স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইউএইচএফপিওকে না পেয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অপেক্ষা
মাদারীপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে (ইউএইচএফপিও) কর্মস্থলে পাননি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। পরে তার জন্য হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অপেক্ষা করেন মন্ত্রী।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জেলার কালকিনি উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে বলে তথ্য অধিদপ্তরের তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়েছে।
পরিদর্শনকালে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই নার্সকে অন্যত্র বদলির নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
এছাড়া দেরিতে কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া ইউএইচএফপিও ও কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জনগণের অর্থ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এর ফলে স্বাস্থ্য খাত শোচনীয় অবস্থায় পৌঁছেছিল। ওই সময়ে জনবল, টিকা ও ওষুধের সংকট ছিল প্রকট।
হাসপাতালে আউটসোর্সিং ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে জনবল সংকট রয়েছে, সেখানে পর্যায়ক্রমে জনবল বাড়ানো হবে। দুর্নীতি বন্ধ করে সীমিত বাজেটের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোথাও অনিয়ম পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়েছে এবং অনিয়ম পাওয়া গেলে সেগুলো বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
পরে মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।
এ সময় মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহান্দার আলী মিয়া, জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার, জেলা পুলিশ সুপার মো. ফজলে এলাহীসহ হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেছেন, এসব মিডওয়াইফ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারীদের স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের প্রাথমিক শনাক্তকরণ, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদানে ভূমিকা রাখবেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) নরসিংদীর মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অসহায় ও দুস্থ নারী এবং কর্মজীবী নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন ও গাছের চারা বিতরণ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে এসব ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। স্তন ক্যান্সার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাউন্সেলিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পাশাপাশি জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে সরকার ইতোমধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি চালু করেছে। নারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান তিনি।
মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেলাব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাইলাতুল হোসেন, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর বাদশা, মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনির, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল হান্নান মিয়া, উপজেলা বিএনপির সদস্য গোলাম মোস্তফা ও উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মাসুদুর রহমান সোহাগসহ অনেকে।
৪ দিন আগে
অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রোগী পরিবহনে ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার। আগামী অর্থবছরের মধ্যে এসব অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নির্ধারিত পার্কিংয়ের দাবিতে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে বুধবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দুর্ভোগে পড়েন রোগী ও তাদের স্বজনরা। এ পরিস্থিতিতে মন্ত্রী অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের পরিকল্পনার কথা জানালেন। পরে বুধবার সাত দিনের জন্য ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সর্বপ্রথম শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উপজেলা পর্যায়ে ১৯ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালগুলোকে ৩১ ও ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন।
বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপজেলা পর্যায়ে ১৫১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়াতে হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
নারী ও শিশুস্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত ১৫১ শয্যার হাসপাতালগুলোতে ১০টি ডায়ালাইসিস শয্যা, প্রসূতি নারীদের জন্য ২০ শয্যার একটি ওয়ার্ড ও শিশুদের জন্য ২০টি শয্যা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া নারী ও পুরুষদের জন্য ফিজিওথেরাপি সেবা এবং ব্রেস্টফিডিং সেন্টার থাকবে বলেও জানান তিনি।
মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ আগের তুলনায় ভালো মনে হয়েছে। তবে কিছু অনিয়ম ও ত্রুটি রয়েছে, যা সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে।
এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
৬ দিন আগে
কুমিল্লায় অনুপস্থিত ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে পাঁচ চিকিৎসককে অনুপস্থিত দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, হাসপাতালে ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন, প্রসূতিদের জন্য ২০ শয্যার ওয়ার্ড, নবজাতকদের জন্য ২০ শয্যার ব্যবস্থা, পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেবা ও ব্রেস্টফিডিং সেন্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
আগামী ১৫ থেকে ১৬ দিনের মধ্যে এ প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
এছাড়া আগামী ১ নভেম্বর নতুন করে যোগ দিতে যাওয়া ৪৮ জন চিকিৎসকের মধ্য থেকেও মুরাদনগর হাসপাতালে চিকিৎসক পদায়নের আশ্বাস দেন তিনি।
হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আগের তুলনায় উন্নতি দেখলেও বর্জ্য ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন সাখাওয়াত হোসেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মান আগের চেয়ে কিছুটা উন্নত হয়েছে। তবে পরিদর্শনে কিছু অনিয়ম ও অসংগতি ধরা পড়েছে। ডেপুটেশনে থাকা চিকিৎসকদের হাসপাতালে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মান উন্নয়নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ জনপদের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমান সরকার নারীদের চিকিৎসাসেবায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
