প্রাথমিক শিক্ষা
আগামী বছরে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে: ববি হাজ্জাজ
আগামী বছরে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পাড়াডগার মান্নান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা জানান।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের বৃত্তি পরীক্ষাটি গত বছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোনো কারণে পরীক্ষাটি তারা নিতে পারেনি। বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাঠ্যক্রমে উৎসাহিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার এই প্রক্রিয়াটা আমরা বাদ দিতে চাই না। তাই আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরই বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেই এবং বাস্তবায়ন করি। আগামী বছরগুলোতে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা, কতজন শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং বৃত্তির পরিমাণ কত হবে তা পুনর্বিবেচনা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বৃত্তিকে কেন্দ্র করে কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সরকারের ব্যবস্থা বিষয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সরকার শক্ত অবস্থানে রয়েছে। শুধু বৃত্তি নয়, সার্বিকভাবে কোচিং আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে৷ এটি একটি বড় সমস্যা। কোচিং নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বেশকিছু ইনোভেশন (উদ্ভাবন) বা পলিসি (নীতি) চিহ্নিত করা হয়েছে যার মাধ্যমে খুব শিগগিরই পাইলটিং শুরু হবে। তবে প্রাথমিক বৃত্তি-সংক্রান্ত কোচিং নিয়ে এখনও বড় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, স্কুলের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সরকার দৃষ্টিনন্দন প্রজেক্ট এবং পিডিপি ফাইভের মতো অনেকগুলো উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে যার মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষ বৃদ্ধি, ওয়াশরুম নির্মাণ, নকশা পরিবর্তন এবং আসবাবপত্র পরিবর্তনের মতো বড় কাজ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিন ধরে আমি, সচিব এবং মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেছি। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় সঠিক সুযোগসুবিধা পাচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে সন্তোষজনক চিত্র পাওয়া গেছে।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান এবং অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
২ দিন আগে
১ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে ‘পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’: প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী ১ জুলাই থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি ‘পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’ (পিইডিপি-৫) শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীর এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ১ জুলাই থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় আরও অধিক সংখ্যক শিক্ষককে ইংরেজি ভাষায় প্রশিক্ষণ প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমান সরকারের ইশতেহারে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষাদানের মান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, বর্তমানে সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৯ জন শিক্ষক রয়েছেন। তাদের মধ্যে চলমান ‘চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪)’-এর আওতায় ইতোমধ্যে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষক ইংরেজি বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।
চলমান সংসদ অধিবেশন বিরতির পর আজ (বুধবার) সকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে পুনরায় শুরু হয়েছে। দিনের কার্যসূচির শুরুতেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব। এরপর সংসদ সদস্যরা তাদের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন।
৫ দিন আগে
সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে: তারেক রহমান
প্রাথমিক শিক্ষার মতো সংস্কৃতি ও খেলাধুলা বড় বিষয় উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুরা যেন বাধ্যতামূলকভাবে সংস্কৃতি ও খেলাধুলাসহ সব অ্যাক্টিভিটিতে (কর্মকাণ্ড) যুক্ত থাকে। এর ফলে শিশুদের যেমন মানসিক বিকাশ ঘটবে, তেমনই তাদের শারীরিক বিকাশও ঘটবে।’
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) লালমনিরহাট জেলা পরিষদ মিলনায়তনের অডিটরিয়ামে বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক কমিটি আয়োজিত এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালা শেষে আজ (মঙ্গলবার) বিকালে ভার্চুয়ালি যোগ দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আরও পড়ুন: ‘পলাতক স্বৈরাচারের’ পুনর্বাসন নিয়ে সরকারকে তারেক রহমানের হুঁশিয়ারি
তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ যদিও ল্যান্ড ওয়াইজ (আয়তনের দিক থেকে) বড় দেশ নয়, তবুও জনসংখ্যার ভিত্তিতে অনেক বড়। লালমনিরহাটের যেমন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কিছু বৈশিষ্ট্য আছে, তেমনি কুড়িগ্রামের আছে, চট্টগ্রামের আছে, কুষ্টিয়ার ওইদিকেও আছে।’
