অগ্নিদগ্ধ
রাজধানীতে শপিং কমপ্লেক্সে শর্ট সার্কিটের স্পার্কিংয়ে দগ্ধ ৪
রাজধানীর শান্তিনগরের ইস্টার্ন প্লাস শপিং কমপ্লেক্সে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট স্পার্কিংয়ে চারজন দগ্ধ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দিবাগত রাত ১২টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।
দগ্ধরা হলেন— সোহরাব (২০), শামীম (১৮), সুজিত দাস (২৮) ও মোনায়েম হোসেন (৩৩)।
আজ (বুধবার) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বিদ্যুতের স্পার্কিংয়ে দগ্ধ অবস্থায় চারজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের সবারই ইনহেলেশন বার্ন (শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়া) রয়েছে। এর মধ্যে দুজনকে ভর্তি করা হয়েছে এবং অপর দুজনকে জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা সহকর্মী রনি জানান, আহতরা সবাই ওই শপিং কমপ্লেক্সের কর্মচারী।
তিনি বলেন, গতকাল রাতে মার্কেটের বেসমেন্ট-১-এ বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে তারা দগ্ধ হন। পরে দ্রুত তাদের জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকে ভর্তি দেন এবং বাকি দুজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
১৫ দিন আগে
চট্টগ্রামে আবাসিক ভবনে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৯
চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহরের একটি ভবনে গ্যাস লাইনের বিস্ফোরণে ৯ জন দগ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কন্ট্রোলরুম কর্মকর্তা।
দগ্ধদের মধ্যে ৮ জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন— শিপন (৩০), সুমন (৪০), শাওন (১৭), আনাস (০৭), আইমান (০৯), শাখাওয়াত (৪৬), আয়েশা (০৪) ও পাখি (৩৫)।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন জানান, আজ (সোমবার) সকাল পৌনে ৬টার দিকে হালিশহর থানার আবাহনী ক্লাবের মাঠের সামনে ছয় তলা আবাসিক ভবনের তৃতীয় তলায় গ্যাসের লাইনের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভবনটিতে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে আমাদের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে এর আগেই স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলেন। অগ্নিদগ্ধদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
আগুনের ক্ষয়ক্ষতি তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
১০১ দিন আগে
কুমিল্লায় বাস-অটোরিকশা-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, দগ্ধ হয়ে ৪ জনের মৃত্যু
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বানিয়াপাড়া এলাকায় বাস, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায় নি।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, ঘটনাস্থল থেকে শিশুসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ফায়ার সার্ভিস দুর্ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি জানান, মোটরসাইকেল ও বাসের সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের জ্বালানির বাক্স থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। এতে পুরো বাসে আগুন লেগে যায়।
১৪৬ দিন আগে
অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি জাতীয় কবির নাতি
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতি বাবুল কাজী (৫৯) অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।শনিবার (১৮ জানুয়ারি) ভোর ৫টায় তিনি অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে সকাল সাড়ে ৭টায়।জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ইমার্জেন্সি) ডা. শাওন বিন রহমান ইউএনবিকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তার শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাসার বাথরুমে গ্যাসলাইটার বিস্ফোরণে তিনি অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। বাবুল কাজী জাতীয় কবির পুত্র সব্যসাচী কাজীর ছোট ছেলে। তার বোন দুই বোন খিলখিল কাজী ও মিষ্টি কাজীর বরাত দিয়ে শাওন বিন বলেন, তিনি স্বভাবতই সকালে ওয়াশরুমে ধূমপান করেন। আজ একইভাবে ধূমপানের সময় লাইটার জ্বালাতে গেলে সেটা বিস্ফোরণ হয়ে পুরোটা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়।
৫০২ দিন আগে
কুড়িগ্রামে অগ্নিদগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু
কুড়িগ্রামের উলিপুরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে সুরাইয়া আক্তার (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নে গোড়াই মণ্ডলপাড়া গ্ৰামে এই ঘটনা ঘটে।
