সড়ক পরিবহন
যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা আরও বাড়াবে বাংলাদেশ-জাইকা
বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা—জাইকা’র প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনবিষয়ক মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশের যোগাযোগ খাতের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, মেট্রোরেল প্রকল্প, সড়ক ও সেতু অবকাঠামো, এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ, কারিগরি সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন প্রকল্পে জাইকার সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া এবং জাইকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর আধুনিকায়নে জাইকা দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। বিশেষ করে মেট্রোরেল, সড়ক, সেতু এবং অন্যান্য কৌশলগত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের সহযোগিতা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার নিরাপদ, আধুনিক, টেকসই ও সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে গণপরিবহন, স্মার্ট পরিবহন ব্যবস্থা এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় জাইকা ভবিষ্যতেও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে। চলমান প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনাময় খাতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ মেট্রোরেল প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন, মাতারবাড়ী অঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে একমত হন।
এ সময় বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।
৮ দিন আগে
‘ঈদ যাত্রায় ভাড়া-গতি-যাত্রী অতিরিক্ত হলে এক লাখ টাকা জরিমানা’
ঈদ যাত্রায় ভাড়া, গতি ও যাত্রী অতিরিক্ত হলে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী।
তিনি বলেন, ‘এবারের ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালালে, অতিরিক্ত যাত্রী নিলে এবং অতিরিক্ত ভাড়া নিলে তাৎক্ষণিক জরিমানা করতে হবে। কমপক্ষে এক লাখ টাকা জরিমানা করতে হবে। এজন্য আলাদা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মহাসড়কের পাশে কোনো বাজার থাকবে না। আর মহাসড়কে কোনোভাবেই কোনো থ্রি হুইলার চলবে না।’
বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) সকালে ঈদযাত্রা ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে আয়োজিত এক গণশুনানি ও মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সচিব বলেন, “এবার মহাসড়কে থ্রি হুইলার চলবে না। এক্সপ্রেসওয়ে দ্রুত গতির সড়ক। এখানে কোনো ছোট গাড়ি ঢুকবে না। আমরা কাউকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারি না। আমাদের সবার দায়িত্ব তাদের বাঁচিয়ে রাখা। একসময় আসবে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে ‘আপনি কেন ঠেকাননি’ এই বলে।”
আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার
এ ছাড়া যাত্রীদের কষ্ট লাঘবে তিনি ফরিদপুর-ভাটিয়াপাড়া রুটে বিআরটিসির লোকাল বাস চালুরও নির্দেশ দেন তিনি।
সড়কপথে চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত গতি, অতিরিক্ত ভাড়া নিলে, ফিটনেস না থাকলে, সড়কপথে চাঁদাবাজি হলে তথা যেকোনো অনিয়ম হলে জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানাতে সবাইকে তিনি অনুরোধ জানান।
তিনি বলেন, কোনোভাবেই বাস ভাড়া বাড়ানো যাবে না। জেলা প্রশাসকেরা বিষয়টি তদারকি করবেন। বাস মালিকেরা যেনো নিজেরা ভাড়া নির্ধারণ না করেন। এসি বাসের ভাড়া ঢাকা থেকে নির্ধারণ করা হবে। অনলাইনে সহজডটকম দ্বিগুণ ভাড়া নেয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এক্সপ্রেসওয়ে ও মহাসড়কের পাশে রেকার ও অ্যাম্বুলেন্স রাখার নির্দেশ দেন সচিব।
তিনি বলেন, হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল সার্জন তিনটি অ্যাম্বুলেন্স সবসময় হাইওয়ের পাশে রাখবেন। এছাড়া সব হাসপাতালও চালু থাকবে। হাইওয়ের পাশে রেকার রাখতে হবে।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা, অঙ্গহানি হলে ৩ লাখ টাকা ও গুরুতর আহতকে ১ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হয় উল্লেখ করে বলেন, আমরা এই ক্ষতিপূরণ আদায়ে তেমন আবেদন পাই না।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে দুর্ঘটনায় জড়িত পরিবহন মালিকের পক্ষ থেকে এই জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ফরিদপুর-বরিশাল ও ফরিদপুর-বেনাপোল মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। তখন যানজট কমে যাবে।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মইনুল হাসান, হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি শাহিন আলম, ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মোর্শেদ আলমসহ আরও অনেকে ছিলেন।
আরও পড়ুন: সাধারণ মানুষের নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিতের চেষ্টা করছে পুলিশ: আইজিপি
৮২৭ দিন আগে
বিআরটি প্রকল্প পরিদর্শনে গাজীপুরে ওবায়দুল কাদের
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শুক্রবার গাজীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নির্মাণাধীন বিআরটি প্রকল্প পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রকল্পটি জনগণের জন্য অনেক বিড়ম্বনা ও ভোগান্তির কারণ হয়েছে। সড়কের ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বস্থার কারণে বর্ষাকালে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। আমি আশা করি এই ভোগান্তির শেষ বর্ষা এটাই।’
তিনি জানান, সড়কের নিচের দিকে যেহেতু আর কাজ নেই, তাই ভোগান্তির দ্রুত অবসান হবে বলে আশা করছি। শুক্রবার সকালে টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেট এলাকায় প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানান তিনি।
আরও পড়ুন: মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু
প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ৬৩ ভাগ উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বহু প্রত্যাশিত মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলসহ অন্যান্য মেগা প্রকল্পের সঙ্গে ২০২২ সালের ডিসেম্বর নাগাদ বিআরটি প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: রাজনীতিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক চান কাদের
জনসাধারণের ভোগান্তির প্রতি সহমর্মীত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যে কোনও নির্মাণকাজের একটু ভোগান্তি আছে। এই প্রকল্পেও আপনাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এই ভোগান্তির শেষ হয়ে আসছে।’ এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে গেলে প্রতিদিন ২০ হাজার যাত্রী চলাচল করতে পারবে।
১৭৭১ দিন আগে
মেট্রোরেলে নিয়োগ: ১৩০ পদে চাকরি
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড সম্প্রতি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ১৩০ জন নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীদের ডাকযোগে আবেদন করতে হবে। আবেদন করা যাবে আগামী মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) পর্যন্ত।
মেট্রোরেলে চাকরি : আবেদন করুন
http://dmtcl.gov.bd/ এই ঠিকানা থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে আগ্রহী ব্যক্তিকে।
নির্দিষ্ট তথ্য পূরণ করে পাঠাতে হবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, লেভেল ১৪, ৭১-৭২ পুরানা এলিফ্যান্ট রোড, ইস্কাটন গার্ডেন, ঢাকা-১০০০ এই ঠিকানায়।
পরীক্ষার ফি
পরীক্ষার ফি বাবদ ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের অনুকূলে ৫০০ টাকার পে-অর্ডার/ ব্যাংক ড্রাফট করতে হবে সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায়। এরপর পে-অর্ডার/ ব্যাংক ড্রাফটের মূল কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে।
মেট্রোরেলে নিয়োগ : আবেদনের বিস্তারিত
সরাসরি কোনো দরখাস্ত দাখিল করা যাবে না। খামের ওপর বাম দিকে গ্রুপের নাম, পোস্ট আইডেন্টিফিকেশন নম্বর ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির নম্বর উল্লেখ করতে হবে। প্রার্থীকে নিজের বর্তমান ঠিকানা স্পষ্টভাবে ৯/৪ ইঞ্চি সাইজের খামের ওপর লিখে বা টাইপ করে তাতে ১০ টাকা মূল্যমানের অব্যবহৃত ডাকটিকিট লাগিয়ে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে।
১৭৭৬ দিন আগে