ঝিনাইদহ
চিকিৎসক সংকট ও নানা অব্যবস্থাপনায় ধুঁকছে হরিণাকুন্ডু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা হরিণাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। কিন্তু বর্তমানে এই হাসপাতালটি নানাবিধ সংকটে নিজেই ধুঁকছে। চিকিৎসক ও জনবল সংকট, ওষুধের ঘাটতি আর দায়িত্বপ্রাপ্তদের অনুপস্থিতিতে এখানে আসা রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়ার বদলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য কেবলই এক দীর্ঘশ্বাসের জায়গায় পরিণত হয়েছে।
সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, ২০০৫ সালে হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও আধুনিক চিকিৎসার নূন্যতম সুযোগ-সুবিধা এখানে মিলছে না। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার। ফলে জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে রোগীদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল বা বেসরকারি ক্লিনিকে দৌড়াতে হচ্ছে। হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন থাকলেও নানা অজুহাতে সেটি প্রায়ই বন্ধ রাখা হয়। প্যাথলজি পরীক্ষার অবস্থাও তথৈবচ। গরিব রোগীরা তাই দূর-দূরান্ত থেকে এসেও শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে বাইরের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে চড়া মূল্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে বাধ্য হচ্ছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বারান্দায় অসুস্থ শিশুদের নিয়ে মায়েদের দীর্ঘ অপেক্ষা। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা সাধারণ মানুষ সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও ডাক্তারের দেখা পাচ্ছেন না বলে জানান।
হরিণাকুন্ডুর দুর্লভপুর গ্রাম থেকে আসা রহিম উদ্দিন আক্ষেপ করে বলেন, ‘সকাল থেকে বসে আছি, কিন্তু ডাক্তারের দেখা নেই। আমরা গরিব মানুষ, বারবার শহরে যাওয়ার সামর্থ্য আমাদের নেই। এখানে সেবা না পেলে আমরা কোথায় যাব?’
একই অভিযোগ হরিশপুর গ্রামের সালমা খাতুনেরও। তিনি জানান, ডাক্তার না থাকায় বাধ্য হয়ে তাকে বাড়তি টাকা খরচ করে ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, অনেক চিকিৎসকের পদায়ন এই হাসপাতালে থাকলেও তারা নিয়মিত কর্মস্থলে যান না। ১৬৭ জন অনুমোদিত জনবলের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৯৯ জন। জনবলের এই বিশাল ঘাটতি আর কর্মরতদের একাংশের ফাঁকিবাজির কারণে ব্যাহত হচ্ছে সাধারণ চিকিৎসাসেবা। প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ এখান থেকে সেবা নেওয়ার চেষ্টা করলেও অর্ধেকের বেশি মানুষ অসন্তুষ্ট হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান সোহেল অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, অন্তত তিনজন চিকিৎসক নিয়মিত হাসপাতালে উপস্থিত থাকেন না এবং তাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে জনবল সংকট কাটিয়ে শিগগিরই হাসপাতালের সেবার মান বৃদ্ধির জন্য কাজ চলছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, আর কতকাল তারা আধুনিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত থাকবেন? একটি জনবহুল উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা কি এভাবেই বছরের পর বছর অবহেলা আর অনিয়মের চাদরে ঢাকা থাকবে?
তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপই পারে হরিণাকুন্ডুর মানুষের এই দুর্ভোগ লাঘব করতে।
৩ দিন আগে
ঝিনাইদহে হাম ও উপসর্গ নিয়ে দেড় মাসে হাসপাতালে ভর্তি ১০৫, মৃত্যু নেই
সারা দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগের মাঝে ঝিনাইদহ জেলায় পরিস্থিতি এখনও স্থিতিশীল ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সর্বশেষ (২৬ এপ্রিল) তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ৪২ দিনে জেলায় হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ১০৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, হামের বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা বর্তমানে ‘গ্রিন জোন’ বা নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি এবং কোনো রোগীর অবস্থাই আশঙ্কাজনক নয় বলে সিভিল সার্জনের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে।
ঝিনাইদহ সিভিল সার্জনের দপ্তর থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) পর্যন্ত ৪২ দিনে জেলায় হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ১১৫ জন রোগী হাসপাতালে এসেছে। এর মধ্যে শারীরিক অবস্থার বিবেচনায় ১০৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। উন্নত চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৮৩টি শিশু। বর্তমানে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে মাত্র ৮ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হাসপাতালে আসা প্রতিটি রোগীর ল্যাব পরীক্ষা করার প্রয়োজন না হলেও সন্দেহভাজন রোগীদের মধ্য থেকে ৮ শিশুর নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছিল। পরীক্ষায় এই ৮ জনের শরীরেই হামের উপস্থিতি (পজিটিভ) পাওয়া গেছে। তবে আক্রান্তদের মধ্যে জটিল কোনো উপসর্গ না থাকায় তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছে।
ঝিনাইদহ সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের এমওসিএস ডা. ফারহানা তাসনীম জানান, ঝিনাইদহ জেলা এখন পর্যন্ত গ্রিন জোনে রয়েছে। আমরা প্রতিটি কেস নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। লক্ষণ নিয়ে আসা রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন ডা. কামরুজ্জামান সোহেল জানান, যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবুও স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে মাঠ পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে। হাম-রুবেলার টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামী ১০ মে পর্যন্ত জেলার ৬টি উপজেলার ১ হাজার ৭৬৪টি কেন্দ্রে একযোগে চলবে টিকাদান কার্যক্রম।
তিনি আরও জানান, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সের নিচে মোট ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৮৩ শিশুকে হাম রুবেলার টিকা প্রদান করা হবে। শিশুদের মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ জানিয়েছেন ডা. কামরুজ্জামান সোহেল।
৯ দিন আগে
ঝিনাইদহে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল নারীর
ঝিনাইদহে ট্রাকচাপায় শাম্মী আক্তার (৪০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। কুষ্টিয়া থেকে স্বামীর সঙ্গে ঝিনাইদহ শহরে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসার পথে ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন তিনি।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে শহরের আরাপপুর জামতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শাম্মী কুষ্টিয়া জেলার মিনাপাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী।
ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, কুষ্টিয়া থেকে মোটরসাইকেলে চড়ে শাম্মী আক্তার তার স্বামীর সঙ্গে ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকায় মেয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। তারা শহরের আরাপপুর জামতলা এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এতে শাম্মী আক্তার ছিটকে রাস্তায় পড়ে যান। এ সময় পেছন থেকে আসা বালুবোঝাই একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামসুল আরেফিন জানান, মরদেহটি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ট্রাকটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
১১ দিন আগে
ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি সমর্থিত দুপক্ষের সংঘর্ষে মোহন শেখ (৬৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় সংঘর্ষে আহত হয়েছেন উভয় গ্রুপের ১৫ জন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মাধবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা মফিজ উদ্দিন জানান, মাধবপুর গ্রামের বিএনপির সমর্থক শের আলী মাতুব্বরের সঙ্গে একই গ্রামের মশিউর রহমান মাতুব্বরের দীর্ঘদিন ধরে সামাজিকভাবে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জের ধরে আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মোহন শেখ নামে একজন নিহত হন। এছাড়া সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হন। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, আহতদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে আব্বাস নামের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
