সচিবালয়
শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভার নীতিগত অনুমোদন
রাজধানীর আবদুল গণি রোড থেকে বাংলাদেশ সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। পাশাপাশি ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন জায়গায় সচিবালয়ের কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
শেরেবাংলা নগরে আগে যে জায়গায় ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আয়োজিত হতো, সেখানে নতুন সচিবালয় স্থাপন করা হবে।
নাসিমুল গনি বলেন, ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন জায়গায় দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগোচ্ছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
এদিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১৭ দশমিক ৫৭ একর জমির ওপর অবস্থিত বর্তমানে সচিবালয়ে ১৩টি ভবন রয়েছে, যার আটটি নির্মিত হয়েছে স্বাধীনতার আগে। এর মধ্যে চারটি ভবন ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে এবং আরেকটি ১৯৪৭ সালে নির্মিত।
ঢাকা শহর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এসব ভবনে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ।
এছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত দাপ্তরিক জায়গার (অফিস স্পেস) অভাব, অপর্যাপ্ত শৌচাগার এবং ভবনগুলোতে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে স্বাস্থ্যকর ও কাজের উপযোগী পরিবেশ বজায় রাখা কঠিন হচ্ছে।
বর্তমান সচিবালয়ে প্রায় ১৮ লাখ ৭৬ হাজার বর্গফুট দাপ্তরিক জায়গা রয়েছে। তবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত জায়গার চাহিদা পূরণ এবং সচিবালয় চত্বরের বাইরে থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে একত্র করার জন্য আরও অন্তত ১০ লাখ বর্গফুট জায়গা প্রয়োজন।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সিদ্ধান্তের পর স্থাপত্য অধিদপ্তর শেরেবাংলা নগরে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পুরোনো মাঠে নতুন সচিবালয়ের একটি প্রাথমিক নকশা তৈরি করে। লুই আই কানের মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নকশাটি করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, প্রায় ৩১ দশমিক ৫৮ একর জমিতে তিনটি বেজমেন্টসহ ১২ তলাবিশিষ্ট ১৪টি ভবন নির্মাণ করা হবে। এতে প্রায় ৩৩ লাখ ১৬ হাজার বর্গফুট জায়গা পাওয়া যাবে।
নতুন কমপ্লেক্সে তিন হাজার ৮০০টি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা থাকবে, যার মধ্যে ২০০টি গাড়ি থাকবে ভূ-উপরস্থ পার্কিংয়ে। এছাড়া একটি মসজিদ, ৩৫০ জন করে ধারণক্ষমতার দুটি বহুমুখী হল, একটি ক্যাফেটেরিয়া ও একটি ডাকঘর থাকবে।
এছাড়া প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ শতাংশ সবুজায়ন ও জলাধারের জন্য বরাদ্দ রাখা হবে।
১ দিন আগে
জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে চার দিনের সফর শেষে আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন।
এরপর দুপুরের দিকে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আবদুল্লাহ আলহামুদির সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু) এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, বিকেল ৪টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফরে আলোচিত বিষয়গুলোও মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনায় আসতে পারে।
২১ দিন আগে
অধস্তন আদালতের পৃথক সচিবালয় স্থাপন-সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল, শুনানি ৯ জুন
অধস্তন আদালতের জন্য পৃথক স্বাধীন সচিবালয় করার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এই আপিলের ওপর শুনানির জন্য আগামী ৯ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। দুপুরের পর আপিল আবেদনটি আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতে শুনানির জন্য উত্থাপন করা হয়।
আদালত অবেদনটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়েছেন। একইসঙ্গে শুনানির জন্য ৯ জুন দিন ধার্য করেছেন। তবে হাইকোর্টের রায়ের ওপর কোনো স্থগিতাদেশ দেননি আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক।
এর আগে, গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রায়টি দেন।
রায়ে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের সেই বিধান বাতিল ঘোষণা করা হয়, যেখানে অধস্তন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ, পদায়ন, পদোন্নতি, ছুটি ও শৃঙ্খলা বিধানের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত রয়েছে। একইসঙ্গে এসব বিষয়ে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের হাতে ন্যস্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া অধস্তন আদালত নিয়ন্ত্রণের জন্য তিন মাসের মধ্যে একটি পৃথক সচিবালয় স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালাও বাতিল ঘোষণা করা হয়।
