মীর হেলাল
বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে গিয়ে জুলাই শহিদদের অবমাননা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার: মীর হেলাল
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে গিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের প্রতি অবমাননা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অন্তর থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগকে ধারণ করেন। তিনি কর্মের মাধ্যমে শহিদদের যথাযথ মর্যাদা ও মূল্যায়নের চেষ্টা করছেন।
রবিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে জেটেব আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
মীর হেলাল বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যারা সরকার পরিচালনা করেছেন এবং যাদের প্রভাবে সরকার পরিচালিত হয়েছে, তারা জুলাই স্পিরিট, অর্থাৎ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আবেগ, অনুভূতি ও চেতনা, সমুন্নত রাখতে পারেননি। একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে গিয়ে তারা জুলাই শহিদদের প্রতি অবমাননা করেছেন বলে আমি মনে করি।’
তিনি বলেন, ‘যাদের স্মরণে আজ আমরা কিছু কথা বলতে দাঁড়িয়েছি, যাদের বাবা-মায়ের আর্তনাদ আমরা শুনেছি, এরকম হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ আর্তনাদ আমাদের গত ১৭ বছর শুনতে হয়েছে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী নৃশংসভাবে হত্যা, গুমের শিকার হয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাই নয়, এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গত ১৭ বছরে যারা বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদ করেছেন, তারাও গুম, খুন, হামলা-মামলা ও কারানির্যাতন থেকে মুক্তি পাননি।’
মীর হেলাল বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি একটি ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ, জনরোষ ও প্রতিবাদের চূড়ান্ত ফলাফল।’
তিনি বলেন, ‘কোনো গণঅভ্যুত্থান কোনো এক ব্যক্তি বা এক গোষ্ঠীর মাধ্যমে সম্ভব হয় না। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ, গণতন্ত্রপ্রেমী ও দেশপ্রেমিক মানুষ, যখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, তখনই এই গণবিস্ফোরণের মুখে স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই শহিদদের পাশাপাশি ওই অবৈধ সরকারের ১৭ বছরের শাসনামলে আমাদের দলের নেতাকর্মীসহ মতবিরোধী হাজার হাজার মানুষের শহিদ হওয়ার কাহিনীও এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পেছনে কাজ করেছে।’
মীর হেলাল বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে আমাদের উপলব্ধি হওয়া দরকার যে, দেশপ্রেমকে সমুন্নত রেখে, দেশের মানুষের স্বার্থকে সবার ঊর্ধ্বে রেখে দেশ পরিচালনায় আত্মনিয়োগ করা। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা দিন-রাত সেই কাজ করে যাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদের জ্যেষ্ঠ সদস্য, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সবাই একটি প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন যেন জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন, বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে পৃথিবীর মানচিত্রে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রান্তিক পর্যায়ের সাধারণ মানুষের স্বার্থ সমুন্নত রেখে তাদের জীবনমানের উন্নয়নের জন্যও কাজ করা হচ্ছে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে আমরা এসব আলোচনা শুনছি। কিন্তু খেয়াল করলে দেখা যাবে, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এমপি শুরু থেকে আজ পর্যন্ত নেপথ্যে থেকে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।’
তিনি বলেন, ‘যেভাবে তিনি নেপথ্য থেকে নেতৃত্ব দিয়ে জুলাই আন্দোলন সফল করতে সহযোগিতা করেছিলেন, একইভাবে এখনো বাংলাদেশ পুনর্নির্মাণে ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। তিনি নিজের কৃতিত্ব বা ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য কিছু করছেন না।
