বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তি অপরিবর্তনীয় নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সই করা বাণিজ্যচুক্তি অপরিবর্তনীয় নয় উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, প্রয়োজনে এতে সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজনের সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেছেন, চুক্তিতে এমন উপাদান রয়েছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সহায়ক হতে পারে। দুই দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যেই এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। এটিকে সম্পূর্ণরূপে ‘নেগেটিভ’ বা ‘পজিটিভ’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
বুধবার (৪ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ সাড়ে ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি এবং দেশটি থেকে প্রায় পৌনে ৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়। একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদারদের একটি। ফলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে বাণিজ্য ছাড়াও বিনিয়োগ, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত। এ সমস্ত বিষয় নিয়ে সাধারণ আলাপ হয়েছে।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি যে বাণিজ্যচুক্তিটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হলো, প্রথম বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আপনার এই বিষয়ে কী আলোচনা হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটি নিয়ে এমন বিশেষ কোনো কথা হয়নি। এটি তো ৯ তারিখে স্বাক্ষর হয়েছে, এ বিষয়ে আলাদা করে কোনো আলাপ হয়নি।
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন পত্রে ট্রাম্প বলেছিলেন যে, বাণিজ্যচুক্তিসহ সামরিক বিষয়গুলো বাংলাদেশ যাতে মেনে চলে, এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, চুক্তির বিষয়টি আজকে আলোচনার বিষয় হিসেবে আসেনি আর সামরিক বিষয় তো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয় না।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্যচুক্তি হয়েছে সেখানে বাংলাদেশ স্বার্থরক্ষা হয়নি, সেক্ষেত্রে সরকারের পদক্ষেপ কী থাকবে, আপনি কী পদক্ষেপ নেবেন?— জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চুক্তি তো সই হয়েছে, সেই চুক্তিটি বলবৎ হওয়ার জন্য কিছু আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া আছে। আর যেকোনো চুক্তিতেই সাধারণভাবে দুটো পক্ষ থাকে। কয়েকটি ধারা একপক্ষের খুব অনুকূলে হয়। আর কয়েকটি ধারা আরেক পক্ষের খুব অনুকূলে হয়। দুপক্ষই চেষ্টা করে আলাপ আলোচনার মধ্যে দিয়ে এমন একটি জায়গায় পৌঁছাতে, যা উভয়ের জন্যই কল্যাণকর হয়। এই চুক্তির মধ্যে অনেক ধারা আছে, যেগুলোর উপরে আমরা বাণিজ্যিক সম্পর্কটাকে আগামী দিনে জোরদার করতে পারি। আমি এটিকে ‘হোলসেল নেগেটিভ’ বা ‘হোলসেল পজিটিভ’ এই দৃষ্টিকোণ থেকে এখনও দেখছি না।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, আমি নির্দিষ্ট করে চুক্তির কথা বলিনি, আমি যেটা বলেছিলাম সেটি হলো, আমেরিকা যে ধারায় শুল্ক ধার্য করেছিল, দেশটির উচ্চ আদালতে সেই ধারায় এ শুল্ক কার্যকরের বিষয়টি সমর্থন করে না বলার পরে পরিস্থিতি এখন বিকাশমান। আমরা বিকাশমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি—এটি ছিল আমার কথা।
চুক্তি নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তটা কী—এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চুক্তি তো একটা হয়েছে, এখানে তো সিদ্ধান্তের কিছু নাই। এই চুক্তি তো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ—দুই সরকারের মধ্যে হয়েছে; এটা তো রাষ্ট্রীয় চুক্তি। সুতরাং এই চুক্তিতে যদি আপনারা কোনো কিছু খারাপ দেখেন সেটা আমাদের কাছে উত্থাপন করবেন।
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো চুক্তি এন্ড অব লাইফ বা জীবনের সর্বশেষ কিছু না। প্রত্যেকটা চুক্তিতে সেলফ কেয়ারিংয়ের জন্য তার নিজস্ব কিছু ধারা থাকে। সেখানে এরকম যদি আমাদের কাছে কিছু প্রতীয়মান হয় যে, এই ধারাটার সংযোজন-বিয়োজন পরিবর্তন দরকার। সেখানে পরবর্তীতে আলাপ-আলোচনার সুযোগ তো সবসময় রয়েছে। এজন্য আমার অনুরোধ হচ্ছে, এটি নিয়ে এত উদ্বিগ্ন হবেন না।’
