পরিচ্ছন্ন জ্বালানি
পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সবুজ অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ ধীরে ধীরে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি ও আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (২৪ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে ‘নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ অন-গ্রিড রুফটপ’ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত এক মেগাওয়াট ক্ষমতার এই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা এমন একটি উদ্যোগের উদ্বোধন করছি, যা শুধু একটা বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগই নয়, বরং এটা বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যতের একটি প্রতীক। জাতীয় সংসদ ভবনে এক মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধনের মাধ্যমে আমার মনে হয় একটা বার্তা আমরা স্পষ্টভাবে দিতে পারব। সেটি হচ্ছে, বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি এবং আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে ধীরে ধীরে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জাতীয় সংসদ ভবনের এই উদ্যোগ দেশের সকল সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুপ্রাণিত করবে। প্রতিটি ছাদ, প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিটি নাগরিক যদি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির এই অভিযাত্রায় অংশ নেয়, তবে বাংলাদেশ ইনশাল্লাহ খুব দ্রুতই একটি সবুজ এবং টেক উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘লুই কানের নকশায় নির্মিত এই জাতীয় সংসদ ভবন আমাদের গণতন্ত্রের প্রতীক। আর সেই ভবনের ছাদে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা প্রমাণ করার চেষ্টা করছি যে নেতৃত্ব কিংবা নীতিতে নয়, বরং বাস্তব কর্মকাণ্ডে প্রতিফলন হতে হবে।’
২১ ঘণ্টা আগে
নেপাল বাংলাদেশের জন্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ভালো উৎস হতে পারে: এফবিসিসিআই
দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেছেন, নেপাল বাংলাদেশের জন্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানির একটি ভালো উৎস হতে পারে।
মঙ্গলবার রাজধানীর এফবিসিসিআই আইকন টাওয়ারে নেপাল থেকে আসা প্রতিনিধি দলের সদস্যদের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
নেপাল প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন নেপাল সরকারের শিল্প বিভাগের মহাপরিচালক (যুগ্ম সচিব) বাবুরাম গৌতম।
মাহবুবুল আলম বলেন, জ্বালানি খাত নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতার অন্যতম আকর্ষণীয় ক্ষেত্র। উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ক্রমবর্ধমান চাহিদার সম্মুখীন হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি, বিশেষ করে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, বাংলাদেশকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের দিকে স্থানান্তরের জন্য বিশ্ব বাণিজ্য সম্মতি পূরণে সহায়তা করবে।’
আরও পড়ুন: এফবিসিসিআইয়ের নতুন মহাসচিব মো. আলমগীর
এফবিসিসিআই সভাপতি নেপাল থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের কথা স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বিমসটেকের সক্রিয় সদস্য হওয়ায় নিবিড়ভাবে সহযোগিতা করে।
এফবিসিসিআই নেতৃবৃন্দ তৈরি পোশাক খাত, ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, প্লাস্টিক, হিমায়িত সামুদ্রিক খাবার, সিরামিক, পাটজাত পণ্য ও হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস, আইসিটি খাত এবং প্রতিবেশি দেশগুলোর তুলনায় কম আমদানি ব্যয়ের কথা তুলে ধরেন।
এফবিসিসিআই সভাপতি নেপালকে বাংলাদেশে একচেটিয়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
জবাবে নেপাল প্রতিনিধি দলের প্রধান বাবুরাম গৌতম বলেন, বাংলাদেশ-নেপাল অংশীদারিত্ব দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্মানকে গতিশীল করে। নেপালের বাজারে তৈরি পোশাকসহ রপ্তানি পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
আরও পড়ুন: এফবিসিসিআই এর সভাপতি হলেন মাহবুবুল আলম
নেপালি প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে একটি পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয় যেখানে পর্যটন, পরিবহন, অবকাঠামো, আইসিটি, খনি, খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ, কৃষি এবং জলবিদ্যুৎকে নেপালের সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে তুলে ধরা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ সুযোগগুলো তুলে ধরে প্রতিনিধি দল এসব খাতে বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।
সভায় এফবিসিসিআই'র সহ-সভাপতি খায়রুল হুদা চপল, যশোদা জীবন দেব নাথ, মো. মুনির হোসেন, পরিচালকবৃন্দ, মহাসচিব মো. আলমগীর, হেড অব ইন্টারন্যাশনাল উইং অ্যাম্বাসেডর মাসুদ মান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: এফবিসিসিআই-আইসিসির বৈঠক: ভারতের স্বাস্থ্য খাতের উদ্যোক্তাদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান
৯৭৮ দিন আগে