‘তিনি অন্তর থেকে বিশ্বাস করেন— ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গণতন্ত্রকে পুনরায় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনতে যত ত্যাগ, আত্মাহুতি ও শহিদের রক্ত ঝরেছে, তাদের প্রতি মর্যাদা দেখাতে হলে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করা ছাড়া কোনো পথ নেই।’
মীর হেলাল বলেন, ‘নির্বাচনের আগেও এবং এখনও তারেক রহমান যে বিষয়টি ধারণ করছেন, সেটি হলো—সবার আগে বাংলাদেশ। রাষ্ট্র পরিচালনা, সমাজ পরিচালনা কিংবা যেকোনো কর্মসূচি গ্রহণের ক্ষেত্রে সবার আগে চিন্তা করতে হবে, এই কর্ম বা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের মানুষ উপকৃত হচ্ছে কি না।’
মীর হেলাল বলেন, ‘আজকে আমাদের যে কর্মসূচিগুলো রয়েছে, তার মধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেওয়া “ফ্যামিলি কার্ড” অন্যতম। এই ফ্যামিলি কার্ডের উপকারিতা প্রান্তিক পর্যায়ের নারীরা পাচ্ছেন। যারা প্রান্তিক মানুষের জীবনযাপন দেখেন না, তারা এর গুরুত্ব বুঝতে পারবেন না।’
তিনি বলেন, ‘একইভাবে কৃষক কার্ড, বিভিন্ন ধর্মের ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিদের সম্মানী, স্পোর্টস কার্ড এবং খেলোয়াড়দের সম্মানীসহ যতগুলো গণমুখী ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, এগুলো প্রমাণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অন্তর থেকে জুলাই এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগকে ধারণ করেন।
‘তিনি সেই চেতনা ধারণ করে কর্মের মাধ্যমে শহিদদের সঠিক মর্যাদা ও মূল্যায়নের চেষ্টা করছেন।’
মীর হেলাল বলেন, ‘এখানে যারা শহিদ পরিবারের সদস্য রয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে সীমিত সম্পদের মধ্যেও তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করা হবে। দল হিসেবেও আমরা তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব। আশা করি, দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দরাও তাদের পাশে থাকবেন।’
তিনি বলেন, ‘বিপ্লবের গল্প শুনে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে না। এজন্য প্রয়োজন দেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে কাজ করা এবং দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই নেতৃত্বই দিচ্ছেন।’ তিনি সবাইকে দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
জেটেবের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এ বি এম রুহুল আমীন আকন্দের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনটির নেতাকর্মী ও জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
১০ দিন আগে
হেফাজতের তাণ্ডব: ৩ মামলায় বাবু নগরী ও মীর হেলালসহ আসামি ৩ হাজার
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে হেফাজতের তাণ্ডবের অভিযোগে এবার দলটির নতুন আহ্বায়ক কমিটির আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মীর হেলাল ও উপজেলা জামায়েতের আমিরসহ ১৪৮ জনকে আসামি করে ৩টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
গত ২৬ ও ২৭ মার্চ হাটহাজারী থানায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সড়ক অবরোধের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার হাটহাজারী থানায় এসব মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ ৪দিন মামলার বিষয়টি গোপন রাখলেও সোমবার গণমাধ্যমকে জানায়।
আরও পড়ুন: হেফাজতের তাণ্ডব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৪ ঘণ্টায় ১২ জনসহ গ্রেপ্তার ৩১০
এছাড়াও অজ্ঞাত পরিচয়ে আরও ৩ হাজার জনকে নতুন করে দায়ের করা এ ৩ মামলায় আসামি দেখানো হয়েছে।
মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে হাটহাজারী থানার পরিদর্শক (অপারেশন) তৌহিদুল করিম বলেন, ‘গত ২৬ ও ২৭ মার্চে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার সব ডকুমেন্টস আদালতে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
