নবজাতক
৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার
রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে প্রসব-পরবর্তী ওয়ার্ডের ছয় নবজাতকের মৃত্যুর পর হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকেও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এসব কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাটিকে ঘিরে মন্ত্রণালয় কী ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করছে এবং কীভাবে কাজ এগোচ্ছে, তা অ্যাটর্নি জেনারেলকে অবহিত করা হয়েছে। তার দেওয়া আইনগত পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সোমবার (১ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রতিবেদনটি আরও গতিশীল হওয়ার জন্য, আরও প্র্যাকটিক্যাল হওয়ার জন্য ওই বাচ্চাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আইনগতভাবে একটি তদন্ত কমিটি হওয়া বাঞ্ছনীয়। ঈদের ছুটির কারণে এই তদন্ত কমিটি করা যায়নি। আজকেই তদন্ত কমিটি করা হবে, তিন দিনের মধ্যে তারা প্রতিবেদন দেবেন। এক্ষেত্রে আইনত বিষয়গুলো জানার জন্য বা কীভাবে বিষয়টিকে আইনানুগভাবে করা যায় সেটির বিষয়ে জানতে আমরা অ্যাটর্নি জেনারেলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। একজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এখানে উপস্থিত ছিলেন।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমরা কী কী কার্যক্রম করছি, কীভাবে করছি, তা অ্যাটর্নি জেনারেলকে জানিয়েছি। তিনি আমাদের আইনানুগ উপদেশ দিয়েছেন, উনার পরামর্শ অনুযায়ী আমরা বাকি কাজগুলো করে যাব। তিন দিনের মধ্যে আমরা প্রতিবেদন পাব, তারপর আপনাদের বিস্তারিত জানাব।’
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, প্রকৃতপক্ষে কারও দায় থাকলে দায় নিরূপণ করা এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া, সেগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা নিয়ে সভায় কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির প্রধান জানিয়েছেন যে ৩ জুনের মধ্যেই প্রতিবেদন দেওয়া হবে। কমিটিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল ফয়সাল সিদ্দিকী অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দোষী চিহ্নিত হলে সে যেন আইনি ফাঁকফোকরের মধ্য দিয়ে পার না পায়, সেজন্য আইনগত পরামর্শ দিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজ করবেন।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনগত সহযোগিতা চেয়েছিলেন। আইনগত দিকগুলো মন্ত্রী ও কমিটির সামনে উল্লেখ করেছি। বিশ্বাস করি, প্রকৃতপক্ষে দায়ী-দোষী ব্যক্তি বিচারের মুখোমুখি হবেন। এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে যেন আর না ঘটে সেটিই প্রত্যাশা। প্রকৃত অপরাধীরা যেন পার না পায়, সে কারণেই আজ মন্ত্রণালয়ে আসা।
আদ-দ্বীন হাসপাতালে বেকারির বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আদ-দ্বীন হাসপাতালে বেকারি করতে পরিবেশ (অধিদপ্তর) থেকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বলে তারা স্বীকার করেছেন। কীভাবে লাইসেন্স দিয়েছেন, কেন দিয়েছেন তা আমরা খতিয়ে দেখছি।
৩ দিন আগে
কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ৬ নবজাতকের মৃত্যু, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (২৭ মে) দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকায় যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটা একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে। তাদের অবহেলার কারণে ছয়টি প্রাণ ঝরে গেছে। এসির সঙ্গে অক্সিজেন সাপোর্টের একটি সংযোগ ছিল। সেখানে তারা এসি বন্ধ করে দেয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত সেটি চালু করা হয়নি। এদিকে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হওয়ায় ছয়টি শিশু মারা গেছে।’
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) সেখানে গেছেন। ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
‘যতটুকু শাস্তির প্রয়োজন, আমরা তা নিশ্চিত করবো। পাশাপাশি এ ঘটনার মাধ্যমে অন্যদের জন্যও একটি বার্তা দেওয়া হবে,’ বলেন মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব ক্লিনিকের লাইসেন্স নেই, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যেখানে চিকিৎসক ছাড়া নার্স দিয়ে সিজারিয়ান অপারেশন করানো হয়, সেসব প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করা হয়েছে।’
