আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি
খামেনির মৃত্যুতে ঢাকার শোক প্রকাশ
মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত ৬০ লাখের বেশি বাংলাদেশির নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছে সরকার।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে আমাদের দূতাবাসগুলোকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে এবং স্থানীয় সরকারের জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ জারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইউএনবিকে জানান, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আজ (সোমবার) দুপুরে বৈঠকে বসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
আজ বিকেল সাড়ে ৪টায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে ব্রিফ করার কথা রয়েছে।
এদিকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে লক্ষ্য করে চালানো হামলায় তার নিহতের ঘটনায় সরকার ‘গভীরভাবে শোকাহত’। বাংলাদেশ ইরানের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে। এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও বিধিবিধানের লঙ্ঘন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বাংলাদেশ বিশ্বাস করে সংঘাত কোনো সমাধান বয়ে আনে না; কেবল সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার মাধ্যমেই বিরোধের সমাধান সম্ভব।’
পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত এবং আরও সাতজন আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে সরকার।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে একটি বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলার ফলে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে নিহত হন সিলেটের বড়লেখা উপজেলার বাসিন্দা সালেহ আহমেদ।
আরব আমিরাতে বাংলাদেশ দূতাবাস বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে এবং বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হলে মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে সরকার।
এছাড়া বাহরাইনে একজন বাংলাদেশি নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মানামায় বাংলাদেশ মিশন ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
অন্যদিকে, কুয়েতে বেসামরিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী এলাকায় ড্রোন হামলায় চার বাংলাদেশি আহত হন। তারা হলেন— ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের আমিনুল ইসলাম, পাবনার সাঁথিয়ার রবিুল ইসলাম, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের মাসুদুর রহমান এবং কুমিল্লার চান্দিনার দুলাল মিয়া।
তারা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেয়েছেন এবং বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছেন বলে জানা গেছে। কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং রাষ্ট্রদূত ব্যক্তিগতভাবে হাসপাতালে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নিয়েছেন।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে আটকা পড়েছে।
দূতাবাস জাহাজের নাবিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে। জাহাজের সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির অবনতিতে গভীর উদ্বেগ পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
৪ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলি হামলায় খামেনি নিহত, ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চিয়তায় ইরান
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। এতে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি বেড়েছে।
স্থানীয় সময় রবিবার (১ মার্চ) ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘ইরনা’ ৮৬ বছর বয়সী এই নেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর ঘোষণা দিয়ে বলেন, এটি ইরানি জনগণের জন্য দেশ ‘পুনরুদ্ধারের সর্বোত্তম সুযোগ’।
ইরানের সামরিক ও সরকারি স্থাপনা লক্ষ্য করে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলার পর এই ঘোষণাগুলো আসে। ট্রাম্প বলেন, এ হামলা এক সপ্তাহ ধরে বা প্রয়োজন অনুযায়ী আরও দীর্ঘ সময় চলবে।
এই হামলা ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপের একটি বিস্ময়কর নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। গত আট মাসের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলাকালীন দেশটিতে হামলা চালাল।
কয়েক দশক ধরে ক্ষমতায় থাকা খামেনির মৃত্যুতে ইরানে একটি বড় নেতৃত্বশূন্যতা তৈরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, কারণ এখন পর্যন্ত তার কোনো উত্তরসূরি নির্ধারিত নেই।
এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের আধাসামরিক বাহিনী রেভল্যুশনারি গার্ড ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে তীব্র আক্রমণাত্মক অভিযান চালানোর হুমকি দিয়েছে।
ইরান থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে চীন
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের একটি সংস্থা ইরানে অবস্থানরত চীনা নাগরিকদের পার্শ্ববর্তী দেশে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে। ইরানে ছড়িয়ে থাকা দুইশর বেশি চীনা নাগরিককে সরিয়ে নিতে দূতাবাসের নির্দেশে প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।
ইরানে অবস্থিত চীনা দূতাবাস জানায়, নাগরিকদের নিরাপদে ইরান থেকে সরে যেতে আজারবাইজান, আর্মেনিয়া ও তুরস্কের স্থলসীমান্ত খোলা রয়েছে।
আইআরজিসি প্রধানসহ শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিহত
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলি হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর ও খামেনির শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি নিহত হয়েছেন।
খামেনির মৃত্যুর পর ইরান পরিচালনায় কাউন্সিল
খামেনির মৃত্যুর পর ইরান পরিচালনার জন্য একটি কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। এই কাউন্সিলে রয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মহসেনি এজেয়ি এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন সদস্য।
ইরানের আইন অনুযায়ী, তাদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন একজন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করতে হবে।
দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দরে আগুন
দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি ড্রোন হামলা প্রতিহত করার পর তার ধ্বংসাবশেষ থেকে জেবেল আলি বন্দরে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এছাড়া বুর্জ আল আরব হোটেলের সামনের অংশেও এর ধ্বংসাবশেষের কারণে আগুনের খবর পাওয়া গেছে। এতে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৪ জন কর্মী আহত হয়েছেন।
আইআরজিসির হুমকি: ইতিহাসের সবচেয়ে তীব্র আক্রমণ শিগগিরই
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির আধাসামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) তাদের ইতিহাসের ‘সবচেয়ে তীব্র আক্রমণাত্মক অভিযান’ শুরু করার হুমকি দিয়েছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে তীব্র আক্রমণাত্মক অভিযান মুহূর্তের মধ্যেই শুরু হবে, যা ইসরায়েল ও আমেরিকার সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হবে।’
বৈশ্বিক শিপিং সংস্থাগুলোর সতর্কতা
আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালীতে চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে গ্লোবাল শিপিং ফার্ম সিএমএ ও সিজিএম পারস্য উপসাগরে থাকা তাদের জাহাজগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। সুয়েজ খাল দিয়ে চলাচল স্থগিত করে জাহাজগুলোকে ‘কেপ অব গুড হোপ’ হয়ে ঘুরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
খামেনির মেয়ে ও জামাতা নিহত
ইরানের একটি আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থার মতে, হামলায় খামেনির মেয়ে ও জামাতা নিহত হয়েছেন। এছাড়া তার এক নাতি এবং পুত্রবধূও নিহত হয়েছেন বলে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে।
ইরানের মন্ত্রিসভার সতর্কবার্তা
খামেনি নিহত হওয়ার পর রবিবার ভোরে ইরানের মন্ত্রিসভা সতর্ক করে বলেছে, এই মহা অপরাধের জবাব দেওয়া হবেই।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ৮৬ বছর বয়সী খামেনি তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত তার কম্পাউন্ড লক্ষ্য করে চালানো এক বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে একজন সংবাদ উপস্থাপক সরাসরি সম্প্রচারের মাঝেই খামেনির মৃত্যুর ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ‘মর্যাদাবান ও গর্বিত ইরানি জনগণকে গভীর শোক ও বেদনার সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, আমেরিকার অপরাধী সরকার এবং দুষ্ট জায়োনিস্ট শাসনের বর্বর হামলার পর, ইমান, জিহাদ ও প্রতিরোধের প্রকৃত প্রতীক বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ খামেনি শহিদের মর্যাদা লাভ করেছেন।’
৪০ দিনের শোক ঘোষণা
খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং ৭ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
ট্রাম্পের মন্তব্য
ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খামেনিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম শয়তান ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, খামেনি আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেম থেকে বাঁচতে পারেননি। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের অধিকাংশ ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব এখন নিশ্চিহ্ন।
