বেনাপোল
বেনাপোলে দুই মাসে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি, ক্রেতাদের বিভ্রান্ত না করার আহ্বান
দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে ভারত থেকে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে। এসব ইলিশ ২২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আমদানি করেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন পরিদর্শক আশওয়াদুল আলম।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, জুলাইয়ে তিনটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি ইলিশ দেশে আসে। আগস্টে ১৯টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আরও ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি ইলিশ আমদানি করা হয়। দুই মাসে আমদানি করা ইলিশের মোট মূল্য দেখানো হয়েছে ৬ কোটি ৯২ লাখ ৯৪ হাজার ৫১০ টাকা।
এর মধ্যে জুলাইয়ে আমদানি করা ইলিশের মূল্য ছিল ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯৬ টাকা। আগস্টে আমদানি করা ইলিশের মূল্য ছিল ৬ কোটি ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৪ টাকা। অর্থাৎ আগস্টে ইলিশ আমদানির পরিমাণ জুলাইয়ের তুলনায় প্রায় ১১ গুণ বেড়েছে।
ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন পরিদর্শক আশওয়াদুল আলম বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে। আগস্টে আমদানির পরিমাণ জুলাইয়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ ইলিশ আমদানি হওয়ায় বেনাপোল, শার্শা, বাগআঁচড়া, নাভারণ ও যশোর বড় বাজারসহ জেলার বিভিন্ন বাজারে মাছটির সরবরাহ বেড়েছে। তবে এসব মাছের একটি অংশ বাজারে ‘মিয়ানমারের ইলিশ’ নামে বিক্রি হওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন আড়তদারের দাবি, মিয়ানমারের ইলিশ ভারত হয়ে বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। তবে ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কর্মকর্তারা বলছেন, বেনাপোল দিয়ে আমদানি হওয়া ইলিশ ভারতীয়। মিয়ানমার থেকে আসা ইলিশ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করে।
ইলিশ কিনতে আসা মেহেদী হাসান বলেন, দেশি ইলিশ মনে করে তিনি একটি মাছ কিনেছিলেন। পরে খাওয়ার পর স্বাদ ও গন্ধে পার্থক্য বুঝতে পারেন। তার মতে, দেখতে প্রায় একই হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে দেশি ও বিদেশি ইলিশ আলাদা করা কঠিন। এতে ক্রেতারা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।
ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১ কেজি ২০০ থেকে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের দেশি ইলিশ প্রতি কেজি ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ১ কেজি ৩০০ থেকে ১ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের কথিত মিয়ানমারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে। ফলে আকারে বড় হলেও বিদেশি ইলিশের দাম দেশি ইলিশের তুলনায় অনেক কম।
ব্যবসায়ীরা জানান, তুলনামূলক বড় আকারের মাছ কম দামে পাওয়ায় অনেক ক্রেতাই বিদেশি ইলিশের দিকে ঝুঁকছেন। এতে দেশি ইলিশের চাহিদা কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
মাছ ব্যবসায়ী আরিফ হোসেন বলেন, এসব মাছ মিয়ানমার থেকে ভারত হয়ে দেশে আসছে। কম দামের বিদেশি ইলিশ বাজারে আসায় দেশি ইলিশের চাহিদা কমেছে।
এদিকে, বৈধ আমদানির পাশাপাশি অবৈধভাবে ইলিশ দেশে প্রবেশের অভিযোগও রয়েছে। গত ২২ জুলাই বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সাদা মাছের ঘোষণা দিয়ে আনা ১২ কার্টন বা প্রায় ৩৬০ কেজি ভারতীয় ইলিশ জব্দ করে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
যশোর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান বলেন, ভারত থেকে আমদানি করা ইলিশ অবশ্যই ঘোষণা দিয়ে বিক্রি করতে হবে। ক্রেতাদের বিভ্রান্ত না করে আমদানি করা ইলিশের পরিচয় স্পষ্টভাবে জানিয়ে বিক্রি করতে হবে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
৫ দিন আগে
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন দুই তরুণী
ভারতে দুই বছর কারাভোগ শেষে বিশেষ ভ্রমণ অনুমতি নিয়ে দেশে ফিরেছেন নড়াইলের দুই তরুণী।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার তাদের গ্রহণ করে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এর আগে গতকাল (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
ফেরত আসা দুই তরুণী হলেন: নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ঘাঘা গ্রামের লাবনী বিশ্বাস ও একই উপজেলার মহিষখোলা গ্রামের মনি বিশ্বাস।
লাবনী বিশ্বাস জানান, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে তারা সীমান্তপথে অবৈধভাবে ভারতের বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন। সেখানে বাসাবাড়িতে কাজ করার সময় সেদেশের পুলিশের হাতে আটক হন তারা। পরে পুলিশ তাদের আদালতে পাঠায়। অনুপ্রবেশের অভিযোগে দেশটির আদালত তাদের দুই বছর সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়।
পরবর্তীতে কারাভোগ শেষে বেঙ্গালুরুর ‘বালামন্দির চাইল্ড হোম’ দায়িত্ব নিয়ে তাদের শেল্টার হোমে রাখে। এরপর উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ভ্রমণ অনুমতি মাধ্যমে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারা দেশে ফেরেন।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, ভারত ফেরত দুই তরুণীকে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার তাদের গ্রহণ করে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।
