ভোগান্তি
যুক্তরাষ্ট্রে তুষার ঝড়ের প্রভাবে ৩০ জনের মৃত্যু
ভয়াবহ তুষার ঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তীব্র ঠান্ডা ও ঝড়ের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দেশটির দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় তাপমাত্রার চরম অবনতি হয়। ঝড়ের কারণে গতকাল দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক তুষারপাত হয়েছে এবং দক্ষিণের বিভিন্ন অঞ্চল তুষারের চাদরে ঢেকে যায়। বহু মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় ভয়াবহ ঠান্ডার মধ্যে রাত কাটাতে বাধ্য হন।
বাতাসের মান নির্ণয়কারী প্রতিষ্ঠান ও দেশটির আবহাওয়া অফিসের প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায়, আরকানসাস থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকাজুড়ে ১ ফুটের বেশি তুষারের আস্তরণ জমেছে। এর ফলে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, অসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়ে যায় এবং বেশিরভাগ স্কুলগুলোই বন্ধ হয়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা দপ্তর জানায়, পিটসবার্গের উত্তরের এলাকাগুলোতে কোথাও কোথাও ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত তুষারপাত হয়েছে। সোমবার গভীর রাত থেকে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত বাতাসের সঙ্গে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, এই প্রচণ্ড শীত শিগগিরিই কমার কোনো লক্ষণ নেই। সোমবার জানানো হয়, নতুন করে আর্কটিক অঞ্চল থেকে হিমশীতল বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় ইতোমধ্যে বরফ ও তুষারে ঢাকা এলাকাগুলোতে তাপমাত্রা আরও দীর্ঘ সময় ধরে হিমাঙ্কের নিচে থাকবে। এ ছাড়া চলতি সপ্তাহে দেশটির পূর্ব উপকূলে আবারও একটি তুষার ঝড় আঘাত হানতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিউইয়র্ক সিটিতে তীব্র ঠান্ডায় সপ্তাহজুড়ে মোট আটজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ম্যাসাচুসেটস ও ওহাইয়োতে তুষার পরিষ্কারকারী গাড়ির (স্নোপ্লো) চাপায় নিহত দুই ব্যক্তিও রয়েছেন। এছাড়া রয়েছে আরকানসাস ও টেক্সাসে স্লেডিং দুর্ঘটনায় নিহত কয়েকজন কিশোর। সর্বশেষ কানসাসে একটি পানশালার বাইরে এক নারীর মরদেহ তুষারে ঢাকা অবস্থায় পাওয়া যায়।
লাখো মানুষ বিদ্যুৎহীন
সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫ লাখ ৬০ হাজারের বেশি বাড়ি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল বলে জানিয়েছে ‘পাওয়ার আউটেজ ডটকম’। এর মধ্যে বেশিরভাগ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ঘটনাই ঘটেছে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে। সপ্তাহজুড়ে হিমবৃষ্টি ও ঝড়ে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে বিদ্যুৎ লাইনের ব্যাপক ক্ষতি করেছে সেখানে। উত্তর মিসিসিপি ও টেনেসির কিছু এলাকায়ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে।
বিদ্যুৎ পরিষেবার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরোপুরি বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হতে কয়েক দিন লেগে যেতে পারে।
১৯৯৪ সালের পর সবচেয়ে ভয়াবহ তুষার ঝড়ের কবলে পড়েছে মিসিসিপি। সেখানকার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাট, কম্বল, বোতলজাত পানি ও জেনারেটর পাঠাতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
মিসিসিপির গভর্নর টেট রিভস জানান, অন্তত ১৪টি বাড়ি, একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ২০টি সরকারি সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
৮ দিন আগে
শীত ও কুয়াশায় বিপর্যস্ত লালমনিরহাট, চরম দুর্ভোগে জনজীবন
কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে লালমনিরহাটের খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের জীবন। ভোর হতেই জেলা সদরসহ পাঁচটি উপজেলাজুড়ে কুয়াশার ঘনত্ব কয়েক গুণ বেড়ে যাচ্ছে। রাস্তা, মাঠ ও বসতবাড়ি ঢেকে যাচ্ছে কুয়াশার চাদরে। উত্তরের হিমেল হাওয়ায় শীত এখানে শুধু একটি ঋতু নয়, বরং সাধারণ মানুষের জন্য টিকে থাকার কঠিন এক সংগ্রামে পরিণত হয়েছে।
