গরু
কুষ্টিয়ার ২৬ মণের ‘রাজাবাবু’, দাম হাঁকা হচ্ছে ৮ লাখ
কোরবানির ঈদ এলেই দেশের পশুর বাজারে বড় গরু নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। কোথাও বিশাল আকৃতির ষাঁড়, কোথাও লাখ টাকার দাম হাঁকা গরু—সবকিছু নিয়েই চলে মানুষের আগ্রহ।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এবার কুষ্টিয়া জেলার প্রান্তিক খামারিরা তাদের পশু প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে এবারের কোরবানির বাজারে আলোড়ন তুলেছে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জিয়ারখী ইউনিয়নের কমলাপুর লক্ষ্মীপুর গ্রামের প্রায় ২৬ মণ ওজনের ‘রাজাবাবু’। খামারিরা যার দাম হাঁকছেন ৮ লাখ টাকা।
ধবধবে সাদা ও কালো রঙের গরুটির বয়স তিন বছর। গরুটি এখন চার দাঁতের। বিশাল আকারের রাজাবাবুকে দেখতে প্রতিদিন দূরদুরান্ত থেকে খামারে আসছে দর্শনার্থীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিজ বাড়ির গাভী গরুর বাছুর এই গরুটিকে নিজ সন্তানের মতো লালনপালন করছেন মো. মোতালেব হোসেন মন্ডল। ভালোবেসে তিনি গরুটির নাম দিয়েছিলেন ‘রাজাবাবু’। গম, ছোলা, চালের গুড়া, আলু ও ঘাস খাইয়ে দেশীয় পদ্ধতিতে পালন করা হয়েছে গরুটি।
সরেজমিনে মো. মোতালেব হোসেন মন্ডলের খামারে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ২৬ মণ ওজনের গরুটির যত্ন নিচ্ছেন তার সহধর্মিনী।
তিনি বলেন, ‘প্রায় ১০ বছর যাবত আমাদের গরুর খামার আছে এবং ৩ বছর এই গরুটা আমরা সখ করে লালনপালন করছি। এই গরুকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হয়, আমরা কোনো প্রকার ওষুধ বা ইঞ্জেকশন ব্যবহার করিনি। গরুর খাওয়া বাবদ প্রতিদিন প্রায় এক হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। আমাদের গরুটির ওজন ২৬ মণ, দাম ৮ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।’
মোতালেব হোসেন মন্ডল বলেন, আমার একটি গাভীর পেট থেকে রাজাবাবুর জন্ম। জন্মের পর থেকে তাকে আমি লালনপালন করছি। গরুটি খুবই শান্ত প্রকৃতির। এজন্যই তার নাম রেখেছি রাজাবাবু। আমি তাকে আমার নিজস্ব চাষ করা ঘাস, খড়, ভুষি খাইয়েছি। বাইরের কোনো খাবার খাওয়াইনি। হঠাৎ অসুস্থতার কারণে গরুটি এবার হাটে তুলতে পারছি না। যদি কেউ কিনতে চান, তাহলে আমার এই ০১৭২০৬০৪২০২ নম্বরে যোগাযোগ করলে হবে।
তিনি জানান, ব্যাপারীরা এ পর্যন্ত রাজাবাবুর দাম ৬ লাখ টাকা বলেছেন। কিন্তু তিনি ৮ লাখ টাকায় গরুটি বেচতে চান। যদি কাঙ্ক্ষিত দামে ‘রাজাবাবু’ বিক্রি না হয়, তাহলে তিনি শনিবার পশুটিকে নিয়ে গাবতলীর হাটে যাবেন।
মোতালেব হোসেনে আরও বলেন, এবার যদি ভারত থেকে গরু না আসে, তাহলে লাভবান হবেন খামারিরা। গো-খাদ্যের দাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই সরকারের কাছে দাবি জানাই, যেন গরু আমদানি করা না হয়।
১০৫ দিন আগে
কোরবানির বাজার মাতাতে আসছে ‘কালা বাবু’ ও ‘ধলা বাবু’
আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে দুটি গরুকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। ‘কালা বাবু’ও ‘ধলা বাবু’ নামের বিশালাকৃতির এই দুই গরুর মোট ওজন প্রায় ৮৫ মণ। গরু দুটি দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে খামারে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ আসছেন কৌতূহলবশত, আবার কেউ আসছেন কোরবানির জন্য পছন্দের গরুটি কিনতে।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ‘বিসমিল্লাহ অ্যাগ্রো ফার্মে’ বিশেষ পরিচর্যায় বেড়ে উঠেছে গরু দুটি।
খামারজুড়ে এখন যেন উৎসবমুখর পরিবেশ। বিশাল দেহের কারণে গরু দুটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনায় এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পাশের জেলা থেকেও মানুষ ছুটে আসছেন ‘কালা বাবু’ ও ‘ধলা বাবু’কে একনজর দেখতে।