গত ৭ এপ্রিল এ রায়ের ১৮৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন উচ্চ আদালত।
আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের ৭ জন আইনজীবী সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ ও ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন। একইসঙ্গে, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চাওয়া হয়। পরে একই বছরের ২৭ অক্টোবর এ বিষয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
বর্তমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার বিভাগে নিয়োজিত ব্যক্তি ও বিচারিক দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ, পদায়ন, পদোন্নতি, ছুটি ও শৃঙ্খলা বিধানের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত। তবে রাষ্ট্রপতি এ ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে প্রয়োগ করেন।
রিটকারীদের দাবি, এ ব্যবস্থায় নির্বাহী বিভাগের প্রভাব থেকে যায় যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পরিপন্থি। তাদের মতে, ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে এসব ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত ছিল।
পরে ১৯৭৪ সালের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এসব ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ‘সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তা প্রযুক্ত হইবে’ বাক্যাংশ যুক্ত করা হয়।
এরপর আপিল বিভাগ পঞ্চম সংশোধনী অসাংবিধানিক ঘোষণা করলে ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১১৬ অনুচ্ছেদের বর্তমান বিধান প্রতিস্থাপন করা হয়, যা এখনও কার্যকর রয়েছে।
১৫১ দিন আগে
সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঝটিকা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী
সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ঝটিকা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় যথাসময়ে উপস্থিতি নিশ্চিতের বিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।
রবিবার (২৯ মার্চ) সকাল ৯টা ৫ মিনিটে নিজ কার্যালয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাকে স্বাগত জানান মন্ত্রীপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে ১ নম্বর ভবন থেকে পায়ে হেঁটে ৬ নম্বর ভবনে যান প্রধানমন্ত্রী।
২০৪ দিন আগে
১৩ সচিব পদ এখনও খালি
বিএনপি সরকার গঠনের পর আগের সরকারের সময়ে চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া সচিবদের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে। একই সঙ্গে কয়েকজন সচিবকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রশাসনিক শীর্ষ পদে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।
গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া নয়, এমন জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিবদের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়। এরা সবাই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন। প্রায় সবার মেয়াদই চলতি বছরের শেষের দিকে শেষ হওয়ার কথা ছিল। ওইদিন গত সরকারের সময়ে সচিব হওয়া তিনজন কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রশাসনে ১৩টি সচিবের পদ খালি রয়েছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের পদ খালি রয়েছে।
এছাড়া পরিকল্পনা কমিশনের সচিব পদমর্যাদায় তিনজন সদস্যের পদ খালি রয়েছে। ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য এবং শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য পদেও কোনো কর্মকর্তা নেই।
আবার জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যানের পদও শূন্য রয়েছে। মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) জ্যেষ্ঠ সচিবদের পদটিও খালি রয়েছে।
এসব পদে নিয়োগ পেতে কর্মকর্তাদের দৌড়ঝাঁপ চলছে। সরকার আস্থাভাজন হিসেবে অবসরে যাওয়া কিছু কর্মকর্তাকে এসব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মাধ্যমে ফেরাতে চাইছে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সূত্র।
তবে সরকারের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের উদ্যোগের কারণে কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি অবসরপ্রাপ্ত সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীকে এক বছরের চুক্তিতে স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার এক দিন আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার মুখ্যসচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়ার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদও বাতিল করা হয়। তিনিও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
