তফসিল
আগস্টে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, অক্টোবরে ইউপি নির্বাচনের পরিকল্পনা: উপদেষ্টা জাহেদ
আগামী আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) প্রণয়ন করেছে নির্বাচন কমিশন। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পৃথক রোডম্যাপ করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে এগুলো চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সারা দেশকে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পার্বত্য ও উপকূলীয় অঞ্চল, নদীপ্রধান ও চরাঞ্চল এবং সমতল ও শহরাঞ্চল—এই চার ভাগে ভাগ করে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করবে ইসি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এটা সবসময় একটা খুবই আলোচিত ইস্যু ছিল আমাদের, সেটা হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আদৌ হবে কিনা। যেহেতু সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে, তাই কেউ কেউ এভাবে বলার চেষ্টা করতেন। কিন্তু আমরা বারবার বলেছি, আমাদের মন্ত্রী সবসময় বলেছেন যে, এটা এই বছরের মধ্যেই শুরু হবে।
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, নির্বাচন হওয়ার জন্য একটা বিশেষ সময় লাগে। আমরা চেষ্টা করি, বেশি সংখ্যক নির্বাচন শুষ্ক মৌসুমে, শীতের মৌসুমে করতে।’
তিনি আরও বলেন, অক্টোবর থেকে নির্বাচন শুরু হবে। আর শুরু হওয়ার পর সব ধাপের নির্বাচন শেষ করতে সাধারণত ১০ থেকে ১২ মাস সময় লাগে। অনেকেই মনে করেন এখন থেকে ১০-১২ মাসের মধ্যে নির্বাচন শেষ হবে। বিষয়টি তা নয়। অক্টোবর থেকে শুরু হলে ২০২৭ সালের অক্টোবর নাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে পারে।
১৪ দিন আগে
ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল: ইসি সানাউল্লাহ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধেই ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।সানাউল্লাহ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এরমধ্যে আপনাদের (গণমাধ্যমকে) জানিয়েছেন, নির্বাচনের প্রায় দুই মাস আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে আপনি ধরতেই পারেন, তফসিল ডিসেম্বরের প্রথম অংশেই আসবে।
সভায় আলোচনার বিষয় ছিল ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন, ২০২৫ সালের জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধির খসড়া, প্রবাসীদের জন্য বিদেশে ভোটদান এবং ডাকযোগে ভোটগ্রহণ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এতে সভাপতিত্ব করেন।
সানাউল্লাহ জানান, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে নির্বাচনী তফসিল নিয়ে আলোচনা হয়নি, তবে এ বিষয়ে খুব শিগগিরই আলাপ করা হবে।তিনি বলেন, রমজান শুরুর আগেই অর্থাৎ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
‘আপনারা সবাই বুঝতেই পারছেন, রমজানের আগেই নির্বাচন শেষ করতে হবে। একইসঙ্গে নতুন সরকার গঠনের জন্য কিছুদিন রাখতে হবে। তাই ভোট গ্রহণ কিছুটা আগেই করতে হবে। ওই সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ থেকে ৬০ দিন পেছালেই তফসিল ঘোষণার সময়কাল পেয়ে যাবেন,’ বলেন সানাউল্লাহ।
পড়ুন: উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক: স্বল্প মেয়াদে ১৬ সুপারিশ বাস্তবায়ন, বাস্তবায়নাধীন ৮৫
সভায় আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে—যাতে তারা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ১৮ থেকে ২০ লাখ নতুন ভোটার তালিকায় যুক্ত হবেন বলে জানানো হয়।
নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, বৈঠকে ২০২৫ সালের জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।এর আগে, গত ১৯ জুন প্রাথমিকভাবে আচরণবিধির খসড়াটি অনুমোদন দেয় নির্বাচন কমিশন এবং ২৯ জুন জনমত নেওয়ার জন্য এটি অনলাইনে প্রকাশ করে।
তিনি বলেন, ‘অনলাইনে প্রকাশের পর যার ওপর আমরা জনমত চেয়েছিলাম, সেই প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণবিধির খসড়া আজ চূড়ান্ত করা হয়েছে।’
তবে আরপিও সংশোধন নিয়ে বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
৩৪৮ দিন আগে
জাকসুর তফসিল ঘোষণার আগেই অছাত্রদের হল ত্যাগের নির্দেশ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই ছাত্রত্ব শেষ হওয়া শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান সই করা এ সংক্রান্ত এক অফিস আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হলে ছাত্রত্ব শেষ হওয়া কোনো শিক্ষার্থী অবস্থান করতে পারবেন না। জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পূর্বেই তাদের হল ছেড়ে দিতে হবে।
আরও পড়ুন: জাকসু নির্বাচন আগামী ২১ মের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে: জাবি উপাচার্য
এছাড়া এক হলের শিক্ষার্থী অন্য হলেও অবস্থান করতে পারবে না। সকল শিক্ষার্থীকে স্ব-স্ব বরাদ্দকৃত হলেই অবস্থান করতে হবে।
নির্দেশনায় হলের বিভিন্ন কক্ষে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হল প্রশাসনকে অনুরোধ করা হয়েছে।
৫২৬ দিন আগে
নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিটের আদেশ ১০ ডিসেম্বর
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী রবিবার (১০ ডিসেম্বর) আদেশ দেবেন হাইকোর্ট।
সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইউনূস আলী আকন্দ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
আরও পড়ুন: তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট
তাকে সহযোগিতা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।
রিট শুনানির এক পর্যায়ে রিটকারী আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ বলেন, ২০১৮ সালে সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলাম। রাতে ভোট হয়েছে।
তখন আদালত বলেন, রাতে যে ভোট হয়েছে, এ বিষয়ে কি মামলা হয়েছে? কোন তথ্য প্রমাণ বা সাক্ষী আছে? এসব বক্তব্য পাবলিক প্লেসে দেবেন?
