আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
রাতারাতি পুলিশের বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করতে পারি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশের রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এমন কোনো অপরাধ নেই যা সংঘটিত হওয়ার পর পুলিশ দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পারেনি।
তার ভাষ্য, ‘একটি ঘটনাও নাই! এটাই বাংলাদেশে বর্তমান সরকারের কৃতিত্ব।’
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি, যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে ২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী যে বাংলাদেশ আমরা পেয়েছি, যে আকাশসম উচ্চতার প্রত্যাশা—জনপ্রত্যাশা আমরা পেয়েছি, আমাদের যেটা প্রত্যাশা আছে, সবকিছু আমাদের একসাথে বিবেচনায় নিতে হবে।’
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আধুনিকায়ন, তাদের মনোবল বৃদ্ধি এবং জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করার কাজ একসঙ্গে করতে হচ্ছে এবং সরকার তা করে যাচ্ছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সরকারের ছয় মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। এই দায়িত্ব নেওয়ার পরে একটি ঘটনাও নাই, এমন কোনো অপরাধ নাই, যেটা সংগঠিত হওয়ার পরপরই পুলিশ বাহিনী গ্রেপ্তার করতে পারে নাই বা বিচারের আওতায় আনে নাই।’
তিনি বলেন, ভঙ্গুর মনোবল ও দুর্বল অবস্থায় পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পাওয়ার পর গত ছয় মাসে তাদের অবস্থার উন্নতি করা সম্ভব হয়েছে। তাদের মনোবল ফিরে এসেছে এবং তারা পূর্ণ শক্তি দিয়ে অপরাধ দমনে সচেষ্ট হয়েছে।
রংপুরের ৪ খুনের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সেই ঘটনা সংগঠিত হওয়ার যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
‘এরকম রামিসা হত্যা থেকে শুরু করে যত ঘটনা জাতীয়ভাবে আলোচিত হয়েছে বা আলোচিত হয় নাই, প্রত্যেকটা অপরাধের আমরা অ্যাড্রেস করতে পেরেছি এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসতে পেরেছি, আদালতের কাছে সোপর্দ করতে পেরেছি।’
ক্ষেত্রবিশেষে সমাজের চাহিদা অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত সময়ে বিচারিক কার্যক্রম শেষ করার ক্ষেত্রেও সরকার সহযোগিতা করেছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সবকিছুই আপনারা জানেন, এর চাইতে এই অল্প সময়ের মধ্যে আর বেশি কিছু আশা করা আমাদের মনে হয় ঠিক হবে না।’
তবে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ পুলিশকে প্রত্যাশিত ও জনবান্ধব বাহিনীতে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। বলেন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আইনি কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হচ্ছে এবং তাদের জবাবদিহিতা ও কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
‘দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভালো ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পুরস্কার, সনদ ও পদক দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে অপরাধীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আমরা কেউ আশা করতে পারি না। ইনশাআল্লাহ, আমরা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এ দেশের গণমানুষের নেতা জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে, নির্দেশনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে একটা এমন পর্যায়ে উন্নীত করতে পারব, তাতে জনপ্রত্যাশা পূরণ হবে।’
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা শান্তি, ক্ষমা, ধৈর্য, সাম্য, সহনশীলতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার শিক্ষা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এই আদর্শ অনুসরণ করে রাষ্ট্র পরিচালনা করাই হওয়া উচিত সবার লক্ষ্য।
বর্তমান বিশ্বে ইসলামের শান্তির বাণী অনুসরণ করা হলে যুদ্ধ-বিগ্রহ, অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও সামাজিক অস্থিরতা থাকবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘স্বার্থের সংঘাত, অর্থনৈতিক সংঘাত এবং পরস্পর স্বার্থের জন্য যুদ্ধবিগ্রহ—এগুলোর কোনোকিছুই থাকবে না যদি আমরা শান্তির পথে, সাম্যের পথে থাকি এবং অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করি।’
এ সময় দেশে শান্তি, ন্যায়বিচার ও সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
৯ দিন আগে
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, তবে জনপ্রত্যাশা পূরণে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তবে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী পরিস্থিতির আরও উন্নতি করতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন, ২০২৫’-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সরকারের ১৮০ দিন পার হলো, এই সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকার সন্তুষ্ট কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সন্তুষ্টির বিষয়টা জনগণ বলবে। আমরা তো সবসময় বলব যে আমরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে পেরেছি, তবে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নীতকরণের জন্য আরও সময় লাগবে। আমাদের এখন মাত্র ছয় মাস পার হলো।’
তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে আমরা অনেক সংস্কার কাজ করেছি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশংসনীয় বিভিন্ন উদ্যোগ আপনারা দেখতে পেয়েছেন।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গত ১৮০ দিনে সরকার বাস্তবায়ন করেছে এবং শুরু করেছে—এমন অনেক কর্মসূচি প্রশংসিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার একাধিক সংকটময় মুহূর্ত সফলভাবে মোকাবিলা করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সরবরাহে সংকট তৈরি হলেও বাংলাদেশে প্রায় এক মাস কোনো জ্বালানির মূল্য বাড়ানো হয়নি বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ওই সময় সারা বিশ্বে—আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশসহ অনেক দেশেই—জ্বালানি তেলের মূল্য প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বোরো মৌসুম শেষ হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করিনি। বোরো মৌসুমের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পরে একটা পর্যায়ে আমরা সহনীয় মাত্রায় জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করেছি।
গ্যাস ও জ্বালানি সংকটকে ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সময়ের রেখে যাওয়া সমস্যা’ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমরা রাতারাতি এখান থেকে উত্তরণ করতে পারিনি। এখন এই সমস্ত সমস্যাগুলো আমরা সফলতার সঙ্গে মোকাবিলার চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক রাখা এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মজুত নিশ্চিত করতে সরকার পরিকল্পনা নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ভবিষ্যতে জ্বালানি ও বিদ্যুতের সংকট এড়াতে সরকার পরিকল্পনা করছে। বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগ আহ্বান এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য জ্বালানি ও ‘প্রাইমারি এনার্জি’র সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেখানে স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মহেশখালীতে আরও একটি ভাসমান টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্বাচন ও জরিপের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত হয়েছে এখানে জিটুজি (সরকার টু সরকার) ভিত্তিতে আরও একটি বা দুটি এফএসআরইউ নির্মাণ করা হবে।
বর্তমানে থাকা দুটি এফএসআরইউর একটি সামিটের এবং অন্যটি এক্সিলারেট এনার্জির উল্লেখ করে তিনি বলেন, এগুলোতে বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হয়।
এ সময় গ্যাসের আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে দেশের অভ্যন্তরে এবং অফশোর ও অনশোর এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এতে করে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আশা করা যায় আমরা আমাদের নিজস্ব সম্পদেই এই গ্যাসের সমস্যাটা সমাধান করতে পারব।’
সরকারের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। এছাড়া ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়ের কর্মকর্তাদের অনুদান ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং ক্রীড়াবিদ ও সংস্কৃতিজীবীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও সরকারের পরিকল্পনা প্রায় বাস্তবায়িত হয়েছে বলে দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতীয় খাদ্য প্রকিউরমেন্ট কমিটির সভাপতি হিসেবে তিনি এ বিষয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত দিয়েছেন এবং দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে।
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ১৮০ দিনের অগ্রগতি সংকলন করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেকশন থেকে গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে বলেও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।
১৮ দিন আগে
বিদেশি দূতাবাসগুলোকে নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে ঢাকা
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি এবং দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকায় বিদেশি মিশনের প্রধানদের অবহিত করেছে সরকার। এ সময় বিদেশি দূতাবাসগুলোকে নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে ঢাকা।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় আয়োজিত এক বৈঠক বিদেশি মিশনের প্রধানদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র ইউএনবিকে জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন যে বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানাবে, ব্রিফিংয়ে সেটা তাদের জানানো হয়েছে। তাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠাতেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।