এ বিষয়ে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ফিল্ড ওয়ার্কার শফিকুল ইসলাম বলেন, ফেরত আসা দুই তরুণীকে বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে তাদের শেল্টার হোমে রাখা হয়েছে। আজ (বুধবার) তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
১০ দিন আগে
কলকাতায় নিহত ৫ জনের মরদেহ বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর বিকেলে
কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে হস্তান্তর করা হবে। উভয় দেশের দুতাবাসের সহযোগিতায় আজ শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান খান।
বেনাপোল দিয়ে যাদের হস্তান্তর করা হবে, তারা হলেন: দৈনিক আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি ও মোহিনী মিল এলাকার বাসিন্দা দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সী সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত, তার শ্বশুর মো. আকরাম আলী ও ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার আহমেদ বাবু। তারা চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন।
গত ১৮ আগস্ট মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ওই আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি ও দুইজন ভারতীয় নাগরিক।
ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ও ভারতের স্থানীয় প্রশাসন। আজ শনিবার বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দরের আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে পাঁচজনের মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
অন্যদিকে, সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে পাঠানো হয়েছে।
তবে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতাতেই সৎকার করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান খান জানান, কলকাতায় আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে দেশে প্রবেশ করবে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মরদেহ দেশে আসার খবরে নিহতদের স্বজনরা গতকাল শুক্রবার থেকে বেনাপোলে অবস্থান করছেন।
২৮ দিন আগে
বেনাপোলে পুলিশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা
পুলিশের এসআই পদে চাকরি দেওয়ার নামে সাড়ে আট লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বাবলুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) মামলাটি করেন যশোরের শার্শা উপজেলার রামপুর গ্রামের সবেদ ইসলামের ছেলে আশিক ইসলাম।
যশোর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে সমন জারির আদেশ দেন।
অভিযুক্ত বাবলুর রহমান চৌগাছা উপজেলার বর্ণি গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
মামলার সূত্রে জানা যায়, আত্মীয় আহসান হাবিব মুকুলের মাধ্যমে আসামি বাবলুর রহমানের সঙ্গে আশিক ইসলামের পরিচয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে আসামি তাকে পুলিশের এসআই পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ জন্য মোট নয় লাখ টাকা এবং চার মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। আসামির প্রতি বিশ্বাস করে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত আসামির ইসলামী ব্যাংকের হিসাবে মোট চার লাখ ৪৯ হাজার টাকা জমা দেওয়া হয়।
পরে নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা বলে আরও চার লাখ টাকা দাবি করলে ২০২১ সালের ৬ মে ইসলামী ব্যাংক বেনাপোল শাখায় আসামির হিসাবে দুই দফায় মোট চার লাখ টাকা জমা দেওয়া হয়। টাকা নেওয়ার পরও আসামি চাকরির নিয়োগপত্র দেননি। বিভিন্ন সময়ে যোগাযোগ করলেও তিনি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন।
বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আপস-মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে আশিক যশোরের পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করেন।
গত ১১ জুলাই বিকেলে আসামি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, তিনি কোনো টাকা ফেরত দেবেন না এবং চাকরিও দিতে পারবেন না। টাকা চাইলে প্রাণনাশ ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির হুমকি দেন তিনি।
বিষয়টি মীমাংসায় ব্যর্থ হয়ে গতকাল (বুধবার) ভুক্তভোগী যশোর আদালতে এ মামলা করেন।
৫১ দিন আগে
রাজস্ব ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের লক্ষ্যমাত্রা কমাল এনবিআর
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের রাজস্ব ঘাটতির পর ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানিকৃত পণ্য থেকে ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন এ লক্ষ্যমাত্রা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭০২ কোটি টাকা কম।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসকে ১১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল। তবে অর্থবছর শেষে আদায় হয় মাত্র ৬ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়ায় ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। একই সময়ে বন্দর দিয়ে আমদানিকৃত পণ্যের পরিমাণও প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার টন কমে যায়।
এ অবস্থায় নতুন অর্থবছরের জন্য তুলনামূলক কম লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও তা অর্জনে আশাবাদী বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
তবে ব্যবসায়ীদের মতে, বৈধ আমদানি বাণিজ্যে আরও সুবিধা নিশ্চিত করা, পণ্য পাচার ও রাজস্ব ফাঁকি কার্যকরভাবে রোধ এবং বাণিজ্যের ওপর বিদ্যমান বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে নতুন লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করা কঠিন হবে।
