মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন ব্যক্তি এবং ৫ প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দিচ্ছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পদক দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া অন্যরা হলেন— মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভূমিকার জন্য অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবা বা জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর); জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
পদকপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে— মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবা বা জনসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
১ দিন আগে
আট প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন
প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে সরকারের আটজন প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব ও দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ৩বি (আইআই) বিধি অনুযায়ী এই পুনবর্ণ্টন করা হয়েছে।
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রশিদকে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফারজানা শারমীনকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. নুরুল হককে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ববি হাজ্জাজকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও পুনর্বণ্টন করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রী পদমর্যাদার রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানকে তার বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, অপর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে বর্তমান পদের সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হয়েছিল।
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার কে কোন দায়িত্ব পেলেন
প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টার মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দপ্তর বণ্টন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচ জন উপদেষ্টার মধ্যে তিন জনকে রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।
মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জনপ্রশাসন ও রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচজন উপদেষ্টাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও ক্ষেত্রে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে; ডা. জাহেদ উর রহমানকে পলিসি ও স্ট্রাটেজি; মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রেহান আসিফ আসাদকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সরকার গঠন করে বিএনপি। ৫০ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
এর মাধ্যমে ২০ বছর পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ওইদিনই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় ১০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়।
১০ দিন আগে
বিগত ৩ নির্বাচন পর্যালোচনার কমিটিকে কমিশনে রুপান্তর, বাড়লো সময়
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিতর্কিত তিনটি নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ পর্যালোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে সুষ্ঠু নির্বাচন দেওয়ার সুপারিশ করতে গঠিত কমিটি বাতিল করে নতুন করে একটি কমিশন গঠন করেছে সরকার। কমিশন গঠনের পর প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা এক মাস বাড়ানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে গত ২৬ জুন এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। প্রজ্ঞাপনের তথ্যমতে, কমিটি ও কমিশনের সদস্যরা একই রয়েছে। কেবল নাম পরিবর্তন করে কমিশন হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়েছে, কর্মপরিধিও অপরিবর্তিত রয়েছে।
এর আগে কমিটিকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এখন কমিশনকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।
কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশে-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। এসব নির্বাচনে নানা কৌশলে জনগণের ভোটাধিকার খর্ব করে সাজানো প্রক্রিয়ায় একটি বিশেষ দলকে বিজয়ী করার জোরালো অভিযোগ রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে ‘দ্য কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট, ১৯৫৬’-এর আওতায় সরকার কমিশন গঠন করেছে, যাতে বিগত তিনটি নির্বাচনে উত্থাপিত অভিযোগ পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সুপারিশ করা যায়।
হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামীম হাসনাইনকে কমিশনের সভাপতি করা হয়েছে। কমিশনের অন্য চার সদস্য হলেন— সাবেক অতিরিক্ত সচিব (গ্রেড-১) শামীম আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক (সুপণ), ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম হোসাইন ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. মো. আব্দুল আলীম।
আরও পড়ুন: তিন শ্রেণির আরও ১৭৫৭ জুলাই যোদ্ধার গেজেট প্রকাশ
কমিশনের কার্যপরিধি
২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, নাগরিক সংগঠন ও গণমাধ্যমে উত্থাপিত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করা। এসব নির্বাচনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা।
রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ সীমিতকরণ ও জনগণের ভোটাধিকার খর্বে তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের ভূমিকা বিশ্লেষণ। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার ভূমিকা বিশ্লেষণ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকাও বিশ্লেষণ।
এ ছাড়া তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ যাচাই ও অনুসন্ধান। এরপর এসব বিশ্লেষণের ভিত্তিতে দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতের জন্য সুপরিকল্পিত সুপারিশ প্রদান। প্রয়োজনে যে কোনো দপ্তরের নথিপত্র তলব ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিশন দেশের যে কোনো স্থান পরিদর্শন, যে কোনো সরকারি দপ্তরের নথি তলব এবং সন্দেহভাজন যেকোনো ব্যক্তিকে তলব ও জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কমিশনকে সাচিবিক সহায়তা এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন লজিস্টিক ও তথ্য সহায়তা দেবে।
২১৯ দিন আগে
জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বুধবার রাষ্ট্রীয় শোক
‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে বুধবার (১৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, 'জুলাই শহীদ দিবস' উপলক্ষে বুধবার (১৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।
এ উপলক্ষে বুধবার বাংলাদেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
পড়ুন: ৯৬ জন বাংলাদেশিসহ ১৩১ জনকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশে বাধা
শহীদদের মাগফিরাতের জন্য বুধবার সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও তাদের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
কোটাবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ নিহত হন। এরইমধ্যে এই দিনটিকে সরকার ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
২৩৪ দিন আগে
৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান, ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ দিবস
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে সরকার ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করেছে সরকার।
এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের দিন, অর্থাৎ ৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
বুধবার (২৫ জুন) এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আলাদা পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
পাশাপাশি গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে ছাত্র আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রতি বছর যথাযথভাবে এই তিনটি দিবস প্রতিপালন করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়েছে।
৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত এবং ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ দিবস ও ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে পালিত হবে।
২৫৩ দিন আগে
গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ বাড়ল আরও সাড়ে ৩ মাস
আওয়ামী লীগ শাসনামলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
১৫ মার্চ থেকে কমিশনের মেয়াদ আরও সাড়ে ৩ মাস বাড়িয়ে সোমবার (১৭ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
'কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট, ১৯৫৬' অনুযায়ী ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে গত বছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে গুমের ঘটনা তদন্তে গত ২৭ আগস্ট কমিশন গঠন করেছিল সরকার। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর কমিশনের দায়িত্বে ও প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমায় পরিবর্তন আনা হয়।
পাঁচ সদস্যের এ কমিশনের সভাপতি হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী।
আরও পড়ুন: রবিবারের মধ্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যাবে
তদন্ত সম্পন্ন করে তিন মাসের মধ্যে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করার কথা ছিল কমিশনের। পরে সময় বাড়ানো হয়। বাড়ানো সেই সময় গত ১৪ মার্চ শেষ হয়।
তদন্ত কমিশন ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, তদন্তকারী সংস্থা ও অনুরূপ যেকোনো বাহিনী বা সংস্থার কোনো সদস্য বা সরকারের মদদে, সহায়তায় বা সম্মতিতে কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তি-সমষ্টির 'আয়না ঘর' বা যেকোনো জ্ঞাত বা অজ্ঞাত স্থানে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান, তাদের শনাক্ত করা ও কোনো পরিস্থিতিতে গুম হয়েছিল— তা নির্ধারণ করা এবং সেই উদ্দেশ্যে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যসহ যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে।
৩৫৩ দিন আগে
২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা
সরকার ২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
উপসচিব তানিয়া আফরোজের সই করা ওই পরিপত্রে বলা হয়, সরকার প্রতিবছর ২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। ওই তারিখকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ (সরকারি ছুটি ব্যতীত) হিসেবে পালনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনসংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রের ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
পরিপত্রে ২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে যথাযথভাবে পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়।
আরও পড়ুন: ফেব্রুয়ারিতে ১২তম ‘বিমান বিটিটিএফ-২০২৪’ আয়োজন করবে টোয়াব
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তখনকার বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) শতাধিক বিদ্রোহী পিলখানা দরবার হলে সশস্ত্র বিদ্রোহ করলে ৭৪ জন নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন। পরবর্তীতে বিডিআরের নাম পরিবর্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রাখা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে ৫৬ জন ছিলেন বিভিন্ন পদমর্যাদার সামরিক কর্মকর্তা, যাদের মধ্যে বিডিআরপ্রধান মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদও ছিলেন। তাদের এই আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায় হয়ে আছে।
৩৭৬ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
ছয় সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো বিবেচনা ও গ্রহণের জন্য এই কমিশন গঠন করে বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে
কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন, সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রিয়াজ, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক এবং দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান।
আরও পড়ুন: ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্টস সামিটে যোগ দিতে দুবাইয়ে প্রধান উপদেষ্টা
আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কাজ শুরু করবে। কমিশনের মেয়াদ ছয় মাস। কমিশন নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশের কার্যক্রমসহ, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং দুর্নীতি দমন বিষয়ে সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনগুলোর সুপারিশ বিবেচনা ও গ্রহণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপের সুপারিশ করবে।
এই কমিশনের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। কমিশনের কার্যালয় সরকার নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
৩৮৬ দিন আগে
বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়: পুরাতন আইন থাকায় অনুমোদিত খসড়া বাতিল
বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে পুরাতন আইন থাকায় ২০১৯ সালে অনুমোদিত এ সংক্রান্ত নতুন আইনের খসড়া বাতিল করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সোমবার (১৩ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন
বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১৯ এর বিষয়ে মন্ত্রিসভার একটি নীতিগত সম্মতি ছিল। কিন্তু নীতিগত সম্মতি নিয়ে ভেটিংয়ের জন্য এটি লেজিসলেটিভ বিভাগে পাঠানো হয়। পরে দেখা গেছে, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এ সংক্রান্ত একটি আইন পাশ হয়ে আছে। সে আইনে বলা ছিল-সরকার আইনটি গেজেট আকারে প্রকাশ করলে সেটি কার্যকর হবে। কিন্তু আইনটি পাশ হলেও সেসময় আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ছাড়ার পর পরবর্তীতে আর কেউ এটি নিয়ে কাজ করেনি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনও করা হয়নি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, একই স্থানে ও একই বিষয়ে দুটি আইন থাকার যুক্তিযুক্ত না থাকায় ২০০১ সালের আইনটি কার্যকর রেখে ২০১৯ সালের নীতিগতভাবে পাশ হওয়া আইনটির খসড়া বাদ দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আনোয়ারুলের মেয়াদ বাড়ল আরও ২ বছর
১০৮৯ দিন আগে