো আবারও খাল খনন কর্মসূচি চালু করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাল পুনর্খনন ও সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
খাল পুনর্খননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং মাছ উৎপাদনের সম্ভাবনা বাড়বে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতেও এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আমিন উর রশিদ জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো কৃষকবান্ধব নীতি গ্রহণের মাধ্যমে দেশের কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো।
স্থানীয় জনগণকে খাল রক্ষা ও ব্যবস্থাপনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খালগুলো সচল থাকলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-১০-এর (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, বিএডিসির চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। এ সময় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনর্খনন’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) আওতাধীন ‘বি-স্ট্র’ প্রকল্পের অধীনে খাল খননের কার্যক্রম আজ শুরু হয়েছে। এ খাল খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে লালমাই উপজেলার ৪২টি গ্রামের জলাবদ্ধতা দূরীভূত হবে। ফলে এ অঞ্চলের বিপুল সংখ্যক মানুষ উপকৃত হবে।
৫ দিন আগে
ডাকাতিয়া নদীর ওপর ডাকাতি হয়ে গেছে, নদী উদ্ধার করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, নদী ও খাল যারা দখল করেছেন, তারা সাবধান হয়ে যান। আপনি যেই হোন, সরকারের চেয়ে, ১৮ কোটি জনগণের চেয়ে প্রভাবশালী কেউ নন।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার শাসনপাড়া-দোশারীচোঁ থেকে ডাকাতিয়া নদীর শাখা খাল উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, যারা দখল করেছেন, এরা জোচ্চোর, দুষ্কৃতকারী। আপনারা দখল করেছেন, ছেড়ে দেন। আপনাদের ছেড়ে দিতেই হবে।
এর আগে, দোশারীচোঁ মাঠে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে হগলে (সবাই) অনেকে অনেক কথা বলে, পরে বাস্তবায়ন করে না। কিন্তু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রমাণ করেছে, আমরা কথায় কাজে এক। নির্বাচনের কালির দাগ মোছার আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছে। পহেলা বৈশাখ বা তারও আগে কৃষি কার্ড চালু করা হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেছিলেন, আপনারা বিএনপিকে নির্বাচিত করলে আমরা খাল খনন কর্মসূচি শুরু করব। আমরা আজ শুরু করেছি। কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। এরইমধ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানী দেওয়া শুরু হয়েছে। এক মাসের মধ্যেই সরকার সব কাজ বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এতেই প্রমাণিত হয়, বিএনপি কথায় ও কাজে এক।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশের ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ৭০ ভাগ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো হলে অন্য ৩০ জনের অবস্থা অটোমেটিকেলি ভালো হয়ে যাবে। ডাকাতিয়া নদীর ওপর ডাকাতি হয়ে গেছে। নদী ভরাট করে বাড়িঘর করা হয়েছে। এই ডাকাতিয়া নদী উদ্ধার করা হবে।
আলোচনা সভায় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, অতিরিক্ত সচিব বিএডিসি চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম, কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রাশেদুল হক। এ সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএডিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম জাহাঙ্গীর আলম সরকার।
৫ দিন আগে
আব্দুস শহীদ, কবির বিন আনোয়ারসহ তিন জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদ, সাবেক মন্ত্রিপরিষদসচিব কবির বিন আনোয়ার ও তার স্ত্রী তৌফিকা আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সাত কোটি ৭২ লাখ ৭৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ ভোগ দখলে রেখেছেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস শহীদ। এছাড়াও নিজ ও তার প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে ১৮টি হিসাবে মোট ২৬ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা সন্দেহজনকভাবে লেনদেন করেছেন। টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তর করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শামীম ওসমান ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে দুদকে মামলা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২, এর ৪ (২) ও ৪(৩) ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় এই মামলা রুজু হয়েছে।
