আগুন
আশুলিয়ার অগ্নিকাণ্ড তদন্তে কমিটি গঠন
সাভারের আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানায় আগুনে আটজন নিহতের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এ কমিটি গঠন করে।
এর আগে গতকাল (রবিবার) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে আশুলিয়ার জামগড়ায় প্রীতি কম্পোজিট কারখানার সামনে অগ্নিকাণ্ড হয়। এতে আটজন নিহত ও ৩৫ জন আহত হন।
একটি কাভার্ড ভ্যান থেকে গ্যাস সিলিন্ডার নামানোর সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটলে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। আগুনের ঘটনায় চারটি যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, রবিবার রাতেই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করেন। এছাড়া বিস্ফোরণের সময় একটি সিলিন্ডার ছিটকে পড়লে পাশের একটি টেইলারিং দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা জয়নব বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়।
পরদিন সোমবার নজরুল ইসলাম নামের আরেকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে মারা যান বলে জানায় পুলিশ।
এদিকে আহত ৩৫ জনের মধ্যে ২৬ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। ছয়জন বিভিন্ন হাসপাতালে এবং আরও পাঁচজন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
৩ দিন আগে
নওগাঁয় আওয়ামীপন্থি অধ্যক্ষের হাত-পা ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা, মোটরসাইকেলে আগুন
নওগাঁর রাণীনগরে ৫ আগস্টের পর বরখাস্ত হওয়া আবাদপুকুর মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জিএম মাসুদ রানা জুয়েল হামলার শিকার হয়েছেন। হামলাকারীরা মারধর করে তার এক হাত এবং দুই পা ভেঙে দিয়েছে। এছাড়া, তার মোটরসাইকেলেও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার আবাদপুকুর মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই ঘটনাটি ঘটে।
হামলার পর মাসুদ রানা জুয়েলকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি রাণীনগর উপজেলার রাতোয়াল গ্রামের বাসিন্দা।
আবাদপুকুর মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সালাউদ্দীন আহম্মেদ জানান, মহাবিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন—এমন অভিযোগে বেশ কয়েকজন ভুক্তযোগী গত ৫ আগস্ট-পরবর্তী বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে এবং ৫ আগস্টের পর মহাবিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় অধ্যক্ষ জিএম মাসুদ রানা জুয়েলকে প্রায় দুই বছর আগে পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তবে দীর্ঘ দুই বছর পর তিনি উচ্চ আদালত থেকে চাকরিতে পূর্নবহালের আদেশ পান।
আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এবং মহাবিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাকিবুল হাসানের আদেশে গতকাল (রবিবার) মাসুদ রানা আবার মহাবিদ্যালয়ে যোগদান করতে আসেন বলে জানান অধ্যক্ষ সালাউদ্দীন আহম্মেদ।
তিনি আরও জানান, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মাসুদ রানা অফিসকক্ষে বসে চা পান করছিলেন। এ সময় বেশ কয়েকজন লোক এসে সেখান থেকে মাসুদ রানাকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে মারধর শুরু করে এবং তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
পরে গুরুতর আহত মাসুদ রানাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে হামলাকারী কারা ছিলেন তা বলতে পারেননি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ।
হামলার শিকার মাসুদ রানার ভাই প্রিন্স আহম্মেদ বলেন, আমার ভাই কলেজে যোগদান করতে গেলে বেশ কিছু লোকজন তার সঙ্গে আমাকেও বেধড়ক মারধর করে। তাদের মারধরে ভাইয়ের এক হাত এবং দুই পা ভেঙে গেছে। বর্তমানে তিনি নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আবাদপুকুর মহাবিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউএনও মো. রাকিবুল হাসান বলেন, সকাল থেকেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভায় ছিলাম। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নিকট থেকে মারধরের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পাঠিয়েছি। তবে ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল বলেন, অধ্যক্ষকে মারধর এবং মোটরসাইকেলে আগুন ধরে দেওয়ার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা তদন্ত করা হচ্ছে।
ওসি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, আজ (সোমবার) সকালে হামলার শিকার মাসুদ রানা জুয়েলের স্ত্রী রানীনগর শের ই বাংলা কলেজের প্রভাষক রোকসানা পারভিন জানান, নওগাঁ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার স্বামীর অবস্থার অবনতি হলে গতকাল রাতে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
৪ দিন আগে
সূত্রাপুরে পারিবারিক কলহের জেরে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ, দগ্ধ প্রবাসী ইমনের মৃত্যু
রাজধানীর সূত্রাপুরে পারিবারিক কলহের জেরে নিজ কক্ষে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধ সৌদি আরব প্রবাসী মো. ইমনের (২৬) মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