এ সময় হাম সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য বিগত সরকারকে দায়ী করেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। ইউনিসেফ, গ্যাভি ও এডিবির পক্ষ থেকে পাঁচবার অনুরোধ করার পরও তারা বেসরকারি উৎস থেকে হাম ও অন্যান্য টিকা কিনেছে।’
মন্ত্রী দাবি করেন, ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে টিকা সংগ্রহ করা হয়নি।
হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিভিন্ন রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে খোঁজ নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলসহ স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাকুন্দিয়া ও হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।
৮ দিন আগে
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমার নির্দেশ
রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সরকার। আগামী ৪০ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
বুধবার (২৭ মে) হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আজ ভোরে হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একটি অস্বাভাবিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ১১ জন মায়ের মধ্যে ছয়জনের নবজাতক সন্তান মারা যায়। শিশুদের বয়স ছিল এক থেকে তিন দিনের মধ্যে। বাকি পাঁচ নবজাতক এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল।
অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে তারা ওয়ার্ডে ‘সাফোকেটিভ’ বা শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের উপস্থিতি পেয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসি জটিলতা বা ভেন্টিলেশন সমস্যার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, এসি বন্ধ করলে সেখানে আর কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা ছিল না।
তিনি জানান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটিতে মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল উইংয়ের একজন উপপরিচালক এবং অধিদপ্তরের আরেক কর্মকর্তা রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, কমিটি নবজাতকদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি ছিল কি না, ওয়ার্ডের পরিবেশ উপযুক্ত ছিল কি না এবং এসি বা অন্য কোনো কারিগরি ত্রুটি ছিল কি না—সেসব বিষয় তদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয় করবে।
প্রতিবেদন পাওয়ার পর দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তিনি বলেন, সেবায় গাফিলতি, ব্যবস্থাপনায় অবহেলা বা অবকাঠামোগত কোনো ত্রুটি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান উপস্থিত ছিলেন।
৮ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে মিলল নবজাতকের মরদেহ
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পুকুর থেকে এক নবজাতকের ( মেয়ে শিশু) বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের খাগড়বাড়িয়া গ্রামের আজিজুর রহমানের পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাছ ধরতে গিয়ে স্থানীয় ছেলেরা পুকুরে একটি বস্তা পান। পরে তা উপরে তুলে দেখা যায় একটি নবজাতক শিশুর মরদেহ। শিশুটির ওজন প্রায় দুই কেজি হলেও তার বাবা-মায়ের পরিচয় জানা যায়নি। এতে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে একনজর মরদেহটি দেখতে ছুটে আসেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে পান্টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ আলী বাদল জানান, সড়কের ধারেই আজিজুরের বড় পুকুর রয়েছে। সেখানে কয়েকজন হাত দিয়ে মাছ ধরছিল। এ সময় এক ছেলের হাতে একটি বস্তা উঠে আসে। তখন তারা ভেবেছিল বস্তায় মাছ আছে। কিন্তু বস্তার মুখ খুলে দেখা যায় একটি মেয়ে নবজাতকের মরদেহ। এ খবর মুহূর্তেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ভিড় করেন।
বাদলের ভাষ্য, কেউ হয়তো শিশুটিকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে গেছেন। শিশুটির ওজন প্রায় দুই কেজি। তবে বাবা-মায়ের পরিচয় জানা যায়নি।
ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, স্থানীয়রা মাছ ধরতে গিয়ে পুকুর থেকে এক মেয়ে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৭৭ দিন আগে
গর্ভবতী অবস্থায় নারী কাঁচা দুধ পান করায় নবজাতকের মৃত্যু!