ইসরায়েলের অবস্থান
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক ভাষণে বলেন, খামেনি যে আর বেঁচে নেই তার ক্রমবর্ধমান প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। জাতিসংঘে ইসরায়েলের দূত ড্যানি ড্যানন বলেন, তারা একটি অস্তিত্ব রক্ষার হুমকি রুখতে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং কূটনীতি যখন ব্যর্থ হয়, তখনই এটিই করা হয়।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ মার্কিন পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়েছেন।
এদিকে, আরব লীগ বলেছে, ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা এমন এক মুহূর্ত নির্দেশ করছে, যখন আরব-ইসরায়েল সংঘাত পূর্ণমাত্রার আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিয়েছে।
২২ সদস্যবিশিষ্ট এই জোটের জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক মাজেদ আবদেলআজিজ অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ইরান যুদ্ধকে ব্যবহার করছে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে তাদের দখলদারত্বের অবসান এড়াতে এবং একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ঠেকাতে।
একইসঙ্গে তিনি বলেন, সামরিক শক্তি ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
অপরদিকে, সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নিন্দা জানিয়েছে, যা নতুন সিরীয় সরকারের পরিবর্তিত পররাষ্ট্রনীতির ইঙ্গিত দেয়।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস অবিলম্বে সংঘাত বন্ধ করে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উভয় পক্ষের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে
পাল্টাপাল্টি মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের তেল আবিবে এক নারী নিহত হয়েছেন এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
ইরানের রাষ্ট্রদূত দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনে শত শত বেসামরিক লোক নিহত বা আহত হয়েছেন।
এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসছেন এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ভিয়েনায় বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করেছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে বলে পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা।
৫ দিন আগে
সংঘাতের পর প্রথমবার প্রকাশ্যে খামেনি
ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এসেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। পবিত্র আশুরার শুভেচ্ছা জানাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত একটি ফুটেজে তাকে দেখা গেছে।
স্থানীয় সময় শনিবার (৫ জুলাই) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে আশুরার আগের দিন একটি অনুষ্ঠানে মসজিদে উপাসনাকারীদের শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায় খামেনিকে। ব্রিটিশ গণমাধ্যমে বিবিসির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, গত ১৩ জুন ইসরায়েলের হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক ব্যক্তিত্ব ও পরমাণু বিজ্ঞানীদের নিহতের খবর ঘোষণার একটি রেকর্ড করা ভিডিওতে তাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল।
গত ১২ জুন ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর আকস্মিক হামলা চালায় ইসরায়েল। এরপর ইসরায়েলে পাল্টা বিমান হামলা চালায় ইরান। শুরু হয়ে যায় মধ্যপ্রাচ্যের এই দুই পরাশক্তির যুদ্ধ।
ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ওই ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালে খামেনি টেলিভিশনে তিনটি ভিডিও বার্তায় উপস্থিত হয়েছিলেন। এরপর ছড়ায় তার বাঙ্কারে লুকিয়ে থাকার গুঞ্জন।
শনিবার ইরানি গণমাধ্যমে খামেনির এই উপস্থিতি ছিল প্রধান খবর। এমনকি টেলিভিশনে তার সমর্থকদের তাকে দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশের দৃশ্যও প্রচার করা হয়।
ফুটেজে খামেনিকে আরেক ধর্মীয় নেতা মাহমুদ কারিমির দিকে ঘুরে তার সঙ্গে ‘ও ইরান’ নামক দেশপ্রেমমূলক সঙ্গীতটি গাইতে দেখা যায়। এই গানটি ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, এই ভিডিওটি তেহরানের ইমাম খোমেনি মসজিদে ধারণ করা হয়েছে। মসজিদটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনির নামে নামকরণ করা।
তার এই প্রকাশ্য উপস্থিতির পর নিজেদের প্রতিক্রিয়ার ভিডিও পাঠাতে ইরানের জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।
শিয়া মুসলিম-প্রধান দেশটির জন্য শোকের মাস মুহাররম চলাকালে খামেনির এই উপস্থিতি প্রকাশ্যে এলো। এই উৎসবটি সাধারণত সর্বোচ্চ নেতার উপস্থিতিতে পালন করা হয়।
