হিন্দু সম্প্রদায়
সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ: তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ‘শারদীয় দুর্গাপূজা’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনেরা, আপনারা উৎসাহ উদ্দীপনাসহকারে, নিশ্চিন্তে, নিরাপদে সারা দেশে উৎসব আনন্দ উদ্যাপন করুন।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানাই। হিন্দু ধর্মমতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধন করে শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রতিটি গোষ্ঠী-গোত্র-সম্প্রদায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে যার যার ধর্ম পালন করবে। ধর্মীয় উৎসব পালন করছে, করবে, এটিই বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। এভাবে ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক কিংবা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে পরিস্ফুটিত হয়ে ওঠে একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মধ্যকার পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য এবং ভ্রাতৃত্ব।
তারেক রহমান বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সকল ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা। সুতরাং যার যার ধর্মীয় বিধান এবং সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ বহাল ও বজায় রাখা সবার জন্যই জরুরি।
তিনি বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর এবার বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ, মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সৌহার্দ্য সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ। ধর্ম যারযার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনেরা, আপনারা উৎসাহ উদ্দীপনা সহকারে, নিশ্চিন্তে, নিরাপদে সারাদেশে উৎসব আনন্দ উদ্যাপন করুন। আপনাদেরকে আবারও শুভেচ্ছা। ’
৩ দিন আগে
ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
ধর্মের ভিত্তিতে নয়, দেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে যার যে অধিকার রয়েছে, তা নিশ্চিত করা সরকারপ্রধান হিসেবে তার দায়িত্ব।
সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন।
দুর্গাপূর্জা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওই আসনের আটটি মন্দিরের প্রতিনিধিরা দেখা করে তাকে পূজার আমন্ত্রণ জানান।
বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর হিন্দুদের কল্যাণে সরকারের নানা উদ্যোগের প্রশংসা করেন নেতৃবৃন্দ। পূজার ছুটি ও অনুদান বাড়িয়ে দেওয়ায় তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
এ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিজেরাই বলেছেন, এই অল্প সময়ের মধ্যে যতটুকু কাজ হয়েছে, আমরা তা করেছি। আরও কিছু বিষয়ে আমরা চেষ্টা করছি। এ থেকেই প্রমাণ হয়, আমাদের সদিচ্ছা রয়েছে।’
দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। সেই যুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষ অংশ নিয়েছেন। ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন ও ২০২৪ সালের আন্দোলনেও ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘জাতির ক্রান্তিলগ্নে যখন আমরা ধর্মকে বিবেচনায় আনিনি, তখন অন্য কাজে কেন ধর্মকে বিবেচনা করব? দেশটা সবাই মিলে স্বাধীন করেছি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও সবাই অংশ নিয়েছি।’
এ সময় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলে আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্ন ধর্মের নেতাকর্মীদের নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, তার মুসলমান কর্মীরা যেমন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তেমনি হিন্দু কর্মীরাও একইভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। সেখানে ধর্মের কোনো পার্থক্য ছিল না।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আল্লাহ আমাকে একটি সুযোগ দিয়েছেন। আমি আমার অবস্থান থেকে চেষ্টা করব, ধর্মের পরিপ্রেক্ষিতে নয়, বরং মানুষ হিসেবে প্রত্যেককে আমার ক্ষমতার মধ্যে যতটুকু নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব, তা নিশ্চিত করতে।’
নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের একজন নাগরিক হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে আপনার যে অধিকার, আপনার যা প্রাপ্য, সরকারপ্রধান হিসেবে আমার যে কর্তব্য, আমি সেটাই পালন করার চেষ্টা করছি।’
প্রত্যেক নাগরিকের ন্যায্য প্রাপ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নিজের দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তারা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন। তাদের কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না।
সরকারের প্রতি তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা থাকবে জানিয়ে তারা আরও বলেন, বিএনপিকে ভোট দিয়ে যে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ভুল করেনি, তা এই সরকার ক্ষমতার গ্রহণের পরপর বারবার প্রমাণ হচ্ছে।
এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের মধ্যে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রমেশ দত্ত, গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূর্জা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলক সাহা, বারিধারা ডিওএইচ পূজা কমিটির সভাপতি জীবন কানাই দাস, ব্রিটিশ চন্দ্র কর্মকার, নারায়ণ চন্দ্র সাহা, প্রদীপ চন্দ্র দাস, শিখা রানী দাস, শ্যামল কুমার দাস, রাজিব কুমার আচার্য উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য তারেক রহমানের প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সানি ও বনানী সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ সফিকুজ্জামান রতনও ছিলেন।
৭ দিন আগে
মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে শুরু দুর্গোৎসব
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার সূচনা পর্ব মহালয়া আজ শনিবার সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন মন্দিরে চণ্ডীপাঠ, তর্পণ ও দেবী দুর্গার বন্দনায় ভক্তিমূলক সঙ্গীতের ধ্বনি শোনা যাচ্ছে।
শরতের শান্ত ভোরে শাস্ত্রীয় মন্ত্রপাঠের মধ্য দিয়ে সূচনা হয়েছে দেবীপক্ষের, যা দেবীর উদ্দেশে নিবেদিত এক পক্ষকাল।
দেবী দুর্গাকে আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বানের দিন হিসেবে বিবেচিত মহালয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা শুরুর সাত দিন আগে পালিত হয়। হিন্দুদের বিশ্বাস, এই উদযাপনের মধ্য দিয়ে পৃথিবী নিজেকে প্রস্তুত করে এবং দেবী ও তার সন্তানদের আগমনে স্বাগত জানায়।
এদিন হিন্দুরা পূজার মাধ্যমে প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তাদের নামে ব্রাহ্মণদের বস্ত্র, খাবার ও মিষ্টি দান করা হয়।
মহালয়ার মধ্য দিয়েই শুরু হয় দুর্গাপূজার দিন গণনা।
এ বছর ১৭ অক্টোবর ষষ্ঠীপূজা উদযাপিত হবে। আর ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে দেবী কৈলাসে ফিরে যাবেন।
শাস্ত্রমতে, দুর্গাপূজার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হলো মহালয়া, বোধন ও সন্ধিপূজা। মহালয়ার দিন দেবী দুর্গা অসুররাজ মহিষাসুরকে বধ করার জন্য দেবতাদের কাছ থেকে ঐশ্বরিক নির্দেশ লাভ করেন।
ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবের সম্মিলিত শক্তিতে বলীয়ান হয়ে দেবী ‘মহাশক্তি’ রূপে আবির্ভূত হন। ১০টি অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সিংহের পিঠে চড়ে তিনি ৯ দিন ধরে যুদ্ধের পর মহিষাসুরকে বধ করেন।
১০ দিন আগে
হিন্দু সম্প্রদায়ের পুরো অধিকার আছে এই দেশে: মির্জা ফখরুল
হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘প্রত্যেক মানুষ, যাদের জন্ম বাংলাদেশে, তারা বাংলাদেশেরই নাগরিক। আপনাদের পুরো অধিকার আছে।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা নিজেদের ছোট বা বাহিরের মনে করবেন না। আপনাদের অন্য দল করার অধিকার আছে। একথা আমরা বিশ্বাস করি। এটাই গণতন্ত্র। এজন্য আমরা জীবন দিতেও প্রস্তুত।’
বুধবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে শহরের কালিবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণে শ্রী শ্রী শনিদেব মন্দিরের ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাধীনতা যুদ্ধের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমরা এক সঙ্গে যুদ্ধ করেছি। তখন আমরা কেউ ভবিনি কে হিন্দু, কে মুসলমান।’
বিএনপির মহাসচিব ফখরুল সবাইকে সতর্ক করে বলেন, ‘আজকাল ফেসবুক, স্যোসাল মিডিয়া প্রতিনিয়ত সমাজকে অস্থির করে তুলছে। আমি এগুলো দেখি না।’
আরও পড়ুন: গোটা পৃথিবী হিংসা-প্রতিহিংসা ও হানাহানিতে বিভক্ত: মির্জা ফখরুল
এ সময় মন্দিরের ফলক উন্মোচন করেন প্রবীন আইনজীবী বলরাম গুহ ঠাকুরতা।
বিশেষ অতিথি ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্টের সভাপতি মনোরঞ্জন সিং, চিন্তাহরণ দেবনাথ ও সুভাষ চন্দ্র কুন্ডু। সভাপতিত্ব করেন সত্যজিৎ কুমার কুন্ডু।
৫৩৭ দিন আগে
হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অজুহাতে ভয় দেখাচ্ছে ভারত: ফরিদা আখতার
‘হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন হচ্ছে’ এই কথা বলে কিছু ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত যে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে তাতে বাংলাদেশ ভয় পায় না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
তিনি বলেন, ‘ শেখ হাসিনাকে সেখানে (ভারত) বসিয়ে রেখে তারা আমাদের সারাক্ষণ ভীতির মধ্যে রেখেছে, কিন্তু আমরা ভয় পাই না।’
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে গণ-আকাঙক্ষা মঞ্চের এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফরিদা আখতার এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ভারত কি জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান ঠেকাতে পেরেছে? তারা হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু, বাংলাদেশে কি রাখতে পেরেছে? তাহলে ভারতকে আমরা ভয় পাব কিসের জন্য!