পাশাপাশি শিশুদের জন্য পৃথক চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে খুব শিগগিরই দরপত্রের মাধ্যমে কাজ শুরু হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
৬ দিন আগে
দুই বছরের মধ্যে জেলা পর্যায়ে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ক্যানসারের চিকিৎসা সম্প্রসারণে দুই বছরের মধ্যে জেলা পর্যায়ে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ক্যানসারের চিকিৎসা শুধু বিভাগীয় শহরকেন্দ্রিক না রেখে জেলা পর্যায়েও পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে স্বাস্থ্যখাতকে জনমুখী করে নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। এ লক্ষ্যে দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে চলছে।
স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে ওষুধের সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রোগীদের খাবারের মানও উন্নত করা হয়েছে। ফলে রোগীদের মধ্যে সন্তুষ্টি বাড়ছে।
চিকিৎসাসেবায় বাংলাদেশ খুব বেশি পিছিয়ে নেই উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও উন্নতি করার সুযোগ রয়েছে। অতীতে অনিয়ম ও লুটপাটের কারণে স্বাস্থ্যখাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে কাজ করছে।
পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় চিকিৎসকদের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসকরা আমাদের সম্পদ। দেশের যেকোনো সংকটে তারা মানুষের সেবায় ঝাঁপিয়ে পড়েন। তারা দিন-রাত পরিশ্রম করেন এবং মানুষের কল্যাণে যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকেন।চিকিৎসকরা রোগীদের ভালোবাসেন।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাঈদ ফারহাত আনোয়ার।
এ সময় জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোস্তাফা আজিজ সুমন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দীন রুমি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. হাসিন অনুপমা আজহারিসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
৮ দিন আগে
কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম হবে ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সেন্টার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশের সব কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম পরিবর্তন করে ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সেন্টার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ময়মনসিংহে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শনকালে সরকারের স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে সকালে মন্ত্রী ফুলবাড়িয়া ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। পরে তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে যান।
মমেক হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়মে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী, যার মধ্যে ছিল ময়লার স্তূপে চিকিৎসা সরঞ্জাম পাওয়া এবং চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো কর্মস্থলে উপস্থিত না হওয়া।
দুপুরের দিকে হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি প্রসূতি ওয়ার্ড, হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড ও ডেঙ্গু ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এ সময় চিকিৎসার মান, ওয়ার্ডের পরিবেশ ও শৌচাগারগুলোর অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচতলায় ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। হাসপাতালের ময়লার স্তূপে ব্যবহৃত ক্যানুলা, সিরিঞ্জ ও অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম পাওয়ার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি।
দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং সময়মতো হাসপাতালে উপস্থিত না হওয়া কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান সাখাওয়াত হোসেন।
এছাড়া গাইনি ওয়ার্ডের একজন রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে হলো কেন, তা জানতে চান তিনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
এছাড়া এক মাসেরও বেশি সময় আগে হাসপাতালে হওয়া অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে দেরি হওয়ার কারণও জানতে চান তিনি। কর্তৃপক্ষ জানায়, ছুটির কারণে প্রতিবেদন জমা দিতে দেরি হচ্ছে।
এর আগে ফুলবাড়িয়া ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনের সময় উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, দুটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সই ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
এছাড়া আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার বড় আকারের দরপত্র আহ্বান করা হবে। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে জেলা-উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক সংকট পূরণ, সরঞ্জামাদি ও অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর নাম পরিবর্তন করে ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সেন্টার করা হবে।
পরিদর্শনকালে মমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার সাহা, জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১০ দিন আগে
তৃণমূলে স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
তৃণমূল পর্যায়ে স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং কার্যক্রম চালু করতে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দ্রুত নতুন চিকিৎসক ও মিডওয়াইফ নিয়োগ এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ‘ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতা মাস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্য অধিদপ্তরের তথ্যবিবরণী অনুযায়ী, নারীদের মধ্যে স্তন ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
দেশে স্তন ক্যানসারের প্রকোপ বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু শহর নয়, গ্রামাঞ্চলেও নারীরা এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সচেতনতা ও চিকিৎসার অভাবে অনেক নারী সময়মতো রোগ শনাক্ত করতে পারেন না। ফলে যথাযথ চিকিৎসার সুযোগ থেকেও অনেকে বঞ্চিত হন।
স্তন ক্যানসার একজন নারীর শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় গভীর প্রভাব ফেলে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু সভা-সেমিনার আয়োজন কিংবা টেলিভিশনে প্রচারের মাধ্যমে প্রকৃত সচেতনতা তৈরি সম্ভব নয়। এ জন্য চিকিৎসকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।’
