ছাগল চুরি
কুষ্টিয়ায় ছাগল চুরির অভিযোগে এক নারীর বাড়ি ভাঙচুর-লুটপাট, আটক ২
কুষ্টিয়ায় ছাগল চুরির অভিযোগে ইরানি বেগম নামে এক নারীর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের পুরাতন কুষ্টিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ইরানি বেগম ওই এলাকার নেহেরুলের স্ত্রী।
স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকার মাছিদুলের ছাগল বৃহস্পতিবার (২৬ তারিখ) হারিয়ে যায়। এরপর গতকাল (শুক্রবার) বিকেলে ইরানি বেগম তার বাড়িতে একটি ছাগল জবাই করে ইজিবাইকে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যেই উপস্থিত জনতার কয়েকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ওই নারীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালান।
স্থানীয়রা বলছেন, এর আগেও একাধিকবার ছাগল চুরির ঘটনা ঘটিয়েছেন ওই নারী। তবে শুক্রবার তাকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে।
অন্যদিকে, চুরির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ওই নারী। তার ভাষ্য, ‘আমি ছাগল চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। তবুও তারা আমার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। এতে আমার অনেক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি থানায় এ বিষয়ে এজাহার দিলে মামলা নেওয়া হবে।’
৬ দিন আগে
ছাগল চুরির অভিযোগে ২ শিশুকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ৩
নড়াইলে ছাগল চুরির অভিযোগে দুই শিশুকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার এড়েন্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় শিশুসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ভুক্তভোগী ওই দুই শিশু হলো- উপজেলার পদ্দবিলা গ্রামের আসাদের ছেলে আজিজুর (১৩) ও সারুলিয়া গ্রামের বিল্লাল শিকদারের ছেলে জয় শিকদার (১৪)। ওই দুই শিশু নির্যাতনের ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
আরও পড়ুন: চুরির অপবাদে খুঁটিতে বেঁধে স্কুলছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ
স্থানীয়দের দাবি, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার এড়েন্দা গ্রামের জহুর শেখের স্ত্রী দোলেনা বেগমের দুটি ছাগল আজিজুর ও জয় চুরি করে পালানোর চেষ্টা করছিল এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দুই শিশুকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ওই পরিবারের লোকসহ স্থানীয় লোকজন বেধড়ক মারধর করে এবং পরে চুরির অভিযোগে তাদের পুলিশে দেয়া হয়।
পরদিন বুধবার ওই দুই শিশুর বিরুদ্ধে কোন লিখিত অভিযোগ না থাকায় লোহাগড়া থানা পুলিশ অভিভাবকদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেয়।
নির্যাতনের ঘটনায় বৃহস্পতিবার শিশু আজিজুরের বাবা বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি ও অজ্ঞাত আরও চারজনকে আসামি করে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই শিশুসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করে।
শিশু আজিজুর বলে, আমি ছাগল চুরি করি নাই। তারপরও ওরা আমাকে এবং জয়কে গাছের সঙ্গে বেঁধে অনেক মারছে।
অপর শিশু জয় বলে, আমাকে মেরে আমার হাতের আঙুল ভেঙে দিছে।
আরও পড়ুন: ফেসবুক লাইভে স্বামীর নির্যাতনের বর্ণনার দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যার চেষ্টা!
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু হেনা মিলন বলেন, শিশু আজিজুরের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন মামলা দায়েরের পর শিশুসহ মোট তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
১৪২২ দিন আগে