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোতে এক নকজাতকের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। গর্ভাবস্থায় ওই নারী অপরিশোধিত কাঁচা দুধ পান করেছিলেন। তা থেকে সংক্রমণেই নবজাতক শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনার পর থেকে চলতি সপ্তাহজুড়ে মানুষকে পাস্তুরিত নয় এমন দুগ্ধজাত পণ্য খাওয়া থেকে এড়িয়ে চলতে সতর্ক করেছেন নিউ মেক্সিকোর কর্মকর্তারা।
সাম্প্রতি ‘মেক আমেরিকা হেলদি অ্যাগেইন’ নামে স্থানীয় পর্যায়ে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আন্দোলন শুরু করেছেন স্বাস্থ্য সচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র। ওই আন্দোলনের প্রভাবে কাঁচা দুধের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কাঁচা দুধের বিক্রিও বেড়েছে।
সরকারি কর্মকর্তারা গোপনীয়তা রক্ষার উদ্দেশ্যে মৃত নবজাতক ও তার পরিবারের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি। অবশ্য এখন পর্যন্ত শিশুটির মৃত্যুর সঠিক কারণ শনাক্ত করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। তবে অপাস্তুরিত দুধই শিশুটির রোগে সংক্রমিত হওয়ার সবচেয়ে সম্ভাব্য উৎস ছিল বলেও উল্লেখ করেছেন তারা।
এ বিষয়ে এক কর্মকর্তা বলেছেন, তদন্তের সময় সংগৃহীত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ ধারণা করা হচ্ছে। শিশুটির শরীরে সংক্রমণের সময় এবং গর্ভাবস্থায় তার মা কাঁচা দুধ পান করেছিলেন এমন তদন্তে উঠে এসেছে।
কাঁচা দুধে লিস্টেরিয়াসহ বেশ কয়েকটি রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু থাকে। এটি এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া যা মায়ের গর্ভপাত, মৃত সন্তান প্রসব, অকাল প্রসব অথবা নবজাতকের মধ্যে মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
১১৯ দিন আগে
মসজিদের বারান্দায় নবজাতক রেখে গেল কে?
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মসজিদের বারান্দা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সুহিলপুর জামে মসজিদের বারান্দায় নবজাতকটিকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানান।
শিশুটির বয়স আনুমানিক ২-৪ দিন বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাহিম মাহিন স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় নবজাতকটি উদ্ধার করেন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিশেষ নবজাতক পরিচর্যা ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. মো. আকতার হোসাইন জানান, নবজাতকটি বর্তমানে শারীরিকভাবে সুস্থ আছে। তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং হাসপাতাল থেকেই প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে। শিশুটিকে সার্বক্ষণিক নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, নবজাতকটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কে বা কারা শিশুটিকে মসজিদের বারান্দায় ফেলে রেখে গেছে, সে বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
১৩৪ দিন আগে
চকবাজারে পলিথিনে মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর চকবাজার থেকে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে চাঁদনী ঘাট এলাকা থেকে এই নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ওই নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন।
চকবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল জানান, খবর পেয়ে আজ দুপুরের পর চকবাজারের চাঁদনী ঘাট এলাকায় একটি গলির ভেতর থেকে কালো পলিথিনে মোড়ানো অচেতন অবস্থায় ওই নবজাতককে উদ্ধার করি। পরে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, কে বা কারা এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
১৬৩ দিন আগে
হাসপাতালের টয়লেট থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার
যশোর শহরের ইবনে সিনা হসপাতালের টয়লেট থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
ইবনে সিনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাসপাতালের ১০১ নম্বর কক্ষটি মহিলা স্যাম্পল কালেকশন রুম। এই রুম সংলগ্ন টয়লেটটি নারীরা ব্যবহার করে থাকেন। রাতের শিফটের ক্লিনার আল-আমিন হোসেন নিয়মিত ডিউটির সময় টয়লেটের একটি ঝুড়িতে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় লাশটি দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান।
হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ সহকারী ব্যবস্থাপক আসিফ নেওয়াজ বলেন, খবর পেয়ে তিনি ও অন্যান্য কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং নবজাতককে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
আরও পড়ুন: বিএসএমএমইউতে একসঙ্গে চার অপরিণত নবজাতকের জন্ম
সেখানে চিকিৎসক নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি হেফাজতে নেয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান বলেন, ‘হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার পেছনের কারণ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।’ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
