স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চীনসহ এশিয়ায় স্বাস্থ্য সহযোগিতায় চার অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চীনসহ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারে চারটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
অগ্রাধিকারগুলো হলো: ওষুধ ও স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল স্বাস্থ্য, সুস্থ বার্ধক্য এবং টিকা ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চীনের হাইকোতে অনুষ্ঠিত বিএফএ গ্লোবাল হেল্থ ফোরাম ২০২৬ হাইকু কনফারেন্সে বক্তৃতাকালে তিনি এসব অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ওষুধশিল্প শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং দেশের ওষুধ প্রায় ১৬০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। চীনের বাজারে বাংলাদেশের ওষুধের প্রবেশ সহজ করার পাশাপাশি সক্রিয় ওষুধ উপাদান (এপিআই) উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, গবেষণা এবং স্মার্ট স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়নে চীনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে বাংলাদেশ আগ্রহী।
এআই ও ডিজিটাল স্বাস্থ্য বিষয়ে তিনি বলেন, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও চিকিৎসা শিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের পাশাপাশি অনকোলজি, প্রিসিশন মেডিসিন, রোবোটিক সার্জারি, দীর্ঘমেয়াদি রোগ ব্যবস্থাপনা এবং দূরবর্তী রোগী পর্যবেক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
৩ দিন আগে
হাসপাতালে বাইরে পরীক্ষা করানোর অভিযোগ, সতর্ক করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রোগীদের হাসপাতালের বাইরে পাঠানোর অভিযোগে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) হাসপাতালটিতে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গুর সব ধরনের পরীক্ষা হাসপাতালে করার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে পরীক্ষা করানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ডেঙ্গু ওয়ার্ডও পরিদর্শন করেন।
এ সময় রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালের বাইরে পাঠানোর অভিযোগ পান তিনি। এতে রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।
সাখাওয়াত বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এরপরও রোগীরা যথাযথ সেবা থেকে বঞ্চিত হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।
এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
সম্প্রতি হাসপাতালের সেবার মান ও বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেবাপ্রত্যাশীদের ক্ষোভের বিষয়টি নজরে আসার পর পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ আকস্মিক পরিদর্শনে যান।
৮ দিন আগে
আত্মহত্যা শূন্যের কোটায় আনতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে ঢাকার ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আত্মহত্যাকে ‘না’ বলার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যত বড় বিপদই আসুক না কেন, জীবনের প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। জীবনে ব্যর্থতা আসবেই। ব্যর্থতায় হতাশ না হয়ে সাফল্য অর্জনের জন্য বারবার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। নিরন্তর প্রচেষ্টার মধ্য দিয়েই মানুষ উন্নতির শিখরে আরোহণ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আত্মহত্যাকে ‘না’ বলতে হবে। একই সঙ্গে মা-বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে নিজেদের সমস্যা ও অনুভূতিগুলো ভাগাভাগি করে নিতে হবে। যেসব বিষয়ে মা-বাবা বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বলা সম্ভব হয় না, সেসব বিষয় বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা যেতে পারে। এতে মানসিক চাপ ও হতাশা মোকাবিলায় সহায়তা পাওয়া সম্ভব।
আত্মহত্যা প্রতিরোধে সমাজকে সচেতন করার ওপর জোর দিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গড্ডলিকা প্রবাহে সমাজকে চলতে দিলে সমাজ খুব বেশি দূর এগোতে পারবে না। তাই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে ইতিবাচক চিন্তা, পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সচেতনতার মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
এডিপির চেয়ারম্যান রওশন আরা জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন। এছাড়া সেমিনারে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনের অধ্যক্ষ আফরোজা শারমিন।
৯ দিন আগে
২৫ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হামের সংক্রমণ মোকাবিলায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে আবারও হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে ঢাকায় ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে এসে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছাবে।
তিনি আরও বলেন, হামের টিকাদান ক্যাম্পেইন শেষ করার পরও সংক্রমণ অব্যাহত থাকার বিষয়টি নজরে আসায় সরকার মপ-আপ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে ১৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিগত সরকার দেশে কোনো টিকা রেখে যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকার মাত্র ২১ দিনের মধ্যে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুর জন্য টিকা সংগ্রহ করে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।
এছাড়া ঢাকার হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ কমাতে প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিটি হাসপাতালে আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং মোবাইল হাসপাতালের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়েই রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টারশিয়ারি হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমাতে সোসাইটি অব মেডিসিনের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। এ জন্য জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
৯ দিন আগে
উপজেলা পর্যায়ে স্ট্রোক-পরবর্তী থেরাপি চালুর কথা ভাবছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, উপজেলা পর্যায়ে স্ট্রোক-পরবর্তী থেরাপি সেবা চালু করার বিষয়টি সরকারের ধাপে ধাপে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে এ জন্য প্রয়োজনীয় জনবল, অবকাঠামো ও সরঞ্জাম থাকা সাপেক্ষে এ সেবা চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর (চট্টগ্রাম-১৫) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল ৩টার দিকে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, ডেঙ্গু, সাপের কামড় ও অন্যান্য মৌসুমি রোগের চিকিৎসায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর সরবরাহ এবং মজুত ব্যবস্থাপনাও জোরদার করা হবে।