কুড়িগ্রাম আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের তথ্যমতে, বুধবার সকাল ৬টায় লালমনিরহাটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় সাড়ে ৮ কিলোমিটার। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
শীত ও কুয়াশায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন তিস্তা নদীতীরবর্তী চরাঞ্চল ও খোলা প্রান্তরের বাসিন্দারা। টিনের চালাঘর, ফাঁকা দেওয়াল আর কয়েক টুকরো পুরোনো কাপড়ই তাদের শীত নিবারণের একমাত্র সম্বল। গভীর রাতে কুয়াশা শিশিরের মতো নয়, বরং বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে এখানে। এতে ভিজে যাচ্ছে ঘরবাড়ি ও কাপড়চোপড়; বেড়ে যাচ্ছে শীতের তীব্রতা।
কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের চরের বাসিন্দা আব্দুল হাই বলেন, এত ঠান্ডায় হাত-পা শক্ত হইয়া যায়। রাইতে ঠিকমতো ঘুম আইসে না। নদীপাড়ের মানুষ, বড় কষ্টে আছি। আর খুব বেশি বাতাস আইছে বাহে।
জেলা সদর, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম, আদিতমারী, কালীগঞ্জ উপজেলাজুড়ে সকাল থেকেই কুয়াশার কারণে চারপাশের তেমন কিছুই দেখা যায় না। দিনের বেলায়ও যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে ভোরে কাজে বের হওয়া দিনমজুর, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।
আদিতমারী রেলওয়ে স্টেশন এলাকার অটোরিকশাচালক সামছুল হক (৫৭) বলেন, শীতে শরীর নড়ে না, তাও সকাল হইলেই গাড়ি নিয়ে বাহির হইতে হয়। কাজ না করলে খাবার জুটে না।
শীতের সঙ্গে সঙ্গে রোগবালাইও বাড়ছে জেলাজুড়ে। জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অনেকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন। তবে দরিদ্র পরিবারের অনেকেরই প্রয়োজনীয় ওষুধ কেনার সামর্থ্য নেই।
আদিতমারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আজমল বলেন, শীতে স্বাস্থ্যের পরিচর্যায় শিশু ও বয়স্কদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। ঠান্ডা এড়িয়ে চলা এবং অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
৪২ দিন আগে
শীতে বিপর্যস্ত চুয়াডাঙ্গা, শীতজনিত রোগে বেড়েছে ভোগান্তি
দেশের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা কমেই চলেছে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সকালবেলায় সূর্যের দেখা মিললেও শীতের তীব্রতা কমছে না। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষ। এরই মধ্যে চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। চলতি মৌসুমে এটিই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
শীতের প্রভাবে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর চাপ বেড়েছে। রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ জন বৃদ্ধ মানুষ শীতজনিত বিভিন্ন রোগে চিকিৎসা নিচ্ছেন। পাশাপাশি ৩০০ থেকে ৪০০ শিশুও চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আসাদুর রহমান মালিক খোকন।
গ্রাম থেকে জেলা শহরে কাজের সন্ধানে আসা শ্রমিকরা জানান, ভোর থেকে দুপুর ২টা–৩টা পর্যন্ত কাজ করতে হলেও প্রচণ্ড ঠাণ্ডার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। হিমেল বাতাসে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে তাদের।
স্থানীয় কৃষক আজিম উদ্দিন জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানির রোগী। কৃষিকাজ করেই তার জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। সকালে মাঠে কাজ করতে পারেন না। ঠান্ডার মধ্যে কাজ করলে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। কিছু সময় বিশ্রাম নিয়ে আবার কাজে ফিরতে হচ্ছে। তবুও পেটের দায়ে কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে তাকে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রকিবুল হাসান জানান, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভবনা রয়েছে। মাসের শেষের দিকে কিংবা নতুন বছরের শুরুতে চুয়াডাঙ্গাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
৪৩ দিন আগে