‘বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কৃষ্টি-কালচার বা সংস্কৃতি আছে। সেরকম আলাদা আলাদা কিছু বৈশিষ্ট্যও আছে। আর এই বৈশিষ্ট্যটাই হচ্ছে আমাদের ঐতিহ্য।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি যতবার দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে, দেশীয় কৃষ্টি-কালচারকে সামনে এগিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছে। আমরা জানি গত ১৭ বছর বহু সংস্কৃতিকর্মী কষ্টে জীবনযাপন করেছেন, চিকিৎসার অভাবে কষ্টে দিন কেটেছে তাদের। যখন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার কাছে সুযোগ ছিল, এমন অনেক সংস্কৃতিকর্মীকে সহযোগিতা করা হয়েছিল।’
‘আমাদের সামগ্রিক চিন্তার মধ্যে যেটি রয়েছে তা হচ্ছে, আমরা এই কালচার (সংস্কৃতি) এগিয়ে নিয়ে যাব। সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুরা যেন বাধ্যতামূলকভাবে সব অ্যাক্টিভিটিসে যুক্ত থাকে, যাতে তারা মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে পারে।’
৩৬৩ দিন আগে
প্রাথমিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে শিক্ষকরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন: উপদেষ্টা
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষা হলো শিক্ষার সবচেয়ে অপরিহার্য বিষয় (অংশ)। তাই প্রাথমিক শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে নব-যোগদানকৃত প্রধান শিক্ষকরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।
আরও পড়ুন: সেন্টমার্টিনে পর্যটক সীমিত ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
সোমবার (৭ অক্টোবর) ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিতে (নেপ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব-যোগদানকৃত প্রধান শিক্ষকদের (নন-ক্যাডার) ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্স ২০২৪ এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মানুষ। সুশিক্ষিত ও সুস্বাস্থ্যের মানুষ দেশ ও জাতির সম্পদ। দেশকে উন্নত করতে হলে মানুষকে উন্নত করতে হবে। শিক্ষার সঙ্গে স্বাস্থ্যের উন্নয়নও করতে হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য এই দুটি বিষয়ই সার্বিক উন্নতিতে প্রয়োজন। প্রাথমিক পর্যায়ই একটি শিশুকে শিক্ষা জ্ঞানের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করে। সে জায়গাটিতে আমাদের জোর দিতে হবে।
দেশের ৪৮টি জেলা থেকে ৮০ জন প্রধান শিক্ষক ১৫ দিনের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নেন। কোর্সটি ২৩ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ৭ অক্টোবর শেষ হয়। কোর্সে অংশ নেওয়া প্রধান শিক্ষকরা সকলেই ৪০তম বিসিএস’র মাধ্যমে নন-ক্যাডার হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত।
এর আগে উপদেষ্টা জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিতে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে উপদেষ্টা জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
নেপের মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম, পুলিশ সুপার মো. আজিজুল ইসলাম, নেপের পরিচালক জিয়া আহমেদ সুমন, বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী রেজা, কোর্স পরিচালক আবু সালেহ, আহসান ইবনে মাসুদ, প্রশিক্ষণার্থী সুমাইয়া আক্তার ও ছোটন চন্দ্র রায়।
আরও পড়ুন: পতিত স্বৈরশাসকের পুনর্বাসন দেশকে বসবাসের অযোগ্য করে তুলবে: রিজভী
৫৬০ দিন আগে
প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সব ধরনের সহায়তা করা হবে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা
বন্যাপরবর্তী স্কুল পরিদর্শনকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সব ধরনের সহায়তা করা হবে।
তিনি বলেন, বন্যার বিপর্যয় কাটিয়ে উঠেছেন। বাস্তব অবস্থা দেখার জন্য আমরা এসেছি। নতুন বই, খাতা, কলম ও ব্যাগ দিচ্ছি।
আরও পড়ুন: অ্যাকটিভ অর্গানাইজেশন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ফেনী জেলার সদর উপজেলাস্থ কাজিরবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফুলগাজী উপজেলার বন্দুয়া দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ সহকারে লেখাপড়া করতে হবে। অনেকদিন পড়াশোনায় গ্যাপ হয়েছে। এ গ্যাপ পুষিয়ে নিতে হবে ।
এসময় উপদেষ্টা কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামস্থ চান্দকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন এবং শিক্ষার্থীদের বই, খাতা, কলম ও ব্যাগ বিতরণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ, জেলা প্রশাসক মুছাম্মাৎ শাহিনা আক্তার, পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক ড. শফিকুল ইসলাম, ফেনীর প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন আহমেদ।
আরও পড়ুন: বাজেট ২০২৪-২৫: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে
স্মার্ট বাংলাদেশের ভিত্তি মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
৫৮২ দিন আগে
প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন প্রয়োজন: উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়
দেশে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়।
সোমবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ দল গোছাতে পারে কিন্তু বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে পরিণতি ভালো হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা যেকোনো দেশের জাতির জন্য ভিতস্বরূপ। বাচ্চারা প্রথম জীবনে যা পড়ে, সেটি কিন্তু ব্যক্তিত্বের ভিত গড়ে দেয়। কিন্তু খুব দুঃখজনক হলো, আমাদের দেশে বাস্তবে কিন্তু এর কার্যকারিতা দেখা যায় না। যেমনটা করা উচিত, তেমনটা করা হয় না।’
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এক সময় আমাদের সাক্ষরতার হার খুব কম ছিল। এখন অবকাঠামোগত অনেক উন্নতি হয়েছে যার ফলে সাক্ষরতার হার বেড়েছে। শিশুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া বেড়েছে।’
বিধান রঞ্জন রায় বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের যেটা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে, মানের উন্নয়ন করা। প্রাথমিক শিক্ষার মানের উন্নয়ন করা। যেন আমাদের শিশুরা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে ও দেশের জন্য তারা অবদান রাখতে পারে।’
প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার সিদ্ধান্ত কার্যকরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি আজকে এসেছি। সবার সঙ্গে বসব। এই বিষয়টা নিয়ে আমরা কথা বলি, তারপর আমরা কর্মকৌশল ঠিক করব।’
বিধান রঞ্জন রায় বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে এখন একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অস্থিরতা না কমে, যদি সমস্যাগুলো থাকে তাহলে তো অভিভাবকরা বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহ দেখাবে না। ঘোষণা দিলেই তো হয় না ব্যাপারটা। সেজন্যই এ বিষয়টি ঠিক করে আমরা জানাব।’
আরও পড়ুন: ‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠকে বসবেন প্রধান উপদেষ্টা’
দুর্গাপূজায় তিন দিনের ছুটি দাবি প্রাসঙ্গিক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
৬১৬ দিন আগে
স্মার্ট বাংলাদেশের ভিত্তি মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী বলেছেন, একটি সমৃদ্ধ, উন্নত, বৈষম্যহীন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, এ জন্য প্রয়োজন দক্ষ ও মানসম্মত শিক্ষক।
আরও পড়ুন: অর্থনৈতিক-নিরাপত্তা-অভিবাসন অংশীদারিত্ব জোরদারে ঢাকায় যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রী
বুধবার (৮ মে) ঢাকা পিটিআই মিলনায়তনে ঢাকা জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর আজকের শিশুদের গড়ে তোলার দায়িত্ব শিক্ষকদের। তাই শিক্ষকদের মেধা, প্রজ্ঞা, জ্ঞান, অনুসন্ধিৎসায় বিচক্ষণ হতে হবে।
এ জন্য বর্তমান সরকার শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন প্রাথমিক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান, ড. উত্তম কুমার দাস।
আরও পড়ুন: তথ্য অধিকার আইনে গণমাধ্যমের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
৭১২ দিন আগে
প্রাথমিক শিক্ষায় পিছিয়ে পড়ছে নৃগোষ্ঠী ও চরাঞ্চলের শিশুরা
প্রান্তিক নৃগোষ্ঠী ও চরাঞ্চলের শিশুরা গুণগত প্রাথমিক শিক্ষালাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং গুণগত প্রাথমিক শিক্ষায় পিছিয়ে পড়ছে বা ঝরে পড়ছে। দরিদ্র প্রান্তিক অঞ্চলে গুণগত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে আরও বিশেষ সহায়তা থাকার কথা থাকলেও সেটি হচ্ছে না।
সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ইরাব) সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের অ্যাডভোকেসি কর্মশালায় এসব তথ্য উঠে আসে।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে নৃগোষ্ঠীর নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
এতে বলা হয়, তাই প্রাথমিক শিক্ষায় সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও পলিসি বাস্তবায়নকারীদের প্রান্তিক নৃগোষ্ঠী ও দুর্গম চর এলাকার শিশুদের গুণগত শিক্ষা বিষয়ে দ্রুত দৃষ্টি দেওয়া ও বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
কর্মশালায় শাপলা নীড় বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর তোমোকো উচিয়ামা, ইরাব সভাপতি শরীফুল আলম সুমন ও সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রান্তিক এলাকার প্রাথমিক শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে চরাঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট ও প্রান্তিক নৃগোষ্ঠীর শিশুদের মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিকার বাস্তবায়িত না হওয়া ও নিজস্ব কমিউনিটির শিক্ষক না থাকার বিষয়গুলো বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও তথ্যভিত্তিক উপস্হাপনার মাধ্যমে আলোকপাত করা হয়।
আরও পড়ুন: বান্দরবানের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পরিবারের কাছে সরকারি ত্রাণ পৌঁছে দিল সেনাবাহিনী
কর্মশালায় পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রান্তিক নৃগোষ্ঠী বিশেষ করে সাঁওতাল, তুরি, মুশোহর নৃ-গোষ্ঠী এবং নরসিংদীর প্রান্তিক চরাঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষার তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়।
কর্মশালায় বলা হয়, নিয়মিত ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ২ হাজার ৫৯৩ জন শিশু। আবার এসব এলাকার বাবা-মায়ের সচেতনতার অভাবে অনেক বাচ্চা ড্রপ আউট হয়ে যাচ্ছে বা পড়াশোনাই করছে না। করোনাও একটি বড় ক্ষতি করেছে।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁওয়ে ছুরিকাঘাতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য হত্যা, আটক ৩