তিনি বলেন, এ ছাড়া স্বশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে সদাসতর্ক ও সচেষ্ট রয়েছেন, এ বিষয়ে তাদের জানানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে দূতাবাসগুলোকে তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারেও আশ্বস্ত করা হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে ঢাকার দূতাবাসগুলোর প্রায় ৪০ জন কূটনীতিক উপস্থিত ছিলেন।
২৬০ দিন আগে
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা খারাপ হয়েছে, স্বীকার করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ কথা বলেছেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এতদিন যেমন ছিল, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের ঘটনায় আমি বলব, সেটা কিছুটা খারাপের দিকে গেছে। আমরা চেষ্টা করছি, যাতে দ্রুতই আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়।’
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে আয়োজিত নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এ মন্তব্য করেন।
রাজবাড়ীর ঘটনায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘রাজবাড়ীর ঘটনা আমরা তদন্ত করে দেখছি। পাঁচজনকে ইতোমধ্যে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে। কারা এর সঙ্গে জড়িত ছিল, তা তখনই জানা যাবে।’
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ অবশ্যই নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
যাদের গাফিলতির কারণে এ ঘটনা ঘটেছে সেই ডিসি ও এসপিকে দায়িত্বে রেখে কি সুস্থ তদন্ত সম্ভব এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘কারও অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কিনা, সেটা তদন্তেই বের হবে। আগে থেকেই কর্মকর্তাদের সরিয়ে দিলে তদন্তের গুরুত্ব নষ্ট হবে। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, আর কেউ নির্দোষ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।’
রাজবাড়ীতে গত কয়েকদিন আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল তারপরও কেন এই মব ঠেকানো গেল না। গতকাল হাটহাজারীতেও এমন একটা ঘটনা ঘটল। তাহলে কি আপনারা মব ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছেন? এমন অভিযোগ নাকচ করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘আমরা ব্যর্থ হইনি। যারা এসব ঘটিয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। আসলে আমরা অনেকটাই অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছি। সমাজে ধৈর্যের অভাব তৈরি হয়েছে। তাই সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানাচ্ছি।’
আগামী নির্বাচনে এসব পরিস্থিতি জনগণের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করবে কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘জনগণ যখন নির্বাচনমুখী হয়ে যাবে, তখন তাদের কেউ প্রতিহত করতে পারবে না। ভোটকেন্দ্রে যেতে জনগণকে বাধা দেওয়ার মতো শক্তি কারও নেই।’
৩৬২ দিন আগে
জাতীয় নির্বাচনে ৪৭ হাজার কেন্দ্রে থাকছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত রাখতে দেশের ৪৭ হাজার ভোটকেন্দ্রে একটি করে বডি-ওর্ন ক্যামেরা সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বিকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য সারা দেশের আনুমানিক আট লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। এ বাহিনীর মধ্যে পুলিশ, আনসার, বিজিবি, কোস্ট গার্ড এবং সশস্ত্র বাহিনী অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সব বাহিনীকেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রিজাইডিং অফিসাররা যেন কারো বাসায় না থেকে নির্বাচনী কেন্দ্রে থাকতে পারেন, সে ব্যবস্থা করা হবে। তাদের সঙ্গে আনসার এবং পুলিশ সবাই থাকবে।
কারা বডি-ওর্ন ক্যামেরা পাবেন— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের ৪৭ হাজার ভোট কেন্দ্রের প্রতি কেন্দ্রেই একটি করে বডি-ওর্ন ক্যামেরা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। পুলিশের মধ্যে যিনি সিনিয়র পদধারী থাকবেন, তার কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে৷’
আরও পড়ুন: নির্বাচনের আগে এসপি-ওসিদের বদলি হবে লটারির মাধ্যমে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত সব বাহিনীর জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া নির্বাচন কমিশন পোলিং অফিসার এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ দিবে।’
তিনি বলেন, ‘বাহিনীগুলোর প্রশিক্ষণের পর তাদের মহড়া দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে। নির্বাচনটা যাতে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ভালোভাবে হতে পারে— সে অনুশীলন করা হবে।’
পুলিশের ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি ও পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৭৬ কর্মকর্তাকে সংযুক্তিতে বদলি করার বিষয় উপদেষ্টা বলেন, এটা রুটিন বিষয়৷ এটা সবসময় চলমান থাকবে।
ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৩৯৪ দিন আগে
নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব প্রস্তুতি আছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
নির্বাচনকালীন প্রস্তুতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের জন্য যে তারিখই নির্ধারণ করুক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব প্রস্তুতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আছে।
শনিবার (১৪ জুন) র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) হেডকোয়ার্টার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময়ে ছোটখাটো ঘটনা ঘটবেই। তবে এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই এমন কথা বলা যাবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, আগের তুলনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো। এবার কোরবানির ঈদে ছোটখাটো চুরি বা ছিনতাই ছাড়া বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি।
ঈদ যাত্রা থেকে শুরু করে সামগ্রিক যানজট পরিস্থিতি প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘একটি দেশে রাস্তা থাকার কথা ২০ শতাংশ, সেখানে রাস্তা আছে ৭ শতাংশ। তার ওপরে দিন দিন যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে। এজন্য যানজট নিরসন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
আরও পড়ুন: তারেক দেশে ফিরতে পারেন যেকোনো সময়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এর আগে সকালে উত্তরায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) হেডকোয়ার্টার পরিদর্শন শেষে পুলিশের হাতে মরণাস্ত্র না দেয়ার ব্যাপারে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পুলিশের একেক অংশের হাতিয়ারের চাহিদা একেক রকমের। চাহিদা অনুযায়ী তা সরবরাহ করা হবে। আর্মড পুলিশের হাতিয়ারের সঙ্গে নৌ পুলিশের মিল নেই, আবার নৌ পুলিশের সঙ্গে শিল্প পুলিশের মিল নেই। সবদিক বিবেচনা করে প্রয়োজনমাফিক হাতিয়ার সরবরাহ করা হবে।
তবে পুলিশের হাতে ভারী অস্ত্র দেয়া থেকে সরকার বিরত থাকবে বলে জানিয়েছেন এ উপদেষ্টা।
৪৪৭ দিন আগে
ঈদে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিল: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া রাজধানীসহ সারা দেশে ঈদুল আজহার সময় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার (৯ জুন) যাত্রাবাড়ী থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘ঈদুল আজহার সময় আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিল। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া রাজধানী বা অন্য কোথাও কোনো বড় ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।’
আরও পড়ুন: এপ্রিল নয়, ডিসেম্বরই নির্বাচনের উপযুক্ত সময়: ফখরুল
ঈদের ছুটির সময় আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা শহরের বিভিন্ন থানায় পরিদর্শনে যান।
এরই ধারাবাহিকতায় যাত্রাবাড়ী থানা পরিদর্শনের সময় তিনি দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের ডেস্ক, নারী ও শিশুবিষয়ক ডেস্ক ও লকআপ ঘর পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি পুলিশ সদস্যদের আবাসন ও খাদ্যের মান সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং তাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
৪৫২ দিন আগে
দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের শঙ্কা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক।’
বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরের দিকে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও ঈদ পুনর্মিলনীর উদ্দেশ্যে রাজধানীর ছয়টি থানা (খিলক্ষেত, ভাটারা, বাড্ডা, রামপুরা, হাতিরঝিল ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জনদুর্ভোগ নিরসন ও থানার সেবার মান আরও উন্নত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাজধানীর থানাগুলোকে নিজস্ব জায়গায় স্থানান্তর করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। জনগণ উপকৃত হবে বলে অভিমত দেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
উপদেষ্টা জানান, রাজধানীর বেশ কয়েকটি থানা ভাড়া ভবনে কার্যক্রম চালাচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন জনগণের সমস্যা হচ্ছে, অন্যদিকে থানাগুলোও কাঙ্ক্ষিত মানের সেবা দিতে পারছে না।
তিনি বলেন, ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিজস্ব জায়গায় ভবন নির্মাণ করে থানাগুলোকে স্থানান্তরের চেষ্টা করছি আমরা। ভালো জায়গায় থানা হলে জনগণের যেমন সুবিধা হবে, তেমনি থানাগুলো আরও সক্রিয় হবে ও কার্যক্রম চালাতে সুবিধা হবে।’