তিনি বলেন, আমরা যে পরিবর্তন চেয়েছি, সেই পরিবর্তন আমাদের সন্তানেরা করেছে। তারা ভারতসহ সারা পৃথিবীকে দেখিয়ে দিয়েছে গণঅভ্যুত্থান কী। যেটা কোনো রাজনৈতিক দল পারেনি, সেটা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেখিয়েছে। তার ১৫ বছরের ফ্যাসিস্টকে সরাতে পেরেছে।
আরও পড়ুন: চাহিদার বিপরীতে খাদ্যদ্রব্য অন্য বিভাগে পাঠাতে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে: ফরিদা আখতার
এছাড়া এখন সব রাজনৈতিক দল এক হয়ে ঐক্যের কথা বলছে। এই ঐক্য আমাদের ধরে রাখতে হবে বলেও জানান উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসেনি, এটা ক্ষমতা নয়, আমরা দায়িত্বে গিয়েছি। ক্ষমতায় বসার কোনো যোগ্যতা আমাদের নেই। নির্বাচনে যারা নির্বাচিত হয়ে আসবে, তারা যেন ক্ষমতায় না বসে এই চেষ্টা করতে হবে। এটাই হবে সংস্কার।
উপদেষ্টা বলেন, আমরা কাউকে আর ক্ষমতায় দেখতে চাই না। ক্ষমতা যে কী ভয়াবহ জিনিস সেটা দেখেছি। দায়িত্ব যারা নেবেন, যে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন করতে চান, তাদের আগেই বার্তাটা দিতে হবে। আপনারা ক্ষমতায় যাচ্ছেন না। আপনারা যদি দায়িত্ব নিতে চান তাহলে নির্বাচন করেন। তা না হলে নির্বাচন করার কোনো অধিকার নেই।
তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা শুধু সেনাবাহিনীর কাজ নয়। দেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষা আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব। কাজেই আমরা ভীত না।
তিনি আরও বলেন, হাসিনা যদি দেশে আসে অবশ্যই তার বিচার হবে। তার বিচার হতেই হবে। এত মৃত্যু শুধু জুলাই-আগস্টে ঘটেনি। গত ১৫ বছরে কত মানুষকে গুম, খুন, যখন তখন উঠিয়ে নিয়ে গেছে। হাসিনার বিচার এই মাটিতে হবে। শুধুমাত্র বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর জন্য। এছাড়া তার এদেশে আসার কোনো অধিকার এবং ক্ষমতা নেই।
উপদেষ্টা বলেন, আন্দোলনে যারা আহত হয়েছেন তাদের অনেকে আইসিইউতে আছে। এখনও মারা যাচ্ছে। এর তালিকা বাড়ছে, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
গণ-আকাঙক্ষা মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ অন্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
আরও পড়ুন: মৎস্যজীবী-মৎস্যখাত চরম বৈষম্যের শিকার: উপদেষ্টা ফরিদা আখতার
৬৮১ দিন আগে
সারা দেশে পালিত হচ্ছে জন্মাষ্টমী
ভগবান কৃষ্ণের জন্ম উপলক্ষে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারাদেশে জন্মাষ্টমী পালন করছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুসারে, এদিন হিন্দু সম্প্রদায়ের দেবতা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি। পৃথিবী থেকে অশুভ শক্তি দমন; কল্যাণ, ন্যায় ও শুভ শক্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে এই দিনে রাজা কংসের বন্দীশালায় ভগবান বিষ্ণু মহাবিশ্বে কৃষ্ণরূপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: আজ শুভ জন্মাষ্টমী
দিনটি সরকারি ছুটির দিন।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