এছাড়া চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে হামে সন্দেহভাজন ৮৮০ জনের মৃত্যু ও নিশ্চিতভাবে ৯৯ জনের মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত হামে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা ৮৯৭ এবং নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১০০-তে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯৭।
১২ দিন আগে
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের সংখ্যা ৩০,৩১১, প্রয়োজন ৮৮,৯০৯: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী চিকিৎসক ও জনসংখ্যার ন্যূনতম অনুপাত পূরণ করতে দেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন হলেও সরকারি হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে মাত্র ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সংসদে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপির সংসদ সদস্য মো. জাহান্দার আলী মিহার (মাদারীপুর-২) লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে বেলা ৩টার দিকে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী এদিন সংসদে জানান, সরকারের অর্থায়নে ২০২৬ সালে পরিচালিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নির্ধারিত প্রতি এক হাজার মানুষের জন্য শূন্য দশমিক ৫০ জন চিকিৎসকের ন্যূনতম মান পূরণ করতে চলতি বছর বাংলাদেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের অনুমোদিত মোট পদ রয়েছে ৪১ হাজার ৮০৬টি। এর মধ্যে বর্তমানে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন। ফলে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে।
সাখাওয়াত হোসেন জানান, দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে কতজন চিকিৎসক প্রয়োজন, তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্যকর্মী-সংক্রান্ত মানদণ্ড বিবেচনায় নেওয়া হয়।
তবে দেশে চিকিৎসকের মোট সংখ্যা ও সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদ পূরণ ও চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়াতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী সার্জন নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলছে।
সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদগুলো ধীরে ধীরে পূরণ করতে সরবার চলমান নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন পদ সৃষ্টি করা হবে।
১২ দিন আগে
ক্যাম্পেইনের পরও সচেতনতার অভাবে টিকাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে হাম ছড়াচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নিয়মিত টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার পরও নতুন করে টিকাদানের উপযুক্ত হওয়া এবং সচেতনতার অভাবে সময়মতো টিকা না পাওয়া শিশুদের মধ্যে হাম ছড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উপস্থিত ছিলেন।
হামের সংক্রমণ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর দীর্ঘদিন নিয়মিত হামের টিকা ক্যাম্পেইন না হওয়ায় দেশে টিকাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা বেড়ে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। ক্যাম্পেইনের পরও নতুন করে টিকাদানের উপযুক্ত হওয়া শিশুদের একটি অংশ এবং সচেতনতার অভাবে সময়মতো টিকা না পাওয়া শিশুরা টিকাবঞ্চিত থেকে গেছে। ফলে তাদের মধ্যে হাম ছড়াচ্ছে।
তিনি জানান, বিশ্বব্যাংক ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন এনে টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এদিকে, দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালকে দালালমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, একটি চক্র রোগীদের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এই দালাল চক্রকে ধরতে ডিজিএফআই, র্যাবসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একযোগে কাজ করছে।
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে বহু হাসপাতালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানের ফলে আগের তুলনায় দালাল চক্রের উৎপাত কমেছে।
অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান প্রসঙ্গে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জেলাগুলোতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানে অবৈধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লিনিক সিলগালা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, যেসব ক্লিনিকে অবৈধ চিকিৎসক এবং ভুয়া সনদধারী টেকনিশিয়ান দিয়ে অস্ত্রোপচারসহ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে, সেসব প্রতিষ্ঠানও সিলগালা করা হচ্ছে। তিনি নিজে এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা সংগ্রহ করে অভিযান পরিচালনার বিষয়টি তদারকি করছেন বলেও জানান।
হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত এক মাসে ২৫টির বেশি হাসপাতাল পরিদর্শন করে তিনি চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি পেয়েছেন। তাঁর পরিদর্শনের পর রোগীরাও চিকিৎসকদের আচরণ এবং হাসপাতালের খাবারের মান আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
সিলেটে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালগুলোর ড্রেনেজ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার যাবতীয় সমস্যা সাত দিনের মধ্যে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
১৫ দিন আগে
মজুত থাকলেও রোগীকে দেওয়া হচ্ছিলো না স্যালাইন, নিজের টাকায় কিনে দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় মজুত থাকা সত্ত্বেও রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে বলায় এক নার্সের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এরপর ওই রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কেনার টাকা ফেরত দেন তিনি।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, অপারেশন থিয়েটার, ফার্মেসি ও রান্নাঘর ঘুরে দেখে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
প্রায় এক ঘণ্টা পরিদর্শন শেষে তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ে গিয়ে অনুপস্থিত চিকিৎকদের মোবাইল নম্বরে ফোন করে ব্যাখ্যা চান সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়ম পাওয়া গেছে। এখানে স্যালাইন মজুত থাকার পরেও রোগীকে দেওয়া হচ্ছিল না। এছাড়া একজন চিকিৎসককে অনুপস্থিত পাওয়া গেছে। এসব বিষয় নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপকক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। খুব শিগগিরই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে শয্যাসহ সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে।