খুঁড়ে রাখা সড়কের হাঁটু পানিতে ভাসছে ভেলা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কাজ করার জন্য সেটি খুঁড়ে ফেলে রাখা হয়েছে। তাতে বৃষ্টির পানি জমে পরিণত হয়েছে নালায়, হয়ে উঠছে মরণফাঁদ। ভেলায় চড়ে সড়ক পাড়ি দিচ্ছেন স্থানীয়রা। তবে নিত্যদিন দুর্ঘটনা ঘটলেও কর্তৃপক্ষের নজর নেই সংকটময় এ সড়কে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের দুহুলি–জোরগাছ জিসি সড়ক (দৈর্ঘ্য ৫ কিমি ২৫০ মিটার) উন্নয়ন প্রকল্পে ৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। দরপত্র অনুযায়ী কাজ পায় বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। তারা পারফরমেন্স সিকিউরিটি জমা দিলেও কার্যাদেশ না পাওয়ায় কাজ শুরু করতে পারেনি।
এরই মধ্যে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে সড়কের কাজ হাতিয়ে নেয় এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এ ঘটনায় এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী ও কালীগঞ্জ থানায় অভিযোগ করা হয়।
আরও পড়ুন: বাঁশের সরু সাঁকোই আট গ্রামের মানুষের ভরসা
পরে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে কাজ বন্ধ করে দিলেও আগেই প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়ক খুঁড়ে ফেলা হয়। এতে সড়কটি এখন পুরোপুরি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সড়কটি এখন হাঁটু পানির নালায় পরিণত হয়েছে। এতে পায়ে হেঁটে চলাও কষ্টকর। ভ্যান, রিকশা কিংবা অ্যাম্বুলেন্স চলাচল একেবারেই বন্ধ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ সমস্যার সমাধান ও সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
১৪০ দিন আগে
ঈদযাত্রায় ভাঙ্গা-চোরা মহাসড়কে ভোগান্তি, ডাকাতির আশঙ্কা
ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে জেলা সদর পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য খানাখন্দের কারণে এবারের ঈদযাত্রায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো মানুষ।
খানাখন্দের কারণে ওই সড়কে চলাচলকারী যানবাহন প্রায়ই দুর্ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছে। আবার ধীরগতির কারণে যাত্রীরা সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। পাশাপাশি, রাতের বেলায় ছিনতাই ও ডাকাতির আশঙ্কাও বাড়ছে।
এই সড়ক ব্যবহারকারী চালক ও সংশ্লিষ্টরা জানান, খানাখন্দের কারণে প্রায়শই যানবাহনের যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সড়কটির এমন অবস্থা হয়েছে যে, গতি সর্বোচ্চ ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত তোলা সম্ভব। এতে সময় যেমন বেশি লাগছে, তেমনি নিরাপত্তার ঝুঁকিও বাড়ছে।
তারা আরও জানান, বরিশাল-ফরিদপুর মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলা এক্সপ্রেসওয়ের শেষ প্রান্ত থেকে ফরিদপুরের দূরত্ব ৩০ কিলোমিটার। দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে এই অংশটি খানাখন্দে ভরে গেছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে এসব খানাখন্দ আরও বেড়েছে। এতে ফরিদপুরসহ অন্তত ১০ জেলার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
এদিকে ফরিদপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তাদের এই সড়কটির প্রতি উদাসীনতাকেই দায়ী করছেন সড়ক ব্যবহারকারীরা।
ঢাকাগামী এক মাইক্রোচালক আবুল হোসেন বলেন, ‘এয়ারপোর্টে যাচ্ছি যাত্রী আনতে, কিন্তু ভাঙ্গা থেকে ফরিদপুর পর্যন্ত সড়কের যে অবস্থা, তাতে গাড়ির গতিসীমা সর্বোচ্চ ১৫ কিলোমিটার পার হচ্ছে না। মহাসড়কের গতি যদি এমন হয়, তাহলে ডাকাতিসহ নানা ঝামেলার আশঙ্কা থেকেই যায়।’
এদিকে, যানবাহন বিকল হওয়া ও ধীরগতির কারণে ঈদযাত্রায় যাত্রীরা পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে। এছাড়া রাতে ধীরগতির কারণে ছিনতাই বা ডাকাতির আশঙ্কাও করছেন তারা। তাদের দাবি, সড়কটি দ্রুত সংস্কার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে নেই যানজট
এ বিষয়ে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আব্দুল জলিল জানান, ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়ককে চারটি ভাগে ভাগ করে টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কোনো সমস্যা বা সন্দেহ দেখা দিলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ছিনতাই ও ডাকাতির বিষয়টি মাথায় রেখে ওই অংশে রাতের বেলায় পুলিশ টহল আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাই শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’