আশুরা মুহাররম মাসের ১০ম দিনে পালিত হয়। এদিন শিয়া মুসলমানরা মহানবী হজরত মুহাম্মদের (সা.) দৌহিত্র ইমাম হুসাইনের শাহাদাত স্মরণ করেন।
এর আগে, গত ২৬ জুন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত আগের রেকর্ড করা বক্তব্যে খামেনি বলেছিলেন, ইরান ইসরায়েলের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না। তার আগে ইরানকে নিঃশর্ত আত্মসমর্পনের আহ্বান জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তার আগে গত ২২ জুন ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর মাধ্যমে ইসরায়েল-ইরান সংঘাতে সরাসরি যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যুদ্ধে যুক্ত হয়। এ অভিযানে ১২৫টি মার্কিন সামরিক বিমান অংশ নেয় এবং ইরানের ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।
ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, ১২ দিনের এই যুদ্ধকালে নয় শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: আদর্শ নাকি নমনীয়তা, কোন পথে যাবেন খামেনি
২৪৩ দিন আগে
রাইসির মৃত্যুতে যেভাবে অস্থির হয়ে উঠতে পারে ইরানের ভবিষ্যৎ
হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিহত হওয়ার পর দেশটির শাসন ব্যবস্থায় অভ্যন্তরীণ রদবদলের আভাস পাওয়া গেছে গতকালই। তবে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হয় বলে সরকারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখতে হবে না ইরানের নাগরিকদের।
আলোচনাটা সর্বোচ্চ নেতার পদটি নিয়েই। ৮৫ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে রাইসিকেই দেখা হচ্ছিল। তবে তার মৃত্যুতে দেশ পরিচালনার গুরুভার কার ওপর বর্তাবে, তা নিয়ে এখন থেকেই শুরু হয়েছে মাথাব্যথা।
রাইসির মৃত্যুর পর খামেনির ছেলেই পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে ক্ষমতার বংশগত উত্তরাধিকার ইসলামি প্রজাতন্ত্রের দেশটির সংকট আরও বাড়াবে। কারণ রাজতন্ত্রের বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও দেশটির নাগরিকদের অনেকে এই শাসন ব্যবস্থাকে দুর্নীতিগ্রস্ত ও স্বৈরাচারী শাসন হিসেবে দেখেন।
ইরানের শাসন ব্যবস্থা যেভাবে কাজ করে
রাষ্ট্রপতি ও সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য ইরানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে দেশের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন সর্বোচ্চ নেতা। তিনিই সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে কাজ করেন এবং শক্তিশালী বিপ্লবী গার্ডকে (আইআরজিসি) নিয়ন্ত্রণ করেন।
১২ সদস্যবিশিষ্ট গার্ডিয়ান কাউন্সিলের অর্ধেক সদস্যও তার মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। দেশটির রাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্য, এমনকি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা বিশেষজ্ঞ পরিষদের প্রার্থীদেরও যাচাই করে এই গার্ডিয়ান কাউন্সিল।
আরও পড়ুন: হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইরানি প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আশঙ্কা
কাগজে-কলমে, দেশে ইসলামি আইন বজায় রাখতে সার্বিক তত্ত্বাবধায়ন করে থাকেন গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্যরা (ধর্মগুরু)। তবে বাস্তবতা হলো, সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নিজ স্বার্থের ভারসাম্য বজায় রাখা ও তার নিজস্ব অগ্রাধিকারগুলোকে এগিয়ে নিতে কেউ যাতে চ্যালেঞ্জ না করতে পারে, তা নিশ্চিত করে সতর্কতার সঙ্গে শাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করেন।
কট্টরপন্থী রাইসি ছিলেন খামেনির সমর্থক। ২০২১ সালের নির্বাচনে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাইসিকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করে বিশেষজ্ঞ পরিষদ। নির্বাচনে রুহানিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেও বাধা দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে ৮ বছর ধরে প্রেসিডেন্টের পদ সামলানো হাসান রুহানির স্থলাভিষিক্ত হন রাইসি। ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে কম ভোট পড়ে সেবারের নির্বাচনে।
রাইসির মৃত্যুর পর দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোখবার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। ইরানের সংবিধান অনুসারে ৫০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে হবে। এক্ষেত্রে কাকে রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে আনা হবে, সে কাজটি সাবধানতার সঙ্গে করতে হবে খামেনিকে।
এর অর্থ এই দাঁড়াচ্ছে যে, দেশটিতে কড়া ইসলামি শাসন আরোপ চলতে থাকবে এবং ভিন্নমতের বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন চালিয়ে যাবে ইরান। এছাড়া দেশটির ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন ও পশ্চিমাদের গভীর সন্দেহের চোখে দেখা চলমান থাকবে।
