চাঁপাইনবাবগঞ্জ
৩ মোটরসাইকেলসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তিনটি চোরাই মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ।
এর আগে গতকাল (বুধবার) রাতে সদর উপজেলার রানীহাটি-বৈলতলা এলাকা থেকে তিনজন এবং শিবগঞ্জ উপজেলা থেকে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন শিবগঞ্জ উপজেলার হাউসনগরের আব্দুস সালাম, দাদনচক এলাকার সোহেল রানা, আসিফ, তারাপুর-মুন্নাপাড়ার মোহাম্মদ আলী, শ্যামপুর সাহাপাড়ার ইমন রেজা ও কয়লাদিয়াড় গ্রামের আশিক।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের একটি দল বুধবার রাতে রানীহাটি-বৈলতলা এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে আব্দুস সালাম, সোহেল রানা ও আসিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদ আলী, ইমন রেজা ও আশিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে মোটরসাইকেল চুরি ও ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত। তারা মোটরসাইকেল চুরির পর জেলার বাইরে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল বিক্রি করতে না পারলে এর পার্টস খুলে বিক্রি করেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আগেও মোটরসাইকেল চুরির মামলা হয়েছে জানিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।
২ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০টি ককটেলসহ বিস্ফোরক জব্দ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০টি ককটেলসহ প্রায় ৫ কেজি ওজনের বিস্ফোরক দ্রব্য জব্দ করেছে র্যাব।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলার সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এসমা কলেজপাড়া এলাকায় আমবাগান থেকে এসব বিস্ফোরক পদার্থ জব্দ করা হয় বলে আজ (বুধবার) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে র্যাব-৫-এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প।
বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (মঙ্গলবার) রাত সোয়া ৯টার দিকে র্যাবের একটি বোম্ব ডিসপোজাল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ১০টি ককটেল, ২ কেজি ৮০০ গ্রাম গান পাউডার ও ২ কেজি ১৫০ গ্রাম ওজনের বারুদ সদৃশ্য গুড়া পাউডার জব্দ করে। তবে এ সময় সন্দেহভাজন কাউকে পাওয়া যায়নি।
র্যাবের ধারণা, নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে দুষ্কৃতিকারীরা বিস্ফোরক দ্রব্যগুলো সেখানে সংরক্ষণ করে রেখেছিল।
জব্দকৃত দ্রব্যগুলো সদর থানায় জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
৩ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রামীণ সড়ক বেহাল, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দায়পুকুরিয়া ইউনিয়নের কামালপুর থেকে মির্জাপুর হয়ে কর্ণখালী পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েকটি গ্রামের মানুষ। সড়কটিতে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ।
বর্ষায় সড়কটি আরও বেহাল হয়ে গেছে। বৃষ্টিতে সড়কটির বিভিন্ন অংশের পিচ উঠে গিয়ে কোথাও কোথাও পানি জমে থাকছে ৫ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত। এতে রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত, কৃষিপণ্য বাজারজাতসহ প্রতিদিনের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দায়পুকুরিয়া ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি স্থানীয়দের চলাচলের অন্যতম প্রধান পথ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের বিভিন্ন অংশের পিচ উঠে গেছে। বর্ষা মৌসুমে খানাখন্দে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। এতে যানবাহন চলাচল যেমন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে, তেমনি পথচারীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
৩ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার পানি কমলেও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি নেই
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নদটির পানি ৬ সেন্টিমিটার কমেছে। তবে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির এখনও তেমন উন্নতি হয়নি।
জেলার সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও পানিতে প্লাবিত রয়েছে। এতে দুর্ভোগে রয়েছেন এসব এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।
অন্যদিকে, জেলার অপর দুই নদী মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বেড়েছে।
৬ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন নদীর পানি বৃদ্ধি, পানিবন্দি ৪ হাজার ৩৫০ পরিবার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে উজানের ঢলে পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ৪ হাজার ৩৫০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তবে তিন নদীর পানিই এখনও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পানি ৩ সেন্টিমিটার, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি ৭ সেন্টিমিটার করে বেড়েছে।
পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ২৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বিপৎসীমার যথাক্রমে ১ দশমিক ০৫ মিটার ও ২ দশমিক ০২ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
৭ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে দ্রুত বাড়ছে ৩ নদীর পানি, পানিবন্দী ২৯০০ পরিবার
উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও বৃষ্টির পানিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। নদীগুলোর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মা নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
জেলার দুই উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ২ হাজার ৯০০ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের চাঁপাইনবাবগঞ্জ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পানি ৭ সেন্টিমিটার বেড়ে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
মহানন্দা নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১ দশমিক ১২ মিটার নিচ দিয়ে এবং পুনর্ভবা নদীর পানি ১৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২ দশমিক ০৯ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফ আফজাল রাজন জানান, পদ্মা নদীর পানি বাড়ায় উপজেলার নারায়ণপুর ও আলাতুলী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে ১ হাজার ১০০ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
৮ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে হু হু করে বাড়ছে ৩ নদীর পানি, ডুবছে নিম্নাঞ্চল
