মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে তরুণদের আন্দোলনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
মাদক প্রতিরোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধসহ সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে দেশের তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রবিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
দিবসটিতে এবারের প্রতিপাদ্য ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে যুবসমাজের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি মাদক প্রতিরোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং সামাজিক অবক্ষয় রোধে তরুণদের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যুবসমাজ একটি জাতির প্রাণশক্তি ও উন্নয়নের প্রধান নিয়ামক। সুশৃঙ্খল, দক্ষ ও প্রতিশ্রুতিশীল যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।
ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানসহ গণতান্ত্রিক গুরুত্বপূর্ণ অর্জনে যুবসমাজের অগ্রণী ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, যুবসমাজকে দক্ষ ও কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে পারলে স্বনির্ভর, উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হবে। এ প্রেক্ষাপটে এবারের প্রতিপাদ্য যথার্থ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
বাণীতে তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার বড় একটি অংশ যুবসমাজ, যা বাংলাদেশের প্রধান সম্ভাবনা।
অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২০৩০ অর্জনে এই জনমিতিক সুবিধা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে এবং এ জন্য মানসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ঙ্গো টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বল মত দেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তরুণদের উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে সুদূরপ্রসারী দর্শন ও কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সেই ধারাকে শক্তিশালী করেন। বর্তমান সরকার সরকারি ও বেসরকারি সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে এ ধারাকে আরও সুদৃঢ় ও যুগোপযোগী করতে বিভিন্ন কর্মসূচি ও উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি জানান, এসব উদ্যোগের অংশ হিসেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কৃষি, হস্তশিল্প, কারিগরি শিক্ষা, ফ্রিল্যান্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নেওয়া এসব কর্মসূচি যুবসমাজকে উদ্যোক্তা ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে যুব জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নতি ও কল্যাণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, সামাজিক সংগঠন, বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রতিটি পরিবারকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
যুবদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাকে সবার অঙ্গীকার হিসেবে নেওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্যও কামনা করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল।
৩ দিন আগে
বগুড়ার উন্নয়নে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা এমপি মোশারফের
বগুড়া-৪ (কাহালু–নন্দীগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ও বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন বগুড়ার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং দেশবাসীর জীবনমান উন্নয়নে সহযোগিতা কামনা করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে বঙ্গভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় সংসদ সদস্যের সঙ্গে তার স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে বঞ্চিত বগুড়ার উন্নয়ন অগ্রযাত্রা এগিয়ে নিতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন মোশারফ হোসেন।
পাশাপাশি সারা দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানানোর বিষয়টিও উল্লেখ করেন সংসদ সদস্য।
সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন তিনি।
৫ দিন আগে
মালদ্বীপের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির
মালদ্বীপের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, পর্যটন, মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনীন রশীদ বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।
পারস্পরিক আস্থা, সৌহার্দ্য ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে দেন হাইকমিশনার।
এ জন্য রাষ্ট্রপতি তাকে ধন্যবাদ জানান এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে শুভেচ্ছা জানান।
ঢাকায় একটি বিজনেস সামিট আয়োজনের পরিকল্পনার কথা রাষ্ট্রপতিকে জানান হাইকমিশনার।
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।
মালদ্বীপের অর্থনীতিতে কর্মরত এক লাখেরও বেশি বাংলাদেশির অবদানের কথা উল্লেখ করে দেশটির সরকারকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে জনশক্তি, পর্যটন, মৎস্য, মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে সহযোগিতা আরও জোরদার করা যেতে পারে।
বাংলাদেশে মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনার সুযোগের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, এ ক্ষেত্রে দেশটির শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতাকে আরও কার্যকর ও জোরদার করতে আগ্রহী বলেও জানান রাষ্ট্রপতি।
এ লক্ষ্য অর্জনে মালদ্বীপের সহযোগিতা ও ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে
শ্রমবাজারে অবস্থান সুদৃঢ়ে দক্ষ জনশক্তি ও বহুভাষা শিক্ষায় গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির
আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং একাধিক ভাষা শিক্ষায় গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কারিকুলাম প্রস্তুত করার ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে বঙ্গভবনে আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথক দুটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিনিধিদল দুটির নেতৃত্ব দেন আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান এবং গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান।
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিগণ নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মমুখী শিক্ষা, সিলেবাস ও সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদল জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬-এ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
এছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২ অর্জনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ৫৭তম স্থান লাভ করেছে তারা।
এসব সাফল্যের কথা শুনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল হক জানান, তাদের শিক্ষার্থীরা দেশে ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে সুনামের সঙ্গে নিজেদের অবস্থান করে নিচ্ছেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশংসা করেন।
দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা প্রস্তাবিত সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য (চ্যান্সেলর) হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয় দুটির উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও ট্রেজারাররা উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে
মঈন খানকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বঙ্গভবন সূত্রে জানা গেছে, পরিদর্শনের সময় রাষ্ট্রপতি মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
ক্যার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক ড. শাহাবুদ্দিন তালুকদারসহ হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসকেরা রাষ্ট্রপতিকে মঈন খানের বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন।
এ সময় মন্ত্রীর স্ত্রী অ্যাডভোকেট রোকসানা খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগজনিত জটিলতা নিয়ে গত বুধবার রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন মঈন খান। বর্তমানে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
১১ দিন আগে
গণতান্ত্রিক গণমাধ্যম জনগণের সবচেয়ে বেশি উপকারে আসে: রাষ্ট্রপতি
গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম যদি গণতান্ত্রিক হয় এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে কাজ করে, তাহলে তা জনগণের সবচেয়ে বেশি উপকারে আসে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।
গণমাধ্যম কর্মীদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিতে সংগঠনের ভূমিকার ওপরও গুরুত্বরোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, সব কর্মী ও সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণে সোচ্চার হতে হবে। তিনি সাংবাদিকদের নিজেদের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ানোর ওপরও জোর দেন।
এ সময় অন্যায়ভাবে চাকুরিচ্যুতি, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন, সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতার বিচার নিশ্চিতসহ গণমাধ্যম কর্মীদের মূল সমস্যাগুলো সমাধানে পেশাদার সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
সাক্ষাৎকালে ডিআরইউ প্রতিনিধিদল সংগঠনের পরিচিতি ও সংগঠনের সদস্যের জন্য ডিআরইউ পরিচালিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করে।
তারা সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজিত ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানায় প্রতিনিধিদল।
রাষ্ট্রপতি এ সময় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে তার বিভিন্ন কর্মসূচির কথা স্মরণ করেন এবং সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি ডিআরইউর উন্নয়নে সহায়তার বিষয়ে সদস্যদের আশ্বস্ত করেন এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা ছিলেন।
এছাড়া সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৫ দিন আগে
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং সেগুলো পরাজিত করাই দুর্গাপূজার মূল বার্তা।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকার রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে বলতে পারি, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই।’
বিশ্বজুড়ে যখন সংঘাত, সহিংসতা ও বিদ্বেষ বিরাজ করছে, তখন বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্গাপূজা তাদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব ন্যায়বিচার, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের মূল্যবোধ তুলে ধরে।
তিনি আরও বলেন, এ দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব ঘটেছে, আর বাংলাদেশের মানুষ তাদের পরাজিত করেছে।
রমনা কালীমন্দিরের ইতিহাস স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭১ সালে মন্দিরটি ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয় এবং পরে ১৯৭৩ সালে এটি ভেঙে ফেলা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলত, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় তিনি খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে ২০০১ সালে মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করা হয়।
১৬ দিন আগে
৯ নভেম্বর বসছে ত্রয়োদশ সংসদের চতুর্থ অধিবেশন
আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু হবে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ওই দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর সংসদ ভবনে অধিবেশন শুরু হবে। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন বলে সংসদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১০ সেপ্টেম্বর মাত্র ৯টি বৈঠকের পর তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়। ৬০ দিনের বিরতি দিয়ে আবারও অধিবেশনে বসছে ত্রয়োদশ সংসদ।
এর আগে গত ১৫ জুলাই ২৭ কার্যদিবস শেষে দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপ্তি হয়, যা বাজেট অধিবেশন হিসেবেও পরিচিত। ওই অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পাস করে সংসদ। বর্তমান বিএনপি সরকারের অধীনে এটিই ছিল প্রথম বাজেট।
১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়, যা ২৫টি বৈঠকের পর ৩০ এপ্রিল শেষ হয়।
ওই অধিবেশনে সংসদে ৯৪টি বিল পাস হয়, যার মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের বিপরীতে আনা ৯১টি বিলও ছিল। এছাড়া কয়েকটি সংসদীয় কমিটিও গঠন করা হয়।
২০ দিন আগে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি চান রাষ্ট্রপতি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকা মাদকমুক্ত রাখতে এবং শিক্ষার্থী ও তরুণদের মাদকের অপব্যবহার থেকে সুরক্ষায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
প্রতিনিধিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা ও সমস্যার বিষয়েও রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি প্রতিনিধিদলকে এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।
উপাচার্য উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্যও রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা, সহকারী অধ্যাপক ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
২০ দিন আগে
দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা ও আগাম প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রস্তুতি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দুর্যোগসহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব বিষয় তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি।
দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সরকার, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও জনগণকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, ভূমিধস, খরা, বজ্রপাত ও ভূমিকম্প মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য নিয়মিত হুমকি তৈরি করছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অবদান সামান্য হলেও এর ক্ষতিকর পরিণতির বড় বোঝা বহন করতে হচ্ছে আমাদের।
১৯৭০ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহ পরিণতির সাক্ষ্য বহন করে। এসব দুর্যোগে শুধু প্রাণহানিই ঘটে না, মানুষের জীবিকা, অর্থনীতি, অবকাঠামো ও সামগ্রিক উন্নয়নও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়েই দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে। বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক।
তাই শুধু দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আলোচনা না করে আগেভাগেই প্রস্তুতি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বলেও জানান তিনি।
উন্নত আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্ক ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ফলে দুর্যোগে প্রাণহানি কমানো সম্ভব হচ্ছে। তবে এসব উদ্যোগ আরও কার্যকর করা প্রয়োজন বলে তিনি মির্জা ফখরুল।
এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন এবং তাদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
এছাড়া পরিকল্পনাহীন নগরায়ণ ও দুর্বল অবকাঠামোর কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ঢাকায় ভূমিকম্প হলে তার সম্ভাব্য পরিণতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, বড় ধরনের দুর্যোগের সময় অপরিকল্পিত নির্মাণ ও অপর্যাপ্ত নগর পরিকল্পনার কারণে প্রাণহানি বাড়তে পারে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভবন নির্মাণের নিরাপত্তাবিধি নিশ্চিত করার পাশাপাশি যথাযথ নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।
দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা, নদীদূষণ রোধ, নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।
এসব সমস্যা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, সিলেটের হাওরাঞ্চলের মানুষ আগাম সতর্কতা পেয়ে আগেভাগে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে অত্যন্ত সচেতনতার পরিচয় দিচ্ছেন।
এ ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রতিটি পরিবারকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও জরুরি সামগ্রী নিরাপদ স্থানে রাখা, আগাম সতর্কবার্তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দেওয়া এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। দুর্যোগের আগে ঝুঁকি কমানো এবং পরে দ্রুত পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করতে এসব উদ্যোগ আন্তরিকতা ও কার্যকর পরিকল্পনার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দুর্যোগসহনশীল বাংলাদেশ গড়তে প্রতিটি ঘর নিরাপদ, প্রতিটি পরিবার প্রস্তুত এবং প্রতিটি জনগোষ্ঠীকে সক্ষম করে তুলতে হবে।
উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নীতিনির্ধারণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং অবকাঠামো উন্নয়নে দুর্যোগের ঝুঁকি বিবেচনায় নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
দুর্যোগ মোকাবিলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের মাধ্যমে এমন একটি দুর্যোগসহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে মানুষ দুর্যোগের প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকবে এবং দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।
অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুন্সী রফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
২১ দিন আগে