কুমিল্লা
রেল দুর্ঘটনা কমাতে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানালেন রেল প্রতিমন্ত্রী
রেল দুর্ঘটনা রোধে সারা দেশের পুরনো রেল ক্রসিংগুলোতে ওভারপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণের পাশাপাশি আধুনিক অটোমেটিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
গতরাতে কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের নিচে রেল ক্রসিংয়ে বাস ও ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রবিবার (২২ মার্চ) দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী হাবিব এবং কৃষিমন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী সরকারের এই উন্নয়ন ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
দুর্ঘটনায় হতাহতদের ব্যাপারে রেল প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন। যাদের চিকিৎসা প্রয়োজন, ঢাকা নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন, তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পুরনো রেলগেটগুলোতে গেটম্যান নেই, তদারকি নেই; ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, পুরনো যে রেল ক্রসিংগুলো রয়েছে, সেখানে রেল ওভারপাস কিংবা আন্ডারপাস করে দেওয়া যায় কিনা তা যাচাই করতে।
তিনি আরও বলেন, আরেকটি সিদ্ধান্ত আলোচনায় রয়েছে, তা হলো রেল ক্রসিংগুলো অটোমেটিক করে দেওয়া যায় কিনা। একটি নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে ট্রেন প্রবেশ করলে রেল ক্রসিংয়ের ব্যারিয়ারগুলো যেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেমে যায়, সেই অটোমেটিক সিস্টেম নিয়েও আমাদের কাজ চলছে। এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব সহকারে চেষ্টা করছেন।
কুমিল্লার দুর্ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক তদন্তে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ায় দুই গেটম্যানকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি বিভাগীয় ও একটি জোনাল (আঞ্চলিক) তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্টেশন মাস্টারের কোনো অবহেলা ছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
৩৬ মিনিট আগে
কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে ১২ প্রাণহানি: তদন্তে ৩ কমিটি, ২ গেটম্যান বরখাস্ত
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় বাস ও ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় রেলওয়ে ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে কর্তব্যে অবহেলার দায়ে সংশ্লিষ্ট রেললাইনের দুই গেটম্যানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে পদুয়া বাজার বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের নিচের রেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুরগামী ‘মামুন স্পেশাল’ পরিবহনের একটি বাসের সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এর মধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (চট্টগ্রাম) আনিসুর রহমানকে আহ্বায়ক করে ৬ সদস্যের একটি কমিটি এবং জোনাল পর্যায়ে চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (পূর্ব) মোহাম্মদ সফিকুর রহমানকে আহ্বায়ক করে আরও একটি ৬ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে বিআরটিএ, হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।
এছাড়া দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে গেটম্যান মেহেদী হাসান ও মো. হেলাল উদ্দিনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
দুর্ঘটনায় আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৫ জন সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং ১৮ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ শুরু করে। ইতোমধ্যে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি লাইন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী জানান, দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হলেও বর্তমানে ডাউন লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে কুমিল্লা স্টেশন থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ট্রেন ছেড়ে গেছে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচল এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর শোনার পরপরই জেলা প্রশাসক, হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার এবং রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লায় ট্রেনের সঙ্গে বাসের ধাক্কায় নিহত ১২
কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী বাসের ১২ যাত্রী নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অন্তত ৫ যাত্রী। নিহতদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ, ৩ নারী ও ২ শিশু রয়েছে।
শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের কুমিল্লা পদুয়ার বাজার রেল ক্রসিংয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এ সময় খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা উদ্ধার কাজ চালান।
ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ৩টায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ওয়ান আপ ট্রেন কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড অতিক্রমকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নোয়াখালীগামী মামুন স্পেশাল নামে একটি যাত্রীবাহী বাস ওই লেভেল ক্রসিং পার হচ্ছিল। সে সময় চলন্ত ট্রেনের সঙ্গে বাসটির ধাক্কায় ট্রেনের ইঞ্জিনের সঙ্গে বাসটি আটকে যায়। এরপর ইঞ্জিনের সঙ্গে বাসটি আটকে থাকায় ট্রেনটি প্রায় এক কিলোমিটার দূরে এসে দাঁড়িয়ে যায়। এতে করে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যাওয়ায় যাত্রীরা গুরুতর আহত হয়।
এ সময় ট্রেন যাত্রীদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে পাঠান।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, ঘটনাস্থল থেকে তারা তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর প্রায় তিন ঘণ্টা ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে আজ সকাল ৭টা ১৮ মিনিট থেকে চট্টগ্রামমুখী লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ সময় চট্টগ্রাম অভিমুখী চট্টগ্রাম মেইল কুমিল্লা স্টেশন ছেড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর জেলা প্রশাসক রেজা হাসান ও হাইওয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক, স্বস্তিতে যাত্রীরা
এবারের ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রী ও চালকরা স্বস্তি অনুভব করছেন। মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেশি থাকলেও আজও কোথাও যানজট নেই এবং যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করছে।
দেশের ‘লাইফলাইন’ খ্যাত এই মহাসড়ক দিয়ে কয়েকদিনে হাজার হাজার যানবাহনে লাখ লাখ মানুষ বাড়ি ফিরেছেন। যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। সেনাবাহিনী, হাইওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও রোভার স্কাউটস সদস্যরা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈদ উপলক্ষে কুমিল্লার ১০৫ কিলোমিটার অংশে যানজট না থাকলেও যানবাহনের চাপের কারণে ধীরগতিতে চলছে গাড়ি।
এ সময় মহাসড়কের দাউদকান্দি, গৌরীপুর, ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, চান্দিনা, নিমসার, ক্যান্টনমেন্ট, আলেখারচর, পদুয়ার বাজার, মিয়ানমার ও চৌদ্দগ্রামের স্টেশনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
কুমিল্লার ৫ নম্বর কূপ উদ্বোধন, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
কুমিল্লা শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ নম্বর কূপ উদ্বোধন করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ গ্যাস কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে কুমিল্লার মুরাদনগরের শ্রীকাইল মুকলিশপুরে এই কূপ উদ্বোধন করা হয়। এ নিয়ে কুমিল্লার মুরাদনগরের শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫টি কূপ থেকে প্রতিদিন ১৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমদানি-নির্ভর করে দেশের জ্বালানি খাতকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে গেছে বিগত সরকার। যে কারণে বৈশ্বিক সংকটে আমরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছি এবং ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। আমরা চাই নিজস্ব উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলন করে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে। স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং স্বাবলম্বী হলে যেকোনো ধরনের ঝুঁকি থেকে সহজে উত্তরণ হওয়া যাবে।