তখন ইউনুস আলী আকন্দ বলেন, রাতে যে ভোট হয়েছে সাক্ষী আমি ও ১৮ কোটি জনগণ।
এর আগে বর্তমানে একটি সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় আরেকটি সংসদ নির্বাচনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিবসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয় রিট আবেদনে। গত মঙ্গলবার আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন এ আইনজীবী।
বর্তমানে রাজনৈতিক সংকট চলছে উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়, দেশে হরতাল-অবরোধ চলছে। এ অবস্থায় সুষ্ঠু ভোট করা সম্ভব নয়। তাছাড়া মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীর ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
অথচ ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, আবার নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর।
তাহলে ট্যাক্স রিটার্নপত্র মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা কীভাবে সম্ভব হবে। এ ছাড়া হরতাল অবরোধের ফলে দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত নয়।
এ অবস্থায় নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি দাবি জানানো হয়।
আরও পড়ুন: 'আওয়ামী নিপীড়নের শেষ ঘাঁটি আদালত': তারেকের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের আদেশের তীব্র নিন্দা বিএনপির
ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ কেন বাতিল নয়: হাইকোর্ট
৯৬০ দিন আগে
বুধবার থেকে ফের ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ ঘোষণা বিএনপির
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের জন্য ইসির তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে আগামী বুধবার সকাল থেকে সারাদেশে ফের ৪৮ ঘণ্টার সড়ক-রেল-নৌপথ অবরোধ ঘোষণা করেছে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো।
৩১ অক্টোবর থেকে এটি হবে বিরোধী দলগুলোর দশম দফা অবরোধ কর্মসূচি।
এছাড়াও, ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে দলটি গুম ও ভুয়া মামলার শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সারাদেশের সব মহানগর ও জেলা শহরে মানববন্ধন করবে।
সোমবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ ঘোষণা দেন।
বুধবার সকাল ৬টায় অবরোধ শুরু হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হবে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ: সারা দেশে ১৫৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
রিজভী বলেন, অবরোধের উদ্দেশ্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন আয়োজন করা এবং দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সব নেতা-কর্মীদের মুক্তিদান।
তিনি বলেন, অন্যান্য বিরোধী দল যারা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করে আসছে, তারাও একই ধরনের কর্মসূচি পালন করবে।
আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৬টায় বিরোধী দলের চলমান অবরোধ কর্মসূচি শেষ হওয়ার প্রায় ৯ ঘণ্টা আগে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
অবরোধ সফল করায় দেশবাসী ও বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানান রিজভী।
আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন আয়োজনের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে বিরোধী দলগুলো নবম দফা অবরোধ পালন করেছে।
তারা ২৯ অক্টোবর থেকে তিন দফায় দেশব্যাপী ভোর-সন্ধ্যা হরতালও পালন করেছে।
আরও পড়ুন: ঢিলেঢালাভাবে চলছে সর্বশেষ অবরোধ
নবম দফার অবরোধ: ১৬২ প্লাটুন বিজিবি, ৪৩৫ র্যাবের টহল দল মোতায়েন
৯৬০ দিন আগে
৭ জানুয়ারির তফসিল বাতিলের দাবি বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা সমমনা দলগুলো।
বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে এক যৌথসভায় তারা এ দাবি জানান।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করে বলেছে, জনগণের দাবি উপেক্ষা করে সরকার তার নীলনকশা অনুযায়ী আরেকটি একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠানের চেষ্টা করছে।
তারা আরও বলেন, সরকার ও ক্ষমতাসীন দল পরিকল্পিতভাবে ২৮ অক্টোবর সহিংসতা ও নাশকতার ঘটনা ঘটিয়ে বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী দলের মহাসমাবেশ বানচাল করেছে।
আরও পড়ুন: আবারও রবিবার থেকে ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের ডাক বিএনপির
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরকার সহিংসতার দায় তাদের ওপর চাপিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার, দমন-পীড়ন করছে। তারা (সরকার) সারা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।
তিনি বলেন, 'আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, সরকার তার পদত্যাগের দাবি উপেক্ষা করে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো আরেকটি একতরফা নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করছে। সরকার ও তার সহযোগীদের এই রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।’