এ সময় নওগাঁ-০৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও হাসপাতাল ব্যবস্থ্যাপনা কমিটির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ধলু, জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম, ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ ম আখতারুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়ব্রত পালসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় মজুত থাকা সত্ত্বেও রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে বলায় এক নার্সের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এরপর ওই রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কেনার টাকা ফেরত দেন তিনি।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, অপারেশন থিয়েটার, ফার্মেসি ও রান্নাঘর ঘুরে দেখে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
প্রায় এক ঘণ্টা পরিদর্শন শেষে তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ে গিয়ে অনুপস্থিত চিকিৎকদের মোবাইল নম্বরে ফোন করে ব্যাখ্যা চান সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়ম পাওয়া গেছে। এখানে স্যালাইন মজুত থাকার পরেও রোগীকে দেওয়া হচ্ছিল না। এছাড়া একজন চিকিৎসককে অনুপস্থিত পাওয়া গেছে। এসব বিষয় নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপকক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। খুব শিগগিরই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে শয্যাসহ সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে।
এ সময় নওগাঁ-০৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও হাসপাতাল ব্যবস্থ্যাপনা কমিটির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ধলু, জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম, ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ ম আখতারুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়ব্রত পালসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
২৭ দিন আগে
অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে যা যা করার আছে নিশ্চয়ই করব: দীনেশ ত্রিবেদী
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৯ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, তাদের ব্যাপারে যা যা করার আছে, তা নিশ্চয়ই করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর হাইকমিশনার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ ৯ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
এই ঘটনার বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে হাই কমিশনার বলেন, ‘খুব দুঃখের কথা। এ ব্যাপারে যা যা করার আছে, আমরা নিশ্চয়ই করব।’
সেখানে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, ঘটনার তদন্ত করা হবে কি না—সাংবাদিকরা এসব বিষয় জানতে চাইলে দীনেশ ত্রিবেদী কোনো উত্তর দেননি।
পরে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এটি ছিল সম্পূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ। ভারতে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার প্রসঙ্গ আমি ওঠাইনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘উনারা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দিয়েছেন, এটা শুধু বলেছেন। তারা আশা করছেন তিনি যাবেন।’
৩০ দিন আগে
শুধু ওষুধ বা স্যালাইন দিয়ে এসডিজি অর্জন সম্ভব নয়, রোগ প্রতিরোধে জোর দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, শুধু ওষুধ বা স্যালাইন দিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) গোল অর্জন সম্ভব নয়, এর জন্য সবার আগে রোগ প্রতিরোধে (প্রিভেনশন) জোর দিতে হবে। এসডিজি অর্জনে শুধুমাত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর না করে পানি, শিক্ষা, সমাজকল্যাণ ও স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা ও যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়ন ও পর্যালোচনা সম্পর্কিত জাতীয় সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা ও জেন্ডার বৈষম্য কমানোর পাশাপাশি এসডিজি গোল-৩ অর্জনের জন্য স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে পানি, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণের মতো খাতগুলোকে একত্র করতে হবে। শুধু ওষুধ বা স্যালাইন দিয়ে এসডিজি গোল অর্জন সম্ভব নয়; এর মূল ভিত্তি হতে হবে রোগ প্রতিরোধ, যার ওপর প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছেন।’
গ্রামাঞ্চলের স্যানিটেশন ব্যবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করতে ও রোগ প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করতে হবে। বাজারঘাট বা সব জায়গায় ময়লা হাত দিয়ে ধরার পর সেই হাত ও টাকা দিয়েই আবার লেনদেন করা হচ্ছে—আমাদের এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও জীবনযাত্রা পরিবর্তন করতে হবে।’
উপকূলীয় এলাকার পানির সংকটের কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট ও লবণাক্ততার কারণে মানুষ হলুদ পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছে। গত মাসে প্যারিস কনফারেন্সে আমি বিষয়টি তুলে ধরেছি যেখানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আশ্বাস মিলেছে। পাশাপাশি, শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ফোন বা স্ক্রিনে আসক্তি ও জাঙ্ক ফুড বা ফাস্টফুডের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচাতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।’
পরিকল্পনা কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর একা দায়িত্ব চাপালে এসডিজি অর্জন সম্ভব নয়। পানি, স্বরাষ্ট্র, সমাজকল্যাণ ও স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে নিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। অন্তত প্রতি দুই মাসে একবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো বৈঠকে বসে যৌথভাবে তা বাস্তবায়ন করলেই কেবল কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।’
সম্মেলনে তিনি বাল্যবিয়ে রোধ, মায়েদের সচেতনতা, বুকের দুধ খাওয়ানোর গুরুত্ব এবং শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে শাকসবজি ও পুষ্টির প্রচলনের ঐতিহাসিক দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বিচ্ছিন্নভাবে বিচ্ছিন্ন কোনো উদ্যোগ নয়, সব মন্ত্রণালয়ের যৌথ কর্মপদ্ধতি ও বাস্তবায়নের মাধ্যমেই এসডিজি লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।’
সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও অতিথি হিসেবে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ বক্তৃতা করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীমসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৩৯ দিন আগে