তিনি বলেন, বিগত সরকার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (বাপেক্স) পঙ্গু করে রেখেছিল, যার ফল আমরা এখন পাচ্ছি। আমরা বাপেক্সের সক্ষমতা বাড়াতে চাই, তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে চাই।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, জ্বালানি খাতে সরকার স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে চায়। আগামী ৫ বছর পর এ দেশের গ্যাসের চাহিদা হবে সাড়ে ৪ হাজার ঘনফুট, যা আমরা নিজেদের ক্ষেত্র থেকেই সরবরাহ করার সক্ষমতা অর্জন করব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব সাইফুল ইসালম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক, পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশনস) রফিকুল ইসলাম, বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ফজলুল হক ও প্রকল্প পরিচালক মোজাম্মেল হক।
শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্র কূপ-৫-এর উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল বাতিন জানান, গত বছর ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এই কূপ খনন শুরু হয়েছিল। এ বছর জানুয়ারিতে সে খনন কাজ শেষ হয়। আজ ১৪ মার্চ এই কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হলো। এই কূপে ৪০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন মো. আব্দুল বাতিন।
৭ দিন আগে
ঈদযাত্রা: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে ৪ বড় চ্যালেঞ্জ
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য বাড়তে পারে ভোগান্তি। প্রায় ১০৫ কিলোমিটারজুড়ে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ফুটপাত ও সড়ক দখল, এলোমেলো পার্কিং, মহাসড়কের ওপর বাজার বসা এবং সড়ক সংস্কার কাজ—এই চারটি বিষয়কে সম্ভাব্য যানজটের প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন যাত্রী ও পরিবহন-সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর এলাকায় দুই লেনের মহাসড়কের ওপরই গাড়ি পার্কিং করা হচ্ছে। একই চিত্র দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ, চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া, কুটুম্বপুর ও চান্দিনা সদর, বুড়িচংয়ের নিমসার, সদর দক্ষিণের পদুয়ার বাজার ও সুয়াগাজী, এবং চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে।
পদুয়ার বাজার, মিয়াবাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে ফুটপাত দখলের প্রবণতা বেশি দেখা গেছে। আবার নিমসার, মিয়াবাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে মহাসড়কের ওপরই বাজার বসে। অন্যদিকে, কুমিল্লা সদর উপজেলার আমতলী ও নিশ্চিন্তপুর এলাকায় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সংস্কার কাজ চলছে। ফলে ওই অংশে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে।
পদুয়ার বাজার এলাকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে মহাসড়কের ওপর দিয়ে কুমিল্লা–নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়ক অতিক্রম করেছে। এই পথ দিয়ে লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুরের পরিবহনও চলাচল করে।
স্থানীয়রা জানান, পদুয়ার বাজার এলাকায় চট্টগ্রামগামী লেনে ফুটওভার ব্রিজের নিচে এলোপাতাড়ি বাস পার্কিং করে রাখা হয়। এর প্রভাব পড়ে সামনের ইউটার্নে, ফলে দ্রুত যানজট তৈরি হয়। ফুটপাত ও সড়কের পাশে ভ্রাম্যমাণ হকার বসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
নোয়াখালী সড়কের মুখে ফুটওভার ব্রিজের নিচে বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলা হয়, এতে ওই এলাকায় প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হয়। এছাড়া মোড়ের একটি মসজিদের সামনে বাসের কাউন্টার স্থাপন করা হয়েছে। অধিকাংশ সময় বাস সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
যাত্রী মেঘদাত হোসেন, ফখরুল ইসলাম ও আলাউদ্দিন বলেন, ফুটপাত দখল, এলোপাতাড়ি পার্কিং ও মহাসড়কের ওপর বাজার বসার কারণে প্রায়ই যানজট হয়। প্রশাসনের নজরদারি না বাড়ালে ঈদে ঘরমুখো মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে।
কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের দক্ষিণ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হালিম মজুমদার বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি বাসের জন্য নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের জায়গা তৈরি করা জরুরি। বিশেষ করে মোড়ের ওপর বাস না দাঁড় করিয়ে সামনে বা পেছনে থামানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান বলেন, মহাসড়কের এসব সমস্যা আমাদের জানা আছে। কয়েকদিন আগেও আমরা ফুটপাতের দখল উচ্ছেদ করেছি। এ বিষয়ে পরিবহন মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথাও বলা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, সবার সহযোগিতায় পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১০ দিন আগে
কুমিল্লায় মসজিদের সামনে ও মন্দিরে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৩