৮০৫ দিন আগে
স্মার্ট নাগরিক তৈরিতে প্রাথমিক শিক্ষার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রুমানা আলী
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত স্মার্ট নাগরিক তৈরির ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে প্রথমবারের মতো তিনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আসেন।
আরও পড়ুন: শৈত্য প্রবাহে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা, প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ
তিনি বলেন, দেশের সরকারি কর্মচারীদের প্রায় এক-চতুর্থাংশ প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের। তাদের অন্তহীন প্রয়াস বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার উত্তরণে বিশাল, বিরাট ও ব্যাপক অবদান রেখেছে। যার ফলশ্রুতিতে প্রাথমিক শিক্ষায় বাংলাদেশের অর্জন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী দেশপ্রেম, সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান।
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ।
আরও বক্তব্য রাখেন- অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. উত্তম কুমার দাস, মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
সভার আগে প্রতিমন্ত্রী দৃষ্টিনন্দন প্রকল্পের আওতায় ঢাকা মহানগরীর ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন।
আরও পড়ুন: যশোরের প্রাথমিক-মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা
শৈত্যপ্রবাহে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসের সূচি পরিবর্তন
৮১২ দিন আগে
মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতে ৯ম গ্রেড ও শতভাগ পদোন্নতি দাবি এটিইওদের
মানসম্পন্ন প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে ৯ম গ্রেড ও শতভাগ পদোন্নতির দাবি জানিয়েছেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারেরা (এটিইও)।
তারা বলেন, মাঠ পর্যায়ের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাগণ। সরকারের যেকোনো নির্দেশনা, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, তদারকি করেন তারা। কিন্তু বিপুল সংখ্যক এই কর্মকর্তাদের বঞ্চিত ও বৈষম্যের মধ্যে রেখে গুণগত প্রাথমিক শিক্ষা সম্ভব নয়। শিক্ষার মূলভিত্তি মজবুত করতে এবং মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে কাঙ্খিত ৯ম গ্রেড প্রদান এবং শতভাগ পদোন্নতির দাবি জানিয়েছেন এটিইওরা।
শনিবার (৬ মে) রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে করণীয় ও প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন’- শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ এস রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. সালাহ উদ্দিন আহমেদ এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দেশের বিভিন্ন উপজেলা হতে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সাধারণ সম্পাদক মো. সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রী ৪টি ভিত্তি উল্লেখ করেছেন- স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনোমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট সোসাইটি। এসব ভিত্তির বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষার ভূমিকা অপরিসীম। যেহেতু সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারবৃন্দ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কাজের সাথে ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত সেহেতু আমরা প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের ম্যাসেজ ও তাদেরকে উদ্বুদ্ধকরণে ভূমিকা রেখে যাচ্ছি।
আরও পড়ুন: বিড়ি শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবি
সভাপতি এম এ এস রবিউল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি। তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। তার সেই স্বপ্নকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারেরা। ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশের যারা নেতৃত্ব দিবেন তাদেরকে মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। আমরা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষদের মাঝে মা সমাবেশ, অভিভাবক সমাবেশ, উঠান বৈঠকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের মূল বার্তা ও আমাদের করণীয় সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছি। তবে এসব কর্মকর্তাবৃন্দ নানাভাবে বৈষম্যের শিকার। চাকরিজীবী জীবনে একটিও পদোন্নতি না পেয়ে অবসর গ্রহণ, দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রেডে চাকরি করাসহ নানা বিষয় রয়েছে। বিশেষ করে ৯ম গ্রেড ও শতভাগ পদোন্নতির সুযোগ না থাকায় অনেকের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার ভিত্তিকে মজবুত করতে এসব বিষয়ে সমাধানে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান রবিউল ইসলাম।
সভায় বাংলাদেশ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন জেলা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার তৌহিদুর রহমানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
আরও পড়ুন: সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি বিশেষজ্ঞদের
১০৮০ দিন আগে