আইজিপি
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্য সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে: রিজভী
ক্রসফায়ার ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) দেওয়া বক্তব্য সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, ‘আমাদের অত্যন্ত দুঃখ লাগে, পুলিশ বাহিনীর প্রধান সরকারের একটা অংশ, তিনি ক্রসফায়ারের কথা বলেন। মুখ ফসকে বেরিয়ে গেলে ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু এটা তো সরকারকে বিব্রত করার মতো অবস্থা।’
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিনা মূল্যের মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে দেশে পর্যাপ্ত আইন রয়েছে। এসব আইন প্রয়োগের দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।
১৭ বছর দেশকে ক্রসফায়ারে হত্যা, গুম, গুপ্তহত্যা ও রক্তপাতের মতো অমানবিক দুঃশাসন সহ্য করতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ।
তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ৫ আগস্ট এসেছে। এরপর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে ওঠার প্রত্যাশা করছেন দেশের মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানের এ ধরনের বক্তব্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
প্রধানমন্ত্রীর মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন রিজভী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আরও বসবাসযোগ্য করে তোলার লক্ষ্যেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা তারেক রহমানের স্বপ্ন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ঢাকার কয়েকটি এলাকায় কিশোর অপরাধ ও অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন রিজভী।
তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীতে অনেক সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিলে তারা কার্যকরভাবে অপরাধ দমন করতে পারবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
কোনো ধরনের প্রভাব ছাড়া আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হলে সমাজ থেকে অপরাধ দূর করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রিজভী বলেন, গুম কিংবা ক্রসফায়ার—কোনো ধরনের বিচারবহির্ভূত পদ্ধতিই অপরাধ নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায় হতে পারে না।
এর আগে সোমবার আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেছিলেন, সরকার অনুমতি দিলে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে প্রয়োজন হলে পুলিশ ক্রসফায়ারে যেতে দ্বিধা করবে না।
৭ দিন আগে
সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ারে যেতে পারে পুলিশ: আইজিপি
সরকার অনুমতি দিলে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে প্রয়োজন হলে পুলিশ ক্রসফায়ারের পথ বেছে নিতে পারে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ইসলামী ব্যাংকিং সেবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, পুলিশ কঠোর হলে বলা হয় ফ্যাসিস্ট পুলিশ, আর নীরব থাকলে বলা হয় দুর্বল পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, সরকার অনুমতি দিলে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে ক্রসফায়ারের প্রয়োজন হলে, আমরা সেটাই করব।
মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশকে অকার্যকর করার অপচেষ্টা সহ্য করা হবে না উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, পুলিশকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করা হলে কিংবা দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হলে সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হবে।
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত পুলিশ সদস্যদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, বাহিনীর নিজস্ব জবাবদিহি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু সদস্য মাদকের বিস্তারে পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন। পুলিশের কিছু সদস্যও মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন।
আলী হোসেন ফকির বলেন, বর্তমানে পাড়া-মহল্লার সব জায়গায় মাদকের ব্যাপক বিস্তার দেখা যায়। এই পরিস্থিতি কে তৈরি করেছে? ভালোভাবে খোঁজ নিলে দেখা যাবে, তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা এতে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। পুলিশ বাহিনীর কিছু সদস্যও এতে জড়িত ছিলেন, এখনও কেউ কেউ আছেন।
পুলিশের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম দূর করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে গত দুই মাসে প্রায় ২৭ জন পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান আইজিপি।
তিনি বলেন, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, আমরা প্রথমে নিজেদের ঘর পরিষ্কার করছি। অথচ এ বিষয়টি নিয়েও নানা অপব্যাখ্যা ছড়ানো হচ্ছে।
সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পুলিশকে আরও ক্ষমতায়নের আহ্বান জানিয়ে মহাপরিদর্শক বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আইন প্রয়োগের সুযোগ না দিলে সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।
আইজিপি জনগণকে গুজব ও অপতথ্য এড়িয়ে চলার পাশাপাশি সংবিধান ও আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
ব্যাংকিং খাত প্রসঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান আলী হোসেন ফকির ইসলামী ব্যাংকিংয়ে নৈতিক চর্চা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বর্তমান ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থা রাখার জন্য গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান ব্যবস্থাপনায় অতীতের অনিয়ম বা সংকটের পুনরাবৃত্তির কোনো সুযোগ থাকবে না।
মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) তদারকি আরও জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৮ দিন আগে
শান্তিপূর্ণ সমাজ নিশ্চিতে পুলিশকে সহযোগিতার আহ্বান আইজিপির
মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে জনগণের সহযোগিতা চেয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
তিনি বলেছেন, ‘পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে আমরা কেউই সমাজে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।’
রবিবার (২৫ অক্টোবর) বাগেরহাটের নতুন পুলিশ লাইনসে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার পর স্থানীয় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশকে আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন আইজিপি।
তিনি বলেন, বাহিনীর পরিবহনসংকট মোকাবিলায় ৫ হাজার ৮০০টি নতুন যানবাহন কেনার একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) অনুমোদন করেছে।
বর্তমানে বাহিনীতে অনুমোদিত সংখ্যার তুলনায় প্রায় আড়াই হাজার যানবাহনের ঘাটতি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
জনবলসংকটের বিষয়ে আলী হোসেন ফকির বলেন, প্রতিবছর অন্তত ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে।
এ সময় তিনি সংঘবদ্ধ পিটুনিতে উসকানি না দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নাগরিকদের পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানিয়ে পুলিশপ্রধান বলেন, ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি সম্প্রসারণ করা হবে।
ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) অধীনে কমিটি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে কিশোর গ্যাং, মাদক, বাল্যবিয়ে, দুর্নীতিসহ ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যার সমাধান করা যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক।
পরে পুলিশ লাইনসের ড্রিল শেডে এক বিশেষ কল্যাণ সভায় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন আইজিপি।
৯ দিন আগে
কার্যকর ও জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়তে কাজ চলছে: আইজিপি
জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) লাইনসে কমিউনিটি পুলিশিংবিষয়ক এক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি জানান, পুলিশ জনগণের আস্থা ফিরে পেতে চায় এবং মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়। আরও মানবিক ও জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে ওঠাই পুলিশের লক্ষ্য।
খুলনায় মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদ দমনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) এ সভার আয়োজন করে।
আইজিপি বলেন, গত ১৭ বছরে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা নিরসন করাই অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
৫ আগস্টের পর পুলিশ নতুন প্রত্যয় নিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং দায়িত্ব পালন করছে বলেও জানান তিনি।
মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে আলী হোসেন ফকির বলেন, সমাজে মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং থাকবে না। এসব অপরাধ নির্মূলে সব পক্ষ একসঙ্গে কাজ করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বর্তমানে যৌথ অভিযান চলছে বলেও জানান আইজিপি।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও বেগবান করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
এ লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় একটি কাঠামো অনুমোদন করেছে বলেও জানান তিনি।
কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কিছু সদস্যর বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষকে হয়রানি, ভয়ভীতি দেখানো ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ স্বীকার করে আইজিপি বলেন, এ ধরনের ঘটনা আর ঘটতে দেওয়া যাবে না। এ জন্য আইনি কাঠামোর মধ্যে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমে তাদের সহযোগিতা কামনা করেন।
ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কেএমপি কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম এবং পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, খুলনার কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) এ কে এম মোশাররফ হোসেন মিয়াজী।
