পেট্রোল পাম্প
রংপুরে জ্বালানি সংকট, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না তেল
রংপুর জেলা ও মহানগরীতে তীব্র জ্বালানি সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকেরা। দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি না পাওয়ায় দিন দিন ক্ষোভ বাড়ছে। নগরজুড়ে পেট্রোল পাম্পগুলোতে দেখা দিয়েছে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রংপুরে প্রায় সাড়ে তিনশ পেট্রোল পাম্প থাকলেও অর্ধেকের বেশি পাম্পে নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে না।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে নগরীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ পাম্পেই পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট চলছে। অনেক পাম্পে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলতে দেখা গেছে। যেসব পাম্পে সীমিত পরিসরে জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে, সেখানে প্রতি গ্রাহককে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। ফলে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক চালকই শেষ পর্যন্ত খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।
রংপুরের আট উপজেলাতেও একই চিত্র দেখা গেছে। মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জ, পীরগাছা, কাউনিয়া, বদরগঞ্জ, তারাগঞ্জ ও গঙ্গাচড়ায় তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেকেই জ্বালানি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগী চালকেরা জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় তাদের জরুরি কাজ ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে অফিসগামী মানুষ, ব্যবসায়ী এবং রোগী বহনকারী যানবাহন সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে।
মোটরসাইকেলচালক সোহেল মিয়া বলেন, সকালে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পর জানানো হলো তেল শেষ। এখন আবার অন্য পাম্পে যেতে হচ্ছে। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন প্রাইভেটকার চালকেরাও।
পাম্প ম্যানেজার ও সংশ্লিষ্টরা জানান, একেকটি পাম্পে এক দিন পরপর মাত্র ৩ থেকে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল বা অকটেন সরবরাহ করা হচ্ছে, যা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। ফলে বাধ্য হয়ে সীমিত পরিসরে জ্বালানি বিক্রি করতে হচ্ছে।
যানবাহন মালিকদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তারা দ্রুত পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে মোটরযান পরিদর্শক ও ট্যাক্স অফিসার মাহবুবুর রহমান বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
৩ দিন আগে
নাটোরে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্প ভাঙচুর, সড়ক অবরোধ
নাটোরে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পৃথক দুই ঘটনায় পেট্রোল পাম্পে হামলা, ভাঙচুর এবং সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে।
পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে সদর উপজেলার আহমেদপুরে কানন ফিলিং স্টেশনে ডিজেল দিতে দেরি হওয়ায় আব্দুল ওহাব নামে স্থানীয় একট্রাকচালক পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ওই ট্রাকচালক পালিয়ে যায়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনছুর রহমান জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, একই রাতে শহরের তেবাড়িয়া বাইপাস সড়কে অবস্থিত ইউনাইটেড ফিলিং স্টেশনে কৃষকরা সেচ পাম্পের জন্য ডিজেল নিতে গেলে পাম্প কর্তৃপক্ষ তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। এতে ক্ষুব্ধ কৃষকরা ঢাকা-রাজশাহী বাইপাস সড়ক অবরোধ করেন। পরে এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে পাম্প কর্তৃপক্ষ ডিজেল দিতে রাজি হলে অবরোধ তুলে নেন কৃষকরা।
৩ দিন আগে
রাজধানীর ২ পাম্পে চালু হচ্ছে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ
জ্বালানি সংকটের মাঝে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজধানী ঢাকার দুটি পেট্রোল পাম্পে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের মাধ্যমে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘পরীক্ষামূলকভাবে আমরা দুটি ফিলিং স্টেশনে কাজ শুরু করেছি; একটি আসাদ গেটের সোনার বাংলা, আরেকটি তেজগাঁয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন। ইতোমধ্যে প্রচুর সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, অনেকেই রেজিস্ট্রেশন করছেন। আমার মনে হয় রেজিস্ট্রেশনকারীর সংখ্যা ১০ হাজার অতিক্রম করেছে।