আর তার স্ত্রী উম্মে কুলসুমকে সম্পদের বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কারণ তার বিরুদ্ধে ৩৯ লাখ ২২ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। এছাড়াও তার নামে-বেনামে আরও সম্পদ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া কবির বিন আনোয়ারের জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ দুই কোটি ৮৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন ও দখলে রাখার অভিযোগ করা হয়েছে। এর বাইরেও তার ৯টি ব্যাংক হিসাবে ১৫ কোটি ৩৮ লাখ ৫৭ হাজার টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুদক।
‘এভাবে অবৈধ অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা; মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) (৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।’
তৌফিকা আহমেদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন ও দখলে রেখেছেন বলে অভিযোগ করছে দুদক।
আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জে আবদুল হামিদ-হাসিনাসহ ১২৪ জনের নামে মামলা
‘তার ৬টি ব্যাংক হিসাবে সাত কোটি ৭৮ লাখ ৬২ হাজার টাকা এবং ২২ হাজার ২৮০ মার্কিন ডলারের অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। এরমধ্য দিয়ে অবৈধ অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রুপান্তর করার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমানিত হয়েছে।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কবির বিন আনোয়ার সরকারী কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে তার নিজ অবৈধ অর্থ বৈধ করতে স্ত্রী তৌফিকা আহমেদের নামে সম্পদ অর্জন ও দখলে রাখতে সহায়তা করেছেন। যে কারণে তৌফিকা আহমেদ ও কবির বিন আনোয়ারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা; মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) (৩) ধারা এবং দন্ডবিধির ১০৯ ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়।
৪২৬ দিন আগে
সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক গ্রেপ্তার
রাজধানীর ইস্কাটনে অভিযান চালিয়ে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
আরও পড়ুন: জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা-গ্রেপ্তার নয়: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক জানান, সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল ইস্কাটনের একটি ফ্ল্যাট থেকে আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করে।
তার বিরুদ্ধে ঢাকায় বিভিন্ন মামলা রয়েছে।
আরও পড়ুন: অভ্যুত্থানে হত্যার ঘটনায় ১৬৯৫ মামলা দায়ের, অক্টোবরে গ্রেপ্তার ৩১৯৫: পুলিশ সদর দপ্তর
৫২৩ দিন আগে
উৎপাদন বাড়াতে কৃষি উপকরণ সরবরাহ করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, চলতি বছরে তাপদাহে আমসহ বেশকিছু ফসল উৎপাদন কম হয়েছে। তাই কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কৃষকদের সার, বীজ, কীটনাশকসহ যাবতীয় কৃষি উপকরণ বেশি করে যথাসময়ে সরবরাহ করা হবে।
তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের আমের যথেষ্ঠ সুনাম ও চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে উন্নত দেশের মূলধারার সুপার মার্কেটগুলোতে আম সরবরাহ করা গেলে আম রপ্তানির পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পাবে ও আম উৎপাদনকারীরা অধিকতর লাভবান হবেন।
আরও পড়ুন: ডিমের মজুতের বিষয়টি তদারকি করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
সোমবার (১০ জুন) দুপুরে রাজধানীর শ্যামপুরের কেন্দ্রীয় প্যাকেজিং হাউজে আম রপ্তানি কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বৈদেশিক আয় বৃদ্ধি করতে আম রপ্তানি খুবই সম্ভাবনাময়। কৃষিবান্ধব বর্তমান সরকার আম রপ্তানির মাধ্যমে উল্লেখ্যযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যে নানা পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।
আম রপ্তানিকারকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আম রপ্তানি বৃদ্ধি করার জন্য শ্যামপুরের কেন্দ্রীয় প্যাকেজিং হাউজ আধুনিক ও শক্তিশালীকরণ করা হয়েছে। অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কাজ চলমান আছে।
সোমবার(১০ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে আম রপ্তানি উদ্বোধন করা হলেও মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে এ পর্যন্ত ১৫টি দেশে গোপালভোগ, হিমসাগর জাতের প্রায় ১৮৯ টন আম রপ্তানি করা হয়েছে। এ দিন ১৪টি কনসাইনমেন্টে ইংল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি ও ফ্রান্সে ২৫ টন আম রপ্তানি করা হবে।