এ সময় স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
পরে আইজিপি খুলনা রেঞ্জের ডিআইজির কার্যালয়ে খুলনার বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
১০ দিন আগে
আন্তঃদেশীয় অপরাধবিষয়ক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডে গেলেন আইজিপি
স্ক্যাম সেন্টার কম্পাউন্ড এবং আন্তঃদেশীয় সংগঠিত অপরাধ বিষয়ক আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে ব্যাংককের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
রবিবার (১৯ জুলাই) থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।
আগামী ২০ ও ২১ জুলাই থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে। রয়্যাল থাই পুলিশের সহযোগিতায় ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
সম্মেলনে স্ক্যাম সেন্টার কম্পাউন্ড এবং আন্তঃদেশীয় অপরাধী চক্রের ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর অপারেশনাল সমন্বয়, আঞ্চলিক কৌশল প্রণয়ন এবং সমন্বিত যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা সম্মেলনে অংশ নেবেন।
সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি আইজিপি রয়্যাল থাই পুলিশের প্রধানের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করবেন। এরপর আগামী ২২ জুলাই দেশে ফিরবেন আইজিপি।
১০৭ দিন আগে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান আইজিপির
দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ঈদুল ফিতরের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।
আইজিপি বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে হাইওয়ে, ট্রাফিক ও জেলা পুলিশসহ সব ইউনিটের সদস্যরা অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন।
অনুষ্ঠান চলাকালীন পুলিশ প্রধান সদর দপ্তরে কর্মরত সব পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা, সদস্য এবং সিভিল স্টাফদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন ।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজিপিরা, ঢাকাভিত্তিক বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান এবং পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
২২৪ দিন আগে
হাদি হত্যার আসামিদের দেশে আনতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে: আইজিপি
ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার আসামিদের দেশে আনার ক্ষেত্রে কূটনৈতিকভাবে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের নতুন মহাপরির্দশক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
সোমবার (৯ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন শেষে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
আইজিপি বলেন, শহিদ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামিদের ভারতের কোলকাতায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। কুটনৈতিক চ্যানেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটি নিয়ে কাজ করছে। উভয় দেশের সঙ্গে কথাবার্তা হচ্ছে। খুব শিগগিরই সেখান থেকে বিস্তারিত বিষয়ে জানতে পারবেন।
এ সময় তিনি আরও জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সন্ত্রাসী তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ওই তালিকার ভিত্তিতে শিগগির দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করা হবে, যাতে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদারের কথাও জানান আইজিপি। তিনি বলেন, ঈদযাত্রার সময় মহাসড়কে ছিনতাই, ডাকাতি কিংবা চাঁদাবাজির মতো কোনো অপরাধ সংঘটিত হতে দেওয়া হবে না। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকবে।
বেতন-ভাতা নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষের বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়। একইসঙ্গে জঙ্গিবাদ যাতে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।
পুলিশের দুর্নামের জন্য কতিপয় পুলিশ সদস্য দায়ী মন্তব্য করে আইজিপি বলেন, পুলিশের পদোন্নতি, পদায়নে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি হবে না। সৎ ও যোগ্য লোক থাকবে পুলিশে। দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।
তিনি আরও বলেন, দ্রুত সমস্যা সমাধানের জন্য প্রতিটি থানায় একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আর পুলিশের পোশাকের বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।
পুলিশের পোশাক বদলানো বিষয়ে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, এটি নিয়ে কাজ করছে সরকার। সরকারই সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। বিষয়টি সরকার থেকেই জানতে পারবেন। তবে পোশাক পরিবর্তনের চেয়ে মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি।
মব নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মব নির্মুল করতেই হবে। আইন নিজের হাতে কেউ তুলে নেবেন না। যত বড় ক্ষমতাশালী হোক আর যে দলেরেই হোক মবকে প্রতিহত করা হবে।
২৩৯ দিন আগে