‘তবে এই কাজটা একটু সময়সাপেক্ষ। আমরা মোটরসাইকেলে ফোকাস করে দুটি ফিলিং স্টেশনে কাজটি শুরু করেছি। আশা করি, আস্তে আস্তে ঢাকা শহর পুরোটা কভার করতে পারব। এরপর হয়তো আমরা এটি দেশব্যাপী রেপ্লিকেট (অনুকরণ) করার চেষ্টা করব।’
যুগ্ম সচিব জানান, ৮ এপ্রিল পর্যন্ত অবৈধভাবে মজুদ করা মোট ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৪২ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল ৩ লাখ ৫২ হাজার ৪৭ লিটার, অকটেন ৩৬ হাজার ৬২১ লিটার এবং পেট্রোল ৮০ হাজার ৩৭৪ লিটার।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৩৪২টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মামলার সংখ্যা ৩ হাজার ১১টি। মোট জরিমানা করা হয়েছে ১ কোটি ৪৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩৫০ টাকা। সেই সঙ্গে মোট ৩৬ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, জ্বালানি তেলের মজুদের পরিমাণ ডিজেল এক লাখ ৪৩ হাজার ১৪৩ টন, অকটেন ৪ হাজার ৫৬৯ টন এবং পেট্রোল ১৬ হাজার ৮১২ টন বলেও জানান মনির হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘নিয়মিত আমদানি ও সরবরাহ অব্যাহত থাকায় অন্তত আগামী দুই মাস অকটেন ও পেট্রোলের কোনো সংকট হবে না।’
অবৈধ মজুদের পেছনে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মামলার মাধ্যমে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জ্বালানি ও খুনি সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকায় বিক্রি হলেও প্রকৃত মূল্য প্রায় ১৫৫ টাকা হওয়া উচিত। এ কারণে সরকারকে প্রতি মাসে প্রায় আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি বহন করতে হচ্ছে। তবে চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, ‘দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। অযথা মজুদ বা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি সংগ্রহ করলেই নিয়মিত সরবরাহ পাওয়া যাবে। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত সরবরাহ অব্যাহত থাকলে ধীরে ধীরে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং ভোক্তাদের দুর্ভোগ কমে আসবে।’
১১ দিন আগে
সিলেটে পেট্রোল পাম্প মালিকদের ধর্মঘট স্থগিত
সিলেটে সিএনজি, এলপিজি ও পেট্রোল পাম্পে ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। হঠাৎ করে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধের ঘোষণায় সৃষ্ট অনিশ্চয়তা কাটিয়ে আবারও স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরছে পাম্পগুলো।
বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত ধর্মঘট স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পাম্প মালিকদের দাবিদাওয়া পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আবারও কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
এর আগে, বুধবার রাত ১১টার দিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরিমানার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে সিলেটের পাম্প মালিকরা হঠাৎ করে তেল ও গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেন। এতে সিলেটজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দেয় এবং পরিবহন খাতে অচলাবস্থার শঙ্কা তৈরি হয়। অনেক চালক ও সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাতেই উদ্যোগ নেয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা। রাত দেড়টার দিকে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ আহমদ চৌধুরী ও সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর সঙ্গে পাম্প মালিক নেতাদের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার এলাকায় অবস্থিত মেঘনা অয়েল ডিপোতে অনুষ্ঠিত হয়। এটি প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে।
বৈঠকে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা করা হয়। বৈঠক শেষে ধর্মঘট সাময়িকভাবে স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
১৮ দিন আগে
নাটোরে জ্বালানি সংকট ঘিরে বিশৃঙ্খলা: পাম্প ব্যবস্থাপককে মারধর, মহাসড়ক অবরোধ, সাংবাদিক লাঞ্ছিত
জ্বালানি সংকট ঘিরে নাটোরে একাধিক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তেল সংগ্রহকে কেন্দ্র করে একটি পেট্রোল পাম্পের ব্যবস্থাপককে মারধর করে আহত করা হয়েছে, তেল না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন একদল মোটরসাইকেল-চালক এবং পৃথক ঘটনায় পেট্রোল মজুদের ছবি তুলতে গিয়ে লাঞ্ছিত হয়েছেন এক সাংবাদিক।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতের বিভিন্ন সময় নাটোর শহরের বিভিন্ন স্থানে এসব ঘটনা ঘটে।
