চুয়েট
বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ভবনে অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-২-এর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। তার পর থেকে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ভবনে অবরুদ্ধ রয়েছেন উপাচার্যসহ বেশ কয়েকজন।
এদিকে ভিসির সঙ্গে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সাবেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল ও বর্তমান উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারীরা।
রাত ১টার দিকে চুয়েট চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও টেকনোলজিস্ট বাসুদেব প্রশাসনিক ভবন-২-এ প্রবেশ করে অসুস্থ ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। উপাচার্য মুঠোফোনে চিকিৎসককে ডেকে পাঠানোর পর আলোচনার মাধ্যমে তাদের ভবনে প্রবেশের অনুমতি দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
স্বাস্থ্য পরীক্ষায় একজনের রক্তচাপ বেশি পাওয়ায় তাকে চুয়েট চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠানো হয়। এছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শে ভবনের ভেতরে অবস্থানরত অন্যদের স্যালাইন দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম বলেন, ‘আমাদের দুজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী উচ্চ রক্তচাপের জটিলতায় ভুগছেন। তাই আমি অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসক ডেকেছি। এখানে যেহেতু সবাই দীর্ঘ সময় ধরে অবরুদ্ধ রয়েছেন, তাই সবাই অসুস্থ ও ক্লান্ত অনুভব করছেন।’
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল ৯টার দিকে একটি মাইক্রোবাসে করে ক্যাম্পাসে পৌঁছান উপাচার্য শরীফুল আলম। ফটকে নিজেকে ‘শিক্ষক’ পরিচয় দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন তিনি। পরে ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে উপাচার্য ভবনের তালা ভেঙে নিজের দপ্তরে যান এবং নির্ধারিত চেয়ারে বসেন।
এ সময় তার কক্ষে চুয়েট শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান আল সাবিত ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি জানতে পেরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ছেড়ে যাওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ছাড়লে সেটিকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা, ফটকে তালা দেওয়া এবং বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে বলে জানান।
আলটিমেটামের সময় শেষ হলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনের ভেতরের ফটকে তালা লাগিয়ে দেন। একই সঙ্গে ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এ সময় তারা ‘তালা, তালা, তালা হবে, ভিসি ভবন তালা হবে’ এবং ‘প্রত্যাখ্যান, প্রত্যাখ্যান, অনলাইন ভিসি প্রত্যাখ্যান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদ এবং সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে এ কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতি পালন করছেন। এ কারণে টানা ২০ দিন ধরে চুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।
৬ দিন আগে
উপাচার্যকে ভেতরে রেখে ভবনে তালা চুয়েট শিক্ষার্থীদের
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের পদত্যাগের দাবিতে তার ভবনে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ভবনটির বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনে তালা দেওয়ার পর থেকে ড. শরীফুল তার কক্ষে অবরুদ্ধ রয়েছেন।
এর আগে আজ (সোমবার) সকালে মূল ফটকের তালা ভেঙে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী ছিলেন।
শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জানতে পেরে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেন এবং ‘তালা তালা তালা হবে, ভিসি ভবন তালা হবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
আন্দোলনরত যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাবিহা শবনম নতুন উপাচার্যের পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেন, ‘মুকুট পরলেই রাজা হওয়া যায় না, স্যার। পদে আসীন হওয়া আর সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করা এক বিষয় নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আপত্তি ও প্রতিবাদ উপেক্ষা করে তালা ভেঙে উপাচার্য ভবনে প্রবেশ করে নতুন উপাচার্য কী বার্তা দিতে চেয়েছেন—তা আমাদের বোধগম্য নয়।’
উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণের ৫৬ দিনের মাথায় অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদ থেকে অপসারণ করে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে ওই রাতেই প্রশাসনিক ভবনে তালা দেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন তারা। পাশাপাশি সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা চলছে।
৭ দিন আগে
চুয়েটে কমপ্লিট শাটডাউনের দ্বিতীয় দিনে গণস্বাক্ষর চলছে
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য পদে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আজ বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ করে দিয়ে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন তারা।
গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে দেখা যায়। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা তাদের পরিচয়পত্রের নম্বর ও স্বাক্ষর দেন। সংগৃহীত গণস্বাক্ষর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া যন্ত্রকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারহান হাসনাত আদিব বলেন, ‘গত ২১ সেপ্টেম্বর বিনা নোটিশে অধ্যাপক আবু সাদাত সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে ওই রাতেই আমরা বিক্ষোভ মিছিল করি। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর চুয়েটে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করি। আজ আন্দোলনের দ্বিতীয় দিনে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করছি। এই স্বাক্ষর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে।’
শিক্ষার্থীরা জানান, ২১ সেপ্টেম্বর কোনো নোটিশ ছাড়াই অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রতিবাদে ওই রাতেই বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর পালন করা হয় চুয়েট কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার আন্দোলনের দ্বিতীয় দিনে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবেও জানিয়েছেন তারা।
এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর রাতে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে উপাচার্য ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শাটডাউন ঘোষণা করেন তারা।
২৬ দিন আগে
চুয়েট ক্যাম্পাসে পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থী নিহত
চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল-সংলগ্ন পুকুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন: ২৪তম ব্যাচের অর্ণব চন্দ (২২) ও শান্ত দেব (২৩)। তাদের দুইজনের বাড়ি সিলেট বলে জানা গেছে। নিহত অর্ণব চন্দ কম্পিউটার সায়েন্স এবং শান্ত দেব ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, দুপুরে ফুটবল খেলা শেষে হলের পুকুরে তারা গোসল করতে যান। তবে সাঁতার কাটতে গিয়ে তারা পুকুরের মাঝ অংশে ডুবে যান। ডুবে যাওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে অর্ণবকে এবং প্রায় ৪৫ মিনিট পর শান্তকে উদ্ধার করা। পরে চট্টগ্রাম শহরের এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে দুজনকেই চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি দুঃখজনক। মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। তাদের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে, গত ২৮ জুলাই রাতে ওই পুকুরে ডুবে মারা যান যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অর্ণব সাহা (২২)।
৬৮ দিন আগে
শিক্ষকদের কর্মবিরতি, চবি ও চুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ
সর্বজনীন পেনশন স্কিম সংক্রান্ত ‘বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন’ প্রত্যাহারের দাবিতে সর্বাত্মক আন্দোলনের কর্মসূচিতে গিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এর ফলে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।
সোমবার (১ জুলাই) থেকে চবির ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে তা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও ভর্তি কমিটির সচিব এস এম আকবর হোছাইন।
সরকারঘোষিত পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে চবি শিক্ষক সমিতি।
আরও পড়ুন: 'বৈষম্যমূলক' পেনশন স্কিমের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কর্মবিরতি শুরু
এদিকে উদ্বোধনী ক্লাস না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা।
মোহাম্মদ পরাগ নামে আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটে ভর্তি হওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণে আমাদের ক্লাস হয়নি। কবে হবে, সে বিষয়েও আমাদের কিছু জানানো হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ক্লাস নিয়ে আমাদের অনেক প্রত্যাশা ছিল। আমরা বাড়ি থেকে ক্যাম্পাসে এসে বসে আছি, অথচ আমাদের ক্লাসই হচ্ছে না; বিষয়টি অত্যন্ত হতাশার।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এস এম আকবর হোছাইন বলেন, ‘ক্লাস শুরুর বিষয়টি বিভাগের চেয়ারম্যান ও ফ্যাকাল্টির ডিনদের ওপর নির্ভর করে। উনাদের কর্মবিরতি পালনের জন্য ক্লাস শুরু করা যায়নি।’
ক্লাস কবে নাগাদ শুরু হতে পারে- জানতে চাইলে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সিরাজ-উদ দৌল্লাহ বলেন, ‘শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে আমরা রবিবার প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু করতে পারিনি। আন্দোলন চলাকালে ক্লাস শুরু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।’
চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এ বি এম আবু নোমানের সই করা বিবৃতিতে বলা হয়, অর্থমন্ত্রণালয়ের সম্প্রতি জারি করা পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, প্রতিশ্রুত সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তিকরণ ও শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তনের দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করবে।