২৩৩ দিন আগে
সচিবালয় থেকে সংসদ ভবনের উদ্দেশে ৫০ গাড়ির বহর
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের ৫০টি গাড়ি যাচ্ছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের দক্ষিণ প্লাজায়। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫ মিনিট থেকে গাড়িগুলো সচিবালয় ছাড়তে শুরু করে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাড়িগুলো শপথের পর নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে তাদের বাড়িতে যাবে। প্রতিটি গাড়ির সঙ্গে একজন লিঁয়াজো অফিসার রয়েছেন। গাড়িগুলোর মধ্যে ৩৩টি টয়োটা ক্যামরি এবং ১৭টি মিৎসুবিশি ল্যান্সার।
শপথ অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বেলা ১২টার পর থেকে একাধিক মাইক্রোবাসে সচিবালয় ছেড়ে সংসদ ভবনের উদ্দেশে যাত্রা করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার থেকে গাড়িগুলো পরিবহন পুল থেকে সচিবালয়ে আসতে শুরু করে। পরিবহন পুলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ৬৮টি গাড়ি প্রস্তুত রেখেছিলেন। এর মধ্যে ৪৫টি গাড়ি প্রথমে সচিবালয়ে এনে রাখা হয়। এরপর আরও কয়েকটি গাড়ি আসে।
২৪৪ দিন আগে
অবৈধভাবে সচিবালয়ে প্রবেশ, ৩ জনের জেল
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়ের নিরাপত্তা জোরদার করেছে সরকার। এজন্য সচিবালয়ে প্রবেশ ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরই অংশ হিসেবে অবৈধভাবে সচিবালয় প্রবেশের কারণে ইতোমধ্যে তিনজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ সচিবালয় প্রবেশ নীতিমালা–২০২৫’ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গত ২৫ জানুয়ারি সচিবালয়ে অননুমোদিতভাবে প্রবেশের দায়ে দুইজনকে আটক করে মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং টিম।
আটকরা হলেন— মো. আলিফ শরীফ ও মো. আশিক। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় নিরাপত্তা শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সই জাল করে তারা সচিবালয়ে প্রবেশ করেছিলেন যা সরকারি নির্দেশনার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, মো. আলিফ শরীফ দীর্ঘদিন ধরে সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য অবৈধ পাস তৈরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এর আগে একাধিক ব্যক্তিকে এ ধরনের পাস তৈরিতে সহায়তা করেছেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মো. আলিফ শরীফকে ১ মাস এবং মো. আশিককে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এ ঘটনার সূত্র ধরে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একই অপরাধে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে কর্মরত মো. দিদারুল আলমকে চিহ্নিত করা হয়। তাকেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, সচিবালয়ে অননুমোদিত যানবাহন প্রবেশের বিষয়টিও কঠোরভাবে নজরদারিতে রয়েছে। স্টিকারবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ স্টিকারযুক্ত গাড়ির প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
সচিবালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের মনিটরিং ও অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে চলবে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২৬৪ দিন আগে
ভাতার দাবিতে আন্দোলন: সচিবালয়ের ১৪ কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত
সচিবালয় ভাতার দাবিতে আন্দোলন করা ১৪ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আদালত চার্জশিট গ্রহণ করায় সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে ওই কর্মচারীদের বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীদের মধ্যে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির, সহ-সভাপতি শাহীন গোলাম রাব্বানী ও নজরুল ইসলাম রয়েছেন।
এ ছাড়াও সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অন্য কর্মচারীরা হলেন—স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মো. তায়েফুল ইসলাম, বিকাশ চন্দ্র রায়, ইসলামুল হক, মো. মহসিন আলী, রোমান গাজী ও আবু বেলাল, তথ্য মন্ত্রণালয়ের মিজানুর রহমান সুমন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কামাল হোসেন ও মোহাম্মদ আলিমুজ্জামান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিপুল রানা বিপ্লব এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নাসিরুল হক।
সচিবালয় ভাতার দাবিতে গত ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিভিন্ন দপ্তরে আন্দোলনে নামেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশের নেতৃত্বে হওয়া ওই আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রায় ছয় ঘণ্টা সচিবালয়ের একটি দপ্তরে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন আন্দোলনকারীরা।
