পশু জবাই
সিলেটে কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে আহত অর্ধশতাধিক
ঈদুল আজহায় সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ২০ জন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ মে) সকাল থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আহতরা চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, আহতদের অধিকাংশই কোরবানির পশু জবাইয়ের সময় অসাবধানতাবশত দা ও ছুরির আঘাতে আহত হয়েছেন। এছাড়া গরুর লাথি ও শিংয়ের আঘাতেও কয়েকজন আহত হন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব দুর্ঘটনার পেছনে অদক্ষতা ও অভিজ্ঞতার অভাবই প্রধান কারণ। আহতদের বেশিরভাগই পেশাদার কসাই নন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার জামান বলেন, কোরবানির পশু জবাইয়ের কাজ করতে গিয়ে সিলেটের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ৫০ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩০ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বাকি ২০ জন হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।
৬ দিন আগে
ঈদের দ্বিতীয় দিনের মধ্যে কোরবানি সম্পন্নের আহ্বান তাপসের
ঈদের দ্বিতীয় দিনের মধ্যে কোরবানি সম্পন্নের আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
তিনি বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করি যে, অনেকেই ঈদের তৃতীয় দিনে কোরবানির পশু জবাই করে থাকেন। আমরা বিনীতভাবে নিবেদন করছি -তৃতীয় দিনের অপেক্ষায় যাতে কেউ না থাকেন। ঈদের দ্বিতীয় দিনের মধ্যেই যেন সকলেই কোরবানি সম্পন্ন করেন। কারণ বর্জ্য অপসারণে আমরা একটানা দীর্ঘ ৭২ ঘণ্টা কাজ করব। সেজন্য তাদেরও বিশ্রাম প্রয়োজন রয়েছে, ঈদের ছুটির প্রয়োজন রয়েছে।’
শনিবার (৯ জুলাই) দুপুরে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান ঈদ জামাত আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ঢাকাবাসীকে এই আহ্বান জানান মেয়র।
কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বরাবরের মতোই এবারও বিশাল কর্মযজ্ঞ গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, ‘কোরবানির পশুর বর্জ্য এবং হাটের বর্জ্য -- সবমিলিয়ে আমরা বিশাল এক কর্মযজ্ঞে লিপ্ত থাকি। সেই প্রস্তুতি আমরা এরই মাঝে সম্পন্ন করেছি। ’
তিনি বলেন, আজ রাত ১১টা থেকে হাটের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম আরম্ভ হবে। আগামীকাল কোরবানির পর দুপুর ২টা থেকে আমরা কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু করব। আমরা আশাবাদী, পূর্বের ন্যায় এবারও সকল বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করতে সক্ষম হবো।
মেয়র বলেন, জাতীয় ঈদগাহে প্রধান ঈদ জামাত আয়োজনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামীকাল সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে একসাথে ৩৫ হাজার মুসল্লি ঈদের জামাতে অংশ নিতে পারবেন।
এ সময় তিনি ঢাকাবাসীকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানান এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের অনুরোধ করেন।
পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, দক্ষিণ সিটির পরিবহন মহাব্যবস্থাপক শহিদুল ইসলাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফজলে শামসুল কবির, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, অঞ্চল-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মিথুন চন্দ্র শীল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন: কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে দক্ষিণ সিটির নিয়ন্ত্রণ কক্ষ
১৪২৬ দিন আগে