খামার সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর ধরে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে লালন পালন করা হয়েছে গরু দুটি। ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুগুলোকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকা অনুযায়ী খাওয়ানো হয়। সবুজ ঘাস, ভুসি, খৈল, ভুট্টা ও খড়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ফলমূলও খাওয়ানো হয়েছে তাদের।
খামারের কর্মীরা জানান, গরু দুটিকে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ বা ইনজেকশন ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায়ে বড় করা হয়েছে।
খামারের এক কর্মচারী বলেন, সকালে গরু দুটিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার পর বিশেষ খাবার দেওয়া হয়। দুপুর ও রাতেও আলাদা খাদ্যতালিকা মেনে খাওয়ানো হয়। গরমের কারণে নিয়মিত গোসল করানো এবং বিশ্রামের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
কোরবানির বাজারকে সামনে রেখে গরু দুটিকে সাজানো হয়েছে বিশেষভাবে। বর-কনের আদলে সাজসজ্জা করায় দর্শনার্থীদের আগ্রহ আরও বেড়েছে। গলায় রঙিন ফিতা, মাথায় অলংকার ও শরীরে নকশা করা কাপড় পরিয়ে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করা হয়েছে। অনেকেই গরু দুটির সঙ্গে ছবি তুলছেন, ভিডিও করছেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তবে বিশাল আকৃতির কারণে গরু দুটি সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে খামারের শ্রমিকদের। দর্শনার্থীদের অনুরোধে মাঝে মাঝে খামারের বাইরে বের করা হলেও তখন বাড়তি সতর্কতা নিতে হচ্ছে। কয়েকজন শ্রমিক একসঙ্গে চেষ্টা করেও গরুগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে কষ্ট হচ্ছে বলে জানান তারা।
খামারের পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তিন বছর ধরে অনেক যত্ন করে গরু দুটি বড় করেছি। কালা বাবুর চার দাঁত এবং ধলা বাবুর দুই দাঁত উঠেছে। প্রতিদিন নিয়মিত পরিচর্যা ও ভালো খাবার দেওয়ায় গরুগুলো এমন আকৃতি পেয়েছে। ক্রেতাদের সুবিধার জন্য ওজন অনুযায়ী প্রতি কেজি ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হবে।
তিনি আরও বলেন, অনেকেই শুধু দেখতে আসছেন। আবার অনেকে আগ্রহ নিয়ে দামও জানতে চাচ্ছেন। আমরা কোরবানির জন্য ভালো ও স্বাস্থ্যকর গরু মানুষের হাতে তুলে দিতে চাই।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান বলেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জেলায় পশু মোটাতাজাকরণে যাতে কেউ ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে আমাদের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। খামারগুলো নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পশু নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ বিভাগ কাজ করছে। এ সময়ে কালা বাবু ও ধলা বাবুর কথা তিনি জানেন বলে জানান।
১১৫ দিন আগে
গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে ভাতিজার হাতে চাচা খুন
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ভাতিজার হাতে চাচা খুনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৭ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার তেলিখাল ইউনিয়নের শিলাকুড়ি গ্রামে গরুকে খাওয়ানো নিয়ে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত সামছুল হক (৫০) ঐ গ্রামের আকলু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় সামছুল ও তার ভাতিজার মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় সামছুলকে কুপিয়ে আহত করেন ভাতিজা। স্থানীয়রা উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজায়ের আল মাহমুদ আদনান বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযুক্তকে শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে।’
হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
৪৮৪ দিন আগে
সুনামগঞ্জে গরুর ধান খাওয়া নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ
সুনামগঞ্জে গরুর খেতের ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন।
শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের আস্তমা গ্রামের উত্তরে ও কামরূপদলং মাদরাসার পূর্ব পাশে পশ্চিম বন্দে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।
আস্তমা গ্রাম ও কামরুপদলং গ্রামের এই সংঘর্ষে আহতরা সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল, শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আস্তমা গ্রামের পক্ষের আহতরা হলেন— আক্তার হোসেন, দুলাল মিয়া, জুয়েল মিয়া, শামসুজ্জামান, নাছির আলী, আবদুল জলিল, খাইরুল আমীন, এমরান হোসেন, সাদিক মিয়া, নুরুজ্জামান ও সৌরভ হোসেন।
এ ছাড়াও ওই গ্রামের পক্ষ থেকে আরও ১০-১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
অপরদিকে, কামরুপদলং গ্রামের পক্ষের আহতরা হলেন— বাতির আলী, সুন্দর আলী, সুজন মিয়া, কালাই মিয়া, মতিউর রহমান, শওকত আলী, নবী হোসেন ও শাফি আহমেদ।
তাদের পক্ষের আহত আরও ৭ থেকে ৮ জনের নামও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
আরও পড়ুন: বেনাপোলে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৫
স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকালে আস্তমা গ্রামের আলগা বাড়ির (আলাদা বাড়ি) কৃষক বজলু মিয়ার গরু কামরুপদলং গ্রামের কৃষক সুরুজ মিয়ার জমির ধান খায়। এ বিষয় নিয়ে দুই কৃষকের মধ্যে মারামারি হয়। পরে এই ঘটনার জেরে দুই গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েলে এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে অন্তত ৪০ জন আহত হন।
আস্তমা গ্রামের পক্ষে আজগর মিয়া দাবি করেন, গরু অবুঝ প্রাণী। তাকে কেউ বলে দেয় না যে, অমুকের জমিতে গিয়ে ধান খেয়ে আয়। গরুর ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে বজলু মিয়া ও তার পরিবারের লোকজনকে মারধর করে জমির মালিক সুরুজ মিয়া। এতে আমাদের গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর সন্ধ্যায় কামরুপদলং গ্রামের পক্ষে নুরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেনসহ বেশ কয়েকজন এসেছিলেন ঘটনাটি শালিসের মাধ্যমে মীমাংসা করে দিতে। আমরাও তাদের আশ্বস্ত করেছিলাম যে, গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসা করে ফেলাই ভালো। কিন্তু আজ (রবিবার) সকালে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
কামরুপদলং গ্রামের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম বলেন, ‘গরুর ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে শনিবার একটি হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আমরা চেয়েছিলাম বিষয়টি গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে শেষ করে দেই। কিন্তু আস্তমা গ্রামবাসী বিচার না মেনে সকালে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমাদের গ্রামের দিকে আক্রমণ করে। পরে আর কোনো কিছুই কন্ট্রোলে থাকেনি। পরবর্তীতে ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।’
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকরাম আলী বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। যদি কোনো পক্ষ মামলা করে, তখন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
৫৬৫ দিন আগে
গরুর গায়ে চলন্ত রিকশার ধাক্কা, যাত্রী নিহত
দিনাজপুরে গরুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে চলন্ত রিকশা ভ্যান থেকে ছিটকে পড়ে আবু বক্কর সিদ্দিক হিরু মিয়া (৬৫) নামে এক যাত্রী নিহত হয়েছে।
সোমবার (১ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে নবাবগঞ্জে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন: খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
নিহত আবু বক্কর সিদ্দিক হিরু মিয়া রংপুরের পীরগঞ্জের খালাসপীর গ্রামের মৃত মোজাম উদ্দিনের ছেলে।
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল লতিফ বলেন, ‘নবাবগঞ্জের ফকিরপাড়া গ্রামের মধ্য দিয়ে রিকশা ভ্যানটি যাওয়ার সময় গরুর সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এসময় চলন্ত ভ্যান থেকে ছিটকে রাস্তার পাশের বৈদ্যুতিক পিলারে আঘাত লেগে হিরু মিয়া নিহত হয়েছেন।’