এ ব্যাপারে শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, মাধবপুর গ্রামে সামাজিক দুই মাতুব্বরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ১ জন নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বর্তমানে গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
১২ দিন আগে
ইরান যুদ্ধের আঁচ: তাপপ্রবাহের মাঝে লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ ঝিনাইদহবাসী
বৈশাখের তীব্র তাপদাহে যখন প্রাণীকূলের জীবন হাঁসফাঁস করছে, তখন তীব্র লোডশেডিংয়ের ফলে জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। আর এই বিপর্যয় নিয়ে দুঃসহ দিন পার করছেন ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ ও ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) লাখো গ্রাহক।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার প্রভাব প্রকট হয়ে উঠেছে জেলাজুড়ে। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম হওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে ঝিনাইদহের কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম।
জানা গেছে, ঝিনাইদহের পল্লী বিদ্যুৎ ও ওজোপাডিকোর মোট চাহিদা ১২৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এর মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের চাহিদা ৭৫ মেগাওয়াট ও ওজোপাডিকোর ৫৪ মেগাওয়াট। কিন্তু এই দুই দপ্তর মিলে পাচ্ছে মাত্র ৭৭ মেগাওয়াট। ফলে প্রতিদিন বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকছে ৫২ মেগাওয়াট।
ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) প্রকৌশলী নাজমুন নাহার জেরিন জানান, ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় বর্তমানে গ্রাহকের সংখ্যা ৪ লাখ ৪৫ হাজার ২৬৪। এর মধ্যে আবাসিক গ্রাহক রয়েছেন ৩ লাখ ৯৯ হাজার ১২৬, বাণিজ্যিক ২৫ হাজার ৮৪৫, সেচ পাম্প ১০ হাজার ৮৯৫, হাসপাতাল ও ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ হাজার ৬৭০ এবং শিল্প ও অন্যান্য স্থাপনায় ৩ হাজার ৭২৮টি সংযোগ রয়েছে।
তিনি জানান, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কিছুটা কম পাওয়া যাচ্ছে। ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চাহিদা ৭৫ মেগাওয়াট, কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে ৩৮ থেকে ৫৪ মেগাওয়াট। চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ পাওয়ায় পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ফিডারে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
ইহছানুল ইসলাম নামে পল্লী বিদ্যুতের এক গ্রাহক বলেন, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রামের মানুষ প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। টানা বিদ্যুৎ বন্ধ না করে রেশনিং পদ্ধতি ও সমতার ভিত্তিতে গ্রামে গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ বহাল রাখার দাবি জানান তিনি।
সাবেক অধ্যক্ষ সায়েদুল ইসলাম জানান, বিদ্যুতের ঘাটতিতে জনজীবনে দুর্ভোগ ও ক্ষোভ তীব্র হচ্ছে। গরমে দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় চরম বিঘ্ন ঘটছে। অনেক এলাকায় টানা এক ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকছে না। মানুষ বুঝতে চাচ্ছে না এই দুর্ভোগ যুদ্ধের কারণে হচ্ছে।
ঝিনাইদহ চেম্বার অ্যান্ড কমার্সের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, জেলার ছোটবড় কলকারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন উদ্যোক্তারা।
ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় তারা এলাকাভেদে লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছেন। পরিস্থিতির উন্নতি কবে হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো বার্তা দিতে পারছেন না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ওজোপাডিকোর ঝিনাইদহ সরবরাহ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দ্বীন মোহাম্মদ মহিম জানান, ঝিনাইদহের ৬ উপজেলায় তাদের গ্রাহক সংখ্যা ১ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৫। ব্যস্ত সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে প্রায় ৫৪ থেকে ৬০ মেগাওয়াট, কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৩৯ মেগাওয়াট। জেলা শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে থাকা ওজোপাডিকোর প্রায় ৯০ হাজার গ্রাহকের বিপরীতেও চাহিদার তুলনায় প্রাপ্তি অনেক কম। ফলে শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকছে মানুষ।
১৪ দিন আগে
