যুব সমাবেশ
যুবসমাজের চাওয়া-পাওয়াকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আর আপনাদের (যুবসমাজের) মাধ্যমেই আমরা পেয়েছি একটি স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ। এই স্বাধীন বাংলাদেশে এখন সবাই স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারছেন। বর্তমান সরকার যুবসমাজের চাওয়া-পাওয়াকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে। এখন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বুধবার (২০ মে) সাভারে অবস্থিত জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে ‘যুব সমাবেশ-২০২৬’ এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী বিষয়। পুরো পৃথিবী আজ ডিজিটাল প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষতার যুগে আমাদের যুবসমাজকে এআইয়ের ইতিবাচক ও ভালো দিকগুলোকে গ্রহণ করতে হবে।
তিনি যুবকদের উদ্দেশে দলমত নির্বিশেষে স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবসময় ন্যায়ের পক্ষে কাজ করতে হবে এবং সৎ থাকতে হবে। যেকোনো ভুল ও অন্যায় কাজকে রুখে দিতে হবে।
বেকারত্ব দূরীকরণ ও দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, বিগত ১৭ বছরে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে আমরা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে পারিনি। তবে বর্তমান সরকার যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। বেকারত্ব দূরীকরণে যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট কাজ করছে, যার মূল লক্ষ্যই হলো যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে কর্মসংস্থান তৈরি করা।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বিদেশে ‘কেয়ার গিভার’-এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যাদের বিদেশে পাঠানো হবে, তাদের দক্ষ করে পাঠানো হবে এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এই বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। যুবসমাজকে আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করতে প্রতিটি জেলায় যুব প্রশিক্ষণ সেন্টারে এআই প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশের যুব কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও তৃণমূলমুখী করার লক্ষ্যে ‘যুব সমাবেশ’ কেবল ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে তা পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় জেলা পর্যায়ে আয়োজন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন।
১৫ দিন আগে
নয়াপল্টনে বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠনের যুব সমাবেশ বুধবার
বিএনপির তিনটি অঙ্গসংগঠন—যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল—আগামী বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বড় ধরনের যুব সমাবেশ আয়োজন করতে যাচ্ছে। এতে অন্তত ১৫ লাখ তরুণ অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য জানিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী।
তিনি বলেন, ‘আমরা চট্টগ্রামের সমাবেশে তরুণদের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। খুলনা ও বগুড়াতেও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। ঢাকায় আমরা আশা করছি অন্তত ১৫ লাখ তরুণ অংশ নেবেন, যা পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে দেবে।’
তিনি জানান, ‘ঢাকা, সিলেট, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ থেকে তরুণরা সমাবেশে যোগ দেবেন।’
জিলানী বলেন, ‘তরুণরা ১৭ বছর ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এই সমাবেশে তারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি তুলবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলমান আন্দোলনে তরুণদের অংশগ্রহণ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।’আরও পড়ুন: নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে আশ্বাস পায়নি বিএনপি
১০টি বিভাগ থেকে তরুণদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে গত ২৮ এপ্রিল চারটি সেমিনার ও চারটি যুব সমাবেশের ঘোষণা দেয় বিএনপির এই তিন অঙ্গসংগঠন। এই কর্মসূচির শুরু হয় ৯ মে চট্টগ্রামে। এরপর খুলনা ও বগুড়ায় সমাবেশ হয়। শেষ সমাবেশটি হবে ২৮ মে (বুধবার) ঢাকায়।
ঢাকার সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে দলের রাজনৈতিক রূপরেখা ও ভবিষ্যৎ কৌশল উপস্থাপন করবেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদও সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। সংবাদ সম্মেলনে যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুনা লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি জানান, ‘এই দুই দিনের কর্মসূচি তরুণ প্রজন্মকে ঘিরেই তৈরি করা হয়েছে।’
তিনি জানান, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে ‘তরুণদের ভবিষ্যৎ ভাবনা, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি সেমিনার। এতে ঢাকা, ফরিদপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহের তরুণ প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। বুধবার হবে ‘তরুণদের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার’ সমাবেশ।
৩৭৪ দিন আগে
ভেঙে পড়ল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির যুব সমাবেশের মঞ্চ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের যুব সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই কর্মসূচির জন্য তৈরি মঞ্চ ভেঙে পড়েছে।
শনিবার (২২ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার সময় এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে দুপুর ২টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বেলা ৩টায়ও শুরু করতে পারেনি সমাবেশ।
এছাড়া বারবার অনুসারীদের মাটিতে বসে শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানাতে দেখা গেছে নেতাদের।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুর ব্যর্থতায় ঢাকার দুই মেয়রের পদত্যাগ চায় বিএনপি
বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা প্রখর রোদে জনসমাগম উজ্জীবিত রাখতে ভাঙা মঞ্চে দেশাত্মবোধক গান ও ছোট নাটক পরিবেশন করতে থাকেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ধসে পড়া মঞ্চে পা রাখেন। তিনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন এবং চলমান এক দফা আন্দোলন জোরদার করতে তরুণদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেবেন।
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচনসহ তাদের এক দফা দাবি জানাতে হাজার হাজার বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে সমবেত হন।
ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে যুব নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন রঙের ক্যাপ পরিহিত ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড ও দলের শীর্ষ নেতাদের প্রতিকৃতি নিয়ে সকাল থেকেই মিছিলে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন।
সমাবেশস্থলের প্রধান স্থান ছাড়াও আশপাশের সড়কে অবস্থান নেয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা। এতে আশপাশের এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।
যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সমাবেশস্থলের চারপাশে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার মূল উদ্দেশ্য নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করেছে।
আরও পড়ুন: সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘তারুণ্যের সমাবেশে’ বিএনপি সমর্থকরা
কৃষিমন্ত্রীর হাতে এক দফার লিফলেট দিলেন বিএনপি নেতা মিলন
১০৪৮ দিন আগে