বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
পানি স্বল্পতায় বন্ধ কাপ্তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ৪টি ইউনিট
রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে (কপাবিকে) পানি স্বল্পতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে শুধু ১টি ইউনিট হতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। আর ওই একটি ইউনিট হতে মাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এই কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট হতে সর্বোচ্চ ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
বুধবার (২২ এপ্রিল) কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, শুষ্ক মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর দিন দিন কমতে থাকে। আর পানির ওপর নির্ভরশীল এই কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে আজ (বুধবার) সকাল ৯টা পর্যন্ত শুধু ২ নম্বর ইউনিট হতে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। বর্তমানে রুল কার্ভ অনুযায়ী, কাপ্তাই লেকে ৮৩ দশমিক ৮০ ফুট মিন সি লেভেল (এমএসএল) পানি থাকার কথা থাকলেও আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদের পানি ছিল ৭৭ দশমিক ৪৭ ফুট মিন সি লেভেল।
কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বরত প্রকৌশলী জানান, বিগত সপ্তাহগুলোতে কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে ২টি ইউনিট চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর দ্রুত কমতে থাকায় ৫টি ইউনিটের মধ্যে শুধু ১টি করে ইউনিট চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। যতদিন পর্যন্ত বৃষ্টি হবে না, ততদিন পর্যন্ত এই সমস্যার সমাধান হবে না বলে জানান তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
হবিগঞ্জে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে আগুন
হবিগঞ্জে শাহজীবাজার ৩৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন লাগে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
প্রায় তিন ঘন্টা চেষ্টার পর দমকল বাহিনীর ৫টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে কেন্দ্রের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মিহানুর রহমান প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
১৪২৪ দিন আগে
সিলেটে নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
সিলেটে নতুন একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্লান্ট হতে যাচ্ছে। ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকায় নতুন এই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে গ্যাস সরবরাহ করবে সিলেট জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন্ ও ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার।
আরও পড়ুন: দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য জমি খোঁজা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
বৃহস্পতিবার এ সম্পর্কিত আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের যাত্রা শুরু হলো। এদিন দুপুরে জালালাবাদ গ্যাসের কনফারেন্স রুমে জালালাবাদ গ্যাসের পক্ষে কোম্পানি সচিব মো. শহিদুল ইসলাম ও আমেরিকান লিবার্টি পাওয়ার বিডি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. এনামুল হক চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
১৩ প্রতিষ্ঠানকে পেছনে ফেলে নতুন এই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র তৈরির টেন্ডার পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশিদের নিয়ে গড়া লিবার্টি প্লান্ট বিডি। সর্বোচ্চ পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এই পাওয়ার প্লান্টের যাত্রাকে মাইলফলক হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন: সড়ক খুঁড়ে বিদ্যুৎ লাইন সংযোগ, পথচারীদের দুর্ভোগ
প্রায় সাড়ে ৪শ কোটি টাকা ব্যয়ে সিলেটে স্থাপিত এই বিদ্যুত কেন্দ্রটি আগামী বছরের শেষ নাগাদ উৎপাদনে আসবে বলে জানান উদ্যোক্তারা। পুরোপুরি প্রবাসি বিনোয়গের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানানো হয়। এই বিদ্যুৎ প্রকল্পে সিলেটে শিক্ষিত বেকার তরুণদের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন উদ্যোক্তারা।
১৬৫০ দিন আগে