এ বছর কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্বের প্রায় ৩৮টি দেশে গোপালভোগ, হিমসাগর, আম্রপালি, ফজলি, সুরমা, ফজলি, বারি-৪ জাতের রপ্তানিযোগ্য ৩ হাজার ১০০ টন আম রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালে ৩৮টি দেশে ৩ হাজার ৯২ টন আম রপ্তানি করা হয়।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. আওলাদ হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান।
আরও পড়ুন: পানির প্রতিটি ফোঁটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
যান্ত্রিকীকরণের কারণে খুব কম সময়ে সারা দেশের ধানকাটা সম্ভব হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী
৬৪৯ দিন আগে
যান্ত্রিকীকরণের কারণে খুব কম সময়ে সারা দেশের ধানকাটা সম্ভব হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী
তিনি বলেন, এর জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করে অতিদ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বিশেষ করে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে কার্গো ভাড়া কমাতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন: প্রধান খাদ্যশস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ধরে রাখতে পেরেছে বাংলাদেশ: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর খামারবাড়িতে কেআইবি চত্বরে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফলমেলা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে মেলার উদ্বোধন করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ।
এর আগে সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে কেআইবি চত্বর পর্যন্ত ফলমেলা উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন তিনি।
‘ফলে পুষ্টি অর্থ বেশ—স্মার্ট কৃষির বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ মেলা শেষ হবে ৮ জুন।
এবারের ফলমেলায় ৮টি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ৫৫টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। মোট ৬৩টি স্টলে বিভিন্ন ধরনের ফল ও ফল চাষ প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হচ্ছে।
মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত। আগত দর্শনার্থীরা ফল চাষের বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে পারছেন এবং রাসায়নিকমুক্ত বিভিন্ন জাতের ফল কিনতেও পারছেন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. মুন্সী রাশীদ আহমদ।
কৃষিসচিব ওয়াহিদা আক্তারের সভাপতিত্বে বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ার, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী, পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন মহাপরিচালক ড. মো. আমজাদ হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর মো. কামরুল হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
আরও পড়ুন: ডিমের মজুতের বিষয়টি তদারকি করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
পানির প্রতিটি ফোঁটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
৬৫৩ দিন আগে
ডিমের মজুতের বিষয়টি তদারকি করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, ডিমের দাম কিছুটা বেশি। হিমাগারে ডিম মজুতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি তদারকি করা হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বোরো উৎপাদন ভালো হয়েছে। চালের কোনো ঘাটতি নেই, দাম স্থিতিশীল আছে। আলুর উৎপাদন কিছুটা কম হয়েছে, পেঁয়াজ আমদানি উন্মুক্ত আছে, কোনো সমস্যা হবে না।
সোমবার(২৭ মে) সচিবালয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ ও মজুত কার্যক্রম তদারকিবিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে মন্ত্রী একথা বলেন।
আরও পড়ুন: ইনোভেশন শোকেসিংয়ের মাধ্যমে কৃষকরা উপকৃত হবেন: কৃষিমন্ত্রী
মন্ত্রী বলেন, আমাদের মনিটরিং চলছে। আমরা কিন্তু বসে নেই, জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে আমাদের সচিবদের যোগাযোগ হচ্ছে। আমাদের সচিবরা প্রতিদিনই কোনো না কোনো জেলার ডিসিকে ফোন করেন।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য আমরা এই তিন মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে বসেছিলাম। যেটুকু ফলাফল পাওয়ার প্রত্যাশা করেছিলাম সেটুকু ফলাফলের আমরা অনেকাংশ পেয়েছি।
তিনি বলেন, আজকেও আমরা একমত হয়েছি। বর্তমান অবস্থা কি এবং আমরা ভবিষ্যতে কী কী ব্যবস্থা নিতে পারি। সামনে আমাদের বাজেট আসছে। বাজেট আসার পর একটা ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া থাকতে পারে।
আগামীতে সব পর্যায়ের বাজার ব্যবস্থা যাতে আরও সুন্দরভাবে নিশ্চিত হয়, সে জন্য সবাই কাজ করার জন্য একমত হয়েছেন বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, অতীতেও একমত ছিলাম। এটাতে আরও নতুন নতুন কিছু বিষয় যোগ হয়েছে কি না সেটা আমরা আলোচনা করেছি।