শিশুটি ওই গ্রামের জমশেদ আলীর মেয়ে।
শিশুটির মামা মামুন মিয়া জানান, বুধবার বেলা ১১টায় সুরাইয়ার মা জেবু বেগম বাড়ির উঠানের চুলায় রান্না শুরু করছিলেন। এ সময় সুরাইয়া পাশে বসে মোবাইলে কার্টুন দেখছিল। চুলার পাশে শিশু সুরাইয়াকে রেখে বাড়ির বাইরে চলে যান জেবু বেগম। এ সময় শিশুটি চুলায় হাত দিলে দগ্ধ হয়। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে। ততক্ষণে শিশুটির শরীরের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ পুড়ে যায়। পরে শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে রাখা হলে বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় তার মৃত্যু হয়।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় তার লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’
৫৬০ দিন আগে
ফরিদপুরে অগ্নিদগ্ধ দুই শিশুর ঢামেকে মৃত্যু
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের রশিবপুরা গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
নিহত শিশুরা হলো- ওই গ্রামের ছিদ্দিক মুন্সীর ছেলে ইসমাইল মুন্সি (৪) ও আসাদ মুন্সীর ছেলে ইয়াসিন মুন্সি (৩)।
রবিবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে অগ্নিকাণ্ডে দুই শিশুর শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়। আহত অবস্থায় তাদের প্রথমে ভাঙ্গা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার ইসমাইল মুন্সি ও সোয়া ৯টায় ইয়াসিন মুন্সির মৃত্যু হয়।
অগ্নিদগ্ধ শিশুদের চাচা উজ্জ্বল হোসেন জানান, ইয়াসিন ও ইসমাইল রবিবার দুপুরে রান্না ঘরে খেলতে যায়। বাড়িতে বাবা-মা কেউ না থাকায় তারা কিছু পাটের খড়ি রান্নার চুলার মধ্যে দিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাটখড়ির বেড়ায় লেগে দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে।
তখন দুই শিশু ভয় পেয়ে রান্নাঘরের পাশে গোসলখানায় আশ্রয় নেয়। রান্না ঘর পুড়ে যাওয়ার পর গোসলখানায় আগুন ধরে যায়। একপর্যায়ে আগুন রান্না ঘর ও গোসলখানাসহ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের লোকজন আগুন নিভাতে চেষ্টা করলেও তখনও জানতো না শিশু দুটি বাথরুমে আটকা পড়েছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর শিশু দুটির চিৎকার শুনতে পায়। মুমূর্ষু অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ দুই শিশুকে ভাঙ্গা হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে শিশু দুইটির মৃত্যু হয়।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মৌলি চৌধুরী জানান, অগ্নিদগ্ধ ইয়াসিনের ৬৮ ভাগ এবং ইসমাইলের ৯০ ভাগ পুড়ে গিয়েছিল। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
৫৬৩ দিন আগে
সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ, অগ্নিদগ্ধ ১২ শ্রমিক
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা কারখানায় স্ক্র্যাপ জাহাজের পাম্প রুমে কাটিং কাজ করার সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ১২ জন শ্রমিক।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে জাহাজ ভাঙা কারখানায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সোনাইছড়ি ইউনিয়নের শীতলপুর তেঁতুলতলা এলাকার সাগর উপকূলে অবস্থিত শওকত আলী চৌধুরী মালিকানাধীন এস এন করপোরেশন নামের জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ ১২ শ্রমিক হলেন- আহাম্মদ উল্লাহ, মোহাম্মদ আল-আমিন, মোহাম্মদ বরকত, হাবিল আহমেদ, মোহাম্মদ নিয়ামুল হক, আনোয়ার হোসেন, আবুল কাশেম, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ খাইরুল, মোহাম্মদ সাগর, মোহাম্মদ রফিক ও মোহাম্মদ সাইফুল।
আরও পড়ুন: তেজগাঁওয়ে গ্যাসের লিকেজ থেকে অগ্নিদগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
জাহাজভাঙা কারখানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা মো. শওকত আজাদ বলেন, দুপুরে জাহাজের শেষ প্রান্তে থাকা পাম্প রুমের কাটিং কাজ করার সময় পাম্পের ভেতরে থাকা ট্যাঙ্কে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ১২ শ্রমিক দগ্ধ হন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিন বলেন, বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি কামাল উদ্দিন।
আরও পড়ুন: অবশেষে মারা গেলেন নবীনগরে পেট্রোলে অগ্নিদগ্ধ লতিফা
৬৩৫ দিন আগে
তেজগাঁওয়ে গ্যাসের লিকেজ থেকে অগ্নিদগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় নাখালপাড়ায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে আগুনে পুড়ে যাওয়া স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২১ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও মডেল থানার উপ-পরিদর্শক সালেকিন মিল্লাত তৌফিক।