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২
৭৯৫ দিন আগে
গরুকে ঘাস খাওয়ানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ১
সিলেট সদর উপজেলার সাহেবের বাজারের কান্দিরপথ গ্রামে গরুকে ঘাস খাওয়ানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ফকির আলী নামে একজন নিহত হয়েছেন।
এঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। নিহত ফকির আলী কান্দিরপথ গ্রামের কুটি মিয়ার ছেলে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে গোডাউনে মিলল ব্যবসায়ীর লাশ
শুক্রবার (১৪ জুন) দুপুর ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এদিকে, তাৎক্ষণিক এ ঘটনায় পুলিশ চারজনকে আটক করেছে।
আটকরা হলেন, আলেকা বিবি, হুছনা বেগম, শাহনাজ, শারমিন।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এয়ারপোর্ট থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার জহিরুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বজ্রপাতে ২ জন নিহত
চাঁদপুরে বজ্রপাতে ৬ গবাদিপশুর মৃত্যু
৮১২ দিন আগে
গরু চরাতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
সিলেটের কানাইঘাটে গরু চরাতে গিয়ে বজ্রপাতে মাহতাব উদ্দিন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) সকালে কানাইঘাট উপজেলার ১ নম্বর লক্ষীপাশা ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
মাহতাব উপজেলার বাজার দর্পনগর পশ্চিম (করচটি) গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, মাহতাব উদ্দিন মাঠে গরু চরাতে যান। একপর্যায়ে হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: মৌলভীবাজার বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
৮৫১ দিন আগে
কুড়িগ্রামে আগুনে বসতঘরসহ গরু পুড়ে ছাই
কুড়িগ্রামে আগুনে পুড়ে সাইদুল ও মাইদুল ইসলাম নামে দুই দিনমজুরের ৫টি বসতঘর ও ৬টি গরু পুড়ে মারা গেছে।
শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নে ঝাকুয়াবাড়ি গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি করছে পরিবারগুলো। ঘরবাড়ি পুড়ে যাওয়া নিঃস্ব হওয়া পরিবারটির পাশে আর্থিক সহায়তা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
আরও পড়ুন: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকারে আগুন
পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, পরিবারের লোকজন শুক্রবার ঈদের দাওয়াত খেতে গেলে রাত ৯ টার দিকে সাইদুলের গোয়ালঘর থেকে হঠাৎ আগুন দেখতে পায় স্থানীয়রা।
পরে তারা দৌড়ে এসে আগুন নেভাতে চেষ্টা করা হলেও এতে দুই পরিবারের থাকার বসতঘর ও গোয়ালঘরে থাকা ৬টি গরু পুড়ে মারা যায়। কীভাবে আগুন লেগেছে কেউ জানে না।
স্থানীয় শিক্ষক আমিনুর রহমান বলেন, সাইদুলের বাড়িতে হঠাৎ আগুন দেখতে পেয়ে আমরা ছুটে গিয়ে দেখি গোয়াল ঘরে গরু ও বসতঘরসহ আসবাব পত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ভিতরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শফিউল আলম শফি বলেন, আগুনে পুড়ে যাওয়া পরিবার দুইটিকে ইউএনও স্যারসহ আমি দেখে আসছি। পরিবার দুইটিকে সব প্রকার সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি।
নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মো. সিব্বির আহমেদ বলেন, আগুনে পুড়ে যাওয়া পরিবারগুলোকে উপজেলা প্রশাসন থেকে আর্থিক সহায়তা করেছে এবং পরবর্তী জেলা প্রশাসন থেকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি।
আরও পড়ুন: ভাষানটেকে আগুনে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ
ঢাকার হাজারীবাগে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে
৮৭৪ দিন আগে