এদিকে, ফরিদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শফিকুর রহমান জানান, আপাতত যান চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক রাখতে সড়কটির সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে।
২৪৪ দিন আগে
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীর ভিড় বাড়লেও নেই ভোগান্তি
ঈদ উদযাপনে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে। তবে যাত্রীদের চাপ থাকা সত্ত্বেও স্বস্তিতেই চলাচল করতে পারছেন যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকাল থেকেই এ নৌপথে ফেরি ও লঞ্চ পারাপারের যাত্রীদের চাপ বাড়তে থাকে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদযাত্রায় নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহন পারাপারে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ১৭টি ফেরি ও ২০টি লঞ্চ চলাচল করছে।
এর ফলে ঘাট এলাকায় ফেরি কিংবা লঞ্চের জন্য যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। অনায়াসেই লঞ্চ-ফেরিতে উঠতে পেরে স্বস্তি জানিয়েছেন যাত্রীরা।
আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে নেই যানজট
জেলা পুলিশ সুপার ইয়াসমিন আক্তার জানান, ঘাটের নিরাপত্তা ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘাট এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ, নৌপুলিশসহ আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাম হোসেন জানান, বর্তমানে নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌপথে পদ্মা নদীর অববাহিকায় তীব্র স্রোত রয়েছে। এ কারণে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ফেরি চলাচলে কিছুটা বেশি সময় লাগছে। তবে ফেরির সংখ্যা বেশী থাকায় যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
২৪৫ দিন আগে
টানা আন্দোলন-বৃষ্টিতে রাজধানীবাসীর ভোগান্তি চরমে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও বৃষ্টিতে রাজধানীর কাকরাইল মোড়সহ আশেপাশের কিছু রাস্তা বন্ধ থাকায় তীব্র যানযটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রাজধানীবাসী।
গুলিস্তান থেকে মৌচাক যাচ্ছিলেন নাজিয়া। এসময় তিনি বলেন, ‘আজকে শাহবাগে কোনো আন্দোলন না থাকলেও কাকরাইলে আন্দোলনের কারণে রাস্তা বন্ধ। পাশাপাশি বৃষ্টির জন্য রাস্তায় পানিও জমে আছে।’
তিনি বলেন, ‘রাস্তা বন্ধ থাকলে উল্টো রুটেও কিছু গাড়ি ঢুকে যায়। আর অটোরিকশা তো আছেই! যখন যেখানে পারছে, ঢুকে যাচ্ছে।’
এসব ভোগান্তি ঠেলে কোনোরকমে আড়াই ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছেছেন বলে জানান এই যাত্রী।
আরও পড়ুন: জবির চলমান আন্দোলনে যোগ দিলেন সাবেক শিক্ষার্থীরা
রাজধানীর মগবাজার থেকে নিয়মিত কাপ্তানবাজারে যান বেসরকারি চাকরিজীবী আবির। তবে বাসা থেকে বেরিয়েই যেন বিপাকে পড়েছেন তিনি। গুলিস্তানগামী কোনো বাস চোখেই পড়েনি দাবি করে তিনি বলেন, ‘রাস্তায় কোনো বাস পেলাম না। যেগুলা আছে, সেগুলোও ফুল লোড। এদিকে, শান্তিনগর থেকে কাকরাইল সড়কও বন্ধ। পরে ইস্কাটন দিয়ে রিকশা দিয়ে সেগুনবাগিচা গিয়ে সেখান থেকে প্রেস ক্লাব মোড়ে যাই। সেখান থেকে কাপ্তানবাজারের রিকশা নিয়ে দেখি গুলিস্তানের রাস্তা বন্ধ! পরে রিকশা থেকে নেমে হেঁটেই গন্তব্যে যেতে হয়েছে।’
রমনা থানার ডেপুটি কমিশনার (ট্রাফিক) শফিকুল ইসলাম ইউএনবিকে বলেন, কোন কারণে রাস্তা বন্ধ থাকলে আমরা বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করে যথাসম্ভব যানজট কমিয়ে আনার চেষ্টা করি। ঢাকায় চলাচলের প্রধান রাস্তা হলো উত্তর থেকে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ থেকে উত্তর। বাকি সবগুলো রাস্তা সংযুক্ত।
তিনি জানান, ‘সকালের দিকে উত্তর থেকে দক্ষিণে এবং বিকালে দক্ষিণ থেকে উত্তরে গাড়ি চলাচল বেশি হয়। কোনো রাস্তা বন্ধ থাকলে আমরা বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেই।’
শফিকুল ইসলাম আরও জানান, ‘ফার্মগেট থেকে শাহবাগ হয়ে সচিবালয়ের রাস্তা, মগবাজার ফ্লাইওভার হয়ে মিরপুর রোড এবং রামপুরা থেকে বাড্ডা এই চারটি সড়কে বেশি গাড়ি চলাচল করে।’
‘চারটির কোনো একটি রাস্তা বন্ধ থাকলে আমরা গাড়িগুলো দিক পরিবর্তন করে দেই। এই জায়গাগুলোতে প্রতিদিনই ট্রাফিক টিম কাজ করছে’ –দাবি করেন এ ডেপুটি কমিশনার।