এ ঘটনায় ইমানের বাবা সিদ্দিক বেপারী (৬০), চাচাতো ভাই রাজিব (৩৮), খালাতো ভাই আরিফুর রহমান ধলু (৩৫) এবং খালাতো বোন তানিয়া আক্তার (২০) দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এর আগে, গতকাল (শনিবার) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সূত্রাপুরের শ্যামবাজার চামারটুলি এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যার দিকে দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়রা ও পরিবারের সদস্যরা জানায়, দগ্ধরা সবাই শ্যামবাজার চামারটুলি এলাকার পৈতৃক ভিটায় পাশাপাশি বসবাস করেন। আহতদের মধ্যে রাজিব ন্যাশনাল হাসপাতালে মেকানিক হিসেবে কর্মরত। ধলু পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি এবং তানিয়া পুরান ঢাকার উইমেন্স কলেজের স্নাতকের (সম্মান) শিক্ষার্থী।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. মো. সুলতান মাহমুদ জানান, সূত্রাপুরের ঘটনায় সৌদি আরব প্রবাসী মোহাম্মদ ইমন পৌনে ১২টার দিকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। শনিবার দগ্ধ অবস্থায় পাঁচজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছিল।
হাসপাতলে দগ্ধ ধলুর স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, শুক্রবার বাসার সামনে ময়লা পানি জমিয়ে রাখা নিয়ে ইমনের বোন সুলতানার সঙ্গে তানিয়ার তর্কাতর্কি হয়। তানিয়া ময়লা পানি পরিষ্কার করতে বললে সুলতানা বিষয়টি সৌদি আরব অবস্থানরত তার ভাই ইমনকে জানান। খবর পেয়ে ইমন শনিবারই দেশে ফিরে আসেন।
সোনিয়া আরও জানান, শনিবার বিকেলে ইমন সবাইকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে হুমকি দিয়ে বলেন আমিও মরব, তোদেরও মারব। এই কথা বলেই তিনি নিজ কক্ষে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে কক্ষে থাকা সবাই দগ্ধ হন। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
তাদের মধ্যে ইমনের শরীরের ৯০ শতাংশ, তানিয়ার ৬০ শতাংশ, সিদ্দিকের ৩৫ শতাংশ, রাজিবের ১৫ শতাংশ এবং আরিফুরের ৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় ইমন, তানিয়া, সিদ্দিক ও রাজিবকে হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
ময়মনসিংহে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে দুবৃর্ত্তদের আগুন
ময়মনসিংহে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সৌখিন পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টা দিকে নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় একটি বাসে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে দুবৃর্ত্তরা আগুন দিয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, মাসকান্দা এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল থেকে অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা জানতে বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। জব্দ করা আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হবে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে এবং ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
ফরিদপুরে পুলিশের হেফাজতে থাকা বাসে আগুন
ফরিদপুর সদর উপজেলার করিমপুর হাইওয়ে থানার পাশে পুলিশের হেফাজতে রাখা পূর্বাশা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লেগে পুড়ে গেছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর-খুলনা (এন ৭) মহাসড়কে থানার সামনের খোলা মাঠে রাখা বাসটিতে আগুন লাগে। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।
করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম বলেন, রাত ১০টা ২৭ মিনিটে বাসে আগুন লাগার খবর পান তিনি। ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নেভানো হয়। তবে ততক্ষণে বাসটির বেশির ভাগ অংশ পুড়ে যায়।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা শ্রীবাস বাড়ৈ বলেন, রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রায় ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। কয়েল, সিগারেটের আগুন, কেউ আগুন ধরিয়ে দেওয়া বা অন্য কোনো কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্তের পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে মধুখালী উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের মেছড়দিয়া মোড় এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বাসটি। মহাসড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা ময়দার বস্তাবোঝাই একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয় বাসটি। এতে বাসটির সুপারভাইজার নিহত হন। এরপর থেকে দুর্ঘটনার আলামত হিসেবে বাসটি করিমপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের হেফাজতে ছিল।
পুলিশ জানায়, কয়েক মাস আগে করিমপুর হাইওয়ে থানা নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হয়েছে। নতুন স্থানে অবকাঠামোগত কাজ পুরোপুরি গুছিয়ে ওঠেনি। থানার সামনে মহাসড়কঘেঁষা খোলা মাঠে জব্দ করা যানবাহন রাখা হয়। সীমানাপ্রাচীর না থাকায় মাঠটি উন্মুক্ত।
ওসি আবদুস সালাম বলেন, নতুন স্থানে থানা স্থানান্তরের পর সবকিছু এখনও পুরোপুরি গুছিয়ে ওঠেনি। থানার সামনের মাঠটিও উন্মুক্ত। চারদিকে সীমানাপ্রাচীর থাকলে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো।
দুর্ঘটনার আলামত হিসেবে পুলিশের হেফাজতে থাকা বাসে আগুন লাগার ঘটনায় আগুনের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান ওসি।