ভিসা বন্ডের আওতায় বাংলাদেশ পড়েছে, তাই ব্যবসায়ীরা বলছেন যে তারা যেন ভিসা বন্ডের আওতায় না আসেন, সে বিষয়ে কিছু আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটি আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে। সেটা ব্যবসায়ীদের বিষয়, কিন্তু এটি নিয়ে কাজ করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আমরা তো সবসময় অনুরোধ করব যেন আমাদের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা এবং তাদের দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে সহজভাবে দুই দেশে আসা-যাওয়া করতে পারেন। এটির মধ্যে যেন কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়। এই অনুরোধ তো আমাদের সবসময় থাকবে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক পরিস্থিতি এখনও বিকাশমান, পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত: বাণিজ্যমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক ও বাণিজ্যচুক্তির বিষয়গুলো এখনও বিকাশমান বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এ বিষয়টি নিয়ে আরও পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত পাল্টা শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করেছে। এর জবাবে তিনি নতুন বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন। এই শুল্ক এবং দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সই করা বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে পরবর্তী করণীয় কী হবে, তা নির্ধারণে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ওই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এ সময় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম ও বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এ বিষয়টি আসলে এখনও বিকাশমান, যেটাকে আমরা ইংলিশে বলি “ইভলভিং সিনারিও”। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সবোর্চ্চ আদালত আগের ধার্য্যকৃত শুল্ক আরোপযোগ্য নয় বলে ঘোষণা করেছে। এরপর তারা সব দেশের জন্য প্রথমে ১০ শতাংশ, পরে ১৫ শতাংশ ট্যারিফ ঘোষণা করেছে।
‘কিন্তু আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে শুধু ঘোষণা শুনছি, কিন্তু সরকারি পর্যায়ে লিখিত কিছু পাইনি। আর যুক্তরাষ্ট্র তাদের দেশের আইন অনুযায়ী ১২২ আইনি ব্যাখায় যা আছে, সেটা ১৫০ দিনের মধ্যে তাদের ইউএস কংগ্রেস কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।
‘আর বাদ বাকি যা, টিভিতে আমরা দেখছি। সরকারি কোনো কাগজপত্র আসেনি। ফলে সিনারিওটা আবারও আমি বলব ইভলভিং।’
তিনি বলেন, এছাড়া বিগত সরকার কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, সেটির ব্যাপারেও এখনও বলার মতো কোনো অবস্থা তৈরি হয়নি। আমরা দেখছি, এর পক্ষে-বিপক্ষে কী আছে। একটি চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে দুটি দিকই থাকবে, সেটা স্বাভাবিক। আমরা সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখছি। এরপর করণীয় ঠিক করব।
বিগত অন্তবর্তীকালীন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়গুলো গোপন করা ও সেটা তড়িঘড়ি করে করেছে কিনা—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে জবাবে মন্ত্রী বলেন, কিছু নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট (অপ্রকাশযোগ্য চুক্তি) ছিল চুক্তি আলোচনার সময়। তবে এ চুক্তিটা একটি সেনসিটিভ ইস্যু (সংবেদনশীল বিষয়) ছিল। যাদের সঙ্গে চুক্তি, দেশটাও আমাদের জন্য অনেক সেনসেটিভ। বিভিন্ন কারণেই এই বিকাশমান পরিস্থিতিতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করা ঠিক হবে না।
এদিকে শুল্ক ও চুক্তি বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মন্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, আমরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের ডেকেছি, চুক্তিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কোন সেক্টরের কী সমস্যা। সেগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
বর্তমান দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যেসব পণ্য আমদানি তদারকি করে, সেসব পণ্যের দাম স্বাভাবিক রয়েছে বাজারে। তবে কিছু পণ্য একসঙ্গে অনেকে কেনার কারণে দাম বেড়ে গেছে; সেগুলো সবজি জাতীয়।