কাস্টমস সূত্র জানায়, গত ছয় মাসে বেনাপোল কাস্টমসে ১৩০টি জালিয়াতির ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া গত মাসে প্রায় ২০ কোটি টাকার পণ্য পাচারের অভিযোগে দায়ের করা চারটি মামলায় কাস্টমস, বন্দর, নিরাপত্তা সংস্থা ও ব্যবসায়ীসহ ৫৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি আলহাজ আমিনুল হক বলেন, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আমদানি কার্যক্রম বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং পাচার ও অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন বলেন, রাজস্ব আহরণ বাড়াতে কাস্টমস কর্মকর্তারা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা ও জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।
৫৮ দিন আগে
ভারতে পাচারের শিকার ভুক্তভোগীদের জন্য বেনাপোলে ‘হাফওয়ে শেল্টার হোম’ চালু
ভারতে পাচারের শিকার নারী, পুরুষ ও শিশুদের নিরাপত্তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে বেনাপোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ‘হাফওয়ে শেল্টার হোম’ নামের একটি আশ্রয়কেন্দ্র।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে বেনাপোলে হোটেলে সান রুফে আয়োজিত হাফওয়ে শেল্টার হোমের এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক সংস্থা (ইউএনওডিসি) পরিচালিত ‘গ্লোবাল অ্যাকশন এগেইনেস্ট ট্রাফিকিং ইন পারসন্স অ্যান্ড স্মাগলিং অব মাইগ্রেন্টস’ প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রাইটস যশোর।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি এবং ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসীদের জন্য লিঙ্গ-সংবেদনশীল ও প্রতিবন্ধী-বান্ধব সুরক্ষা সেবা নিশ্চিত করাই এই শেল্টার হোমের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি তাদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক পুনর্বাসনের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
এখানে ভুক্তভোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী, অস্থায়ী আবাসন, নিরাপদ আশ্রয়, খাবার, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা, আইনি সহায়তা এবং মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং সেবা দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেনাপোলের ভবেরবেড় এলাকায় স্থাপিত এই শেল্টার হোমটিতে একসঙ্গে ৩০ জনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারণত ভুক্তভোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী দুই থেকে সাত দিন পর্যন্ত এখানে রাখা হবে। কেন্দ্রটি পরিচালনার জন্য একজন ব্যবস্থাপব, একজন ‘হোম মাদার’, দুজন মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলরসহ ৯ সদস্যের একটি দক্ষ টিম নিয়োজিত রয়েছে।
রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সংস্থাটির প্রোগ্রাম ডিরেক্টর প্রদীপ দত্ত। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউএনওডিসির দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের ন্যাশনাল প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর তাসনীম বিনতে করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বেনাপোল পৌর প্রশাসক ফজলে ওয়াহিদ, প্রেসক্লাবের বেনাপোলের সভাপতি আলহাজ মহসিন মিলন, বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন।
শেল্টার হোমের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন রাইটস যশোরের ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এস এম আজহারুল ইসলাম। এ সময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
৭৪ দিন আগে
ভারতে তিন বছর কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলেন ৬ নারী
ভারতে তিন বছর কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশি ৬ নারী।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা ১১টার দিকে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
ফেরত আসারা হলেন— নুসরাত মন্ডল, ফাতেমা জিন্নাত, মিম আক্তার, সাদিয়া আক্তার, রিপা খাতুন ও আরোহী মন্ডল। তারা যশোর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল ও চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা।
ফেরত আসা ফাতেমা জিন্নাত বলেন, ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে তারা ২০২৩ সালে সীমান্তপথ দিয়ে অবৈধভাবে ভারতের হায়দারাবাদ গিয়েছিলেন। সেখানে বাসা-বাড়িতে এবং বিউটি পার্লারে কাজ করার সময় সেদেশের ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন তারা। পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে পাঠায়। অনুপ্রবেশের অভিযোগে আদালত তাদের তিন বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়। কারাভোগ শেষে ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা দায়িত্ব নিয়ে তাদের শেল্টার হোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা আজ (বুধবার) বেলা ১১টার দিকে দেশে ফেরেন।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মুর্তজ আলী জানান, ভারত ফেরত ছয় নারীকে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।
জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের জ্যেষ্ঠ প্রোগ্রাম কর্মকর্তা মুহিত হোসেন বলেন, ফেরত আসাদের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
৯৪ দিন আগে