গতকাল (মঙ্গলবার) ৯টার দিকে নাটোর শহরের হাফরাস্তা এলাকায় অবস্থিত নাটোর পেট্রোলিয়াম এজেন্সিতে জারকিনে পেট্রোল না দেওয়ায় পাম্প ম্যানেজার সানু সাহাকে পিটিয়ে জখম করেছেন শাহীন নামে স্থানীয় এক যুবক। পরে জনতার ধাওয়ায় পালিয়ে যায় ওই যুবক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওই ঘটনার প্রায় একই সময়ে শহরতলীর মোকরামপুর এলাকায় রিভু পেট্রোল পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় নাটোর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেন মোটরসাইকেল-চালকরা। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে ঝলমলিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানান ওসি মাহাবুর রহমান।
এছাড়া, গতকাল রাতেই লালপুর উপজেলার সাদিয়া পেট্রোল পাম্পে ড্রামে পেট্রোল মজুদের ছবি তুলতে গেলে ওমর ফারুক নামে এক স্থানীয় সাংবাদিককে মারধর করেছে দুর্বৃত্তরা। ওমর ফারুক অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী।
১৯ দিন আগে
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ঠেকাতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত
দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ, সরবরাহ ও বিতরণ কার্যক্রমে নজরদারি জোরদার করতে প্রতিটি পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
শনিবার (২৮ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে গত ২৭ মার্চ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনলাইন সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়, দেশের সকল পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করতে হবে।
ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করবে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা ছাড়া জেলা ও বিভাগীয় শহরে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) তাদের অধীন প্রতিটি পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন সরকারি কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসেবে নিয়োগ করবেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসাররা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসি নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রতিদিনের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিবেদন জমা দেবেন।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিটি পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ সম্পন্ন করে সংশ্লিষ্ট তথ্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে পাঠাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
২৩ দিন আগে
জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতায় পাম্প বন্ধের শঙ্কা পাম্প মালিকদের
জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
পেট্রোল পাম্প মালিকদের সংগঠন রবিবার (২২ মার্চ) রাতে তাদের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এ আশঙ্কার কথা জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা খুবই করুণ, কারণ তারা অয়েল কোম্পনিগুলো থেকে প্রতিদিন যে তেল পাচ্ছে, তা দিয়ে বর্তমানে ক্রেতাদের চাহিদা পুরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এখন বস্তবতাটা এমন যে দেশে যে কোটি কোটি মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী আছেন, তারা তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে ক্লান্ত, বিরক্ত হয়ে পড়ছেন।
একইসঙ্গে পেট্রোল পাম্পগুলো তেল দেওয়ার নজেলম্যানরাও বিরক্ত। তারা ক্রেতাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি, গণ্ডগোল করতে করতে আর পেরে উঠছে না। আসলে এভাবে বিরামহীন ডিউটি করার অভ্যাসও তাদের নেই। সব মিলিয়ে অবস্থা এখন এমনিই হয়ে পড়েছে, যেকোনো সময় সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো নিরাপত্তা এবং তেল সরবরাহ না পাওয়ায় বন্ধ হেয়ে যেতে পারে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং পাম্পগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হলে এই সংকট আরও গভীর হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে পরিবহন খাতসহ সামগ্রিক অর্থনীতিতে।
২৮ দিন আগে
সিলেটে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা পাম্প মালিকদের