এদিকে, একই দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষকরাও। এ কারণে চুয়েটের বিভিন্ন বিভাগে চলমান স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সব পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে চলমান লেভেল-৩ টার্ম-১ এবং লেভেল-২ টার্ম-১ পরীক্ষা ২০২৩ এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সব পরীক্ষা অনিবার্য কারণবশত স্থগিত ঘোষণা করা হলো। স্থগিত করা পরীক্ষাসমূহের তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তীতে স্ব স্ব বিভাগ ও ইন্সটিটিউট থেকে ঘোষণা করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে শিক্ষকদের সর্বাত্মক কর্মবিরতির পালনে এক সমন্বিত সভায় চুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ও বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের উপস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
স্থগিত পরীক্ষাগুলো কখন হবে, এ নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: খুলনার তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কর্মবিরতি শুরু
৮৪০ দিন আগে
অনির্দিষ্টকালের জন্য চুয়েট বন্ধ: শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ
বাস চাপা পড়ে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) উপাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের ১৫১তম জরুরি সভায় চুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পরীক্ষাসহ সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফজলুর রহমান।
এদিকে চুয়েটের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২২ এপ্রিল সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ এপ্রিল উপাচার্যের সভাপতিত্বে একাডেমিক কাউন্সিলের ১৫১তম জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পরীক্ষাসহ সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: চুয়েটের দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় বাসচালক গ্রেপ্তার
ছাত্রদের বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার মধ্যে এবং ছাত্রীদের আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৯টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ২২ এপ্রিল সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানার জিয়ানগরে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত হন চুয়েটের দুই শিক্ষার্থী। এরপর থেকে ১০ দাবিতে ৪ দিন ধরে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: বাসচাপায় ২ শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় উত্তপ্ত চুয়েট, কাপ্তাই সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ
৯০৭ দিন আগে
চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় চুয়েটের ২ শিক্ষার্থী নিহত
চট্টগ্রামের কাপ্তাই সড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে সড়কের সেলিনা কাদের চৌধুরী কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: গাজার রাফাহতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় শিশুসহ নিহত ২২
নিহতরা হলেন- পুরকৌশল বিভাগের ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী শান্ত সাহা ও একই বিভাগের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী তৌফিক হোসেন।
শান্ত সাহা নরসিংদীর কাজল সাহার ছেলে ও তৌফিক হোসেন নোয়াখালী সুধারামের নিউ কলেজ রোডের মোহাম্মদ দেলোয়ারের ছেলে।
চুয়েটের উপপরিচালক (জনসংযোগ) ফজলুর রহমান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আমাদের প্রতিষ্ঠানের দুই ছাত্র নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শান্ত সাহার লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও তৌফিকের লাশ এভারকেয়ার হাসপাতালে আছে।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
চট্টগ্রামে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২
৯১০ দিন আগে
জ্যাকেটের পকেটে মাদক, চুয়েটের দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার
জ্যাকেটের পকেটে মাদক পাওয়ায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। এক জরুরি বৈঠকে চুয়েট কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নেয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপপরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, মাদক সেবনের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। পরে দুই শিক্ষার্থীর জ্যাকেটের পকেটে মাদক পাওয়া যায়। তাই তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা্ হয়েছে, শিক্ষার্থী শৃঙ্খলা কমিটির ২৭০তম জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: চুয়েটে র্যাগিংয়ের অভিযোগে ৫ শিক্ষার্থীকে শোকজ
৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীদের নোটিশের জবাব দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
উল্লেখ্য, বুধবার (২৪ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম শহর থেকে চুয়েটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা শিক্ষার্থীদের বহনকারী বুড়িগঙ্গা বাস থেকে ওই দুই শিক্ষার্থীকে মাদকসহ আটক করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদকদ্রব্য প্রতিরোধ নীতিমালা, চুয়েট-২০১৬ মোতাবেক মাদক বহন ও সেবন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এর আগে ২০২৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর রাতে চুয়েটে ফেরার সময় বাসে মদ্যপানের সময় ৪ জনকে আটক করে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: চুয়েট গেটের সামনে থেকে অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ উদ্ধার