৬ দিন আগে
মহাখালীতে চারতলা ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে
রাজধানীর মহাখালীতে একটি চারতলা ভবনের ছাদে পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের মালামালে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ১১ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। ১১টা ১২ মিনিটে খবর পেয়ে ১১টা ২৮ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স (এফএসসিডি)।
তেজগাঁও ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
১৫ দিন আগে
ধানমণ্ডি ২৭-এ এপেক্সের শোরুমের আগুন নিয়ন্ত্রণে
রাজধানীর ধানমণ্ডি ২৭ নম্বরে এপেক্সের একটি শোরুমে আগুন লাগার প্রায় দুই ঘণ্টা পর তা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর ১০টা ১৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স (এফএসসিডি) সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের ওয়্যারহাউস পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম ইউএনবিকে জানান, পরে আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তাদের প্রচেষ্টায় দুপুর ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। তবে এ বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
১৫ দিন আগে
মাদকাসক্ত যুবকের অগ্নিসংযোগে পুড়ল ১১ পরিবারের ঘর
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগে সোহেল হোসেন নামের এক যুবককে সংঘবদ্ধ পিটুনি দিয়েছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ১১টি পরিবারের বসতঘর পুড়ে গেছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে রায়পুর উপজেলার বাসাবাড়ি এলাকার আশক আলী ব্যাপারি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মাদকের টাকা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সোহেলের প্রায়ই ঝগড়া হতো। তারই জেরে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিনি নিজের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ১১টি পরিবারের বসতঘর ও রান্নাঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
খবর পেয়ে রায়পুর ও লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে আগুন দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয়রা সোহেল হোসেনকে আটক করে সংঘবদ্ধ পিটুনি দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আছেন।
লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রনজিত কুমার দাস আগুনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে মাদকাসক্ত যুবক সোহেল নিজের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ১১টি পরিবারের বসতঘর পুড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে সংঘবদ্ধ পিটুনি দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
১৯ দিন আগে
বাড্ডায় ফার্নিচারের গোডাউনে আগুন
রাজধানীর বাড্ডা এলাকার সাতারকুলে রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে একটি ফার্নিচারের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের ওয়্যারহাউস পরিদর্শক (মিডিয়া সেল) মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে ওই গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হয়।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে পূর্বাচল ফায়ার স্টেশন থেকে আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের ইউনিট দুটি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে আর প্রয়োজন না থাকায় পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট মাঝপথ থেকেই ফিরে যায়।
আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
১৯ দিন আগে
ডিআর কঙ্গোতে বিয়ের অনুষ্ঠানে আগুন, নিহত অন্তত ২২
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আগুন লেগে অন্তত ২২ জন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছে।
আঞ্চলিক মেয়র শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, কিনশাসার উত্তরে লিংওয়ালা পৌরসভায় একটি ভবনে গভীর রাতে আগুনের সূত্রপাত হয়, যা শনিবার ভোর পর্যন্ত জ্বলতে থাকে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত লোকজন আগুন থেকে বাঁচতে সেখানে থেকে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সরু করিডোরগুলোতে ব্যাপক ভিড় তৈরি হয়। পরে কয়েকজনকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়, যাদের কেউ জীবিত, কেউ মৃত ছিল।
কঙ্গোলিজ প্রেস এজেন্সিকে লিংওয়ালার মেয়র নরবার্ট মুশিঙ্গা বলেন, প্রাথমিক হিসাবে নিহতের সংখ্যা ২২। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ডিআর কঙ্গোর উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাকমিন শাবানি শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, ‘এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা।’
কিনশাসার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ড প্রায়ই ঘটে থাকে। এসব এলাকায় নগর উন্নয়নের সঙ্গে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার মতো প্রয়োজনীয় সুবিধা গড়ে ওঠেনি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে এ ধরনের অগ্নিকাণ্ড বেশি ঘটে এবং চলতি বছরও বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
১৯ দিন আগে