ঈদ জামাত
মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেও লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে শোলাকিয়ায় ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত
মুষলধারে বৃষ্টি ও মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া উপেক্ষা করে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ ১৯৯তম ঈদুল আজহার জামাত। চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এ জামাতে প্রায় লাখো মুসল্লি অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত জামাতে ইমামতি করেন বড়বাজার মসজিদের খতিব মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। স্থানীয় মুসল্লিদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিদেশ থেকেও আগত মুসল্লিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
ভোর থেকেই জায়নামাজ হাতে দলে দলে মুসল্লিরা শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে আসতে শুরু করেন। ঐতিহ্য ও ধর্মীয় আবেগের মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো এলাকা। রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে তিনবার বন্দুকের ফাঁকা গুলি ছুড়ে নামাজের প্রস্তুতির সংকেত দেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় ঈদের জামাত।
জামাতকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মাঠে প্রবেশের আগে প্রত্যেক মুসল্লিকে তল্লাশি করা হয়। নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিল বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্য। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়।
মাঠ ও প্রবেশপথজুড়ে বসানো হয় সিসি ক্যামেরা। ছিল চারটি ওয়াচ টাওয়ার এবং ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা। মুসল্লিদের সহায়তায় কাজ করেন বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ও চিকিৎসক দল। রাখা হয় সুপেয় পানির ব্যবস্থাও।
দূর-দূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের যাতায়াত সহজ করতে চালানো হয় ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন।
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মুসল্লিদের অনেকে জানান, শোলাকিয়ার বিশাল জামাতে অংশ নিয়ে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে—এমন বিশ্বাস ও ধর্মীয় আবেগ থেকেই প্রতি বছর তারা এই ঐতিহাসিক ঈদগাহে ছুটে আসেন।
কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, এবারের জামাতে প্রায় এক লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছেন। তিনি বলেন, শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নের জন্য পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। আগামী রমজানের ঈদের আগেই মাঠের উন্নয়নকাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত সম্পন্ন হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল সর্বোচ্চ মানের।
নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
৮ দিন আগে
ঈদের নামাজের স্থান নিয়ে কুষ্টিয়ায় সংঘর্ষ, আহত ১৩
ঈদের নামাজ মসজিদে হবে নাকি ঈদগাহ মাঠে—এ নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে। সংঘর্ষের কারণে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের চর এলঙ্গী আচার্য গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—রুবেল হোসেন (৩০), গফুর (৪০), আলম (৪৫), শাকিল (২৫), রিপন (২৬), সরোয়ার (৪৫), আশরাফুল (৩৫), শাহিন (৩৫), জিয়া (৩৭), মুসা (৪৫), মন্টু (৫৫), জুয়েল (২৭) ও ফিরোজা খাতুন (৩৩)। তারা কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গড়াই নদীর চরে অবস্থিত এই গ্রামে প্রায় ১২০টি পরিবারে পাঁচ শতাধিক মানুষের বসবাস। তাদের জন্য একটি জামে মসজিদ ও একটি ঈদগাহ মাঠ রয়েছে। ঈদের দিন সকাল থেকেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টির কারণে ঈদগাহ কমিটি সকাল সাড়ে ৮টার পরিবর্তে সাড়ে ৯টায় জামাত নির্ধারণ করে।
এ নিয়ে গ্রামবাসী দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। একপক্ষ মসজিদে নামাজ শুরু করলে অপরপক্ষ তাদের ঈদগাহে যাওয়ার আহ্বান জানায়। এ সময় বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয়পক্ষ।
সংঘর্ষে আহত রুবেল হোসেন অভিযোগ করেন, তর্কাতর্কির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা দিয়ে তাকে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেয়। তার মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে জুয়েল বলেন, মসজিদে নামাজ শেষে খুতবা চলাকালে প্রতিপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি, তার বাবা ও স্বজনসহ কয়েকজন আহত হন। তাদের বাড়িতেও ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে আহত কয়েকজনকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেখা গেছে, যাদের হাত, মুখ ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এরপর বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুরের চিহ্ন রয়েছে।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা রোকেয়া খাতুন অভিযোগ করেন, ‘নামাজ নিয়ে রাস্তায় মারামারির পর আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।’ অন্যদিকে ছারা খাতুন দাবি করেন, তার ছেলের অটোরিকশা ও বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।
এদিকে, সংঘর্ষের কারণে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেননি স্থানীয় স্কুলশিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে নামাজের স্থান নিয়ে বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নামাজ আর অনুষ্ঠিত হয়নি।’