৯৯৬ দিন আগে
চুয়েটে র্যাগিংয়ের অভিযোগে ৫ শিক্ষার্থীকে শোকজ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) র্যাগিংয়ে অভিযোগে পাঁচ শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রেজাউল করিমের সই করা পাঁচটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিগুলোয় বলা হয়েছে, গত ১২ ডিসেম্বর বিকাল ৪টায় শহীদ মোহাম্মদ শাহ হলের বর্ধিতাংশে (কক্ষ নং-৬) ২২ ব্যাচের (২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ) পাঁচ শিক্ষার্থীকে র্যাগিং দেওয়ার সময় ২১ ব্যাচের (২০২১-২২শিক্ষাবর্ষ) পাঁচ শিক্ষার্থীকে হাতেনাতে ধরা হয়। র্যাগিংয়ের সময় ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ ইসলাম মিয়া ছাত্রদের হাতেনাতে ধরেন। অভিযুক্তরা সবাই ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন: যশোর বোর্ডে ৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল, শোকজের সিদ্ধান্ত
ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপপরিচালক মো. ইসলাম মিয়ার লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।
এ অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের আগামী ৩ জানুয়ারি বেলা ৩টার মধ্যে ছাত্রকল্যাণ দপ্তরে হাজির হয়ে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ‘র্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে চুয়েট প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। শহীদ মোহাম্মদ শাহ হলের বর্ধিতাংশে প্রথম বর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হেনস্তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এজন্য তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন: শতভাগ ফেল করায় সিরাজগঞ্জের ৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শোকজ
‘এইচএসসির বিতর্কিত প্রশ্ন তৈরিতে জড়িত যশোর বোর্ডের শিক্ষকদের শোকজ করা হবে’
১০৩৩ দিন আগে
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশের প্রথম বিজনেস ইনকিউবেটর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) তার শহীদ ভাই ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের নামে দেশের প্রথম ক্যাম্পাসভিত্তিক বিজনেস ইনকিউবেটর উদ্বোধন করেছেন।
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) তৈরির মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে এই ইনকিউবেটর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে ‘চুয়েট শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর’ উদ্বোধন করার পাশাপাশি ‘শেখ জামাল ডরমিটরি ও রোজী জামাল ডরমিটরিরও উদ্বোধন করেন।
এ সময় অনুষ্ঠানে আরও সংযুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সফল উদ্যোক্তা তৈরি, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশনকে আরও সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের সুযোগ আরও অবারিত করার মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আয় প্রত্যাশিত মাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সর্বপ্রথম শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন করা হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে প্রায় ১১৭ দশমিক সাত কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়।
পড়ুন: বুধবার ‘চুয়েট শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর’উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
যা থাকছে আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরে
শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রকল্পের আওতায় চুয়েট ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে প্রায় ৫ একর (৪ দশমিক ৭ একর) জমির ওপর ৫০ হাজার বর্গফুট আয়তনের ১০ তলাবিশিষ্ট একটি ইনকিউবেশন ভবন এবং ৩৬ হাজার বর্গফুটের ছয় তলাবিশিষ্ট একটি মাল্টিপারপাস প্রশিক্ষণ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ইনকিউবেশন ভবনের মধ্যে রয়েছে-স্টার্টআপ জোন, আইডিয়া/ইনোভেশন জোন, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিক জোন, ব্রেইনস্ট্রর্মিং জোন, ই-লাইব্রেরি, ডাটা সেন্টার, রিসার্চ ল্যাব, বঙ্গবন্ধু কর্ণার, এক্সিবিশন/প্রদর্শনী সেন্টার, ভিডিও কনফারেন্সিং কক্ষ, সভাকক্ষ প্রভৃতি। উদ্যোক্তা ও গবেষকদের কাজের সুবিধার্থে একটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এ আই) ল্যাব, একটি মেশিন লার্নিং ল্যাব, একটি বিগ ডাটা ল্যাব, অপটিক্যাল ফাইবার ব্যাকবোন, একটি সাব-স্টেশন ও সোলার প্যানেল রয়েছে।
এছাড়া ব্যাংক ও আইটি ফার্মের জন্য পৃথক কর্ণার, অত্যাধুনিক সাইবার ক্যাফে, ফুড কোর্ট, ক্যাফেটেরিয়া, রিক্রিয়েশন জোন, মেকার স্পেস, ডিসপ্লে জোন, প্রেস/মিডিয়া কাভারেজ জোন, নিজস্ব পার্কিং সুবিধা প্রভৃতি। তাছাড়া মাল্টিপারপাস প্রশিক্ষণ ভবনে ২৫০ জনের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন সুসজ্জিত অডিটোরিয়াম এবং ৩০ জনের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পৃথক আটটি কম্পিউটার ল্যাব কাম সেমিনার কক্ষ রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ২০ হাজার বর্গফুট আয়তনের চার তলাবিশিষ্ট পৃথক দুইটি (নারী ও পুরুষদের) আবাসিক ডরমিটরি ভবন নির্মিত হয়েছে। প্রতিটি ডরমিটরিতে ৪০টি কক্ষ রয়েছে।
পড়ুন: গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার
১৫৬৬ দিন আগে