এতে বলা হয়, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘জনগণের গণতান্ত্রিক ভোটাধিকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ঘোষিত এই তফসিল আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা অবিলম্বে নির্বাচনের তফসিল বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: আ. লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিরোধী দলীয় নেতারা বলেন, ‘একই সঙ্গে অবাধ, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের অবিলম্বে পদত্যাগ এবং কার্যকর রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি আমরা।’
তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সরকার যদি নির্বাচনের নামে আরেকটি প্রহসন করতে চায়, তাহলে দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।
জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে বৈঠকে ৩৯টি বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। বৈঠকে বিএনপির পক্ষে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বিএনপির ১০ নেতা-কর্মীকে আটকের অভিযোগ
৯৬৪ দিন আগে
তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট
একাদশ জাতীয় সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় আগামী ৭ জানুয়ারি ভোট গ্রহণের দিন ঠিক করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
এছাড়া রিটে সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচন পেছানোর সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার (২৯ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন দায়ের করেন।
রিটের বিষয়টি তিনি নিজেই সাংবাদিকদের নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, যেকোনো দিন রিট আবেদনটি শুনানির জন্য হাইকোর্টের এখতিয়ার সম্পন্ন বেঞ্চে উপস্থাপন করা হবে।
আরও পড়ুন: পিরোজপুর ১ ও ২ আসনে সীমানা পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্ত বৈধ: হাইকোর্ট
এর আগে মঙ্গলবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পেছানোর দাবিতে প্রধান নির্বাচন কশিনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বরাবর লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ এই নোটিশ পাঠান। কিন্তু নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো পেদক্ষেপ না নেওয়ায় বুধবার রিট করেন এই আইনজীবী।
আইনজীবী ইউনূস আলী আকন্দ বলেন, ঘোষিত তফসিল পেছানোর জন্য রিটে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশের বড় একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অনুপস্থিত রয়েছে। যদি তারা নির্বাচনে আসতে চায় সেক্ষেত্রে ভোটের তারিখ পেছানো উচিত। এ ছাড়া নির্বাচনের বিষয়ে বিদেশিদের চাপও রয়েছে।
রিটটি বিএনপির পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে কি না, জানতে চাইলে এই আইনজীবী সাংবাদিকদের বলেন— না, বিএনপির পক্ষ থেকে নয়, জনস্বার্থে এই রিট করেছি।
তিনি বলেন, দেশে হরতাল-অবরোধ চলছে। মানুষের জানমালের ক্ষতি হচ্ছে। সবদিক বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন পেছানোর দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ না নিলে আইনগত (হাইকোর্টে রিট) পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তারই ধারাবাহিকতায় আজ রিট আবেদন করা হয়।
ভোট গ্রহণের ৫২ দিন আগে গত ১৫ নভেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
তফসিল অনুযায়ী, ভোট হবে আগামী ৭ জানুয়ারি।
আরও পড়ুন: সাকিবকে নিয়ে সমালোচনা: ধারাভাষ্য থেকে ওয়াকারের নাম প্রত্যাহারে হাইকোর্টের রুল
বিচারপতিকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য: বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমানকে হাইকোর্টে তলব
৯৬৫ দিন আগে
যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, পেছানো হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (১৯ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকরা নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ আছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই এটা পেছানো হবে না। নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।’
তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সর্বত্র উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে এবং দেশের মানুষ নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে।
মোমেন বলেন, বিএনপি নির্বাচনে না এলে বিএনপির অনেক নেতা-কর্মী দল ছেড়ে অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে পারে।
তিনি বলেন, ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে জন্ম নেওয়া একটি রাজনৈতিক দল কীভাবে তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারায় সেই ইতিহাস দেখাবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেহেতু ইসি কোনো বাধা সৃষ্টি করছে না তাই নির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপিকে স্বাগত জানাই।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব দলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান ওয়াশিংটনের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চাই। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতার পরিবর্তনের একমাত্র উপায় আছে। সেটি হচ্ছে নির্বাচন।’
