তোফায়েল আহমেদ
হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় তোফায়েল আহমেদকে শেষ বিদায়
কিংবদন্তি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং নয়বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদকে দলমত নির্বিশেষে হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার প্রতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে তার জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
তারা জানাজার নামাজে ইমামতি করেন ভোলা খলিফাপট্টি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা জমির উদ্দিন।
জানাজায় ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ বিএনপি, বিজেপি, কমিউনিস্ট পার্টি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সর্বস্তরের হাজারো মানুষ অংশ নেন। তীব্র গরম ও রোদ উপেক্ষা করে তারা প্রিয় নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
২ দিন আগে
বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইসিসসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি।
তার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আজ (সোমবার) মাগরিবের নামাজের পর ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। তারপরে স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে মরদেহ রাখা হবে। এরপর আগামীকাল হেলিকপ্টার বা মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যানে তার মরদেহ ভোলায় নেওয়া হবে। মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পরে ভোলা জিলা স্কুল মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় সক্রিয় ছিলেন দেশের রাজনীতিতে।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী ও মা ফাতেমা বেগম। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও একমাত্র সন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীকে রেখে গেছেন।
শিক্ষাজীবনে ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৬২ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি সম্পন্ন করেন।
ছাত্রলীগের মাধ্যমে তোফায়েল আহমেদের রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে ইকবাল হলের (বর্তমানে শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) নির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) ছিলেন তিনি। ১৯৬৮-৬৯ সালের গণজাগরণ ও ছাত্র আন্দোলনে তিনি ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামিকে মুক্তি দেয় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সেই বছরেরই ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ঘোষণা দেন তোফায়েল আহমেদ।
প্রথমবারের মতো ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেন তিনি। এরপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন।
দেশ স্বাধীনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নিজের জেলা ভোলা থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন।
১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।
রাজনৈতিক কারণে ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৩৩ মাসসহ অসংখ্যবার কারাভোগ করেন এই নেতা।
৩ দিন আগে
তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ দুই জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত ।
মঙ্গলবার (৫ মে) ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ এ আদেশ দেন।
অবৈভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় আজ অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ছিল। তবে তোফায়েল আহমেদের অসুস্থতার কথা জানিয়ে সময়ের আবেদন করেছেন তার আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার।
তিনি বলেন, তোফায়েল আহমেদের বয়স ৮২ বছর। তিনি বার্ধ্যক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিনি কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতিশক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষম।
তার মানসিক অবস্থা পরীক্ষার অনুরোধ জানিয়ে শুনানি পেছানোর আবেদন করেছেন তার আইনজীবী। তবে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে বৃহস্পতিবার (৭ মে) অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন।
এই মামলার অন্য দুই আসামি হলেন—মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং মোশাররফ হোসেন। তিন আসামির মধ্যে মোশারফ হোসেন জামিনে থেকে আদালতে হাজিরা দেন।
২০০২ সালে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি করেছিলেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করেছেন। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে তিন জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল।
৩০ দিন আগে
বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার হওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই: তোফায়েল আহমেদ
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, এই বাংলাদেশে আর কোনোদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও আমরা নির্বাচন করেছি।
তিনি বলেন, সেই নির্বাচনেও যথেষ্ট কারচুপি হয়েছে। এখন বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের অধীনে আগামী নির্বাচন হবে।