ঈদগাহ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময় পরিবর্তন করা হলেও একপক্ষ মসজিদে নামাজ শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে প্রায় ৪৫০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেননি।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, নামাজের স্থান নিয়ে বিরোধে দুপক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে কি না, তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।
৭৬ দিন আগে
পাঁচ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে শোলাকিয়ায় উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত
প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায়। এবার শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত।
নিরাপত্তাব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই হয়েছে ঈদের জামাত। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত জামাতে ইমামতি করেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।
এবারের ঈদ জামাতে বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরীফুল আলমসহ কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ ও জেলা প্রশাসক এবং মাঠ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা মাঠে নামাজ আদায় করেন।
আগত মুসল্লিদের প্রত্যেককে তল্লাশি করে মাঠে প্রবেশ করানো হয়। জেলার স্থানীয় মুসল্লিসহ দেশ-বিদেশের পাঁচ লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজ শুরুর ঘণ্টাখানেক আগেই পুরো মাঠটি মুসল্লিতে ভরে যায়। পরবর্তীতে আগত মুসল্লিরা মাঠে জায়গা না পেয়ে পাশের রাস্তায়, বিভিন্ন বাড়ির আঙ্গিনায় নামাজ আদায় করেন।
এ সময় নিরাপত্তার জন্য ১১০০ পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়। সেই সঙ্গে ছিল সেনাবাহিনী ৪ প্লাটুন, র্যাবের ৬টি টিম, ৫ প্লাটুন বিজিবিসহ সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরা। মাঠের ভেতরে নির্মিত ৬টি ওয়াচ টাওয়ার থেকে সার্বক্ষণিকক নজরদারি করে পুলিশ প্রসাশন।
এই জামাতে অংশ নেওয়ার সুবিধার্থে ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি স্পেশাল ট্রেন দিয়েছিল বাংলাদেশ রেলওয়ে।
রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে মুসল্লিদের সংকেত দিতে শটগানের ৬টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। ৩টি গুলি করা হয় জামাত শুরুর ৫ মিনিটি আগে, ২টি ২মিনিট আগে এবং শেষটি জামাত শুরুর ১ মিনিট আগে।
৭৬ দিন আগে
সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকারের অংশগ্রহণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের টানেলে (দক্ষিণ প্লাজার নিচে) অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদের জামাত।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত এই জামাতে অংশ নেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মুসল্লিরা।
এবারের ঈদের জামাতের বিশেষ দিক ছিল, প্রথমবারের মতো নারীদের জন্য পৃথকভাবে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। এতে অংশ নেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব মিজ কানিজ মওলাসহ নারী মুসল্লিরা।
স্পিকারের নির্দেশনায়, মুসল্লিদের সুবিধা এবং বৈরী আবহাওয়ার কথা বিবেচনায় রেখে টানেলের নিচে জামাতের সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ ইমাম মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।
জামাত শেষে স্পিকার উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এ সময় মুসল্লিরাও একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন। পাশাপাশি মুসল্লিদের মধ্যে খেজুর বিতরণ করা হয়, যা ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
৭৬ দিন আগে
জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়
রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহে আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। আর আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায় ।
সম্প্রতি ঈদুল ফিতর উদযাপনে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভার কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ মার্চ বা ২১ মার্চ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদুল ফিতরের প্রধান জামায়াতের আয়োজন করা হবে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামায়াত সকাল ৯ টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদে আয়োজনের ব্যবস্থা করতে হবে।
আরও বলা হয়, আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ হলে ঈদের প্রধান জামাত বায়তুল মোকাররম মসজিদে স্থানান্তরের বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালককে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে।
সভায় আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ঈদুল ফিতরের প্রধান জামায়াতের ইমাম মনোনয়নের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট তিনজন আলেম, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের জন্য তিনজন বিশিষ্ট ক্বারী ও ঈদের জামায়াত পরিচালনার জন্য তিনজন উপস্থাপকের তালিকা ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এ তালিকা থেকে একজন ইমাম ও একজন বিকল্প ইমাম, একজন ক্বারী ও একজন বিকল্প ক্বারী এবং একজন উপস্থাপক ও একজন বিকল্প উপস্থাপক ধর্ম মন্ত্রণালয় মনোনয়ন দেবে।
৮৬ দিন আগে
ঈদুল আজহায় বায়তুল মোকাররমে ৫ ঈদ জামাত, প্রথমটি সকাল ৭টায়
