জিয়াউর রহমান
জিয়া হত্যা: মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার মধ্যে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন: বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়। শুনানিতে তিনি জানান, মোজাফফর হোসেন বর্তমানে সেনা হেফাজতে রয়েছেন।
আদেশে ট্রাইব্যুনাল বলেন, কার্যকর ও যথাযথ তদন্তের স্বার্থে মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় মোজাফফর হোসেনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা প্রয়োজন।
৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা ৭৭ বছর বয়সী মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গত বুধবার রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরদিন বৃহস্পতিবার তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার হাতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নিহত হন। তার আগের দিন তিনি দলের স্থানীয় বিরোধ মেটাতে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন।
জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনা, বয়ান ও বইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যাওয়া সশস্ত্র সেনা কর্মকর্তাদের একজন ছিলেন মোজাফফর হোসেন। হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি জিয়াউর রহমানের কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি পালিয়ে যান এবং তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য সে সময় পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল।
জিয়াউর রহমান হত্যার পর ‘বিদ্রোহের’ অভিযোগে সামরিক আদালতে ১৮ সেনা কর্মকর্তার বিচার হয়। তাদের মধ্যে ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে মেজর এস এম খালেদ ও মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
৮ ঘণ্টা আগে
জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মেজর মোজাফফর গ্রেপ্তার
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ও দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) মধ্যরাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কোর্ট মার্শাল সম্পন্ন করার জন্য তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম বিহস্পতিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে হামলা চালিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেন। এ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে মেজর মোজাফফর হোসেন ও ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন ছিলেন অন্যতম।
বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও মামলাসংক্রান্ত বিবরণ অনুযায়ী, মেজর মোজাফফর হোসেনই প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করেন এবং তাকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালান। হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত হওয়ার পর তিনিই চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে টেলিফোন করে জানান, ‘দ্য প্রেসিডেন্ট হ্যাজ বিন কিল্ড’, অর্থ্যাৎ, রাষ্ট্রপতিকে হত্যা করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর সামরিক ট্রাইবুনালে জিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে ১৮ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়। এদের মধ্যে ১৩ জন মৃত্যুদণ্ড এবং বাকি ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পরবর্তী সময়ে মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর নিহত হন। ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। তবে মেজর মোজাফফর হোসেন ও মেজর এস এম খালেদ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মেজর মোজাফফর হোসেন দীর্ঘ সময় ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। পরবর্তী সময়ে ছদ্মনাম ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতেন।
অবশেষে ৪৫ বছর আত্মগোপনে থাকার পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তার গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দেশের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত একটি অধ্যায়ে নতুন অগ্রগতি এসেছে।
সেনাবাহিনীর নিজস্ব বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখন তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে রচিত ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তিন খণ্ডে প্রকাশিত গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি।
বিশিষ্ট গবেষক ও লেখক কালাম ফয়েজী রচিত গ্রন্থটিতে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনা, নেতৃত্ব, উন্নয়ন দর্শন এবং জাতীয় জীবনে তার বহুমাত্রিক অবদান তুলে ধরা হয়েছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
১৯ দিন আগে
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্রের রূপকার জিয়াউর রহমান: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার মাধ্যমে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রবিবার (১৪ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম ও শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
আলোচনা সভা শুরুর আগে অতিথিরা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক দর্শনভিত্তিক আলোকচিত্র ও তথ্যসংবলিত প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম এবং রাষ্ট্রচিন্তা নিয়ে আরও ব্যাপক গবেষণা হওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের অবদান বহুমাত্রিক। তিনি শুধু রাষ্ট্র পরিচালনা করেননি, জাতির জন্য একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক দর্শনও উপস্থাপন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুইটি অবদান হলো বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া। তার নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটেছিল এবং জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ বিস্তৃত হয়েছিল।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জিয়াউর রহমান আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেত। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা দেশের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছিল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক তখনই জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেন, যখন তিনি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতির চর্চা করেন।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, রাষ্ট্রগঠনে তার অবদান, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা এবং গণমাধ্যমবান্ধব কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
৩৭ দিন আগে
মাত্র সাড়ে তিন বছরে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে নতুন রূপ দিয়েছিলেন: মঈন খান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, মাত্র সাড়ে তিন বছরের রাষ্ট্র পরিচালনায় শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে নতুন রূপ দিয়েছিলেন, যা পরবর্তী ৪৫ বছরেও অর্জন করা সম্ভব হয়নি।
রবিবার (৭ জুন) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম আয়োজিত ‘রাষ্ট্র বিনির্মাণে মুক্তিযোদ্ধাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানটি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়।
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষণাটি দিয়েছিলেন এটি কি তাৎক্ষণিক ছিল? নাকি এই চিন্তাধারা যার মনে অনেক আগে থেকেই ছিল?