দেশে মূল্য পরিস্থিতি সহনীয় আছে জানিয়ে তিনি বলেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। না হলে কিন্তু আপনারা দেখতেন দুইদিন পরপর মিছিল মিটিং এগুলো হতো। আমরা তো মিছিল করেই এত বড় হয়েছি। এগুলো নিয়ে তো আমাদের অভিজ্ঞতার অভাব নেই।
মন্ত্রী বলেন, চাল, চিনি, আদা, রসুন সব কিছুরই তুলনামূলক চিত্র আমরা দেখেছি, আমাদের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কেমন। সব জায়গায় আমরা একটা প্রিমিয়াম পজিশনে আছি। তাই আমি বলবো আমাদের দেশের নাগরিকদের অসন্তুষ্ট হওয়ার কোনো কারণ নেই। জনগণকে আমরা সন্তুষ্ট রাখার জন্য সব কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। ইনশাল্লাহ আগামীতে চালিয়ে যাব।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সজাগ আছেন। তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। কালকে হয়তো উনার (প্রধানমন্ত্রী) সঙ্গে আমাদের কথা হবে, আমরা যে আজকে সভা করেছি সেটি তাকে অবহিত করব।
কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাখাওয়াত হোসেনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা।
আরও পড়ুন: পানির প্রতিটি ফোঁটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
প্রধান খাদ্যশস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ধরে রাখতে পেরেছে বাংলাদেশ: কৃষিমন্ত্রী
৬৬৩ দিন আগে
পানির প্রতিটি ফোঁটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, মানুষ, উদ্ভিদ ও প্রতিটি জীবের জন্য নিরাপদ পানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই পানির প্রতিটি ফোঁটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে জনসংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে আবাদি জমি কমছে। টেকসই উন্নয়ন ও সকল মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পানি অপরিহার্য। সেজন্য আমাদের সবাইকে পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং পানির প্রতিটি ফোঁটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। বিশ্বব্যাপী সব অংশীজনের সম্মিলিত আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতার মাধ্যমেই এটি অর্জন করা সম্ভব।
আরও পড়ুন: উদ্বৃত্ত সত্ত্বেও সংরক্ষণাগারের অভাবে পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়: কৃষিমন্ত্রী
পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, কৃষিতে সেচ দক্ষতা বৃদ্ধি ও ধান চাষে পানির সাশ্রয়ী ব্যবহারে বাংলাদেশ সরকারের নানামুখী উদ্যোগ তুলে ধরেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, আমরা কৃষিকাজে পানির অপচয় রোধ ও কৃষকের সেচ খরচ আরও কমাতে কাজ করে যাচ্ছি। ভূগর্ভস্থ পাইপের মাধ্যমে সেচ প্রদান ও ধান চাষে পর্যায়ক্রমে ভেজানো ও শুকানো (এডব্লিউডি) পদ্ধতির সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ মে) ইন্দোনেশিয়ার বালিতে চলমান ১০ম ওয়ার্ল্ড ওয়াটার ফোরামের ‘গ্রহ ও মানুষের জন্য ধান’ শীর্ষক মিনিস্টিরিয়াল সেশনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিশ্ব ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের কৃষক ও কৃষির কল্যাণে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। কৃষিতে ভর্তুকির পরিমাণ বৃদ্ধি, গবেষণা খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি, গবেষণা অবকাঠামোর উন্নয়ন, গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা করেছেন। এসব বহুমুখী উদ্যোগ বিশ্বে বাংলাদেশকে কৃষিপণ্য উৎপাদনের রোল মডেলে পরিণত করেছে; বিশেষ করে চালে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে ও স্বয়ংসম্পূর্ণতা বজায় রাখতে দারুণভাবে সাহায্য করেছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশে চালের উৎপাদন চারগুণেরও বেশি বেড়েছে। দেশে এখন চালের ঘাটতি নেই, অভ্যন্তরীণ উৎপাদন দিয়েই চাহিদা মেটানো যাচ্ছে। এই অর্জন না হলে আমাদের লাখ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে পড়ত, খাদ্য শরণার্থী হয়ে যেত এবং বিশ্বব্যাপী সংকট তৈরি হতো কিন্তু বাস্তবে এই অর্জনের ফলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় প্রদান ও খাওয়ানোর সাহস দেখিয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, সকলের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সব দেশ ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: ইনোভেশন শোকেসিংয়ের মাধ্যমে কৃষকরা উপকৃত হবেন: কৃষিমন্ত্রী
প্রধান খাদ্যশস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ধরে রাখতে পেরেছে বাংলাদেশ: কৃষিমন্ত্রী
৬৬৯ দিন আগে
ইনোভেশন শোকেসিংয়ের মাধ্যমে কৃষকরা উপকৃত হবেন: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি মন্ত্রণালয়ের ইনোভেশন শোকেসিংয়ের মাধ্যমে কৃষকরা উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ।