আগামী ৭ জুন (শনিবার) সারা দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে। ঈদুল আজহায় প্রতি বছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (৩ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞিপ্তিতে জাতীয় মসজিদে ঈদ জামাতের সময়সূচিসহ বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
ফাউন্ডেশনের সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা শায়লা শারমীনের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টায় এবং পরবর্তী চারটি জামাত যথাক্রমে সকাল ৮টা, ৯টা, ১০টা এবং বেলা পৌনে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতি বছরের মতো এবারও জামাতগুলোতে দায়িত্ব পালন করবেন দেশের খ্যাতনামা আলেমরা।
প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন যাত্রাবাড়ীর তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ড. খলিলুর রহমান মাদানী এবং মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন জাতীয় মসজিদের খাদেম মো. আব্দুল হাদী।
দ্বিতীয় জামাতে (সকাল ৮টা) ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা আবু সালেহ পাটোয়ারী এবং মুকাব্বির থাকবেন জাতীয় মসজিদের খাদেম মো. নাসির উল্লাহ।
আরও পড়ুন: জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ৭ জুন
তৃতীয় জামাতে (সকাল ৯টা) ইমামতির দায়িত্বে থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অনুবাদ ও সংকলন বিভাগের সম্পাদক ড. মুশতাক আহমদ এবং মুকাব্বির থাকবেন জাতীয় মসজিদের খাদেম মো. বিল্লাল হোসেন।
চতুর্থ জামাতে (সকাল ১০টা) ইমামতির দায়িত্বে থাকবেন ফাউন্ডেশনের মুফতি মো. আব্দুল্লাহ এবং মুকাব্বির থাকবেন বায়তুল মোকাররমের খাদেম মো. আমির হোসেন।
সবশেষ জামাতে (সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট) ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ভাষা শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ নূর উদ্দীন এবং মুকাব্বির থাকবেন বায়তুল মোকাররমের খাদেম মো. জহিরুল ইসলাম।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কোনো ইমাম অনুপস্থিত থাকলে তার পরিবর্তে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন। আর বিকল্প মুকাব্বির হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন খাদেম মো. রুহুল আমীন।
৩৬৭ দিন আগে
ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত বাণিজ্য মেলার মাঠ
বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশের পুরনো বাণিজ্যমেলার মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজের প্রস্তুতি শেষ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। এখানে সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। নারীদের জন্যও আলাদা নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে।
ডিএনসিসির উদ্যোগে ঢাকা উত্তরের প্রধান ঈদের জামাত এটি। ঈদের জামাতের পর থাকছে ঈদ আনন্দ মিছিল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ঈদ মেলা।
রোববার (৩০ মার্চ) মাঠের প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ‘এবারের ঈদ জামাত ও ঈদ মিছিলে লাখো মানুষ সমাগমের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। ঈদ জামাতে নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি অজুর ব্যবস্থা, পানি পানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই মাঠে একসাথে লক্ষাধিক মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবেন।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের অনেক উপদেষ্টা এখানে থাকবেন। নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী গত একসপ্তাহ ধরে কাজ করছে। সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পুরো এলাকা নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।’
‘ঈদের জামাতকে ঘিরে পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে। মোবাইল ফোন, জায়নামাজ ও ওয়ালেটের বাইরে ভারি কোনো বস্তু কেউ সাথে না আনার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।’
এ সময় কাউকে কোনো ‘অনাকাঙ্ক্ষিত জিনিস বা পতাকা’ না নিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ‘সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঈদের জামাত শুরু হবে। নারী-পুরুষ সবাই ঈদ জামাতে অংশ নিতে পারবেন। নারীদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদ জামাত শেষে সকাল ৯টায় ঈদ আনন্দ মিছিল শুরু হবে। ঈদ মিছিলটি পুরনো বাণিজ্যমেলার মাঠ থেকে শুরু হয়ে সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হবে। ঈদ মিছিলটি হবে বর্ণাঢ্য।’
আরও পড়ুন: বিআরটিএ টহল টিমের তৎপরতায় স্বস্তির ঈদযাত্রা
‘মিছিলের সামনে শাহী ঘোড়া ও সামনে-পেছনে ২০টির মতো ঘোড়ার গাড়ি থাকবে। ব্যান্ড পার্টি থাকবে, সুলতানি-মোঘল আমলের ইতিহাস সম্বলিত চিত্রকলাও থাকবে। নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এই ঈদ আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণ করবেন। অন্যান্য ধর্মামাবলম্বীরাও আসবেন। এর মাধ্যমে ঢাকার ৪০০ বছরের ঈদ ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনা হবে।’
দুই দিনব্যাপী ঈদমেলা
ঢাকা উত্তর সিটির ঈদ আনন্দ উৎসবের অন্যতম অনুষঙ্গ দুই দিনব্যাপী ঈদ আনন্দমেলা। ঈদের দিন ও এর পরদিন এ মেলা হবে বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে। মেলায় বিভিন্ন পণ্যের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের ২০০টির বেশি স্টল থাকবে।