তিনি বলেন, রমজানের শুরুতে অনেকে একসঙ্গে এক মাসের বাজার করেন। বিক্রেতারাও পরিস্থিতির ও শূন্যতার সুযোগ নেন। ৪০-৫০ টাকার লেবু ১২০ হয়ে গেছে ওই পরিস্থিতিতে। এরপর কিন্তু ঠিকই আবারও আগের দামে ফিরে এসেছে।
চাঁদাবাজি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজি বন্ধে এতদিন বিভিন্ন সরকার আশ্বাস দিলেও কাজ হয়নি। অপেক্ষা করেন, আমরা কাজ করে দেখাব।
৮ দিন আগে
তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক নির্বাচনি বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, তিনি মার্কিন জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এবং তার সফল মেয়াদ কামনা করছেন।
চিঠিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে দুই দেশের অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষক ও শ্রমিকদের জন্য ইতিবাচক সুফল বয়ে আনা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, তিনি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বাংলাদেশকে উন্নতমানের মার্কিন সামরিক সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
চিঠির শেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীকে আগামী দিনগুলোর জন্য শুভকামনা জানান।
১৪ দিন আগে
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরালো করার ইঙ্গিত দিয়েছেন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছান। এদিন কর্মসূচির শুরুতে তিনি পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আল সিয়ামের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের দপ্তরে যান।
বৈঠক শেষে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে চমৎকার বৈঠক হয়েছে। আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।’
এদিকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক কমানোর সুযোগ খুঁজছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে আগামীকাল (সোমবার) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একটি বাণিজ্যচুক্তি সই করতে পারে।
২৬ দিন আগে
পর্যবেক্ষক না এলেও নির্বাচনের সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখবে যুক্তরাষ্ট্র: ইসি সচিব
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যবেক্ষক না পাঠালেও নিজ উদ্যোগে, অনানুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন বিষয়ে সার্বিক খোঁজ খবর রাখবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের এক বৈঠক চলাকালে এ আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে আখতার আহমেদ বলেন, তারা আমাদের জানিয়েছেন যে নির্বাচন উপলক্ষে তাদের কোনো পর্যবেক্ষক দল আসবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীন একটি দল আসবে এবং মার্কিন দূতাবাস থেকে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনায় নিজ উদ্যোগে, নিজেদের মতো করে তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যাবেন।
তিনি বলেন, তবে এটি আনুষ্ঠানিক কোনো পরিদর্শন নয়। তারা এমনিতেই দেখতে যাবেন—ভোটের অবস্থাটা কী। এ বিষয়ে আমাদের তাদের ইচ্ছাটা জানিয়েছেন এবং নির্বাচন কমিশন সাদরে তাদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।
ইসি সচিব বলেন, বৈঠকে তারা নির্বাচনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। এর মধ্যে উনাদের বেশি কৌতুহল ছিল পোস্টাল ব্যালট নিয়ে। আমরা এ বিষয়ে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে তাদের জানিয়েছি, সেইসঙ্গে নমুনা ব্যালট দেখিয়েছি। তারা বলেছেন যে এটি জটিল, বেশ কষ্টসাধ্য একটি ব্যাপার। তবে তারা আমাদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের সার্বিক সফলতা কামনা করেছেন।
প্রতিনিধি দলটি নির্বাচনি আচরণবিধি বাস্তবায়ন এবং লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কেও জানতে চান উল্লেখ করেন আখতার আহমেদ। জবাবে নির্বাচন কমিশনে জানিয়েছে, অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সেল, তদন্ত কমিটি এবং ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অভিযোগ মোকাবিলা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত বা বাড়াবাড়ি ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে কি না—এ বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের দূত জানতে চান। এর জবাবে নির্বাচন কমিশন জানায়, কমিশন পর্যায়ে এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। কোথাও কোনো স্থানীয় সমস্যা থাকলে তা স্থানীয় পর্যায়েই সমাধান করা হয়েছে বলে কমিশন জানিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তারা এটাও জানতে চেয়েছিলেন যে আমরা আমাদের আইনশৃংখলা ব্যবস্থাপনা কী হতে যাচ্ছে। আমরা বলেছি যে আমাদের আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৯ লাখ কর্মী বিভিন্ন স্তরে কাজ করবেন।