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বিপণন নীতি পরিবর্তন না করলে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন সিলেটের পেট্রোল পাম্প ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, নতুন নীতিমালার কারণে প্রয়োজনের তুলনায় কম তেল সরবরাহ হওয়ায় ব্যবসায়িক ক্ষতি ও পাম্পগুলোতে উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় শাখার নেতারা জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীরা জানান, গত কয়েক দিনে সিলেটের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে মালিক ও শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ একটি পাম্পে এক শ্রমিককে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত শ্রমিক বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
সংগঠনের নেতারা বলেন, সারাদিন রোজা রেখে হাজার হাজার মানুষকে সেবা দেওয়ার পরও যদি নিরাপত্তা না থাকে, তাহলে শ্রমিকদের পক্ষে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে শ্রমিকদের আবেগ ও ক্ষোভ থেকে মঙ্গলবার এক শিফট কর্মবিরতি পালন করা হয়। তবে বিকেল থেকে যেসব পাম্পে তেল মজুত ছিল, সেগুলোতে আবার বিক্রি শুরু হয়।
পেট্রোল পাম্প মালিকদের দাবি, বিপিসি হঠাৎ করে একটি নতুন বিপণন নীতিমালা চালু করেছে। যেখানে গত বছর মার্চ থেকে জুন মাসে একটি পাম্প যত তেল উত্তোলন করেছে, ওই গড়ের ২৫ শতাংশ কম তেল সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, ৩০ দিনে মাস ধরে এই গড় নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে অনেক পাম্প মাসে ২০/২২ দিন তেল উত্তোলন করে। পাশাপাশি বিপণন কোম্পানিগুলোকে কোটা বেঁধে দেওয়া হযেছে, ফলে তারা পাম্পগুলোতে সীমিত পরিমাণ তেল দিতে পারছে। এতে ডিপো থেকে পাম্পে তেল আনতে পরিবহন ব্যয় একই রয়েছে, কিন্তু তেল কম আসছে।
সিলেটেই গ্যাস ফিল্ডের কন্ডেনসেট থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অকটেন ও পেট্রোল উৎপাদিত হয় জানিয়ে সংগঠনের নেতারা আরও বলেন, দেশে অকটেন–পেট্রোলের ঘাটতি নেই। কিন্তু বিপণন নীতিমালার কারণে ডিপোতে মজুত থাকলেও পাম্পে সরবরাহ স্বাভাবিকভাবে করা যাচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষ পাম্প মালিকদের ওপর ক্ষুব্ধ হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে।
পাম্প মালিকদের মতে,‘ আমরা কোনো ধরনের মজুতদারি বা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত নই। কেউ নির্ধারিত দামের বেশি দামে তেল বিক্রি করলে সংগঠন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেবে।’
তাদের দাবি, বিপিসিকে দ্রুত নীতিমালা সংশোধন করে মাঠের বাস্তবতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় বিপণন কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার মাধ্যমে তেল বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে।
সংগঠনের তথ্যমতে, সিলেট বিভাগে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ লিটার ডিজেল, প্রায় ২ লাখ লিটার পেট্রোল এবং দেড় লাখ লিটার অকটেনের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সরবরাহ হচ্ছে এর তুলনায় অনেক কম। নীতিমালা সংশোধন না হলে পাম্প খোলা থাকলেও ডিপো থেকে তেল উত্তোলন করা হবে না। এতে বিপণন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। শিগগিরই বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা করার চেষ্টা করা হবে।
এদিন সার্বিক বিষয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াসাদ আজিম আদনান। এ সময় সংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধা ৭টার দিকে সিলেট নগরীর চৌকিদেখীর উত্তরা পেট্রোলিয়াম পাম্পে তেল না পেয়ে কর্মী মিঠু গোয়ালাকে ছুরিকাঘাত করেন এক গ্রাহক। এতে ওই কর্মী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর, এজেন্ট এন্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটি মঙ্গলবার আধাবেলা ধর্মঘটের ডাক দেয়।
৪০ দিন আগে
সিলেটে পেট্রোল পাম্পে তেল না পেয়ে কর্মীকে ছুরিকাঘাত, আজ অর্ধদিবস ধর্মঘট
সিলেট নগরীতে পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেল না পাওয়াকে কেন্দ্র করে এক গ্রাহকের ছুরিকাঘাতে মিঠু গোয়ালা নামে পাম্পটির এক কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর চৌকিদেখী এলাকার উত্তরা পেট্রোল পাম্পে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, বিকেলে ইফতারের আগে ওই পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসেন এক গ্রাহক। সেখানে তেল না পেলে পাম্পটির কর্মীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় তার। তখন তাদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে ইফতার শেষে ওই গ্রাহক আবার পাম্পে এসে কর্মী মিঠুকে ছুরিকাঘাত করেন।