তিনি বলেন, উৎপাদনের জন্য যে আধুনিক ও কৌশলগত জ্ঞান প্রয়োজন, এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের কৃষকরা তা জানতে পারবেন।
আরও পড়ুন: সব মানুষের কল্যাণে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী: কৃষিমন্ত্রী
এর ফলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের গোলা আরও সমৃদ্ধ হবে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে।
বুধবার (১৫ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে কৃষি মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ ১৭টি সংস্থা/গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ইনোভেশন শোকেসিং অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করার ফলে কৃষি বিষয়ে কৃষকদের তেমন কোনো অভিযোগ নেই।
কৃষিমন্ত্রী কলেন, বাজেটে ঘাটতি বা যে সমস্যাই থাকুক কেন, সবসময়ই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষিতে প্রয়োজনীয় টাকা বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে কৃষিখাতে যেসব নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আছে, তা আমরা মোকাবিলা করতে সক্ষম হচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, উন্নত বিশ্বে কৃষিকাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশেও স্মার্ট কৃষি ব্যবস্থা বাস্তবায়নে আমাদের জোর দিতে হবে। কৃষিখাতে বাজেট আরও বৃদ্ধির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মলয় চৌধুরী ও ফারজানা মমতাজ, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ার, বিএডিসির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস ও অন্যান্য সংস্থার প্রধানরা।
উদ্ভাবনী প্রদর্শনীতে কৃষি মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ ১৭টি সংস্থা/গবেষণা প্রতিষ্ঠান ২০২৩ সালে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে গৃহীত উদ্ভাবন প্রদর্শন করেন।
এর মধ্যে রয়েছে- কৃষি মন্ত্রণালয়ের মামলা ও সম্পত্তির স্মার্ট ব্যবস্থাপনা সিস্টেম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার সেন্টার ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্মার্ট রাইস প্রোফাইল মোবাইল অ্যাপ, বিএডিসির সেচ চার্জ আদায় পদ্ধতি ডিজিটালাইজকরণ, জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমির আইওটি ভিত্তিক মাটিছাড়া চাষ ও ভার্টিক্যাল ফার্মিং, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আইওটিভিত্তিক প্রিপেইড মিটার ফর স্মার্ট ইরিগেশন প্রভৃতি।
আরও পড়ুন: প্রধান খাদ্যশস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ধরে রাখতে পেরেছে বাংলাদেশ: কৃষিমন্ত্রী
উদ্বৃত্ত সত্ত্বেও সংরক্ষণাগারের অভাবে পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়: কৃষিমন্ত্রী
৬৭৫ দিন আগে
সব মানুষের কল্যাণে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী: কৃষিমন্ত্রী
সব মানুষের কল্যাণের জন্য সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ।
তিনি বলেন, ‘জনকল্যাণে এটি প্রধানমন্ত্রীর একটি অনন্য উদ্যোগ। কেউ সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় যুক্ত হলে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাকে দুশ্চিন্তায় থাকতে হবে না। এই পেনশন ব্যবস্থা অবসরকালীন সময়ে আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এবং শেষ বয়সে কারো কাছে হাত পাততে হবে না।’
আরও পড়ুন: টেকসই খাদ্য নিরাপত্তায় গবেষণা জোরদার করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
সোমবার (২২ এপ্রিল) সকালে মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন আয়োজিত সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও পেনশন মেলায় এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তারা অবসরে গেলে পেনশন পান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা কর্মরত এবং দেশের অন্যান্য মানুষ পেনশনের সুবিধা পান না। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পরিবারের সদস্যরা বয়স্কদের ঠিকমতো দেখভাল করেন না, অনেক সময় বৃদ্ধাশ্রমে বয়স্কদের রেখে আসেন। শেষ বয়সে অনেকেই ট্যাবলেট কিনতে পারেন না। এক্ষেত্রে পেনশন স্কিম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি আরও বলেন, ‘পেনশনে যুক্ত হলে শেষ বয়সে টেনশনে থাকতে হবে না। ছেলে ও মেয়ে দেখছে না বলেও অভিযোগ করতে হবে না।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির শিখড়ে উঠেছে। তার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যেই উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হবে।’
আরও পড়ুন: কৃষক যাতে ন্যায্যমূল্য পান, সেভাবেই ধানের দাম নির্ধারণ করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষকের দামে তরমুজ বিক্রি সিন্ডিকেট ভাঙার বড় উদ্যোগ: কৃষিমন্ত্রী
৬৯৮ দিন আগে