বাধ্যতামূলক অবসরে নৌ-পুলিশ প্রধানসহ ৫ অতিরিক্ত আইজিপি
নৌ-পুলিশের প্রধান কুসুম দেওয়ানসহ বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদমর্যাদার পাঁচজন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।
সোমবার (৯ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা পৃথক পাঁচটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন)-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হলো। তারা বিধি অনুযায়ী জনস্বার্থে অবসরজনিত সুবিধা প্রাপ্য হবেন।
জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
অবসরে যাওয়া পাঁচজন অতিরিক্ত আইজিপি হলেন— নৌ-পুলিশের প্রধান কুসুম দেওয়ান, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ওএসডি) আবু হাসান মুহম্মদ তারিক, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ওএসডি) মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদ, পুলিশ সদর দপ্তরের টিআর মো. মাসুদুর রহমান ভূঞা ও রাজশাহী সারদার প্রিন্সিপাল অতিরিক্ত আইজিপি মো. তওফিক মাহবুব চৌধুরী। প্রজ্ঞাপনের অনুযায়ী, সরকারি চাকরি আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে তাদের এই বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে।
২৩৯ দিন আগে
আইজিপির দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আলী হোসেন ফকির
নবনিযুক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুলিশ সদর দপ্তরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধান আলী হোসেন ফকিরকে আইজিপি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপ-সচিব তৌছিফ আহমেদ।
জানা যায়, মো. আলী হোসেন ফকির বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের সদস্য। রাজনৈতিক কারণে আওয়ামী লীগ শাসনামলে তাকে একবার চাকরিচ্যুত করা হয়। বিএনপি আমলে তিনি চাকরি ফিরে পান। এরপর আবার আওয়ামী লীগ আমলে তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বতীকালীন সরকারের সময়ে আইনি প্রক্রিয়ায় এসপি পদমর্যাদায় চাকরি ফিরে পান আলী হোসেন ফকির। এরপর সুপার নিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পান।
২৫১ দিন আগে
মব ভায়োলেন্স করে দেশের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করা যাবে না: র্যাব মহাপরিচালক
র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি), অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম শহিদুর রহমান বলেছেন, মব ভায়োলেন্স বা মব সন্ত্রাস করে এ দেশের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করা যাবে না। অপরাধী যেই হোক বা যে দলেরই হোক, আমরা তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করব।
শনিবার (১২ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের সামনে ঘটে যাওয়া ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবস্থা গ্রহণের অগ্রগতিসহ আরও কয়েকটি ঘটনায় অপরাধীদের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে প্রেস ব্রিফিং করেন র্যাবের ডিজি। ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ কে এম শহিদুর রহমান বলেন, ‘র্যাব এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেকোনো ধরনের অপরাধ সংঘটনের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের বিষয়ে তৎপর রয়েছে। দেশে বিগত কয়েক মাসে ঘটে যাওয়া অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের র্যাব গ্রেপ্তার করেছে। তাদের যেন শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়, সে ব্যাপারে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছি। মব ভায়োলেন্স সৃষ্টির অপরাধে এ পর্যন্ত প্রায় ২০ জন অপরাধীকে র্যাব আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে।’
আরও পড়ুন: নির্বাচনের সব প্রস্তুতি আছে, মব মোকাবিলায় সচেষ্ট সরকার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
‘গত ২ জুলাই লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম থানায় সন্ত্রাসী কর্তৃক মব সৃষ্টির মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের আহত করে আসামিদের ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আমরা ৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। এ ছাড়াও গত ৩ জুলাই কুমিল্লার মুরাদনগরে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় একই পরিবারের মা ও দুই সন্তানের ওপর মব ভায়োলেন্সের অযাচিত ঘটনায় ৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
সলিমুল্লাহ মেডিকেলের সামনে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত এজাহারনামীয় ৪ নম্বর আসামি আলমগীর (২৮) এবং ৫ নম্বর আসামি মনির ওরফে লম্বা মনিরকে (৩২) আমরা গতকাল (শুক্রবার) রাজধানীর কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।’
আরও পড়ুন: মব সন্ত্রাস জুলাই আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থি: অ্যাটর্নি জেনারেল
‘এ ঘটনায় আমরা ছায়া তদন্ত করছি, আর পুরো বিষয়টি দেখছে ডিএমপির তদন্ত বিভাগ।’
র্যাবের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।
৪৭৯ দিন আগে