সাইফুল আলম
জামায়াতের এমপি সাইফুলকে ‘আরও মনোযোগী’ হওয়ার পরামর্শ স্পিকারের
সংসদ অধিবেশনে বর্তমানে উত্থাপিত নয় এমন একটি বিল নিয়ে ভুলবশত আলোচনার সূত্রপাত করায় জামায়াতের সংসদ সদস্য সাইফুল আলমকে ‘আরও মনোযোগী’ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এভাবে আইন প্রণয়ন কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের সকালের অধিবেশনে এই ঘটনা ঘটে। তখন অধিবেশনে ‘আমানত সুরক্ষা বিল, ২০২৬’ অবিলম্বে বিবেচনার জন্য উত্থাপন করা হচ্ছিল।
শুরুতে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি উত্থাপনের অনুমতি চান। স্পিকারের অনুমতির পর মন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে বিলটি পেশ করেন এবং এটি অবিলম্বে বিবেচনার জন্য প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে দেওয়ার ঠিক আগে ঢাকা-১২ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. সাইফুল আলম কথা বলার জন্য সুযোগ চান।
স্পিকার জানতে চান তিনি নির্দিষ্ট কোন বিলটি নিয়ে কথা বলতে চান।
জবাবে ওই সংসদ সদস্য বলেন, আমি ‘ব্যাংক রেজোলিউশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ সংরক্ষণের পক্ষে কথা বলছি।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তৎক্ষণাৎ হস্তক্ষেপ করে জানান যে, ওই মুহূর্তে এই ধরনের কোনো বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়নি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এটি তো পেশ করা হয়নি; এই নামে কোনো বিল এখন নেই।
নিজের ভুল বুঝতে পেরে সংসদ সদস্য স্পিকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে নিজ আসনে ফিরে যান। তবে এই অসতর্কতার জন্য স্পিকার অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মাননীয় সদস্য আরও মনোযোগী হবেন। আইন প্রণয়ন কর্মসূচির মধ্যে আপনি বাধা দিচ্ছেন।
এই আলোচনার পর স্পিকার সংসদীয় প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখেন। পরবর্তীতে ‘আমানত সুরক্ষা বিল, ২০২৬’ সর্বসম্মতিক্রমে কণ্ঠভোটে পাস হয়।
পরে অধিবেশন মুলতবি হওয়ার আগে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, প্রথমে যে কার্যতালিকা তাদের দেওয়া হয়েছিল, সেখানে ‘ব্যাংক রেজুলেশন আইন’ ছিল। সেটি আলাদাভাবে আসবে কি না, তা নিয়ে তারা বিভ্রান্তিতে পড়েছেন।
জবাবে স্পিকার সংসদকে আশ্বস্ত করেন যে, উল্লিখিত আইনটি পরবর্তী কোনো সময়ে অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।
১০ দিন আগে
সাইফুল আলম নীরবসহ বিএনপির ১০ নেতা-কর্মীর তিন বছরের কারাদণ্ড
১০ বছর আগে রাজধানীর তেজগাঁও থানার নাশকতার মামলায় যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরবসহ বিএনপির ১০ নেতা-কর্মীকে পৃথক দুই ধারায় তিন বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত এ রায় দেন।
আরও পড়ুন: সিলেটে স্ত্রী ও ২ সন্তানকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড
দণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন- আনোয়ারুজ্জামান ওরফে আনোয়ার কমিশনার, লুৎফর রহমান, শাহীন ওরফে গান্ডু শাহীন, তরিকুল ইসলাম ওরফে ঝন্টু, আমিনুল ইসলাম জাকির, গোলাম কিবরিয়া শিমুল, বিল্লাল হোসেন, শহিদুল ইসলাম ও জাকির হোসেন।
এক ধারায় তাদের ৬ মাস এবং আরেক ধারায় আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এদের মধ্যে সাইফুল আলম নীরব ও আনোয়ার কমিশনার রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন।
রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
পলাতক ৮ আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
জানা যায়, ট্যাক্সিচালক বাবুল ২০১৩ সালের ২৬ মার্চ রাত সাড়ে ৭টার দিকে মহাখালী থেকে তিনজন যাত্রী নিয়ে কারওয়ান বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। রাত ৮টার দিকে ওয়াসা ভবনের সামনে পৌঁছালে কয়েকজন গাড়ি থামিয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়।
এ ঘটনায় বাবুল তেজগাঁও থানায় মামলা করেন।
মামলাটি তদন্ত করে তেজগাঁও থানার সাব-ইন্সপেক্টর মাহবুবুর রহমান ২০১৪ সালের ১৪ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরের বাজারে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে এভারকেয়ারের সিসিইউতে স্থানান্তর
৮৬১ দিন আগে