তিনি বলেন, বিএনপি নানা অজুহাত দেখাচ্ছে।
মোমেন বলেন, যারা মানুষের জানমাল নষ্ট করবে তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। ‘এগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের উচিত মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া।’
এক প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, অন্য দেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মাথাব্যথা নেই, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিদিন কথা বলে।
তিনি বলেন, তাদের ‘অ্যাম্বাসেডরস পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করা উচিত এবং যদি তারা গ্যারান্টি দেয় যে যারা অ্যাম্বাসেডর পার্টির পক্ষে ভোট দেবে তারা তাদের দেশে নিয়ে যাবে, তাহলে কিছু মানুষ তাদের ভোট দিতেও পারে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশিরা নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে: ভারত
ঢাকা-দিল্লি বন্ধন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে মডেলে পরিণত হয়েছে: জয়শঙ্কর
৯৭৫ দিন আগে
বিএনপি ও অন্যান্যদের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল চলছে
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিলের প্রতিবাদে বিএনপি, জামায়াত ও সমমনা বিরোধী দলগুলোর ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল সহিংসতার আশঙ্কার মধ্য দিয়ে আজ রবিবার (১৯ নভেম্বর) সকাল থেকে শুরু হচ্ছে।
ইসি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এটাই প্রথম বিরোধী দলগুলোর হরতাল।
এর আগে দেশব্যাপী ৫টি সড়ক, রেল ও নৌপথ অবরোধ কর্মকসূচি পালনের পর বিএনপি, জামায়াতসহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলো এ হরতাল ডেকেছে। অবরোধগুলোতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যানবাহন, বিশেষ করে বাস পোড়ানোর বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে।
আগের অবরোধের তুলনায় আজ ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
আরও পড়ুন: দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টা হরতালের আগের রাতে ঢাকার গুলিস্তানে বাসে আগুন
অবরোধের সময়ের তুলনায় ঢাকার সড়কে গণপরিবহনের সংখ্যা কম এবং উত্তেজনা ও সহিংসতার ভয়ের মধ্যে অনেককে পায়ে হেঁটে তাদের গন্তব্যের দিকে যেতে দেখা গেছে।
ঢাকার সড়কে রিকশার উপস্থিতি বেশি এবং কিছু ব্যক্তিগত যানবাহন রয়েছে।
দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার হরতালকে সামনে রেখে গতকাল (১৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকাসহ সারা দেশে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনসহ ৭টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা।
রাজধানীর গুলিস্তান, ধানমন্ডি ও মিরপুর এলাকায় ৩টি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: রবিবার থেকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলোর ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরু
হরতালকে সামনে রেখে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে একটি করে বাস এবং জয়পুরহাটে একটি পিকআপ ভ্যানে আগুন দেওয়া হয়।
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনের ৩টি বগিতে আজ আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের বাসভবনের সামনে শনিবার রাতে ৩টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী হরতাল সফল করতে সর্বস্তরের জনগণ ও বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে রবিবার থেকে ৪৮ ঘণ্টার হরতালের ডাক বিএনপির
৯৭৫ দিন আগে
নির্বাচনের তফসিল প্রত্যাখ্যান করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিক্ষোভ
দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) সারাদেশে বিক্ষোভ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
তফসিলকে একতরফা আখ্যা দিয়ে দলটি সারাদেশের জেলা ও শহরে একযোগে বিক্ষোভ করেছে।
তবে কয়েকটি জেলায় তাদের মিছিল বাধার সম্মুখীন হয়।
দলের নেতারা বলেন, দেশের মানুষ তফসিল প্রত্যাখ্যান করেছে এবং তারা তা প্রতিহত করার হুমকি দিয়েছে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনের তফসিলের নিন্দা করে 'লাল কার্ড' দেখাল এবি পার্টি
নির্বাচনকালীন দেশ পরিচালনার জন্য 'তত্ত্বাবধায়ক সরকারের' দাবি মেনে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
তারা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে নির্বাচনের তফসিল বাতিলের দাবি জানান।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম মিছিল করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
শান্তিপূর্ণ মিছিল হওয়া জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে- নারায়ণগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, নরসিংদী, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী।
আরও পড়ুন: নির্বাচনের তফসিলের প্রতিবাদে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর বিক্ষোভ
শনিবার থেকে মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু করবে আওয়ামী লীগ
৯৭৮ দিন আগে