ক্ষমতার উত্তরাধিকারের বিষয়ে যা হবে
ইরানের ক্ষমতায় রাষ্ট্রপতি আসবেন, যাবেন। কেউ কেউ কট্টরপন্থী, কেউবা মধ্যপন্থী হতে পারেন, তবে প্রত্যেককেই শাসন ব্যবস্থার প্রতি অনুগত হয়ে কাজ করতে হয়।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির সর্বোচ্চ নেতা রয়েছেন খামেনি। ফলে তার মৃত্যুর পরই কেবল ইরানে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটতে পারে।
৮৮ জন বিশেষজ্ঞ নিয়ে গড়া পরিষদের মাধ্যমে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা হয়। ওই পরিষদের সদস্যরা আবার ১২ সদস্যের গার্ডিয়ান কাউন্সিলের মাধ্যমে ৮ বছর পর পর নির্বাচিত হন।
আরও পড়ুন: ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হলেন মোহাম্মদ মোখবার
খামেনির উত্তরাধিকারী কে হবেন- এ বিষয়ক আলোচনা বা যে কোনো কৌশল সাধারণ জনগণের অগোচরে হয়ে থাকে। ফলে দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী কে হতে চলেছেন, সাধারণের পক্ষে তা আগে থেকে জানা সম্ভব হয়ে ওঠে না।
তবে বিশ্লেষকরা যে ২ ব্যক্তিকে খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে দেখছিলেন, তাদের একজন রাইসি, অন্যজন খামেনির ছেলে মোজতবা। ৫৫ বছর বয়সী মোজতবা একজন শিয়া ধর্মগুরু। তবে সরকারি দায়িত্ব পালনের কোনো অভিজ্ঞতা নেই তার।
মোজতবা ইরানের সর্বোচ্চ পদে বসলে যা হতে পারে
বিপ্লবের মাধ্যমে ১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর দেশটির নেতারা ইরানকে শুধু পশ্চিমা ক্ষয়িষ্ণু গণতন্ত্রের চেয়ে নয়, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিরাজমান সামরিক একনায়কতন্ত্র ও রাজতন্ত্র থেকেও অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
তবে খামেনির ছেলে সর্বোচ্চ নেতার আসনে বসলে ফের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব শুরু হতে পারে ইরানে। শুধু ইসলামি শাসনের সমালোচকদের কাছেই নয়, দেশের বর্তমান শাসন ব্যবস্থা যেসব ইরানি ‘অনৈসলামিক’ বলে বিবেচনা করে, তাদের মধ্যেও ক্ষোভের সঞ্চার করতে পারে ক্ষমতার এই উত্তরাধিকার।
পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে ইরানের ওপর আরোপিত পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা দেশটির অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে। আর ইসলামি শাসন যা রাইসির আমলে আরও তীব্র আকার ধারণ করে, দেশের নারী ও যুবাদের আরও বিচ্ছিন্ন করেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কয়েকটি বড় বড় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের সম্মুখীন হয়েছে ইরান। ২০২২ সালে মাহসা আমিনি গ্রেপ্তারের পর দেশটি বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠা এর বড় উদাহরণ। চুল না ঢেকে রাস্তায় বের হওয়ার কারণে আমিনি গ্রেপ্তার হন। এর বিরুদ্ধে ইরানজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। ওই বিক্ষোভ থেকে দেশজুড়ে ৫ শতাধিক মানুষ নিহত ও ২২ হাজারের বেশি নাগরিক আটক হন।
রাইসির মৃত্যুতে তাই নতুন সর্বোচ্চ নেতা বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়াটি আরও জটিল হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দেশটিতে ফের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
আরও পড়ুন: ইরানে হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় এ পর্যন্ত যা জানা গেল
৬৫৪ দিন আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে।
ফলাফল ঘোষণা করা হবে শনিবার দুপুরের আগেই।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ উদীয়মান বড় অর্থনৈতিক পরাশক্তি: ইরানের রাষ্ট্রদূত
এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন পেয়েছিলেন ৭ জন। ৩ জন সরে দাঁড়ানোয় এখন প্রার্থী রয়েছেন ৪ জন।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় রাজধানী তেহরানের একটি কেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদান শেষে দেশবাসীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: শিশুদের শিল্প, সংস্কৃতি চর্চায় উৎসাহিত করতে ইরানি রাষ্ট্রদূতের আহ্বান
তিনি বলেন, প্রত্যেকটি ভোট গণনা করা হবে। আসুন, ভোট দিন এবং আপনার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করুন। এটি দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন: শিল্পকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে: দোরাইস্বামী
ইরানে ৮০ মিলিয়নেরও বেশি লোক বাস করে যেখানে ৫৯ মিলিয়নেরও বেশি যোগ্য ভোটার রয়েছে। তবে রাষ্ট্র-সংযুক্ত ইরানীয় ছাত্র পোলিং এজেন্সি অনুমান করেছে মাত্র ৪২% ভোট পড়বে এবার যা দেশটির ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর থেকে সর্বনিম্ন ভোট হবে।
১৭২২ দিন আগে