ইসি সচিব জানান, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমাদের জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে সন্তুষ্ট। তারা একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট একযোগে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠানের তফসিল ঘোষণা করে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত) এবং মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ফিরোজ আহমেদ।
৩৬ দিন আগে
জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে তার সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র: রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন
বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো বিশেষ পক্ষ নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করার অধিকার একমাত্র বাংলাদেশের জনগণের। বাংলাদেশের জনগণ যাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবেন, আমরা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে আমি খুবই আগ্রহী। আমি এই নির্বাচনের অপেক্ষায় আছি এবং এর ফলাফল দেখার জন্য মুখিয়ে আছি।’
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করার অধিকার একমাত্র বাংলাদেশের জনগণের, এবং শুধু বাংলাদেশের জনগণেরই। বাংলাদেশের জনগণ যাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবে, আমরা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত।’
সিইসির সঙ্গে বৈঠক সম্পর্কে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার যে তথ্যগুলো আমার সঙ্গে শেয়ার করেছেন, সেগুলো নিয়ে আমি খুবই সন্তুষ্ট। আপনাদের সবার মতো আমিও ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের ফলাফলের অপেক্ষায় আছি।
তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহে যখন আমি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করি, তিনি বলেন, নির্বাচনের দিনটি উৎসবমুখর হবে। আশা করি, এটি একটি আনন্দময় নির্বাচন হবে। যেখানে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনভাবে গিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন এবং আপনারা একটি অত্যন্ত সফল নির্বাচন সম্পন্ন করবেন।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট একযোগে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠানের তফসিল ঘোষণা করে।
আজ (বুধবার) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
৩৬ দিন আগে
২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা বন্ড কার্যকর
আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ব্যবসা ও পর্যটন ভিসায় নতুন ‘ভিসা বন্ড’ প্রথা কার্যকর করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এই বিধান অনুযায়ী, ভিসার জন্য অনুমোদিত আবেদনকারীদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বন্ড বা জামানত জমা দিতে হবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বার্তায় জানানো হয়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের (বি১/বি২) ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত একটি ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে। তবে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ বি১ ও বি২ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।
ভিসাপ্রত্যাশীদের সতর্ক করে দূতাবাস বলেছে, সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড পরিশোধ করবেন না। আগাম বন্ড পরিশোধ করলে তা ভিসার নিশ্চয়তা দেয় না এবং তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট প্রতারণামূলক হতে পারে।
বার্তায় আরও জানানো হয়েছে, সাক্ষাৎকারের আগে পরিশোধ করা কোনো অর্থই ফেরতযোগ্য নয়। তবে ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
৪৫ দিন আগে