আরও পড়ুন: হেফাজতের তাণ্ডব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ জন গ্রেপ্তার
পৃথক তিন মামলার এজাহারে বলা হয়, হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালে হাটহাজারী সদর, ইছাপুর বাজারে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও রাস্তায় দেয়াল দিয়ে আসামিরা অস্থিরতা সৃষ্টি করে। আসামিরা ২৬ থেকে ২৮ মার্চ রাস্তায় দেয়াল নির্মাণ, থানা ও ভূমি অফিসে হামলা, অগ্নিসংযোগসহ পুলিশের ওপর হামলা করেন।
একটি মামলার বাদী চট্টগ্রাম পুলিশের জেলা বিশেষ শাখার (ডিএসবি) কনস্টেবল মো. সোলায়মান। এ মামলায় বাবুনগরী, হেফাজত নেতা মীর ইদ্রিস, নাছির উদ্দিন, জাকারিয়া নোমান, আহসান উল্লাহসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত পরিচয়ের দেড়শ থেকে ২শ’ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: হেফাজতের তাণ্ডব: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৪ ঘণ্টায় আরও গ্রেপ্তার ১১
কনস্টেবল মো. সোলায়মানকে ২৬ মার্চ মাদ্রাসার ভেতর অবরুদ্ধ করে রাখার পরের দিন সন্ধ্যায় ছেড়ে দেয়া হয়েছিল।
আরেক মামলার বাদী হাটহাজারী থানার পরিদর্শক আমির হোসেন। এ মামলায় জুনায়েদ বাবুনগরী, হেফাজত নেতা জাকারিয়া নোমান ও উপজেলা জামায়াতের আমিরসহ ৭৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত পরিচয় আসামি আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার জন। এ মামলাটি করা হয় সড়কে অগ্নিসংযোগ করে প্রতিবন্ধকতার মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির দায়ে।
অন্যদিকে হাটহাজারী থানার এসআই হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে তৃতীয় মামলাটি করেছেন। এ মামলায় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি সৈয়দ ইকবাল, উপজেলা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমরান শিকদারসহ ৫৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত পরিচয় আসামি আড়াইশ থেকে তিনশ জন। তাদের বিরুদ্ধেও ইছাপুর বাজারে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, থানা ও ভূমি অফিসে হামলা, অগ্নিসংযোগসহ পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ আনা হয়।
গত ২৬ মার্চ হেফাজতের তাণ্ডবের পাঁচ দিন পর গত ৩১ মার্চ চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানা ভবনে হামলা, ভূমি অফিসে ভাঙচুর, ডাকবাংলোয় আগুন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ছয়টি ও পটিয়াতে একটি মামলা করে পুলিশ। হাটহাজারী থানায় চারটি ও পটিয়ায় একটি মামলার বাদী পুলিশ। আর ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা দায়ের করেন দুটি মামলা। তবে প্রায় দুই হাজার জনকে আসামি করা হলেও কারো নাম নেই এসব মামলায়। সাত মামলার সব আসামিই অজ্ঞাত। ওই সময় থেকে মামলাগুলো তদন্ত করছিল পুলিশ। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২৬ মার্চ ও ২৭ মার্চ হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্ররা দু’দিন ধরে নারকীয় তাণ্ডব চালায়। তারা ওই সময় হাটহাজারী উপজেলার সহকারী কমিশনারের (ভূমি) ৫৫ লাখ টাকা দামের গাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। এসিল্যান্ড অফিসের সব নথি পুড়িয়ে দেয়া হয়। তছনছ করা হয় সব আসবাবপত্র। সরকারি ডাক বাংলোতে আগুন দেয়া হয়। সেখানে থাকা তিনটি মোটরসাইকেলও আগুনে পুড়ানো হয়।
এছাড়া সদর ভূমি অফিস তছনছ করার পাশাপাশি জমির খতিয়ান সব পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই অফিসের অধীন পৌরসভা, মেখল ও ফতেপুর ইউনিয়নের জমির খতিয়ান ও খাজনার সব রেকর্ড ছিল। ডাকবাংলোর ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করেছে জেলা পরিষদ। তবে এসিল্যান্ড অফিস ও সদর ভূমি অফিসে হেফাজতের নেতাকর্মীদের তাণ্ডবে শুধুমাত্র ভৌত অবকাঠামোগত ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৭০ লাখ টাকা।
১৯২৭ দিন আগে