নিহতরা হলেন- গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার কাতলামারী গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস (৫৮) ও তার স্ত্রী আনিসা বেগম (৫০)।
আরও পড়ুন: শেরপুরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু
তেজগাঁও মডেল থানার উপ-পরিদর্শক সালেকিন মিল্লাত তৌফিক জানান, ময়নাতদন্তের জন্য তাদের লাশ মর্গে পাঠিয়েছেন তেজগাঁও মডেল থানার পুলিশ।
ওই দম্পতির ছেলে মো. আনিসুর জানান, ১৫ জুন তার বাবা-মা ঘুমন্ত অবস্থায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়েছেন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারিতে ভর্তি করলে সেখানে তারা মারা যান।
আরও পড়ুন: অবশেষে মারা গেলেন নবীনগরে পেট্রোলে অগ্নিদগ্ধ লতিফা
সীতাকুণ্ডে জাহাজ ভাঙা কারখানায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু
১০৭৯ দিন আগে
অবশেষে মারা গেলেন নবীনগরে পেট্রোলে অগ্নিদগ্ধ লতিফা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাদকাসক্ত দেবরের দেয়া পেট্রোলের আগুনে ভাবী লতিফা বেগম (৪০) হাসপাতালে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটেরআইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
নিহতের বাড়ি জেলার নবীনগরের রসুল্লাবাদ ইউনিয়নের উত্তর দাররা গ্রামে। তবে ঘটনার তিন দিন পরও ঘাতক দেবর জালাল (৩৫) এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে ফিলিং স্টেশনে আগুন: ঢামেকে অগ্নিদগ্ধ একজনের মৃত্যু
এ মর্মান্তিক মৃত্যুর পর এলাকাবাসীরা বলেন, এমন মর্মান্তিক ঘটনা এলাকায় পূর্বে কখনই ঘটেনি। তারা অভিযুক্ত দেবর জালালকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান। এলাকায় মাদকাসক্তের সংখ্যা দিনদিন বেড়ে চলেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
লতিফা বেগমের স্বামী মো. জাকারিয়া জানান, দুপুরে আমি বাড়িতে ছিলাম না। লতিফা পিঠা তৈরি করছিল। এই সুযোগে জালাল পেছন থেকে লতিফার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে আগুনে তার গোটা শরীর ঝলসে গেলে বুধবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, পুলিশের একাধিক টিম জালালকে গ্রেপ্তারের জন্য মাঠে নেমেছে। আশা করছি, শিগগিরই তাকে আমরা গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবো।
উল্লেখ, গত ১৯ মার্চ দুপুরে নবীনগর উপজেলার রছুল্লাবাদ ইউপির উত্তর দাররা গ্রামে কথা কাটাকাটির জেরে লতিফা বেগমকে (৪০) পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে দেয় দেবর জালাল মিয়া।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে জাহাজ ভাঙা কারখানায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু
কুড়িগ্রামে রান্না করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধে গৃহবধূর মৃত্যু
১১৭০ দিন আগে
সীতাকুণ্ডে জাহাজ ভাঙা কারখানায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে (জাহাজ ভাঙা কারখানা) অগ্নিদগ্ধ হয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) সকালে ইউনিয়নের বার আউলিয়া সমুদ্র উপকুলে অবস্থিত মেসার্স তাহের শিপ ইয়ার্ডে গ্যাস দিয়ে জাহাজ কাটার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো.আশরাফ মোল্লা (৬৬) নড়াইলের লোহাগড়া থানার কুমারডাঙ্গা এলাকার মৃত ওসমান মোল্লার ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, সকালে ইয়ার্ডে গ্যাস দিয়ে জাহাজ কাটার সময় কাটিং শ্রমিক আশরাফ মোল্লার শরীর আগুন লেগে ঝলসে যায়।পরে তাকে উদ্ধার করে সকাল ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসক বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করে দেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর পৌনে একটার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে কর্মরত জেলা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আলাউদ্দীন তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জাহাজ কাটার কাজ সময় আগুনে দগ্ধ হয়ে আহত মো.আশরাফ মোল্লাকে সকালে হাসপাতালে আনা হয়। চমেকে চিকৎসাধীন অকস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়েছে।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ড অক্সিজেন প্লান্টে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু বেড়ে ৭
সীতাকুণ্ড অক্সিজেন প্লান্টে আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬
সীতাকুণ্ডে অক্সিজেন প্লান্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫, আহত ৫০
১১৮৩ দিন আগে