কুমিল্লায় মসজিদের সামনে ও মন্দিরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মন্দিরের পুরোহিত ও মসজিদের মুসল্লিসহ অন্তত ৩ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরের ঠাকুরপাড়া বাগান বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— বাগানবাড়ি কালিগাছতলা মন্দিরের পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী ও বাগানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা আবদুল বারেক ও জিহাদ।
একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মন্দিরে শনি পূজা চলছিল। কয়েকজন নারী ও পুরোহিত পূজা করছিলেন। একজন কিশোর পশ্চিম দিক থেকে দৌড়ে সালাউদ্দিন হোটেলের দিকে চলে যাচ্ছে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে মন্দিরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপরই আগুন ধরে যায়।
বাগানবাড়ি এলাকার স্থানীয় দোকানি মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমি দোকান বন্ধ করে শিশু সন্তানকে নিয়ে বাসার দিকে যাচ্ছিলাম। একটু সামনে এগুতেই বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। মনে হচ্ছিল কানের পর্দা ফেটে যাবে। মুসল্লিরা অনেকেই মাগরিবের নামাজ শেষ করে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিল। সবাই দৌড়াদৌড়ি করে বিভিন্ন ভবনে আশ্রয় নেয়। দুষ্কৃতকারী তিন-চারজন দৌড়াতে দৌড়াতে পূর্ব দিকে চলে যায়।
আহত আবদুল বারেক বলেন, আমি মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হচ্ছিলাম। এ সময় বিকট শব্দ শুনতে পাই। আচমকা পায়ের ওপর কিছু একটা এসে পড়েছে মনে হয়। তবে আমি কাউকে দেখিনি।
হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক তাপস বকশি বলেন, এটি সম্প্রীতি নষ্টের উদ্দেশ্যে হামলা হয়ে থাকতে পারে। পুলিশ কিছু আলামত জব্দ করেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল ও ব্যাগ জব্দ করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করি।
পূজা ফ্রন্ট কুমিল্লা মহানগরের সভাপতি শ্যামল কৃষ্ণ সাহা বলেন, এ হামলা সম্প্রীতি নষ্টের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এখানে বৌদ্ধ মন্দির, হিন্দুদের দুটি মন্দির ও মসজিদসহ একাধিক স্পর্শকাতর জায়গা রয়েছে। এ জায়গা লক্ষ্য করেই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যারা উসকানিমূলক কথাবার্তা বলে, তারাই এ হামলা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় মন্দিরের পুরোহিত ও পথচারীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। দুষ্কৃতকারীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
১৪ দিন আগে
চট্টগ্রাম–কুমিল্লার বিস্ফোরণে দগ্ধদের দেখতে বার্ন ইনস্টিটিউটে দুই মন্ত্রী
চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ও কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় আহতদের দেখতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে গিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ন্ত্রণে তিন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পৌঁছান তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দীন। পরে তিনি আহতদের বর্তমান অবস্থা ও চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীদের বিস্তারিত জানান।
এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম থেকে একই পরিবারের ৯ জন অগ্নিদগ্ধের মধ্যে ২ জন মারা গেছেন, ৭ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং একজন রোগী ভেন্টিলেশনে আছেন। আমি তাদের দেখে এসেছি। ভর্তিকৃত রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। অন্যদিকে কুমিল্লা থেকে সকালে একই পরিবারের ৪ জন এসেছে। তাদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা এখানে চিকিৎসকদের বলেছি তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার জন্য।’
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সাংবাদিকদের বলেন, ‘গ্যাস লিকেজ থেকে সারাবছরই কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামের হালিশহরে গতকাল একটি ঘটনা ঘটেছে এবং আজকে সকালে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে আরো একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা শিল্প মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থা মন্ত্রণালয় এই তিনটি মন্ত্রণালয় একসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে চাই। যাতে মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডারকে নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা যায়। আমরা অল্প সময়ের মধ্যে তিন মন্ত্রণালয় বসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব কিভাবে এই দুর্ঘটনাকে কমিয়ে আনা যায়।’