৪০৫ দিন আগে
২ অটোরিকশার সংঘর্ষে প্রসূতির মৃত্যু, বেঁচে গেল নবজাতক
বগুড়ার নন্দীগ্রামে দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে যুথি খাতুন নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে।
এ সময় আহত হয়েছেন যুথীর মা ও তার ভাই। তবে এ ঘটনায় যুথীর তিন দিনের সন্তান অক্ষত রয়েছে।
আরও পড়ুন: সিলেটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত
শনিবার (২৯ জুন) বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার কাথম-কালিগঞ্জ সড়কের দলগাছা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত যুথী ভাট শিমলা গ্রামের হেলাল উদ্দিনের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে যুথী তার মা জেসমিন (৪৫) ও ছোট ভাই জিহাদের (১৭) সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশা করে নন্দীগ্রাম থেকে বাড়ি ফিরছিলেন।
পথে দলগাছা এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়।
এতে দুইটি অটোরিকশাই উল্টে একই পরিবারের তিনজন আহত হন।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক যুথি খাতুনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর দুইজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নন্দীগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান বলেন, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা জব্দ করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে। যুথি খাতুন মারা গেলেও তিন দিনের সন্তান অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
আরও পড়ুন: মেঘনায় গোসলে নেমে স্ত্রীর সামনে ডুবে গেলেন স্বামী
রাতারগুলে গোসলে নেমে কিশোর নিখোঁজ
৭০৫ দিন আগে
ফরিদপুরে অস্ত্রোপচারের সময় নবজাতকের পেট কেটে ফেলার অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে
ফরিদপুরের সৌদি বাংলা বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় নবজাতকের পেট কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক গাইনি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।
ওই শিশুকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
জানা যায়, শহরের চর কমলাপুর এলাকার বাসিন্দা নায়েব আলীর স্ত্রী মুরশিদা বেগমের প্রসব বেদনা শুরু হলে শনিবার (২২ জুন) বিকালে বেসরকারি হাসপাতাল সৌদি বাংলায় ভর্তি করেন। সেখানকার গাইনি চিকিৎসক ডা. শিরীন আক্তার সিজারিয়ান অপারেশন করেন। সেখানে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন মুরশিদা বেগম।
নবজাতকের বাবা নায়েব আলী বলেন, ‘আমার হাতে আমার সন্তানকে তুলে দেয়। কিছু সময় পর দেখতে পাই নাভির পাশ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। নাভির পাশে বেশ খানিকটা কাটা। শরীর নীল হয়ে যাচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালে তারা প্রথমে কোনো গুরুত্ব দেয়নি। পরে রক্ত বেশি বের হলে ওই চিকিৎসককে খবর দেওয়া হয়ে তিনি এসে নাভির পাশে কেটে ফেলা অংশে দুইটি সেলাই করে দেন।’
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে মন্দিরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পিটুনিতে নিহত নির্মাণ শ্রমিকদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনি
তিনি আরও বলেন, ‘রাতেই শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাই, সেখানকার চিকিৎসকরা ঢাকায় নিয়ে যেতে বলেন। আমার আর্থিক অবস্থা ভালো না। তাই ঢাকায় না নিয়ে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছি। আমার প্রথম সন্তান, কোনোভাবেই এটা মেনে নিতে পারছি না।’
এরপর ওই শিশুটিকে রাতেই ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে রবিবার (২৩ জুন) সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে ওই শিশু হাসপাতালটির শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।
সৌদি বাংলা হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক ডা. শিরীন আক্তার জানান, অনাকিাঙ্ক্ষিত ঘটনা। অপারেশন করার সময় দেখতে পাই নবজাতকের অবস্থান ঠিক জায়গায় ছিল না। এছাড়া নাড়িতেও জড়িয়ে ছিল। কিছুটা অংশ ফেটে যায়। পরে সেলাই করে দেওয়া হয়।’
সৌদি বাংলা হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম লিখন বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে শিশুটির খোঁজখবর নিয়েছি। ওই শিশুটিকে সুস্থ করতে যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ফরিদপুর কোতয়ালী থানার এস আই শামীম হাসান বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম, শিশুটির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান চিকিৎসক পারভেজ জানান, শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে ৭২ ঘণ্টার আগে কিছু বলা যাবে না।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে বাসচাপায় ইজিবাইকের ২ যাত্রী নিহত, আহত ৯
রাতের আঁধারে ‘চন্দনা কমিউটার ট্রেন’ আটকে দিল ফরিদপুরবাসী
৭১১ দিন আগে