মার্কিন অভিবাসী ভিসা ইস্যুতে কৌশল ঠিক করবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকার প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও নীতিগত পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে আজকে উপদেষ্টা পরিষদে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এঙ্গেজ করবেন।
কয়েকদিন আগে ছিল ভিসা বন্ডিং ইস্যু। সপ্তাহ পেরোতে আবার অভিবাসী ভিসার ক্ষেত্রে জটিলতা। ৭৫টা দেশের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। আমাদের কি কোথাও গ্যাপ থেকে যাচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা কি বাংলাদেশকে টার্গেট করে করেছে? আসলে যে সমস্ত দেশ থেকে ইমিগ্র্যান্ট (অভিবাসী) বেশি যায় বা যে সমস্ত দেশ থেকে মানুষ গিয়ে পরে পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম (রাজনৈতিক আশ্রয়) চায়, যে সমস্ত দেশ থেকে মানুষ গিয়ে ওদের সোশ্যাল সার্ভিসের (সামাজিক পরিষেবা) ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। তাই তাদের সরকার ঠিক করেছে যে সেই সমস্ত দেশের ব্যাপারে এই নিষেধাজ্ঞাগুলো, এই শর্তগুলো তারা আরোপ করবে।’
তিনি বলেন, ‘এটা (অভিবাসী ভিসা স্থগিত) তাদের সরকারের সিদ্ধান্ত। সেখানে আমার কোথায় অসুবিধা হচ্ছে, কী করণীয়—এখন আমরা সেগুলো নিয়ে কথা বলব।’
৪৯ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় যুক্ত হলো বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন শর্ত আরোপ করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের হালনাগাদ ভিসা বন্ড তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের নাম। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ ও ব্যবসা ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ বা ফেরতযোগ্য জামানত জমা দিতে হবে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট ভিসা বন্ডের আওতাভুক্ত দেশগুলোর হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করে।
এই কর্মসূচির আওতায়, নতুন করে যুক্ত হওয়া দেশগুলোর পাসপোর্টধারীদের অন্যান্য সব যোগ্যতা পূরণ থাকলে ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার ডলারের বন্ড দিতে বলা হতে পারে। এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘পে ডট গভ’ (pay.gov)-এর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এই নীতির আওতায় থাকা দেশের সংখ্যা বর্তমানে ৩৮টিতে দাঁড়িয়েছে। তালিকাভুক্ত অধিকাংশ দেশই দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলভুক্ত।
বাংলাদেশের পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে আলজেরিয়া, কিউবা, নেপাল, নাইজেরিয়া ও ভেনেজুয়েলার মতো দেশ। নতুন এই শর্ত ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করে অবস্থান (ওভার স্টে) নিরুৎসাহিত করতেই বন্ডের এই শর্ত আরোপ করা হয়েছে। তবে বন্ডটি ফেরতযোগ্য। যদি ভিসার মেয়াদ থাকাকালীন সময়ের মধ্যে কিংবা মেয়াদের শেষ দিন কেউ প্রস্থান করে তাহলে তার জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। এছাড়া ভিসার মেয়াদের মধ্যে ভ্রমণ না করলে অথবা ভিসা আবেদনের পর প্রত্যাখ্যান করা হলে জামানতের অর্থ ফেরত দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া ভিসার মেয়াদের পর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলে অথবা আশ্রয় প্রার্থনা করলে জামানতের শর্ত ভঙ্গ বলে বিবেচনা করা হবে।
উন্নয়নশীল দেশের অনেক আবেদনকারীর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ কার্যত নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা তুলে ধরে আরোপিত এই নীতিটি সমালোচিত হয়েছে।
এর আগে ২০১৩ সালে যুক্তরাজ্য কিছু ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের ভ্রমণকারীদের জন্য ভিসা বন্ড চালুর উদ্যোগ নেয়, কিন্তু পরে তা বাতিল করে।
৫৮ দিন আগে
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে চমৎকার দ্বিপাক্ষীয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে আগামীতে তা আরও জোরদার হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিনকেনের সঙ্গে অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ ও আশাব্যঞ্জক আলোচনা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ড. মোমেন দু'দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তা পড়ে শোনান।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশের উষ্ণ সম্পর্কের ভিত্তি করে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
১৪২৮ দিন আগে