সাংবাদিকদের তিনি আরও জানান, ‘এই ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক শিশু বাচ্চা সহ নারীরা আহত হয়েছেন। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে যে ধরনের সাপোর্ট লাগে আমরা সেই ধরনের সাপোর্ট দেব।’
পরে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা নাসির উদ্দিন জানান, ‘আজকেও সেহরির পরে শিশু বৃদ্ধসহ বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছে। আমরা এই ধরনের ঘটনা আমরা প্রায়ই পাই। আমাদের এখানে চিকিৎসায় তাদের কোন সমস্যা হবে না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে আমরা চিকিৎসার ব্যাপারে সাহায্য পাব। আমাদের চিকিৎসায় কোন সমস্যা হবে না। সরকারের পক্ষ থেকে আমরা সহযোগিতা পাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের চট্টগ্রাম থেকে আগেই বিষয়টি জানানো হয়। সেই অনুযায়ী আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। আমাদের চিকিৎসকরা বিষয়টি জানতেন এবং আমাদের অতিরিক্ত জনবল ডিপ্লয় করা ছিল। চট্টগ্রাম থেকে আনার পথে একজন নারী এখানে মারা যায়। অনেকের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। আইসিইউ ও এইচডিইউতে তাদের চিকিৎসা চলছে। ৮ জনকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে তাদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট এলাকার এমপি আমাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।’
২৫ দিন আগে
কুমিল্লায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের দগ্ধ ৪
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন— মনোয়ারা (৬০), জিল হক (৩৭), উম্মে হুমায়রা (৩০) ও হুররাম (২)।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে মনোয়ারা বেগমের শরীরের ২ শতাংশ, জিল হকের শরীরের ৫৪ শতাংশ, হুমায়রার শরীরের ৬৫ শতাংশ ও শিশু হুররামের শরীরের ৬ শতাংশ পুড়ে গেছে। এদের মধ্যে জিল হক ও হুমায়রার দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তাদের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক।
২৬ দিন আগে
কুমিল্লায় চাঁদাবাজিতে বাধা দেওয়ায় যুবদল নেতাকে ছুরিকাঘাত
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি করতে বাধা দেওয়ায় স্থানীয় যুবদল নেতাকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার।
আহত মো. ওমর ফারুক ভূঁইয়া জেলার ১ নম্বর দক্ষিণ কালিবাজারের বাসিন্দা আব্দুল মালেক ভূঁইয়ার ছেলে এবং তাইফুল হক তার চাচা শামসুল হক ভূঁইয়ার ছেলে ।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কালির বাজারে মাসুম নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসছেন। তার এ কাজে বাধা দেন যুবদল নেতা ওমর ফারুক। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুমের নেতৃত্বে একটি দল গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় ফারুকের বাড়ির সামনে এসে তার চাচাতো ভাই তাইফুল হক ও তার ওপর হামলা চালান। অভিযুক্ত হামলাকারীরা ফারুকের কাঁধ, পেট ও পিঠে ছুরিকাঘাত করেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বুধবার রাতে তাইফুল বলেন, আজকে (গতকাল) মাগরিবের পর আমার চাচাতো ভাই ও আমি আমাদের বাড়ির সামনে অবস্থান করেছিলাম। তখন ছাত্রলীগ নেতা মাসুমের নেতৃত্বে ‘একদল সন্ত্রাসী’ মোটরসাইকেল করে এসে আমার বড় ভাইকে চা-পাতি দিয়ে কোপাতে থাকেন। আমার ভাইয়ের বাঁ কাঁধে, পিঠে কুপিয়ে জখম করে ‘সন্ত্রাসীরা’। আমি বাধা দিতে গেলে আমার ওপরও তারা হামলা চালায়।
ফারুক বলেন, মাসুম কালির বাজারের সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি করলে আমি বাধা দেই। একপর্যায়ে তারা ক্ষিপ্ত হয়েই আমার বাড়ির সামনে গিয়ে তাদের একটি দল চাপাতি, সুইস গিয়ার (চাকু) দিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমার চাচাতো ভাই তাইফুল আমাকে বাঁচাতে এলে তার ওপরও হামলা চালানো হয়।
তার দাবি, বল্লবপুরের মাসুদ আল হাসান মাসুম, হাত কাটা বাইল্লা, রেন্ডি মামুন, বাইল্লার ছেলে অপু, ইউছুফ, আবুল কালাম, আনিস ও মিজান তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। হামলাকারীরা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত বলেও দাবি করেন ফারুক।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মাসুমের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ হয়েছে বলে জেনেছি। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
৩০ দিন আগে