মাদক কারবারী
রাজধানীতে মাদক কারবারীদের গুলিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক গুলিবিদ্ধ
রাজধানীর সায়েদাবাদের বাস টার্মিনালে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে মাদক কারবারিদের গুলিতে মো. সিদ্দিকুর রহমান (৩৮) নামে একজন ইন্সপেক্টর (পরিদর্শক) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সায়দাবাদ এলাকায় অভিযানের সময় ডিএনসির এই ইন্সপেক্টরকে গুলি করে পালিয়ে যান মাদক কারবারীরা।
সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দুপুর ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তার চিকিৎসা চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ সার্কেলের উপপরিচালক রাজিউর রহমান জানান, ১ মার্চ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত আমাদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযান চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আমাদের ৭টি টিম বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছিল। আমাদের একটি টিম সায়দাবাদ রেললাইন এলাকায় অভিযানের জন্য অপেক্ষা করছিল। এ সময় ৩ জন মাদক কারবারীকে শনাক্ত করে আমাদের টিম। পরে তাদের মধ্য থেকে একজনকে আটক করার চেষ্টা করলে তিনি পকেট থেকে পিস্তল বের করে ৪ রাউন্ড গুলি করেন। এতে আমাদের পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমানের বাম পায়ের হাঁটুর নিচে পিস্তলের একটি গুলি লাগে। গুলি করে ওই মাদক কারবারীরা পালিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে বলে জানান তিনি।
৪ দিন আগে
পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেয়া সেই মাদক কারবারীসহ গ্রেপ্তার ২
চট্টগ্রামে ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেয়া মাদক ব্যবসায়ী হানিফকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। একইসঙ্গে তার ভাই ইয়াসিনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার সময় মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে মহাসড়কের সীতাকুণ্ডে ভাটিয়ারি এলাকায় ঢাকামুখী একটি বাস থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাঈনুর রহমান চৌধুরী।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই, গুলিতে নারী নিহত
তিনি বলেন, শনিবার রাতে পাঁচ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হানিফকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তার সহযোগীরা। তাদের ধরতে পুলিশ বিভিন্নভাবে তৎপরতা চালায়।
পরে মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীতাকুণ্ডে ঢাকাগামী একটি বাস থেকে হানিফ ও তার ভাই ইয়াসিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ আলী হোসেন বলেন, ‘চট্টগ্রাম থেকে বাসে করে পালিয়ে যাওয়ার সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে হানিফ ও তার ভাই ইয়াসিনকে ভাটিয়ারি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করি। সম্ভবত তারা নিজ এলাকা পটুয়াখালী অথবা ঢাকায় পালিয়ে যাচ্ছিল। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে বিস্তারিত জানা যাবে।’
এর আগে সোমবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মৌলভীবাজার রেললাইন সংলগ্ন এলাকা থেকে ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই শরীফ রোকনুজ্জামানের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া ওয়ারলেস সেটটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ১৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় কালুরঘাট পুলের গোড়ায় হানিফের বাসা থেকে চান্দগাঁও থানার কালুরঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রোকনুজ্জামান মাদক কারবারি হানিফ ও শরীফকে পাঁচ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরই কালুরঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে হানিফ ও শরীফকে ছিনিয়ে নেয় তার সহযোগিরা। এসময় পুলিশের সঙ্গে হানিফ বাহিনীর সংঘর্ষ হলে হানিফের বোন নাজমা গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় এবং দুই পুলিশ সদস্যও আহত হয়।
এ ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলা, ফাঁড়ি ভাঙচুর ও ইয়াবাসহ আটকের ঘটনায় দুটি মামলা করে পুলিশ। মামলার এজহারে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করাসহ অজ্ঞাত ২১০ জনকে আসামি করা হয়।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ছাত্রদল নেতা নিহত
আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙাতে গিয়ে স্কুলছাত্র নিহত
১১৯৯ দিন আগে