আরও পড়ুন: সন্ত্রাসীদের ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশে কোনো ধরনের জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেনি উল্লেখ করে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশ জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটার কোনো শঙ্কা নেই। বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক, এটিকে আস্তে আস্তে আরও ভালোর দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
ঈদে সবাই ছুটিতে গেলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরলসভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। সাধারণ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ ও সক্রিয় রয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা।
এসময় তিনি আরও জানান, কোনো নিরীহ ও নিরপরাধ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাসী ও অপরাধীরা যেন ছাড় না পান সে বিষয়েও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দুষ্কৃতিকারী তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
৫২০ দিন আগে
যেভাবেই হোক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করবো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
যেভাবেই হোক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করবেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএসে নিজ বাসভবনে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথাগুলো বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দোসররা দেশকে অস্থিতিশিল করার চেষ্টা করছে। দেশ থেকে স্থানান্তর হওয়া টাকা দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে তারা।’
আরও পড়ুন: প্রয়োজনে র্যাব নতুন করে গঠন করা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আমাদের মা-বোনদের যেন কোনো সমস্যা না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সব সময় সজাগ আছি। আইনশৃঙ্খলা আমি এসে যেভাবে পেয়েছি, তার চেয়ে উন্নতি হয়েছে কি না, সেটা আপনাদের ওপরই ছেড়ে দিলাম।’
এ সময় পদত্যাগ এবং তার ব্যর্থতার প্রসঙ্গ তিনি বলেন, ‘যে কারণে আমাকে পদত্যাগ করতে বলা হচ্ছে, ওই কারণগুলো যদি আমি উন্নতি করে দিতে পারি, তাহলে তো আর কোনো পদত্যাগের প্রশ্ন ওঠে না। তারা তো চাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যেন উন্নতি হয়, আমি সেই ব্যবস্থা করছি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের থেকে অনেক উন্নতি হয়েছে এবং এটা আরও উন্নতি হতে থাকবে।’
আরও পড়ুন: উত্তরার ঘটনায় সঙ্গে-সঙ্গেই অ্যারেস্ট করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সারাদেশে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে, কিন্তু অপরাধীদের কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গ্রেপ্তার কিন্তু করা হচ্ছে। তবে যে পরিমাণ গ্রেপ্তার করা উচিত, সেই পরিমাণ হয়তো হচ্ছে না। যেমন, বাসে ডাকাতির জন্য ইতিমধ্যে তিনজনকে সাভার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হচ্ছে এবং গ্রেপ্তার চলতে থাকবে।
৫৫৭ দিন আগে
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি কীভাবে করা যায় সে চেষ্টা চলছে।
বুধবার (৬ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে ঢাকার আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা বলেন, আজকের সভায় ঢাকার আইনশৃঙ্খলা কীভাবে উন্নয়ন করা যায়, সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের থেকে অনেক উন্নতি হয়েছে, তবে আরও উন্নত করার জায়গা রয়ে গেছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ সবসময় ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে আছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সভার সিদ্ধান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আগে আপনার বলতেন, মোহাম্মদপুর একটা সময় ঝামেলাপূর্ণ এলাকা ছিল, বর্তমানে সহনীয় পর্যায়ে চলে আসছে। অন্যান্য এলাকায় এই মডেলে কাজ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, রাস্তাঘাটে দোকানপাট বসে। এগুলোকে আপাতত যেন এখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আমি রাস্তার কথা বলছি, ফুটপাত নয়।
তিনি বলেন, আপনাদেরকেও সহযোগিতা করতে হবে। একটা দোকান সরিয়ে দিলে কিছুক্ষণ পর আবার আরেকটা দোকান চলে আসে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ঢাকার বাইরে থেকে যেসব পুলিশ এসেছেন, তাদের অলিগলি চিনতে সময় লাগবে। তাদেরকে একটু সময় দিতে হবে।
তিনি বলেন, ক্রিমিনাল যেই হোক, যে দলেরই হোক, তাকে কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হবে না। সে যত বড় প্রতাপশালী হোক না কেন, ছাড় দেওয়া হবে না। চাঁদাবাজী যেন কোনো অবস্থায় না হয়।
তিনি বলেন, সড়ক দখল করে যেন কোনো দোকান না বসে সেগুলো মনিটরিং করা হবে। আপনাদেরও সহযোগিতা লাগবে। মূল সড়কে যেন অটোরিকশা না আসে, সেজন্য তাদের চার্জ দেওয়ার পথ বন্ধ করতে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলব।
বৈঠকে সেনাবাহিনী, পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
আরও পড়ুন: সীমান্তে কোনো শিথিলতা দেখানো যাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
৬৬৭ দিন আগে