দুই দিনই মেলা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। মেলায় শিশুদের বিনোদনের জন্য নাগরদোলা থাকবে। খেলাধুলার জন্য রাখা হবে বিভিন্ন খেলার সামগ্রী।
৪৩২ দিন আগে
খুলনায় ঈদ জামাতে জাতির সমৃদ্ধি কামনা
যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সারা দেশের মতো খুলনায় পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়েছে।
ঈদ উপলক্ষে রবিবার সূর্যোদয়ের সাথে সরকারি-বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সড়কদ্বীপ বাংলা ও আরবীতে ঈদ মোবারক খচিত ব্যানারে সজ্জিত করা হয়।
মহানগরী খুলনায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে সকাল ৮টায়। জামাতে ইমামতি করেন খুলনা টাউন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহম্মদ সালেহ।
জামাতে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ হারুনুর রশীদ, জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন।
নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে মুসল্লিরা পরস্পর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে সিটি কর্পোরেশনের সহায়তায় ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের তত্ত্বাবধানে পৃথকভাবে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নিউমার্কেট সংলগ্ন বায়তুন-নুর-জামে মসজিদ, ডাকবাংলা জামে মসজিদ ও ময়লাপোতা বায়তুল আমান জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও নগরীর সোনাডাঙ্গা হাফিজনগর জামে মসজিদ, খুলনা জিলা স্কুল জামে মসজিদ, কাস্টমঘাট জামে মসজিদ, ইসলামাবাদ ঈদগাহ ময়দান, খালিশপুর ঈদগাহ ময়দান, পিটিআই জামে মসজিদ, কেডিএ নিরালা জামে মসজিদ, সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসা, দারুল উলুম মাদ্রাসা, আন্তজেলা বাস টার্মিনাল মসজিদ, শিপইয়ার্ড, লবনচরা, চাঁনমারী, রূপসা, টুটপাড়া, মিয়াপাড়া, শেখপাড়া, বসুপাড়া, জোড়াগেট সিএন্ডবি কলোনী মসজিদ, বয়রা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন, খালিশপুর ক্রিসেন্ট জুট মিলস, বিএল কলেজ, দেয়ানা ঈদগাহ, সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা, খানজাহান নগর খালাসী মাদ্রাসা ঈদগাহ এবং দৌলতপুরসহ নগরীর বিভিন্ন মসজিদ ও ময়দানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
পড়ুন: ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে
১৪২৬ দিন আগে
শোলাকিয়ায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদ্গাহ মাঠে রবিবার পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এদিন সকাল থেকে মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করতে দলে দলে মাঠে আসতে থাকেন। সকাল ৯টায় ঈদের জামাত শুরু হয়। এবারের ১৯৫তম ঈদ জামাতে ইমামতি করেন মারকাজ মসজিদের ইমাম মাওলানা হিফজুর রহমান খান।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে শোলাকিয়া এক্সপ্রেস নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চালু করা হয়।
নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহ ও বন্যায় কবলিত মানুষের কল্যাণে বিশেষ দোয়া করা হয়।
আারও পড়ুন: ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে
জেলা পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, ঈদ জামাত ঘিরে মুসল্লিদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন ও বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়। প্রত্যেক মুসল্লিকে তল্লাশির মাধ্যমে ঈদগাহে প্রবেশ করানো হয়। আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টর, ড্রোন ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। এছাড়া সাদা পোশাকে নজরদারি করেছেন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।
জেলা প্রশাসক ও শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি সভাপতি মোহাম্মদ শামীম আলম জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শোলাকিয়ায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৪২৬ দিন আগে
শোলাকিয়ায় এশিয়ার বৃহত্তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত
করোনার কারণে দুই বছর বিরতির পর, মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে এশিয়ার বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার ঈদ জামাত শেষে জেলা প্রশাসক ও ঈদগাহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শামীম আলম সাংবাদিকদের জানান, জামাতে প্রায় তিন লাখ মুসল্লি অংশ নিয়েছেন।
এবছর কিশোরগঞ্জ বড় বাজার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা সোয়েব বিন আব্দুর রউফ জামাত পরিচালনা করেন।
জামাতে মুসল্লিরা মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করেন এবং আল্লাহর কাছে দোয়া কামনা করেন।
আরও পড়ুন: মহামারি শেষে উৎসবমুখর ঈদ
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ জানান, পুরো শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), পুলিশ ও গোয়েন্দাদের পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মোট পাঁচ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন। সিসিটিভি ক্যামেরা ছাড়াও ড্রোন দিয়ে পুরো এলাকায় নজর রাখা হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শোলাকিয়া এক্সপ্রেস নামে দুটি বিশেষ ট্রেন ভৈরব-কিশোরগঞ্জ এবং ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ রুটে যাত্রা করেছে যাতে ভক্তরা বৃহত্তম ঈদ জামাতে যোগ দিতে পারেন।
আরও পড়ুন: সাধারণ মানুষের মধ্যে ঈদ আনন্দ নেই: বিএনপি
চলমান সাম্প্রদায়িক হামলার মধ্যেও ভারতে ঈদ উদযাপিত
১৪৯৪ দিন আগে