বুধবার (১৪ মে) থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে আন্দোলন করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জবি শিক্ষার্থীরা। একই দিন শাহবাগ মোড় আটকে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন করেন বিভিন্ন নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।
টানা আন্দোলনে প্রতিদিনই কোনো না কোনো রাস্তা বন্ধ থাকায় রাজধানীবাসীর ভোগান্তি চরমে উঠেছে।
২৬৫ দিন আগে
ফুলবাড়ীতে সংস্কার হচ্ছে না সড়ক, ভোগান্তিতে মানুষ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বালারহাটের আদর্শ মোড় থেকে তিনকোণা পর্যন্ত সাড়ে ৩০০ মিটারের সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার করা হচ্ছে না। ওই সড়কে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুপানি জমে মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোটবড় দুর্ঘটনা। খানাখন্দে ভরা সড়কটি এখন মানুষের চলাচলের অযোগ্য।
সরেজমিনে গিয়ে এমন দৃশ্যই দেখা গেছে। সড়কের পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গিয়ে ছোটবড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বাধ্য হয়ে কাদাযুক্ত বৃষ্টির পানি মাড়িয়ে লোকজন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চলাচল করছেন। ওই সড়কে যানবাহন চলাচলের সময় পানির ছিটা পথচারীর শরীরে যাচ্ছে।
সড়কের দুই পাশে স্থাপনা থাকায় পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকে। এ পানি শুকাতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগে।
স্থানীয় বালারহাট আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নাওডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বালারহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বালারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুরুষাফেরুষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাফল্য কিন্ডারগার্টেন, আশা ও গ্রামীণ ব্যাংক ও গজেরকুটি ও বালাতাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বালারহাট বিজিবি ক্যাম্প এই সড়ক দিয়েই যেতে হয় এবং ওই সড়কের পাশেই নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ।
আরও পড়ুন: পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মোবাইল কোর্ট, ৪৫০০০ টাকা জরিমানা আদায়
প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করেন সড়কটি দিয়ে। স্কুল-কলেজ যাতায়াতের সময় সড়কের কাদাপানি ছিটকে পোশাক-পরিচ্ছদে পড়ে নষ্ট হওয়া নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। সব সময় অভিভাবকরা থাকছেন চরম দুশ্চিন্তায়। মোটরসাইকেল, অটোভ্যান, অটোরিক্সা, বাইসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন প্রায়শই ছোট বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
অন্য দিকে বালারহাট বাজারের পশ্চিম দিকে নাওডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নাওডাঙ্গা ভূমি অফিস ও বালারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, গরু ও সুপারি পট্টী, বালারহাট ডিএস দাখিল মাদরাসা যাওয়ার মূল সড়কটির অবস্থা খুবই করুণ। দীর্ঘদিন থেকে সংস্কার না করা ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুপানিতে পরিণত হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ হাজারও পথচারী।
বালারহাট বাজারের ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম রেজা, পিটন পাল, আবু তারেক ও রফিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তারা জানান, ‘বালারহাটর সপ্তাহে শনিবার ও মঙ্গরবার হাট বসে। বালারহাটে পশ্চিমে অযোগ্য সড়কের পাশেই বসে গরু, ছাগল ও সুপারির হাট৷ কাপড়-চোপড়।’
‘অন্য দিকে নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে ধান, আসবাবপত্র, হাঁস-মুরগি ও সাইকেলসহ সব ধরনের জিনিস এই বাজারে বেচাকেনা হয়। দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে এই বাজারে। এই বাজার থেকে সরকার প্রতিবছর লাখ লাখ টাকা রাজস্ব পায়। অথচ সামান্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই পাকা সড়কে পানি জমে থাকছে। চেয়ারম্যান, মেম্বররা এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিনই যাতায়াত করেন। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থাই নিচ্ছেন না,’ বলেন তারা।
আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী শুভশ্রী রায়, তানজিলা আক্তার ও নাওডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী হিয়ামনি জানান, ‘প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজে যেতে হয়। বিকল্প সড়ক না হওয়ায় বাধ্য হয়ে কাদাযুক্ত সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। বৃষ্টির সময়তো একদমই চলাচলের অনুপযোগী থাকে। এমনকি বর্ষা ছাড়াও শুষ্ক মৌসুমেও ঝুঁকিপূর্ণ থাকে।’
২৮৬ দিন আগে
ঈদযাত্রায় ভোগান্তি ছাড়াই ভ্রমণ করছেন যাত্রীরা
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে আজ থেকে ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। এর আগে ১৪ মার্চ থেকে ট্রেনের ঈদযাত্রার অগ্রমী টিকিট দেওয়া শুরু হয়। সে অনুযায়ী ২৪ মার্চের টিকিট অনলাইনে ১৪ মার্চ কেটেছেন যাত্রীরা। আজ বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রা করছেন সেসব যাত্রী।
সোমবার (২৪ মার্চ) কমলাপুর রেল স্টেশনের ম্যানেজার মো. শাহাদাত হোসেন জানান, ঈদযাত্রার প্রথম দিন তিন ধাপে চেকিংয়ের মধ্যে দিয়ে স্টেশনে প্রবেশ করতে হচ্ছে যাত্রীদের। যাদের টিকিট নেই তাদের স্টেশনে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
সূবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনে স্ত্রী এবং দুই সন্তান নিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন আসাদ। তিনি বলেন 'আমি ঢাকায় ব্যবসা করি। ঈদের আগে বেশি ভিড় হয়—তাই একটু আগেই যাচ্ছি। টিকেট কাটতে কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা—জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুরুতে ইন্টারনেট একটু সমস্যা করছিল। পরে কাটতে পেরেছি।'
আরও পড়ুন: ছেঁড়া দ্বীপ ভ্রমণ গাইড: যাতায়াত, খরচ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য
যমুনা এক্সপ্রেসের যাত্রী বোরহান উদ্দিন বলেন 'আমি স্টুডেন্ট। ছুটি হয়েছে আগেই। একটু কাজ ছিল আর ট্রেনে বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছেও ছিল। টিকিট কাটতে না পারলে বাসে যেতাম। তবে তিন ধাপে চেকিং এর বিষয়টা ভালো লেগেছে। নিয়মটা সঠিকভাবে পালন হলে শৃঙ্খলা আসবে।'
৩১৭ দিন আগে
সিলেটে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কমপ্লিট শাটডাউন, সেবাপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি
এমবিবিএস ডিগ্রি ছাড়া ডাক্তার পদবি ব্যবহার বন্ধসহ পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেছে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার সকল হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
এতে করে জেলার রোগী থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যসেবাপ্রত্যাশীদের সবাই পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।
ইমার্জেন্সি ও আইসিইউ বিভাগ ছাড়া মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে ওসমানী মেডিকেলের আউটডোরের সব ধরনের চিকিৎসাসেবা। আজ সকাল ৯টা থেকে এ কর্মসূচির পালন শুরু করছেন তারা।
আরও পড়ুন: পাঁচ দাবিতে মমেক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, অন্যথায় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’
এদিকে, ওসমানী মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে চিকিৎসকদের প্রাইভেট চেম্বারও বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তার বলেন, এতে রোগীদের সাময়িক সমস্যা হলেও এই আন্দোলন বাংলাদেশের চিকিৎসাখাতকে সংস্কার করবে।
ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বলেন, দেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী এমবিবিএস অথবা বিডিএস ছাড়া কেউ চিকিৎসক পরিচয় দিতে পারবে না। দ্রুত ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ ও বিসিএসের চাকরিতে প্রবেশ বয়সসীমা ৩৪ বছর পর্যন্ত বাড়ানো ও মানহীন বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো বন্ধ করতে হবে। বিএমডিসি অ্যাক্ট-২০১০ চ্যালেঞ্জ করে যে রিট করা হয়েছে, যার রায় আগামী ১২ মার্চ হওয়ার কথা, তা যেন বিলম্ব করা না হয়।
এর আগে সোমবার দুপুরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা পাঁচ দফা দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ করেন।
৩৩০ দিন আগে