উজানে ভারত থেকে নেমে আসা ঢল ও বৃষ্টির পানিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি হঠাৎ করে বাড়তে শুরু করেছে। এসব নদীর পানি এখন পর্যন্ত বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও জেলার সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মা নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের কোনো কোনো এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কোথাও কোথাও বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বন্যার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার, মহানন্দা নদীর পানি বিপৎসীমার ১.৩২ মিটার এবং পুনর্ভবা নদীর পানি ২.৩২ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড।
সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজির হোসেন জানান, পদ্মা নদীতে ব্যাপক হারে পানি বাড়ছে। এখন পর্যন্ত কোনো বাড়িঘরে ও রাস্তায় পানি ঢোকেনি, তবে কয়েকটি জায়গায় নদীভাঙন চলছে। এমনভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে কয়েক দিনের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম আজম বলেন, এখন পর্যন্ত বাড়িঘরে পানি না ঢুকলেও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে দুই-তিন দিনের মধ্যে তার ইউনিয়নের ৪ নম্বর ও ৬, ৭, ৮ এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিম্নাঞ্চলে পানি এসে যাবে। তবে নিম্নাঞ্চলের কিছু পাকা আউশ ধানখেত নিমজ্জিত হয়েছে। কৃষকরা এসব এলাকার ধান কেটে ঘরে তুলছেন।
এদিকে, একই উপজেলার পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক বলেন, পদ্মায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় তার ইউনিয়নের চরপাঁকা, লক্ষ্মীপুর, নতুনপাড়া এলাকায় অন্তত ১০০টি বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। এ ব্যাপারে তিনি খোঁজখবর নিচ্ছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবীব বলেন, উজানে ভারত থেকে নেমে আসা ঢল ও বৃষ্টির পানিতে জেলার নদীগুলোর পানি বাড়ছে। তবে দুই দিন পানি বাড়ার পর আবার কমতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৯ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে’ ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার পুলিশ লাইনস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একসঙ্গে ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। দুপুরে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খাওয়ার পর তারা অসুস্থ পড়ে বলে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টার মধ্যে অসুস্থ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য দিনের মতো আজও শিক্ষার্থীদের স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় ডিম ও বনরুটি দেওয়া হয়। খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পর থেকে একে একে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে থাকে। এরপর বেশি অসুস্থ বোধ করায় তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জমির মো. হাসিবুস সাত্তার বলেন, শিক্ষার্থীদের ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের সবারই পেটে ব্যথা অনুভবসহ খাদ্যে বিষক্রিয়ার বিভিন্ন লক্ষণ রয়েছে। তাই প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাবার খেয়েই তারা অসুস্থ হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিশুরা আশঙ্কামুক্ত হলেও তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে অসুস্থ এক শিক্ষার্থীর বাবা জহুরুল ইসলাম বলেন, সরকারই শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের খাবার সরবরাহ করছে। কিন্তু খাবারের মান যাচাইয়ে আরও ভালো পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত। নিম্নমানের খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হচ্ছে, এতে সরকারের আসল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হতে পারে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার সরবরাহ করে বেসরকারি সংস্থা গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)। শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার বিষয়ে কথা বলার জন্য গাকের জেলা সমন্বয়কারী কবির হোসেনকে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এর আগেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের চারটি বিদ্যালয়ে গাকের দেওয়া খাবার খেয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
১৩ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে ৫ শিশু নিহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবিনগর ইউনিয়নের চর চাকলা এলাকায় মরা পাগলা নদীতে গোসল করতে নেমে ৫ শিশু নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো— চর চাকলা এলাকার মাসুদ আলীর দুই মেয়ে সুমাইয়া (১০) ও আরিফা (৮), নেজাম উদ্দিনের দুই মেয়ে সুরাইয়া (৯) ও সুমাইয়া (১১) এবং অপরজন হলো শরিফুল ইসলামের মেয়ে সরিফা (১১)।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার দেবীনগর ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর চাকলা এলাকায় মরা পাগলা নদীতে গোসল করতে নামে বেশ কিছু শিশু। গোসলের এক পর্যায়ে পাঁচ শিশু পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা নদীতে তল্লাশী চালিয়ে একে এক ৫ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
২২ দিন আগে
চাঁপাই সীমান্তে ৬ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রামদাসপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ৬ জন পুরুষকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করেছে। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে সেই চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে বিজিবির নওগাঁ ১৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ রামদাসপুর সীমান্তের ২১৬ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকা দিয়ে ভারতের ১২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের শমসের নগর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ৬ জন পুরুষকে পুশ ইনের চেষ্টা করেন। এ সময় বিজিবির রামদাসপুর বিওপির টহল দল বিষয়টি টের পেয়ে তা মোকাবিলা করে। বর্তমানে ওই ৬ জন সীমান্তের শূন্য রেখায় ভারতীয় অংশে অবস্থানরত অবস্থায় রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, পুশ ইনের যেকোনো চেষ্টা প্রতিরোধে বিজিবি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সীমান্তে কড়া নজরদারি ও নিয়মিত টহল অব্যাহত রয়েছে।
২৩ দিন আগে