আরও পড়ুন: আর কখনও নির্দলীয় সরকার হবে না: তোফায়েল আহমেদ
মঙ্গলবার দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ব্যাংকের হাট স্কুল মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগের আয়োজনে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গরীব ও দুস্থদের মাঝে পোশাক বিতরণকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তোফায়েল আহমেদ আশা করেন বিএনপি এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। কারণ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করলে তারা রাজনীতি থেকে হারিয়ে যাবে। রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র হলো নির্বাচন।
তিনি বলেন, ‘সকল দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্বে অন্যতম উন্নয়নশীল দেশ। আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক বিশ্বে যথেষ্ট মর্যাদা অর্জন করেছি। আজকে গ্রামগুলো শহর হয়েছে। আজ গ্রাম আর গ্রাম নেই। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ। আপনারা শান্তিতে আছেন।
আরও পড়ুন: বর্তমান সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে: তোফায়েল আহমেদ
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের জন্ম: তোফায়েল আহমেদ
১১৪৩ দিন আগে
বর্তমান সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে: তোফায়েল আহমেদ
বর্তমান সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ।
তিনি বলেন, বিএনপি যে দাবি করছে তা কোন দিনই বাস্তবায়িত হবে না। কারণ এটা বাস্তবসম্মত না। তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়, তারা নাকি ক্ষমতাসীন দলের অধীনে নির্বাচন করবে না। আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলি তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর কোন দিন আসবে না এবং বর্তমান সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার বিকালে ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ও ধনিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তোফায়েল আহমেদ বলেন যে আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, তখনই মানুষের জন্য কিছু করে। মানুষ জানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই দেশ দুর্নীতিমুক্ত থাকে এবং ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পায়।
আরও পড়ুন: আমরা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই: জিএম কাদের
প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রামকে শহরে পরিণত করেছে। আওয়ামী লীগের শাসনামলে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। আর্ন্তজাতিক বিশ্বের মানুষ বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাশালী রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করে। আমরা স্বল্পন্নোত দেশ থেকে আমরা উন্নয়নশীল দেশে রুপান্তরিত হয়েছি। আমরা আশা করি ২০৪০ সালের মধ্যে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবো।
তোফায়েল আহমেদ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, আপনারা আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিবেন। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। আজকে বাংলাদেশে যে উন্নতি হয়েছে তা ইতিহাসে বিরল।
তিনি বলেন, ভোলায় অনেক উন্নয়ন করা হয়েছে। নদী ভাঙনের হাত থেকে ভোলাকে রক্ষা করা হয়েছে এবং ভোলায় পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া গেছে। সেই গ্যাসভিত্তিক শিল্প গড়ে উঠবে। ভোলাকে শিল্প নগরীতে পরিণত করা হবে।
এ সময় জেলা আওয়াম লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ, ভোলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার শফিকুল ইসলাম, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন, ধনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. এমদাদ হোসেন কবির প্রমুখ।
আরও পড়ুন: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও আংশিকভাবে ইভিএম ব্যবহার করা হবে: ইসি
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা: ফখরুল
১২১৫ দিন আগে
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের জন্ম: তোফায়েল আহমেদ
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের জন্ম বলে মন্তব্য করেছেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেছেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমরা সকলে একসঙ্গে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি।
আমাদের স্লোগান ছিল – ‘জাগো জাগো বাঙালি জাগো’, ‘বীর বাঙ্গালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর’। কে হিন্দু, কে মুসলিম সেই ভেদাভেদ ছিল না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের জন্ম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোলা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের গ্রামগুলো আজ শহরে পরিণত হয়েছে। প্রতিটি গ্রাম আজ আলোকিত, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। আমরা পদ্মাসেতু তৈরি করেছি। কর্ণফুলী ট্যানেলের কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে।