পরের দিনও আন্দোলন অব্যাহত থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া কয়েকজন কর্মচারীকে সচিবালয় এলাকা থেকেই আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে আদালত তাদের রিমান্ডেও পাঠান।
সরকার দাবির বিষয়ে আশ্বাস দেওয়ার পরও আন্দোলন অব্যাহত রাখায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আন্দোলনকারী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো।
৩০৬ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে সচিবালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শুরু
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শুরু হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো এ বৈঠকে অংশ নিতে সচিবালয়ে গিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস। বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সাড়ে ১০টার দিকে সচিবালয়ের নবনির্মিত এক নম্বর ভবনের পঞ্চম তলায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। তার আগে সকাল ৯ টা ২৫ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা সচিবালয়ের প্রবেশ করেন।
আজ সকালে সচিবালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, প্রধান উপদেষ্টার আগমনকে কেন্দ্র করে সচিবালয়ে কয়েক স্তরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। এক নম্বর গেট ছাড়া অন্য কোনো গেট দিয়ে গাড়ি প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এক নম্বর গেটে সোয়াত সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
এ ছাড়া সচিবালয়ের ভেতরে ও বাইরে বিজিবি, র্যাব, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে তৎপর দেখা গেছে। সচিবালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া আর কাউকে সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সচিবালয়ে প্রবেশের স্টিকার ছাড়া কোনো গাড়িও প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি সচিবালয় বিটে কাজ করা সাংবাদিকদেরও সকাল ১১টা পর্যন্ত সচিবালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন: নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি গোষ্ঠী উন্মুখ: প্রধান উপদেষ্টা
সকাল থেকেই এক নম্বর ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া অন্যদের এ ভবনের আশপাশে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। ভবনটি ঘিরে মোতায়েন করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য। নতুন নির্মিত এক নম্বর ভবনের সামনে বসানো হয়েছে আর্চওয়ে।
প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়ার পর গত বছরের ২০ নভেম্বর সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের ত্রয়োদশ তলায় মন্ত্রিসভা কক্ষে উপদেষ্টা পরিষদের একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মুহাম্মদ ইউনূস। তারপর দ্বিতীয়বারের মতো তিনি সচিবালয়ে গিয়েছেন। তবে নতুন ভবনে এটিই প্রথম উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক।
গত বছরের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর প্রধান উপদেষ্টার রাষ্ট্রীয় বাসভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক হতো। সরকার পতনের দিন ক্ষতিগ্রস্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংস্কার করে সেটিকেই প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে রূপান্তর করা হয়। তারপর থেকে নিয়মিতভাবে সেখানেই উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক হচ্ছে।
৪৩৮ দিন আগে
শুক্রবার থেকে যমুনা ও সচিবালয় সংলগ্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
বাংলাদেশ সচিবালয়, প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা ও আশপাশের এলাকায় যেকোনো সভা, সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সচিবালয় (সংলগ্ন এলাকাসহ) এবং প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় (হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং ও মিন্টু রোড ক্রসিং এর মধ্যবর্তী এলাকা) যেকোনো প্রকার সভা, সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট, শোভাযাত্রা ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হলো।
পড়ুন: অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরে বাধ্যতামূলক অবসরে ২৯ কর্মকর্তা, পদোন্নতি পেয়েছেন ১৫৪৯ জন
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ ১৯৭৬’র ২৯ ধারায় বর্ণিত অর্পিত ক্ষমতাবলে আগামী শুক্রবার (৮ আগস্ট) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই আদেশ বহাল থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এর আগেও চলতি বছরের ১০ মে ডিএমপি যমুনা ও সচিবালয় সংলগ্ন এলাকায় সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।
৪৩৯ দিন আগে