জাতীয় দৈনিকগুলো বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং অন্যান্য বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও স্টেশনগুলো ভগবান কৃষ্ণের ঘটনাবহুল জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে।
আরও পড়ুন: যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যে জন্মাষ্টমী পালিত হচ্ছে
জন্মাষ্টমীতে হিন্দু সম্প্রদায়কে বিএনপির শুভেচ্ছা
১১৪০ দিন আগে
নিরাপত্তাহীনতায় বাংলাদেশ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক ক্রমান্বয়ে দেশ ছাড়ছে: গয়েশ্বর
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অভিযোগ করে বলেন, নিরাপত্তাহীনতার কারণেই বাংলাদেশ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ক্রমান্বয়ে প্রস্থান করছে।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা সব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার লোক একসঙ্গে যুদ্ধ করেছিলাম। পাকিস্তানিদের যে অত্যাচার-নির্যাতন-শোষণ-বর্ণ বৈষম্য, ধর্মীয় বৈষম্যের আলোকে যে আচরণ করত, সেটা সুষ্ঠু রাজনৈতিক রাষ্ট্রের জন্য যথেষ্ট না এবং সেই চেতনাবোধ থেকেই বাংলাদেশ স্বাধীনতার পথে গিয়েছিল।
আরও পড়ুন: ইসি নয়, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের প্রতিই বিএনপির মনোযোগ: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
তিনি বলেন, কিন্তু আমরা দেখলাম যে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে পালাক্রমে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মধ্যে, বিশেষ করে দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী সেটা হিন্দু সম্প্রদায়, তারা ক্রমান্বয়ে প্রস্থান করছে।
শুক্রবার (২৩ জুন) সকালে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের এক সংবাদ সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, অর্থাৎ ১৯৬৪ সালে দাঙ্গায় মানুষ যেমন দলে দলে একসঙ্গে মিছিল করে দেশত্যাগ করেছে, তা নয়। প্রতিদিনই যাচ্ছে সেটা আমরা হয়তো অনুমান করতে পারছি না। যখন পরিসংখ্যান আসে, দেখা যায় যে ক্রমান্বয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের সংখ্যা কমতে থাকে। এক সময়ে ৬০ এর দশকে হিন্দু সম্প্রদায় ৩৭ শতাংশ বাংলাদেশে ভূখণ্ডে বাস করত।
এখন এটা ১০ এর নিচে নেমে এসেছে। তার মানে এভাবে কমছে, ক্রমান্বয়ে যাচ্ছে।
এর কারণ তুলে ধরে গয়েশ্বর বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা, তাদের যে নাগরিক অধিকার সংবিধানে আছে, সেটা থেকে বঞ্চিত এবং প্রশাসনের কাছে কোনো অভিযোগ করলে তারা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অভিযোগগুলো খুব একটা গুরুত্ব দেয় না এবং এড়িয়ে চলে। সংখ্যালঘুদের যে নাগরিক অধিকার আছে, তার নিরাপত্তার বিষয়টা আছে, সেগুলো প্রশাসন তদারকি করে না।
দুঃখজনক হলেও সত্য যে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা আদালত বলেন আর প্রশাসন বলেন, কোথাও কিন্তু গুরুত্ব পায় না। এক কথায় বলা যায়, বাংলাদেশে পাত্তা পায় না।
তিনি বলেন, আজকে পার্শ্ববর্তী একটি গণতান্ত্রিক দেশ ভারতবর্ষ। আমাদের দেশের হিন্দুরা সেকেন্ড হোম হিসেবে ভারতকে বেছে নেয়। একটা পূর্বঠিকানা থাকা দরকার, এখানে থাকা যাবে না, এই যে মনোবৃত্তিটা কেন সৃষ্টি হলো?