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণার বিষয়ে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ও চিন্তাধারা নিয়ে ইতিহাসভিত্তিক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি, যা দীর্ঘদিনের একটি ঘাটতি। এ বিষয়ে সরকার শিগগিরই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মঈন খান বলেন, জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনার সময়কাল ছিল স্বল্প, তবে ওই সময়েই তিনি দেশের প্রশাসন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, পরবর্তী ৪৫ বছরে কেন সেই অর্জন পুনরাবৃত্তি করা সম্ভব হয়নি?
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ইতিহাসের অংশ। করাচিতে অবস্থানকালেও তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জনগণের বঞ্চনা নিয়ে আলোচনা করতেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ১৯৭৫ সালের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান পুনরায় রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পান এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রশাসনিক দক্ষতা ও অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণের মাধ্যমে দেশকে অগ্রগতির পথে নিতে ভূমিকা রাখেন।
তিনি উল্লেখ করেন, সে সময় খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছিল।
মঈন খান বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় শৃঙ্খলা, সততা ও দেশপ্রেম, এই তিনটি বিষয়কে জিয়াউর রহমানের মূল আদর্শ হিসেবে দেখা হয় এবং এগুলোর বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত।
৪৪ দিন আগে
শহিদ জিয়ার আদর্শে দেশ গঠনে সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে দীক্ষিত হয়ে দেশ গঠনের কাজে সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর ইসিবি চত্বর ও কুড়িল এলাকায় দুঃস্থদের মধ্যে বস্ত্র ও শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচির আগে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনীতির মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের সেবা করা, মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একইসঙ্গে তিনি আমাদের দীক্ষা দিয়ে গেছেন কীভাবে দেশের জন্য কাজ করতে হয়, কীভাবে দেশকে গঠন করতে হয়। তারই অংশ হিসেবে আমরা আজ দুঃস্থ মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত নিয়ে দাঁড়িয়েছি।’
৫২ দিন আগে
জিয়ার ১৯৭১ সালের বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল: ভারত
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে স্মরণ করেছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন।
শনিবার (৩০ মে) হাইকমিশন এক বার্তায় জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে।
বার্তায় বলা হয়, আজ বাংলাদেশের জনগণ যখন জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম-এর স্মরণে সমবেত হয়েছে, তখন আমরা ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে তার কণ্ঠে ধ্বনিত সেই বিখ্যাত বেতার ভাষণের কথা স্মরণ করছি, যা জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল, নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের পথে তাদের অনুপ্রাণিত করেছিল এবং জাতীয় মুক্তির দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।
বার্তায় আরও বলা হয়, তখন যেমন ছিলাম, আজও তেমনি আমরা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিন্ন আত্মত্যাগের এক গৌরবগাঁথা এবং উভয় দেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অভিন্ন যাত্রায় পাশে রয়েছি।
এদিকে, জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানও তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
আজ বেলা ১১টায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী শহিদ জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও ফাতেহা পাঠ করেন।
এ সময় তার সঙ্গে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিলুন হকসহ দল ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
৫২ দিন আগে
জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে: রাষ্ট্রপতি
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তার অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম, সততা, ন্যায়বোধ ও স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এই বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কের অসামান্য অবদানকে সশ্রদ্ধচিত্তে ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জিয়াউর রহমান নির্মমভাবে শহিদ হন। এ বেদনাবিধুর দিনে তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তার অসামান্য অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার ইতিহাসে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক অবিস্মরণীয় নাম। মহান মুক্তিযুদ্ধের ঊষালগ্নে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান এবং তার স্বাধীনতার ঘোষণা দিশেহারা জাতিকে আলোর পথ দেখায়। তার আহ্বানে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতি মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব, রণকৌশল ও অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।