আরও পড়ুন: তোফায়েল আহমেদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে চলেছি। আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবো। আওয়ামী লীগ সরকারের এসব উন্নয়ন বিএনপি দেখে না।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর দুটি স্বপ্ন ছিল। এক - বাংলাদেশ স্বাধীন করা। দুই - ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
প্রথমটি জাতির জনক করে গেছেন। দ্বিতীয়টি করার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশে উন্নিত হয়েছে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, আজও আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখেছি। বিশেষ করে ভোলায় আমরা সকল ধর্মের মানুষ এক এবং অভিন্ন হয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে অত্যন্ত শান্তিতে বসবাস করছি।
এছাড়া আমাদের ধর্মের দিক থেকে কেউ মুসলিম, কেউ হিন্দু। কিন্তু মনের দিক থেকে আমরা সকলে এক। আমাদের ঈদে হিন্দু ভাইরা আসেন। তাদের পূজায় আমরা যাই। আমাদের মাঝে কোন ভেদাভেদ নেই।
ভোলা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে এর সভাপতিত্বে তোফায়েল আহমদের ভোলার গাজীপুর রোডস্থ বাসভবনে এই মতবিনিময় সভায় বক্তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আবদুল মমিন টুলু, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকিব, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, সদর উপজেলা ভাইরাস চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ, সদর উপজেলা পূজা পরিষদের সভাপতি মানস ঘোষ শান্ত প্রমুখ।
আরও পড়ুন: আর কখনও নির্দলীয় সরকার হবে না: তোফায়েল আহমেদ
দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে: তোফায়েল আহমেদ
১৩৪৪ দিন আগে
তোফায়েল আহমেদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল
ভারতের হরিয়ানার গুরগাঁও এলাকায় মেডেনটা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।
শুক্রবার দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদের ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাস থেকে এ তথ্য জানা যায়।
শাবান মাহমুদ লেখেন, ‘তোফায়েল আহমেদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। দিল্লীর অদূরে হরিয়ানার গুরগাঁও এলাকায় মেডেনটা হাসপাতালে নিউরো মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. অরুণ গার্গের অধীনে তোফায়েল আহমেদের চিকিৎসা চলছে। দুপুরে ভারতে বাংলাদেশ হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছেন। তিনি এখন ভালো আছেন।’
এর আগে তোফায়েল আহমেদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নয়াদিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতা বাণিজ্যমন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
আরও পড়ুন: দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে: তোফায়েল আহমেদ
করোনাকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ বিশ্বে প্রসংশিত: তোফায়েল আহমেদ
১৭৩৫ দিন আগে
করোনাকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ বিশ্বে প্রসংশিত: তোফায়েল আহমেদ
করোনাকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তসম্মত ও আন্তর্জাতিক বিশ্বে প্রসংশিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘করোনায় বড় বড় দেশ আক্রান্ত। কিন্তু করোনাকালীন সময় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তসম্মত। মানুষ সেটা গ্রহণ করেছে। তার গৃহীত পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বিশ্বে প্রসংশিত হয়েছে।’
শুক্রবার বিকালে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে ভোলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে করোনায় কর্মহীন ও দুস্থদের মাঝে তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমাদের গ্রাম গঞ্জে এমন কোন অভাবী মানুষ নেই যারা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা পায়নি। প্রধানমন্ত্রী বাস্তবমুখি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ভোলা থেকে প্রধানমন্ত্রী গরীব মানুষকে নগদ অর্থ দেয়ার কার্যক্রম শুরু করেন। এছাড়াও তিনি তাদের কোটি কোটি টাকার ত্রাণও বিতরণ করেছেন।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার দেশে ফেরা: হাছান মাহমুদ
তিনি বলেন, ‘ভোলায় যে উন্নয়ন হয়েছে তা প্রধানমন্ত্রীর জন্যই সম্ভব হয়েছে। আমরা ভোলাতে ব্যাপক উন্নয়ন তৎপরতা শুরু করেছি। আমরা আশা করি, ভোলা-বরিশাল ব্রীজ হলে ইনশাআল্লাহ ভোলা বাংলাদেশের মধ্যে একটি শ্রেষ্ঠ জেলা হবে।’
এ সময় তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।
ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের এই আয়োজনে তোফায়েল আহমেদের পক্ষে দুঃস্থদের মাঝে অর্থ সহায়তা বিতরণকালে জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, জেলা পরিষদ সদস্য খায়রুল হাসান খোকন, মিলন মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
১৮৫৪ দিন আগে
একাত্তরের পরাজিত শক্তি আবার মাথাচারা দিয়েছে: তোফায়েল
একাত্তরের পরাজিত শক্তি আবারও মাথাচারা দিয়েছে বলে বুধবার মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ।
১৯৯৬ দিন আগে
এখন গ্রামে গেলে শহর মনে হয়: তোফায়েল
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা নিয়ে সফল হয়েছেন। এখন গ্রামে গেলে শহর মনে হয়।
২০৫০ দিন আগে