সৃষ্টি হলো এই কারণে যে, রাষ্ট্রীয় প্রশাসন যন্ত্রের ব্যর্থতা, অর্থাৎ রাষ্ট্র সবাইকে এই বাংলাদেশটা যে সবার এই আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৩০ মাসের বিল বকেয়া, বিএনপি নেতা গয়েশ্বরের বাসার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
মানুষের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির দায়িত্ব: গয়েশ্বর
১২১৪ দিন আগে
সীতাকুণ্ডে ৩ দিনব্যাপী শিবচতুর্দশী মেলা শুরু আজ
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে প্রাচীনতম ধর্মীয় উৎসব চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধামে শিবচতুর্দশী মেলা আজ (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে। সীতাকুণ্ড পাহাড়ের সর্বোচ্চ চূড়ায় অবস্থিত চন্দ্রনাথ মন্দিরকে ঘিরে তিন দিনব্যাপী শিবচতুর্দশী মেলা চলবে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
এ মেলা উপলক্ষে ইতোমধ্যে প্রশাসন ও মেলা কমিটির সমন্বয়ে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। মেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নেয়া হচ্ছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
মেলাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে দেশ-বিদেশ থেকে দর্শনার্থীরা সীতাকুণ্ডে আসছেন। সারাদেশ থেকে দর্শনার্থীরা যাতে মেলায় যোগ দিতে পারেন সে জন্য প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মেলাকে ঘিরে যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে সীতাকুণ্ডে দাঁড়াবে সাতটি এক্সপ্রেস ট্রেন।
মেলায় প্রতি বছরের মতো এবারও ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাধু- সন্ন্যাসী ও দর্শনার্থীদের আগমন ঘটবে। কয়েকশ’ বছরের প্রাচীন এই মেলাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর লাখ লাখ ভক্তের আগমন ঘটে।
এদিকে মেলায় স্টল তৈরির কাজ মোটামুটি শেষ। পাহাড়ের পাদদেশ থেকে চন্দ্রনাথ মন্দির পর্যন্ত লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে শিব চতুরদর্শী মেলা সোমবার শুরু
১৩৪১ দিন আগে
হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনার বিচারিক তদন্তের নির্দেশ
সম্প্রতি দুর্গাপূজা চলাকালে ছয় জেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির, বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর বিচারিক হাকিমকে (সিএমএম/সিজেএম) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই ছয়টি জেলা হচ্ছে-কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও রংপুর। তদন্ত করে ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত রুল জারি করেছেন। রুলে এসব হামলায় হিন্দুদের দুর্গাপূজা প্যান্ডেল, মন্দির, বাড়ী, জীবন ও সম্পত্তি রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন অবৈধ হবে না এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের জীবন,উপাসনালয় এবং সম্পতি রক্ষায় ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন।
আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, ধর্ম সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট ছয়টি জেলার ডিসি ও এসপিসহ ২১ জন বিবাদীকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোর্শেদ। আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।
শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, রিট আবেদনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় রাষ্ট্রের ব্যর্থতা ও স্থানীয় প্রশাসনকে সরাসরি দায়ী করা হয়েছে। আমরা আবেদন থেকে এই শব্দগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানাই। কারণ হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র বসে নেই। কুমিল্লা, রংপুরে অনেক দুর্বৃত্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় মণ্ডপে কোরআন অবমাননার মামলা সিআইডিতে
অন্যদিকে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেছেন, এসব হামলার সময় স্থানীয় প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চেয়েও পায়নি ভুক্তভোগীরা। সংবিধানে দেশের সকল নাগরিকের জীবন সম্পত্তি, চলাফেরা ও নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশানের ব্যর্থতায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে ভাংচুর, অগ্নিসেংযোগ, মন্দিরে ভাংচুর চালানো হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার সাহা ও মিন্টু চন্দ্র দাশ গত ২১ অক্টোবর এ রিট করেন।
১৮১৭ দিন আগে
শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু
দেশজুড়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (১১ অক্টোবর) সারা দেশের মন্দিরে দেবী দুর্গার অবতার (বোধন) দিয়ে শুরু হয়েছে ষষ্ঠী। আগামী ১৫ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসবের শেষ হবে।
এর আগে পূজার দ্বিতীয় দিনে (মঙ্গলবার) মহাসপ্তমীর পূজা, তৃতীয় দিন (বুধবার) মহাঅষ্টমী, কুমারী ও সন্ধী পূজা এবং চতুর্থ দিন (বৃহস্পতিবার) নবমী পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে পূজা পালনের জন্য ইতোমধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে ৩২ হাজার ১১৮টি মন্ডপে হবে দুর্গাপূজা। যা গত বছর ছিল ৩০ হাজার ২১৩টি।
সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পূজা মণ্ডপগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, আনসার, র্যাবসহ সাদা পোশাকের পুলিশ নিয়োজিত থাকবে।
আরও পড়ুন: দুর্গাপূজা: হিলি বন্দরে আমদানি-রপ্তানি ৬ দিন বন্ধ
দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৪ দিন বন্ধ থাকবে বেনাপোল বাণিজ্য কার্যক্রম
দুর্গাপূজা: বাগরেহাটে ৬৩৩ মণ্ডপে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে
১৮৩৫ দিন আগে