বাণীতে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা, নাগরিক ও বাকস্বাধীনতা হরণ, নৈরাজ্য, দুর্নীতি ও লুটপাটে রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে পড়ার উপক্রম হলে এক সংকটময় সময়ে দেশের দায়িত্বভার জিয়াউর রহমানের ওপর অর্পিত হয়। জাতির বিভিন্ন ক্রান্তিকালে তার ভূমিকা ছিল ত্রাতার ও উদ্ধারকর্তার। তার সফল নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সর্বদা আলোর পথ দেখাবে বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বহুমুখী পরিকল্পনা ও যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমান ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা। কৃষি উন্নয়ন, খাল খনন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবার পরিকল্পনা, গ্রাম সরকার, গ্রামীণ উন্নয়ন, গণশিক্ষাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি জনগণকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করেন। যুব উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, শিশুদের বিকাশ এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারেও তার অবদান অবিস্মরণীয় বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
বাণীতে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে জিয়াউর রহমান একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছিলেন। তিনি মুসলিম বিশ্ব, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্মানজনক, বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তিনিই প্রথম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেন, যার ফলে আজ প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শহিদ জিয়ার সক্রিয় উদ্যোগের ফলেই পরবর্তীকালে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। অল্প সময়ের জন্য রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলেও তিনি গভীর দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দূরদর্শিতার সঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন, যা আজও সমুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে ও নির্মোহ জীবন, বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং একজন বাস্তববাদী ও কর্মোদ্যমী রাষ্ট্রনায়কের পরিচয় জনগণের মণিকোঠায় চিরজাগরুক থাকবে। তার কর্মময় জীবন, অগাধ দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা এবং স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বাণীর শেষে রাষ্ট্রপতি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে তার জন্য জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম প্রার্থনা করেন।
৫২ দিন আগে
জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ৮ দিনের কর্মসূচি
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল ৩০ মে। এবার নানা কর্মসূচির মাধ্যমের দলের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ করবে বিএনপি।
এ উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত ৮ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশে কালো পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, দোয়া মাহফিল এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করা হবে।
শুক্রবার (২৯ মে) রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, শনিবার (৩০ মে) ভোর ৬টায় নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।
এছাড়া সকাল ১১টায় শেরেবাংলা নগরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা।
রিজভী বলেন, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, চিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, দোয়া মাহফিল এবং সামাজিক কার্যক্রম।
তিনি জানান, ঢাকা মহানগরের উত্তর ও দক্ষিণের বিভিন্ন এলাকায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করা হবে। এসব কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।
তিনি আরও বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম প্রতীক। তার আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এসব কর্মসূচি পালন করা হবে।
৫৩ দিন আগে
জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক যৌথসভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি যৌথসভায় সভাপতিত্ব করেন।
এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল উপস্থিত ছিলেন।
রিজভী বলেন, দলের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, পোস্টার প্রকাশ, দোয়া মাহফিল এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি পালন করবে।
তিনি জানান, ঈদুল আজহা মাঝামাঝি সময়ে পড়ায় কোনো কর্মসূচি এক-দুই দিন পিছিয়ে আয়োজন করা হলেও তাতে সমস্যা হবে না।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। একই দিন বেলা ১১টায় দলের মহাসচিব, জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করবেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান রিজভী।
৬৪ দিন আগে