এ সময় চিকিৎসকদের নিজ নিজ এলাকায় সচেতনতা তৈরিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আপনারা দেশের সবচেয়ে মেধাবী সন্তান। বছরে অন্তত দুই-তিন দিন নিজের গ্রামে ফিরে যান। স্থানীয় নারীদের একত্র করে স্তন ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ এবং কীভাবে এ রোগ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হয়, তা শেখান। এটি মানবতার সেবা এবং মহৎ কাজ।’
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাছির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
দেশে প্রতি এক লাখ নারীর মধ্যে ১৫ জনের স্তন ক্যানসার শনাক্ত হয় বলে জানিয়ে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আক্রান্ত নারীদের প্রায় ৬৩ শতাংশ কোনো ধরনের স্ক্রিনিংয়ের আওতায় আসেন না। ফলে অনেক ক্ষেত্রে রোগটি দেরিতে শনাক্ত হয়, যা চিকিৎসাকে জটিল করে তোলে।
এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও স্ক্রিনিং কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
১৬ দিন আগে
দুর্গাপূজায় এবার সর্বোচ্চ অনুদান দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাধীনতার পর এবার দুর্গাপূজা উদযাপনে সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার তামাকান্দা গ্রামে দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি। তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি একটি অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনায় বিশ্বাসী। তার নেতৃত্বে সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।
তিনি আরও বলেন, পূজা নির্বিঘ্ন ও আনন্দমুখর করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থেকে পূজা উদযাপনে সহযোগিতা করছেন বলে জানান তিনি।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরকার সবসময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
এ সময় তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি বজায় রেখে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মনোহরদী ও বেলাব উপজেলার ৮০টি পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন এবং অসহায় মানুষের মধ্যে শাড়ি বিতরণ করেন।
বেলাব উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবীব বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, বেলাব উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এম এ কাদের জলিল, মনোহরদী পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল হান্নান মিয়া, মনোহরদী পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি রাজিব রায় ও সাধারণ সম্পাদক সুকোমল মোদকসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
১৭ দিন আগে
চিকিৎসক বদলিতে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচিত হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়নে রাজনৈতিক পরিচয় বা কোনো ধরনের প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অটোমেশন পদ্ধতিতে চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়ন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অটোমেশন পদ্ধতিতে চিকিৎসকদের তাদের পছন্দ, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়ন করা হচ্ছে। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় এ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে ব্যক্তিগত পরিচয়, রাজনৈতিক বিবেচনা কিংবা অন্য কোনো প্রভাবের সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, অটোমেশন পদ্ধতির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করে ভবিষ্যতে পুরো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটি একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সরকার এ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করতে চায়।
এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়ন করা হলেও অতীতে, বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে এ ক্ষেত্রে দলীয়করণ, দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে।
অতীতে স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি ও ভঙ্গুর অবস্থার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, সে সময় যোগ্য ব্যক্তিদের যথাযথ মূল্যায়ন না করে দলীয় বিবেচনায় বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়ায় স্বাস্থ্যব্যবস্থা সংকটের মুখে পড়েছিল। এসব তথ্য সংবাদমাধ্যমেও বারবার উঠে এসেছে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশিদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেনসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৯ দিন আগে
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে ‘ন্যাশনাল হেলথ প্রোটেকশন অথরিটি ইন বাংলাদেশ: ডিজাইন অ্যান্ড স্ট্রাকচারাল অ্যাসপেক্টস’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্য অধিদপ্তরের তথ্যবিবরণী অনুযায়ী, দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একসঙ্গে সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা কঠিন। তাই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে পাইলট কর্মসূচির মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন ও এর কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি বলেও মত দেন সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের আইন পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্যবিমার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সাধারণ মানুষকে নিজের পকেট থেকে বিপুল অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। এতে তারা আর্থিক দুর্ভোগে পড়েন, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
গর্ভকালীন সময়ে মা ও নারীদের যেন কোনো ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতি বা হেনস্তার শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে ওয়ান-স্টপ সার্ভিসে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে স্তন ক্যানসার ও জরায়ুমুখের ক্যানসার শনাক্তকরণে স্ক্রিনিং ও পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে
কম খরচে পর্যায়ক্রমে উপজেলা পর্যায়ে এ সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
কর্মশালায় স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও চ্যালেঞ্জ দূর করতে সবাইকে সততা, নিষ্ঠা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া দেশের প্রতিটি স্তরে পর্যায়ক্রমে উন্নত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট আয়োজিত এ কর্মশালায় ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. এনামুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৯ দিন আগে