সহকর্মীরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
নগরীর এয়ারপোর্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সৌমেন মৈত্র বলেন, পেট্রোল পাম্পে তেল না পেয়ে এক গ্রাহক ক্ষুব্ধ হয়ে কর্মীকে ছুরিকাঘাত করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এদিকে, সিলেট বিভাগে জ্বালানি তেল বিপণন খাতে বর্তমান সংকট নিরসন ও পাম্প সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ২টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগের সকল ফিলিং স্টেশন ও পেট্রোল পাম্পে প্রতীকী ধর্মঘট পালন করা হবে। ধর্মঘট আহ্বান করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটি।
সংগঠনের নেতারা বলেন, সোমবার বিকেলে নগরীর চৌকিদেখী এলাকায় উত্তরা পেট্রোলিয়াম নামক পাম্পে জ্বালানি তেল নিতে আসা এক ব্যক্তি পাম্পের ম্যানেজারের ওপর হামলা চালায়। ছুরিকাঘাতে তিনি মারাত্মক আহত হন। এ বর্বরোচিত ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে নেতারা বৈঠকে বসেন।
বৈঠক শেষে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াশদ আজিম আদনান জানান, বিপিসির ত্রুটিপূর্ণ জ্বালানি তেল বিপণন নীতি সংশোধন করে সিলেট বিভাগে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা দ্রুত আধুনিক ও কার্যকর পদ্ধতিতে স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়ে মঙ্গলবার অর্ধদিবস ধর্মঘট পালন করা হবে।
৪১ দিন আগে
ঝিনাইদহে পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুর: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
ঝিনাইদহ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান জীবনসহ ৭ জনকে আটকের পর পেট্রোল পাম্প ভাঙচুর ও ৩টি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে বাস মালিকদের পক্ষে সাইফ নোমান ও পেট্রোল পাম্প সৃজনী ফিলিং স্টেশনের পক্ষে শামসুল কবীর মিলন ঝিনাইদহ সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন। গণমাধ্যমে পাঠানো পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল সাক্ষরিত এক প্রেসনোটে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— ঝিনাইদহ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান জীবন, যুগ্ম আহ্বায়ক এজাজ হাসান অন্তর মাহমুদ, ‘দ্য রেড জুলাই’-এর আহ্বায়ক আবু হাসনাত তানাঈম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঝিনাইদহ জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ন কবির, তাশদিদ হাসান ও রাসেল।
জেলা পুলিশের প্রেসনোটে বলা হয়, গত ৭ মার্চ ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের তাজ ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে পাম্প কর্মচারীদের হামলায় নিহত হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী ফারদিন আহম্মেদ নীরব।
এ ঘটনায় র্যাব ও পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে হত্যার সঙ্গে জড়িত পাম্পের ৩ কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে। নীরব হত্যার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতার মালিকানাধীন পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুরের চেষ্টা চালান, কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় তারা একই মালিকের আরাপপুর সৃজনী ফিলিং স্টেশনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। ঘটনার দিন দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা রয়েল পরিবহনের দুটি ও জে লাইন পরিবহনের একটি বাসে তারা আগুন ধরিয়ে দেন বলে প্রেসনোটে উল্লেখ করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, পেট্রোল পাম্প ভাঙচুর ও তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার ও মোবাইল ট্রাকিং করে হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়।
এ ব্যাপারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তারেক রেজা জানান, প্রতিটি অপরাধই আইনের দৃষ্টিতে খারাপ। আমরাও চাই প্রকৃত অপরাধীর বিচার হোক।
তিনি বলেন, পেট্রোল পাম্প ভাঙচুর ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় যাদের গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে তাদের মধ্যে অনেকেই নিরাপরাধ রয়েছেন। ফলে আইনের প্রয়োগ যেন সঠিক হয়।
হত্যার চেয়ে যদি ভাঙচুরের ঘটনা বড় করে দেখানো হয়, তবে সেটা দুঃখজনক ঘটনা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
৪২ দিন আগে