ই-বেইলবন্ড সিস্টেমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ঝিনাইদহসহ দেশের ৭টি জেলায় বিচারিক কার্যক্রমে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ই-বেইলবন্ড’ সিস্টেমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২০ এপ্রিল) ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলনকক্ষে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই ডিজিটাল সেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বক্তারা জানান, ই-বেইলবন্ড সিস্টেম চালুর ফলে জামিন-সংক্রান্ত আদেশ দ্রুততম সময়ে কারাগারে পৌঁছাবে। ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে। এতে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষ হয়রানি থেকে মুক্তি পাবেন। বিচার বিভাগে তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় ই-বেইলবন্ড সিস্টেম একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এখন থেকে জামিননামা যাচাই-বাছাই এবং কারামুক্তির প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, এই নতুন ব্যবস্থার ফলে বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা কমবে। ফলে আইনি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় আরও সহজলভ্য হবে।
ঝিনাইদহে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ও দায়রা জজ মো. এমরান হোসেন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম নবী, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুবীর কুমার, জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট এস এম মশিউর রহমান, জিপি মোকাররম হোসেন টুলু, ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী একরামুল হক আলম ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিউল আলমসহ আইন পেশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনজীবীরা।
১৫ দিন আগে
উদ্বোধনের আড়াই বছরেও চালু হয়নি ঝিনাইদহের ২০ শয্যার হাসপাতাল
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় নির্মিত ২০ শয্যার হাসপাতালটি উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। উদ্বোধনের আড়াই বছর পার হয়েছে, কিন্তু হাসপাতালটি এখনও চালু হয়নি।
উপজেলার সীমান্তঘেঁষা ভৈরবা সাকোর খাল এলাকায় নির্মিত ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় জনবল অনুমোদন না পাওয়ায় এর কার্যক্রম এখনও শুরু করতে পারেনি। ফলে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি গ্রামের লাখো মানুষ প্রাথমিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান জানান, জেলা শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে ভৈরবা সাকোর খাল এলাকায় ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয়। প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই হাসপাতালটি সীমান্তবর্তী মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্মাণ করা হলেও এখনও কার্যক্রম শুরু হয়নি। চালু না হওয়ায় হাসপাতাল ভবনটি অবহেলায় পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানের পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং দেওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। কোনো লোকজন বা পাহারাদার না থাকায় হাসপাতালের মালামাল চুরি হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আলফাজ উদ্দীন বলেন, ‘ভেবেছিলাম হাসপাতাল চালু হলে আর দূরে যেতে হবে না। কিন্তু এখনও অসুস্থ হলে উপজেলা বা জেলা শহরে যেতে হয়। এতে সময় ও টাকা দুটোই নষ্ট হচ্ছে।’
রুলি গ্রামের বাসিন্দা শাহজাহান বলেন, ‘অনেক টাকা খরচ করে হাসপাতাল করা হলো। মন্ত্রী এসে উদ্বোধনও করলেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো ডাক্তার দেখলাম না। তাহলে হাসপাতাল করে লাভ কী হলো? আমরা চাই দ্রুত এটি চালু করা হোক।’
হাসপাতাল চালুর ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, হাসপাতালটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনিক অনুমোদন পেলেই দ্রুত চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসপাতালটি চালু হলে প্রতি মাসে সীমান্ত এলাকার ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
১৯ দিন আগে
৪৫ বছরের পুরোনো সেতু ভেঙ্গে ৯ মাস ধরে চলাচল বন্ধ, জনদুর্ভোগ চরমে
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া ও মহারাজপুর এলাকায় ৪৫ বছরের পুরোনো একটি সেতু ভেঙ্গে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ৯ মাস আগে সেতুটি ধসে পড়লেও সেটি তৈরি করা সম্ভব হয়নি। এলাকাবাসি সাময়িকভাবে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে চলাচল করলেও তা নিয়ে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম মিঞা জানান, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া ও মহারাজপুর ইউনিয়নের একমাত্র ব্যবহারযোগ্য ও সংযোগস্থাপনকারী সড়ক বিষয়খালী জিসি-নগরবাথান জিসি ভায়া ডেফলবাড়ী সড়কটি আনুমানিক ৪৫ বছর আগের তৈরি। সড়কের ভবানীপুর-ডেফলবাড়ী এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) সেচ প্রকল্পের খালের ওপর এলজিইডি সেতুটি নির্মাণ করে।
কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম জানান, ২০২৫ সালে অতি বৃষ্টিপাতের ফলে পানির তোড়ে সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও সেতুটি গত ৯ মাসেও নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে বেড়েছে স্থানীয় চলাচলকারী, পণ্য পরিবহনকারী ও যানবাহন চালকদের ভোগান্তি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির পাটাতন ভেঙ্গে খালের মাঝখানে পড়ে আছে। ভেঙ্গে যাওয়া সেতুর জায়গায় বসানো হয়েছে বাঁশের সাঁকো। স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ সাঁকো তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে বাঁশের সাঁকোও নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে অটোরিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যান চলাচল।
স্থানীয় বাসিন্দা রাহাত হোসেন জানান, ৯ মাস আগে সেতুটি ভেঙ্গে গেছে। আমরা বারবার বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়েছি, তারপরও কোনো সমাধান পাইনি। কবে সেতু হবে কেউ বলতে পারে না। সেতু ভেঙ্গে যাওয়ায় এই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
স্কুলশিক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুন বলেন, আমরা নিয়মিত এই সেতু পার হয়ে স্কুলে যেতাম। গত বছর সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ার পরে সাঁকো বানানো হয়। এখন সাঁকোটিও ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম। নড়বড়ে সাঁকোর ওপর দিয়ে বাইসাইকেল নিয়ে পার হওয়ার সময় ভয় লাগে। এই সাঁকো ভেঙ্গে গেলে আমাদের স্কুলে যাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
ট্রাকচালক আলফাজ আলী বলেন, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজারে পণ্য সরবরাহ করার পরে আমরা এই সেতুটি ব্যবহার করে মহারাজপুর ইউনিয়নের বাজারগুলোতে যেতে পারতাম। এটি ভেঙ্গে যাওয়ার পরে এই সড়কে চলাচল করা বন্ধ হয়ে গেছে, যানবাহন চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, সদর উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া ও মহারাজপুর ইউনিয়নের সংযোগস্থাপনকারী ‘বিষয়খালী জিসি সড়ক টু নগরবাথান জিসি সড়ক ভায়া ডেফলবাড়ি’ সড়কটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই সড়কের ওপর দুটি সেতু ছিল। এগুলো অনেক বছরের পুরোনো। এর মধ্যে একটি সেতু পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। যে সেতুটি ভেঙ্গে পড়েছে, সেটি পুনর্নির্মাণের জন্য আমরা এরই মধ্যে দুটি পৃথক প্রকল্প প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করেছি। আশা করছি, প্রকল্প অনুমোদন হয়ে যাবে। প্রকল্প অনুমোদন হয়ে গেলেই আমরা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করতে পারব।
২১ দিন আগে
ঝিনাইদহে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে দুই কৃষক নিহত
ঝিনাইদহের মহেশপুরে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে দুই কৃষক নিহত হয়েছেন। সম্পর্কে তারা মামা-ভাগ্নে ছিলেন।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাগানমাঠ গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— রফিকুল সরকার (৫০) ও নুর আলম (৩৫)। রফিকুল ওই গ্রামের মৃত জমশেদ সরকারের ছেলে এবং নুর আলম মৃত আবু সামার ছেলে।
বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টু জানান, দুপুরে রফিকুল সরকার বাগানমাঠ এলাকায় নিজের ধানের জমিতে কীটনাশক স্প্রে করছিলেন। এ সময় মাঠের মধ্যে একটি মোটরের বৈদ্যুতিক তার নিচু হয়ে ঝুলে ছিল। অসাবধানতাবশত সেই তার শরীরে স্পর্শ করলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
তিনি আরও জানান, পাশের জমিতে কাজ করা নুর আলম ঘটনাটি দেখে দৌড়ে এসে মামাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, মাঠে কাজ করার সময় মোটরের লিকেজ বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে মামা-ভাগ্নে মারা গেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩০ দিন আগে
বজ্রপাতে শৈলকূপায় দুই কৃষক নিহত, আহত আরও ৪
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পেঁয়াজের খেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে দুই কৃষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন রনজিত বিশ্বাস ও প্রকাশ বিশ্বাসসহ আরও চার কৃষক।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে উপজেলার খড়িবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন, খড়িবাড়িয়া গ্রামের প্রকাশ বিশ্বাসের ছেলে অপু বিশ্বাস (২০) ও লক্ষ্মীপুর গ্রামের সুশীল বিশ্বাসের ছেলে সুশীল বিশ্বাস (৪০)।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, হতাহত কৃষকরা আজ (শনিবার) দুপুরে মাঠে কাজ করছিলেন। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে দুজন নিহত ও চার কৃষক আহত হন। খবর পেয়ে হতাহতদের স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করেন।
হাসপাতালের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ডা. এহতেশাম শহীদ জানান, বজ্রপাতে হতাহতদের শরীর ঝলসে গেছে।
৩৮ দিন আগে