রবিবার থেকে বেনাপোলে ২ শ্রমিক সংগঠনের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা
দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে পণ্য লোড-আনলোড কাজে নিয়োজিত দুটি শ্রমিক সংগঠন অনির্দিষ্টকালের জন্য আগামী রবিবার (১৪ জুন) থেকে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এর আগে, বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়ন এবং বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদনপত্র বেনাপোল বন্দরের পরিচালকের মাধ্যমে জমা দিয়েছেন।
আবেদনপত্রে শ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেন, বন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়োগপ্রাপ্ত ঠিকাদার গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে তাদের সংগঠনের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তি, সমন্বয় বা কার্যকর যোগাযোগ রক্ষা করেননি। এ বিষয়ে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সন্তোষজনক সমাধান পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায়ও বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাকসুদুর রহমান রিন্টু ও বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সহিদ আলী বলেন, ইতোপূর্বে কয়েকবার কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বন্দর পরিচালকের আশ্বাসে তা স্থগিত করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তারা আগামী রবিবার থেকে বন্দরে শ্রমিক দ্বারা পরিচালিত সব ধরনের পণ্য লোড-আনলোড কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বেনাপোল বন্দরের ডিরেক্টর শামীম হোসেন বলেন, বেনাপোল স্থলবন্দরের দুইটি শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন দাবি সম্বলিত একটি আবেদন পত্র বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর আমার মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়েছে। সেটি ঢাকা প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আশা করি, এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
১০০ দিন আগে
ভারতে ১৭ মাস কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৩৬ যুবক
ভারতে ১৭ মাস কারাভোগের পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ৩৬ বাংলাদেশি যুবক।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত ৯টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।
ফেরত আসারা বগুড়া, খুলনা, নাটোর, চট্টগ্রাম, ঢাকা, কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোর্তজা আলী জানান, ভারতে গার্মেন্টসে ভালো কাজের আশায় ৩৬ বাংলাদেশি যুবক অবৈধপথে দালালের মাধ্যমে ভারতের চেন্নাই গিয়েছিলেন। পরে অনুপ্রবেশের দায়ে সেদেশের পুলিশের হাতে আটক হন তারা। এরপর দেশটির আদালত তাদের ১৭ মাস সাজা দিয়ে চেন্নাই কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায়। কারাভোগ শেষে ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের শেল্টার হোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরেন।
ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামে একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।
ফেরত আসা এক যুবক বলেন, ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে ভারত গিয়েছিলাম। সেখানকার কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরে খুব ভালো লাগছে।
জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের মাঠ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, ফেরত আসা যুবকদের গার্মেন্টসে কাজ দেওয়ার কথা বলে দালাল চক্র তাদের ভারতে নিয়ে যায়। পরে তারা সেখানে প্রতারণার শিকার হন। আজ (শুক্রবার) তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান এ মাঠ কর্মকর্তা।
১১৩ দিন আগে
ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে ফিরলেন ২ নারী
ভারতে দুই বছর কারাভোগ শেষে বাংলাদেশি দুই নারীকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ফেরত পাঠিয়েছে ভারতীয় পুলিশ।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাত ৯টার দিকে পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে।
ফেরত আসা নারীরা হলেন— হ্যাপি খান (৪৩) ও মারিয়া হাওলাদর (২৬)। তারা বাগেরহাট জেলার খেজুর বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোর্তজা আলী জানান, জীবিকার সন্ধানে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে তারা দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতের নয়া দিল্লিতে গিয়েছিলেন। সেখানে বাসা বাড়িতে কাজ করার সময় পুলিশের হাতে আটক হন তারা। এরপর অনুপ্রবেশের দায়ে সে দেশের আদালত তাদের দুই বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়।
তিনি আরও জানান, কারাভোগ শেষে ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের দায়িত্ব নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখে। পরে উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে তারা দেশে ফেরেন।
ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়। জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা থানা থেকে তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।
জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার যশোরের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর শফিকুল ইসলাম জানান, ফেরত আসাদের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে আজ (বুধবার) নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
১২৯ দিন আগে