কুড়িগ্রামে গরু বোঝাই ভটভটি উল্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে গরু বোঝাই ভটভটি উল্টে নুরুজ্জামান নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে থানাঘাট-ভূরুঙ্গামারী সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যবসায়ী উপজেলার পাথরডুবী ইউনিয়নের উত্তর পাথরডুবী গ্রামের অকিবর রহমানের ছেলে। মৃত নুরুজ্জামান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী। তিনি গ্রাম থেকে গরু কিনে ভূরুঙ্গামারী হাটে বিক্রি করতেন।
আরও পড়ুন: বড় ভাইয়ের ইটের আঘাতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর অভিযোগ
পরিবারের বরাত দিয়ে পাথরডুবি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর জানান, শনিবার ভূরুঙ্গামারী হাটে গরু বিক্রি করতে যাচ্ছিলেন। মইদাম ভূষিরভিটা এলাকায় পৌঁছালে ভটভটি উল্টে মারাত্মক আহত হন নুরুজ্জামান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভূরুঙ্গামারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে যাওয়ার পথে রাস্তায় তার মৃত্যু হয়।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. রাকিবুল হাসান জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় ওই রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার দেওয়ার পর রোগীর পালস কমে যাওয়ায় স্যালাইন দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন দুর্ঘটনায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: নাদিহা আলীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও শেখ রেহানার শোক
নরসিংদীতে গোয়েন্দা পুলিশ হেফাজতে নারীর মৃত্যু
১০০০ দিন আগে
বগুড়ায় গানের তালে তালে গরুর ‘র্যাম্প শো’
বগুড়ায় গানের তালে তালে গরুর ‘র্যাম্প শো’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ব্যতিক্রমী এই র্যাম্প শোতে দেখা গেছে, গানের তালে শতাধিক গরু হাজার হাজার দর্শনার্থীর সামনে হাঁটছে। হাঁটার সময় সঙ্গে থাকা গরুর মালিকরা তাদের গরুর জাত, বয়স ও দাম সবাইকে জানিয়ে দিচ্ছেন।
পরে র্যাম্প শো শেষে মালিকরা তাদের গরু নিজ নিজ স্টলে নিয়ে যান।
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে টিএমএসএস বিনোদন পার্কে ‘বিডিএফএ উত্তরবঙ্গ গরু মেলায়’ এ র্যাম্প শোর আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় চোর সন্দেহে কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
শুক্রবার সকাল থেকেই ২১৬টি স্টলে বিভিন্ন জাতের গরু, মহিষ, ছাগল, দুম্বাসহ অন্যান্য শখের পশু নিয়ে প্রদর্শনী শুরু করেন খামারিরা।
খামারিরা ব্রাহমা, আরসিসি, নর্থ বেঙ্গল গ্রে, শাহীওয়াল, সিজারিয়ান, ভুট্টীসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের গরু মেলায় দেখা গেছে। মেলার মাঠে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের আকর্ষণ ছিল ১ হাজার ৪০০ কেজি ওজনের অস্ট্রাল গরুকে ঘিরে। এ ছাড়াও শিং বড় কয়েকটি গরু দেখতে সাধারণ মানুষ ভিড় করেন।
রিয়াদ হাসান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অনেক মেলা দেখেছি কিন্তু এই প্রথম গরু মেলা দেখলাম। মেলায় গরুর বিভিন্ন প্রজাতি চিনলাম।’
বগুড়া ভান্ডার অ্যাগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী ও উত্তরবঙ্গ গরু মেলার প্রধান সমন্বয়ক তৌহিদ পারভেজ বিপ্লব বলেন, মেলায় উত্তরবঙ্গের ১৬টি জেলার খামারিরা তাদের বিভিন্ন জাতের গরু নিয়ে এসেছেন।
তিনি আরও বলেন, এখানে মোট ২১৬টি স্টল রয়েছে। মেলার প্রধান আকর্ষণ গরুর র্যাম্প শো। শনিবার পর্যন্ত মেলা চলবে। মেলার ফাঁকে ফাঁকে গরুর র্যাম্প শো চলবে।
তিনি বলেন, এর আগে, বেলা ১১টার দিকে মেলার উদ্বোধন করেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রাগেবুল আহসান রিপু।
বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইমরান হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ডা. এমদাদুল হক তালুকদার, এসিআই এগ্রিবিজনেসের প্রেসিডেন্ট ড. এফ এইচ আনসারি।
ব্যতিক্রমী এ মেলায় হাজার হাজার দর্শক অংশ নেন।
আরও পড়ুন: বগুড়ার শিবগঞ্জে নদী থেকে গ্রেনেড উদ্ধার
বগুড়ায় ময়লার ভাগাড়ের পাশ থেকে লাশ উদ্ধার
১০০১ দিন আগে